• ই-পেপার

রুয়েটের উপউপাচার্য হলেন ড. আখতার হোসেন

দ্বিতীয় শিফটে শিক্ষার্থী শূন্য

১৫ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল-কলেজের কাছে ব্যাখ্যা চাইল অধিদপ্তর

অনলাইন ডেস্ক
১৫ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল-কলেজের কাছে ব্যাখ্যা চাইল অধিদপ্তর

দেশের ১৫টি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে দ্বিতীয় শিফটে কোনো শিক্ষার্থী না থাকায় ব্যাখ্যা তলব করেছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জনবলের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অধ্যক্ষদের কাছে শিক্ষার্থী শূন্যতার কারণ ব্যাখ্যা ও শিক্ষক-কর্মচারীদের কাজের তথ্য চাওয়া হয়েছে।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়, অনলাইনে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, ১৫টি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে বর্তমানে দ্বিতীয় শিফটে কোনো শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত নেই। দ্বিতীয় শিফটে শিক্ষার্থী না থাকার কারণ উদঘাটন করে সমাধান এবং জনবলসহ সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

পরিস্থিতির সমাধান ও সার্বিক অবস্থা মূল্যায়নে সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষদের তিনটি বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে দ্বিতীয় শিফটে শিক্ষার্থী ভর্তি না হওয়ার কারণ এবং এর সমাধানের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা; শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তার বিস্তারিত প্রমাণসহ তথ্য; দ্বিতীয় শিফটে কর্মরত শিক্ষক ও কর্মচারীরা বর্তমানে কী ধরনের দায়িত্ব পালন করছেন তার প্রমাণসহ বিবরণ।

চিঠি পাওয়ার ৩ কার্যদিবসের মধ্যে এসব বিষয়ে মতামত ও প্রয়োজনীয় তথ্যাদি কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে।

তলব করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো–মাদারীপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, গোপালগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, শরীয়তপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, বান্দরবান সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, পিরোজপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, ঝালকাঠি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, ভোলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, পটুয়াখালী সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, বরগুনা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, বাগেরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, নড়াইল সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, নওগাঁ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, নাটোর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এবং জয়পুরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ।

কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত জমিতে খেলার মাঠ করার নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত জমিতে খেলার মাঠ করার নির্দেশ

মহানগরসহ দেশের গ্রামীণ জনপদে খেলার মাঠের সুব্যবস্থা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত জমি খেলার মাঠে রূপান্তরের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক আদেশে এ কথা বলা হয়।

অধিদপ্তরের অধীন টেকনিক্যাল টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ প্রধানদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের কোনো অব্যবহৃত জমি থাকলে তা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) নির্দিষ্ট ডিজাইন অনুসরণ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে খেলার মাঠে রূপান্তরের উদ্যোগ নিতে হবে।

একই সঙ্গে খেলার মাঠ তৈরির উপযোগী জমির পরিমাণ, তফসিল ও মৌজা ম্যাপে অবস্থান চিহ্নিত করে তা কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া, প্রতিষ্ঠানসমূহের বর্তমানে ব্যবহৃত মাঠগুলো প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)-এর মাধ্যমে সংস্কার করে ক্রীড়ার অনুপযোগী মাঠকে ব্যবহার উপযোগী করে তোলার ওপর তাগিদ দেওয়া হয়।

আদেশে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের গৃহীত কার্যক্রমের প্রতিবেদন ই-মেইলে ([email protected]) কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে।

ঢাবিতে নীল দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও শাস্তির দাবিতে উপাচার্যকে স্মারকলিপি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবিতে নীল দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও শাস্তির দাবিতে উপাচার্যকে স্মারকলিপি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ‘নীল দল’-এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং সংগঠনটির চিহ্নিত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষকমণ্ডলী’। সোমবার (২৭ জুলাই) তারা এই স্মারকলিপি প্রদান করেন।

স্মারকলিপিতে নীল দলের বিরুদ্ধে গত দেড় দশকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের তল্পিবাহক হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ক্ষুণ্ন করা, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নগ্নভাবে শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং ভিন্নমতের শিক্ষক ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়নের অভিযোগ আনা হয়েছে।

জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে নীল দলের বিতর্কিত ভূমিকার কথা উল্লেখ করে স্মারকলিপিতে বলা হয়, ১৬ জুলাই আবু সাঈদসহ শত শত শিক্ষার্থী নিহতের পর ১ আগস্ট সংবাদ সম্মেলন করে নীল দলের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের ‘রাষ্ট্রদ্রোহী মহলের ষড়যন্ত্রের ক্রীড়নক’ আখ্যা দিয়ে ছাত্রহত্যার পক্ষে অবস্থান নেন। পাশাপাশি সরকারের পদত্যাগ দাবি করায় সাদা দলের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করার হুমকিও দিয়েছিলেন তারা। এ ছাড়া ৩ আগস্ট মানববন্ধন করে নীল দল শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদেরই নাশকতার জন্য দায়ী করে।

এক দফা দাবি ঘোষণার পর ৩ আগস্ট রাতে নীল দলের শিক্ষকরা গণভবনে গিয়ে তৎকালীন স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রীকে প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন দেন এবং কয়েকজন শিক্ষক আন্দোলনকারীদের দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেওয়ার সুপারিশ করেন বলে স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়। আন্দোলনকারীদের নির্যাতন করার উদ্দেশ্যে ক্যাম্পাসের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ ও সন্ত্রাসী ছাত্রলীগকে সরবরাহের অভিযোগও আনা হয় তাদের বিরুদ্ধে।

স্মারকলিপিতে আরো বলা হয়, ১৫ জুলাই শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের সশস্ত্র হামলার সময় প্রশাসন ও নীল দলের শিক্ষকরা কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো সন্ত্রাসীদের সহায়তা করেছেন। ১৭ জুলাই তড়িঘড়ি করে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়। তৎকালীন উপাচার্য মাকসুদ কামাল শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার বদলে তাদের বহিষ্কারের কথা বলেন। এ বিষয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও স্মারকলিপিতে জানানো হয়।

গত ১৭ বছরের কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, নীল দলের শিক্ষকরা ভিন্নমতের ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের তথ্য সন্ত্রাসীদের কাছে সরবরাহ করেছেন এবং সিনেট অধিবেশনে অমানবিক ‘গেস্টরুম’ ও ‘গণরুম’ সংস্কৃতিকে নির্লজ্জভাবে অস্বীকার করেছেন। এসব সংস্কৃতির প্রতিবাদ করা সাদা দলের শিক্ষকদের যৌক্তিক বক্তব্য তারা আক্রমণাত্মকভাবে এক্সপাঞ্জ করার মতো নজিরবিহীন ঘটনা ঘটিয়েছেন।

এ ছাড়া ভিন্নমতের শিক্ষকদের তারা পদে পদে হেনস্তা ও পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করেছেন। এসব কারণ উল্লেখ করে অবিলম্বে নীল দলের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও জড়িত শিক্ষকদের দ্রুত শাস্তির জোর দাবি জানানো হয়।

ববির নতুন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. আবদুল আলিম বছির

ববি প্রতিনিধি
ববির নতুন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. আবদুল আলিম বছির
সহযোগী অধ্যাপক ড. আবদুল আলিম বছির। সংগৃহীত ছবি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) নতুন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবদুল আলিম বছির।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষে সহকারী রেজিস্ট্রার (প্রশাসন) ড. মোছা. সানজিদা সুলতানা ও জিনিয়া খান ঝিনুক স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, ড. আবদুল আলিম বছির নিজ বিভাগের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী তিনি এ দায়িত্বের জন্য নির্ধারিত ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। তাঁর যোগদানের তারিখ থেকেই এ আদেশ কার্যকর হবে।

একই আদেশে পূর্ববর্তী ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. হুমায়ুন কবীরকে অতিরিক্ত দায়িত্ব সফলভাবে পালন করায় ধন্যবাদ জানিয়ে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তিনি পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অফিসের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে কর্মরত থেকে গত ২৯ এপ্রিল থেকে ২৭ জুলাই ২০২৬ (পূর্বাহ্ণ) পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করেন।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, নির্ধারিত তারিখে বিদায়ী ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন এবং নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. আবদুল আলিম বছির আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।