• ই-পেপার

বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

১ মাসে যোগ বিয়োগ শেখাতে না পারলে শিক্ষক বরখাস্ত হবেন : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
১ মাসে যোগ বিয়োগ শেখাতে না পারলে শিক্ষক বরখাস্ত হবেন : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শিক্ষার্থীদের এক মাসের মধ্যে যোগ ও বিয়োগ শেখাতে না পারলে সংশ্লিষ্ট গণিত শিক্ষক ও দায়িত্বরত শিক্ষা কর্মকর্তারা বরখাস্ত বা সাসপেন্ড হবেন।

সম্প্রতি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ নির্দেশ দিয়েছেন।

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের যোগ-বিয়োগ পারার কথা, যদি না পারে সবাইকে একসঙ্গে এক ক্লাসে যোগ বিয়োগ শিখাবেন। এক মাসে আগে যোগ বিয়োগ, অন্য সব ভুলে যান। ক্যালকুলেশন, ফ্র্যাকশন-ট্র্যাকশন সব ভুলে যান, আগে যোগ বিয়োগ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, একই সঙ্গে বাংলা রিডিং যারা পারে না, সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে আসবেন। এখানে কার বয়স কত, সেটি ইম্পর্টেন্ট না। এটা আপনি চিন্তা করবেন রেমিডিয়াল ক্লাস, মানে ওই রেগুলার ক্লাস করব, ঘুমাবো, তারপর আবার রেডি করব, তা না। আমি এক্সট্রা টাইমের কথা বলছি না। ওই টাইমের ভেতরে রেডি হবে।

শিক্ষককে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘কালকে এসে আপনি রিভিউ করবেন, রিভিউ করে টিও সাহেবকে জানাবেন, টিও সাহেব রিপোর্ট করবেন। ডিপিও সাহেব এটা কিন্তু শক্তভাবে দেখবেন। সেপ্টেম্বরের এক তারিখে আমি ডিপিওর কাছ থেকে রিপোর্ট দিব আপনার স্কুলের কি হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি এক মাস পর রিপোর্ট চাই, ওই টিচার যদি শিখাইতে না পারে তাহলে সাসপেন্ডেড হবে। সেপ্টেম্বরের এক তারিখে আমি ডিপিওর কাছ থেকে রিপোর্ট নেব আপনার স্কুলের কি হয়েছে এবং যদি তার ভিতরে এইটুকু আপস্কেলিং করতে না পারেন তিনি সাসপেন্ডেড হবেন।’

 

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঠিক হয়নি : সিইসি

অনলাইন ডেস্ক
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঠিক হয়নি : সিইসি
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে বৈঠক করেছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে ইসির একটি প্রতিনিধিদল। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে সিইসি জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত। তবে চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঠিক হয়নি। পরবর্তী সময়ে দিনক্ষণের বিষয়টি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। এখন শুধু প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। 

সিইসি আরো বলেন, ‘নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক হলে একধরনের ব্যবস্থা, আবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হলে আরেক ধরনের ব্যবস্থা। অধিবেশনে থাকলে একধরনের ব্যবস্থা, না থাকলে আরেক ব্যবস্থা।’

এসব বিষয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিইসি।

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্যের সাম্প্রতিক ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, সংসদ সচিবালয় থেকে বিষয়টি রেফার করা হলে নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নেবে।

 

দায়িত্ব শেষে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
দায়িত্ব শেষে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক আইনি সুরক্ষা শুধু তিনি দায়িত্বে থাকা পর্যন্ত কার্যকর থাকে। দায়িত্ব শেষ হলে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।’

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে কোনো আইনি কার্যক্রম শুরু করা যায় না। তবে এ সুরক্ষা শুধু তার দায়িত্ব থাকা সময়ের জন্য প্রযোজ্য। তিনি দায়িত্ব ছাড়ার পর, দায়িত্ব গ্রহণের আগে বা পরে সংঘটিত কোনো অভিযোগ বা আইনগত বিষয়ে প্রয়োজন হলে তার বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তিনি বর্তমান বিদায়ি রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করে এ মন্তব্য করছেন না, বরং এটি একটি সাধারণ সাংবিধানিক ব্যাখ্যা। এ বিষয়ে যে বিভ্রান্তি ছিল, তা দূর হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা বলেন, আদালত সরকার নয়, আদালত একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ সব আদালতেই জনগণ ন্যায়বিচারের জন্য যেতে পারেন।

তিনি বলেন, কোনো কোনো মামলায় সরকার একটি পক্ষ হতে পারে, তবে আদালত স্বাধীনভাবেই সিদ্ধান্ত দেয়। আবার অনেক ক্ষেত্রেই সরকার কোনো মামলার পক্ষও থাকে না।

তিনি আরো বলেন, সরকারের বিরুদ্ধেও অসংখ্য রিট হয় এবং উচ্চ আদালতে বহু মামলায় সরকার পরাজিত হয়। তাই সরকার বিচার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করছে—এমন অভিযোগের ভিত্তি নেই। 

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আমি আপনাকে নিশ্চিত করতে পারি, এখন আদালতে সব কিছুই যাচ্ছে এবং আদালত স্বাধীনভাবে তার কাজ করছে। 

‘কারাগারে বসে ভিডিও কলে হাসিনার ফেরার বার্তা’– যা বলল কারা কর্তৃপক্ষ

অনলাইন ডেস্ক
‘কারাগারে বসে ভিডিও কলে হাসিনার ফেরার বার্তা’– যা বলল কারা কর্তৃপক্ষ
সংগৃহীত ছবি

কারাগারে বসে ভিডিও কলে শেখ হাসিনার ফেরার বার্তা দিচ্ছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা’ শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওটি বিভ্রান্তিকর এবং ভিডিওটির কোনো অংশই লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারের নয় বলে জানিয়েছে কারা অধিদপ্তর। 

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) জান্নাত-উল-ফরহাদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, গত ২৭ জুলাই ফেসবুকে একটি গণমাধ্যমের পেজে প্রকাশিত ভিডিওটি নিয়ে কারা কর্তৃপক্ষ ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়ে নিশ্চিত হয়েছে যে, ভিডিওটির কোনো অংশই লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারের ভেতরে ধারণ করা হয়নি।

কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ জুলাই সন্ত্রাস দমন আইনের একটি মামলায় হাজতি মির্জা আশরাফুজ্জামান ও হাজতি মো. নাঈম হোসেনকে লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগার থেকে আদালতে হাজিরার জন্য নেওয়া হয়। আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থানকালে তারা ভিডিও কলে একজন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেন এবং সেখানে উপস্থিত অন্য একজন সেই দৃশ্য ধারণ করেন, পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করেন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদে সংশ্লিষ্ট বন্দিরাও বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

কারা অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা আরো জানান, কারাগারের মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার জনমনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের ভিডিও বা সংবাদ প্রচার করা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং প্রচলিত আইনেরও পরিপন্থী। ঘটনাটি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট বন্দিদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কারাগারের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কারা অধিদপ্তর সব সময় কঠোর অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশের আগে যথাযথ তথ্য যাচাই করে দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক ভূমিকা পালনের জন্য গণমাধ্যম ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কারা অধিদপ্তর।