• ই-পেপার

জরুরি ভিত্তিতে দুর্গত অঞ্চলে খাবার ও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছান : সাইফুল হক

সোমবার শোক দিবস পালন করবে বিএনপি

অনলাইন ডেস্ক
সোমবার শোক দিবস পালন করবে বিএনপি

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে সোমবার (১৩ জুলাই) ঢাকাসহ সারা দেশে শোক দিবস পালনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।

রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে রুহুল কবীর রিজভী বলেন, ‘মরহুম ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে বিএনপি এক দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করছে। সোমবার দেশব্যাপী শোক দিবস পালন করা হবে। এ উপলক্ষে দলীয় সব কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে এবং নেতাকর্মীরা প্রত্যেকে কালো ব্যাজ ধারণ করবেন।’

এ সময় দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল পানিতে ডুবে গেছে। বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং দলের চেয়ারম্যান দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।’

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল, আবদুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ডা. জাহিদ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, রবিবার ভোর ৪টা ১৮ মিনিটে শ্যামলীর স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জমির উদ্দিন সরকার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।

চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না
ছবি : কালের কণ্ঠ

মাথায় ত্রাণের বস্তা নিয়ে চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত বাঁশখালী উপজেলায় বন্যাদুর্গত মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটে চলছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না।

রবিবার (১২ জুলাই) সকাল থেকে তিনি চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সরেজমিনে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নিয়ে তাদের হাতে হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দিচ্ছেন।

এ সময় যুবদল সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাম্যের ভিত্তিতে ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। মানবিক জায়গা থেকে আমি চট্টগ্রাম আসছি, এটি আমার দায়িত্বেরও বিষয়। আমি আসাতে আমাদের দলীয় নেতাকর্মীরা আরো উৎসাহ পাবেন।’

যুবদল সভাপতি রবিবার সকাল থেকে দুপুরে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাঁশখালীর গুনাগরি, ইলিসা, বাহারছড়া এবং সাতকানিয়ার এঁওচিয়া ইউনিয়নের ত্রাণ বিরতণ করেছেন। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে যুবদলের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে বিরোধীদলীয় নেতার শোক

অনলাইন ডেস্ক
কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে বিরোধীদলীয় নেতার শোক

কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

রবিবার (১২ জুলাই) এক শোক বার্তায় জামায়াত আমির বলেন, ‘শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি ১২ জুলাই ৭৪ বছর বয়সে ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আমি তার ইন্তিকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি।’

তিনি বলেন, ‘শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি ছিলেন মুসলিম উম্মাহর এক দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ নেতা। ১৯৯৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত কাতারের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার গতিশীল নেতৃত্বে কাতার শিক্ষা, অর্থনীতি, জ্বালানি খাত ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছায়। বিশেষ করে ২০১৩ সালে তার ছেলে বর্তমান আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির কাছে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে এক বিরল ও অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন।’

ডা. শফিকুর রহমান আরো বলেন, ‘তার ইন্তিকালে বিশ্ববাসী এবং বিশেষ করে মুসলিম উম্মাহ একজন প্রজ্ঞাবান ও দরদি অভিভাবককে হারাল। বাংলাদেশ ও কাতারের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়ন এবং এ দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তার অবদান অনস্বীকার্য। আমরা বাংলাদেশের জনগণ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে কাতারের রাজপরিবার এবং ভ্রাতৃপ্রতিম কাতারবাসীর প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জ্ঞাপন করছি।’

একই সঙ্গে তিনি শোকসন্তপ্ত রাজপরিবার ও কাতারের জনগণকে এই অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য ধৈর্য ধারণের তাওফিক কামনা করেন।
 

‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’—এটার মধ্যে একটা স্বৈরাচারী মনোভাব আছে : প্রতিমন্ত্রী নুর

অনলাইন ডেস্ক
‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’—এটার মধ্যে একটা স্বৈরাচারী মনোভাব আছে : প্রতিমন্ত্রী নুর

‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’—এটার মধ্যে একটা স্বৈরাচারী মনোভাব আছে বলে মনে করেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। সম্প্রতি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী নুর বলেন, জাতীয় মানে কি সর্বজনীন বিষয়। আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠাল সবাই কাঁঠালকে জাতীয় ফল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। আমাদের জাতীয় মাছ ইলিশ সবাই এটাকে স্বীকৃতি দেয়, জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার সবাই এটাকে স্বীকৃতি দেয়। আমাদের  জাতীয় পতাকা সবাই তাকে স্যালুট করে। জাতীয় শব্দটা সর্বজনীন। সেটা আপনি একটা দলের মধ্যে কুক্ষিগত করার চেষ্টা করবেন কি? এরশাদ সাহেব ক্ষমতায় থেকে করেছেন জাতীয় পার্টি, এটা কি সর্বজনীন পার্টি?

তিনি বলেন, এসব পার্টিকে কি অন্য দলও ওন করে? এটা কি ওই চীনের মতো সব পার্টি বাদ কমিউনিস্ট পার্টি—এটি ন্যাশনাল পার্টি। চীনে সেটা ঠিক আছে।

প্রতিমন্ত্রী নুর বলেন, এগুলো হচ্ছে একটা স্বৈরাচারী মনস্তত্ত্ব থেকে এই সমস্ত চিন্তাভাবনা এবং তাদেরকে এই ক্ষেত্রে প্রমোট করেছে তখনকার সরকার।