• ই-পেপার

কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে বিরোধীদলীয় নেতার শোক

চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না
ছবি : কালের কণ্ঠ

মাথায় ত্রাণের বস্তা নিয়ে চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত বাঁশখালী উপজেলায় বন্যাদুর্গত মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটে চলছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না।

রবিবার (১২ জুলাই) সকাল থেকে তিনি চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সরেজমিনে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নিয়ে তাদের হাতে হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দিচ্ছেন।

এ সময় যুবদল সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাম্যের ভিত্তিতে ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। মানবিক জায়গা থেকে আমি চট্টগ্রাম আসছি, এটি আমার দায়িত্বেরও বিষয়। আমি আসাতে আমাদের দলীয় নেতাকর্মীরা আরো উৎসাহ পাবেন।’

যুবদল সভাপতি রবিবার সকাল থেকে দুপুরে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাঁশখালীর গুনাগরি, ইলিসা, বাহারছড়া এবং সাতকানিয়ার এঁওচিয়া ইউনিয়নের ত্রাণ বিরতণ করেছেন। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে যুবদলের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’—এটার মধ্যে একটা স্বৈরাচারী মনোভাব আছে : প্রতিমন্ত্রী নুর

অনলাইন ডেস্ক
‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’—এটার মধ্যে একটা স্বৈরাচারী মনোভাব আছে : প্রতিমন্ত্রী নুর

‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’—এটার মধ্যে একটা স্বৈরাচারী মনোভাব আছে বলে মনে করেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। সম্প্রতি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী নুর বলেন, জাতীয় মানে কি সর্বজনীন বিষয়। আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠাল সবাই কাঁঠালকে জাতীয় ফল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। আমাদের জাতীয় মাছ ইলিশ সবাই এটাকে স্বীকৃতি দেয়, জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার সবাই এটাকে স্বীকৃতি দেয়। আমাদের  জাতীয় পতাকা সবাই তাকে স্যালুট করে। জাতীয় শব্দটা সর্বজনীন। সেটা আপনি একটা দলের মধ্যে কুক্ষিগত করার চেষ্টা করবেন কি? এরশাদ সাহেব ক্ষমতায় থেকে করেছেন জাতীয় পার্টি, এটা কি সর্বজনীন পার্টি?

তিনি বলেন, এসব পার্টিকে কি অন্য দলও ওন করে? এটা কি ওই চীনের মতো সব পার্টি বাদ কমিউনিস্ট পার্টি—এটি ন্যাশনাল পার্টি। চীনে সেটা ঠিক আছে।

প্রতিমন্ত্রী নুর বলেন, এগুলো হচ্ছে একটা স্বৈরাচারী মনস্তত্ত্ব থেকে এই সমস্ত চিন্তাভাবনা এবং তাদেরকে এই ক্ষেত্রে প্রমোট করেছে তখনকার সরকার। 

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

বাসস
স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

দেশে অব্যাহত অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের প্রতি জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

গতকাল শনিবার দলের দপ্তর সম্পাদক (যুগ্ম-সম্পাদক পদমর্যাদা) আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বন্যা ও বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ইউনিটসমূহের নেতৃবৃন্দকে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার, ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

এতে আরো বলা হয়, বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে বিশুদ্ধ পানি, শুকনো খাবার, শিশুখাদ্য, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার স্যালাইন বিতরণের পাশাপাশি শিশু, নারী, বয়স্ক, অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।

এ ছাড়া বন্যাকবলিত এলাকায় পরিচ্ছন্নতা, নিরাপদ পানি ব্যবহার এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

সারা দেশের বন্যাকবলিত জেলা ও মহানগর আওতাধীন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সব ইউনিটের নেতৃবৃন্দকে এসব নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন দলের সভাপতি এস এম জিলানী এমপি এবং সাধারণ সম্পাদক প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। /

দেশে ১০০ বছরেও আর গণঅভ্যুত্থান হবে না : রুমিন ফারহানা

অনলাইন ডেস্ক
দেশে ১০০ বছরেও আর গণঅভ্যুত্থান হবে না : রুমিন ফারহানা

বাংলাদেশে আগামী ১০০ বছরেও আর কোনো গণঅভ্যুত্থান হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

গতকাল শনিবার (১১ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী রাজনীতি : সংকট, সম্ভাবনা ও উত্তরণের পথ’ শীর্ষক জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘যত সহজে আপনারা বলেন আরেকটা গণঅভ্যুত্থান আমরা করব, বাংলাদেশে আগামী ১০০ বছরেও আর কোনো গণ-অভ্যুত্থান হবে না। গণ-অভ্যুত্থানে যে স্বপ্ন ছিল চব্বিশে, শেষবারের মতো মানুষ তার জীবন বাজি রেখেছিল। তারপর যখন দেখল, এটা কতিপয় মানুষের নিজস্ব সম্পত্তি, এটা বাংলাদেশে উগ্রবাদের নতুন উত্থান, অদ্ভুতভাবে কিছু নেই থেকে শতকোটি টাকার মালিক হয়ে যাওয়ার একটা প্রকল্প, তখন স্বাভাবিকভাবেই গণমানুষ হাজারবার, লক্ষবার, কোটিবার চিন্তা করবে এ রকম গণ-অভ্যুত্থানে যাওয়ার জন্য।

গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে দেশে ‘ভয়াবহ উগ্রবাদের উত্থান হয়েছে’ বলে মন্তব্য করেন রুমিন ফারহানা। সেটা আগে জানলে কয়জন রাস্তায় আন্দোলনে নামতেন, সে প্রশ্নও রাখেন তিনি।

১৯৪৭ সালের দেশভাগ, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ৯০-এর গণ-আন্দোলনের পরও দেশের মানুষ প্রতারিত হয়েছে বলে মন্তব্য করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘দেশের সাধারণ মানুষ বারবার রক্ত দিয়েছে এবং প্রতারিত হয়েছে।’

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন রাষ্ট্রসংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম, জেএসডির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি তানিয়া রব, রাজনৈতিক বিশ্লেষক হেলালুজ্জামান আহমেদ, জেএসডির সহসভাপতি নুরুল আখতার, সিরাজ মিয়া প্রমুখ।