সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার দীর্ঘদিনের আইনি জট ও জটিলতার অবসান ঘটেছে। নিয়োগ পরীক্ষা চালুর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও পরীক্ষা অনুষ্ঠানের নির্দিষ্ট তারিখ বা সময়সূচি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
পিএসসির বাৎসরিক সার্কুলারের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ১ হাজার ১২২টি পদের বিপরীতে ৭ রাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। সেই হিসেবে প্রতিটি পদের বিপরীতে প্রায় ৬২৪ জন প্রার্থী লড়াই করবেন।
পিএসসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিপুল পরিমাণ প্রার্থীর পরীক্ষা আয়োজনে প্রায় ১১ কোটি টাকার বাজেট প্রয়োজন। পাশাপাশি ঢাকাকেন্দ্রিক বিশাল সংখ্যার পরীক্ষার্থীদের আবাসন ও পরীক্ষার হল ব্যবস্থাপনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
আদালত থেকে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের পর পুনরায় পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করা হলেও জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট তারিখ চূড়ান্ত হলে অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা প্রকাশ করা হবে।
পরীক্ষা পদ্ধতি ও ১০০ নম্বরের মানবণ্টন
পিএসসি কর্তৃক এই প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৯০ নম্বরের। উত্তীর্ণ হতে প্রার্থীদের ন্যূনতম ৫০% নম্বর (৪৫ নম্বর) পেতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা পরবর্তী ধাপে ১০ নম্বরের ভাইভা বা মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।
প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে এবং বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক শৃঙ্খলায় ‘চেইন অব কমান্ড’ বজায় রাখতে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করা জরুরি। সংশ্লিষ্টদের মতে, শূন্য পদ পূরণের মাধ্যমে প্রশাসনিক স্থবিরতা কেটে গিয়ে সারা দেশে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার গতি বৃদ্ধি পাবে।








