• ই-পেপার

পৃথিবীর বৃহত্তম ও প্রাচীনতম কবরস্থান ‘ওয়াদি আসসালাম’

খুতবা থামিয়ে মসজিদে নববীর ইমামের সতর্কবার্তা

ইসলামী জীবন ডেস্ক
খুতবা থামিয়ে মসজিদে নববীর ইমামের সতর্কবার্তা
সংগৃহীত ছবি

মদিনার পবিত্র মসজিদে নববিতে জুমার খুতবার সময় ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মসজিদে নববির ইমাম ড. সালাহ আল-বুদাইর খুতবার মাঝখানে কিছুক্ষণের জন্য বক্তব্য থামিয়ে উপস্থিত ফটোগ্রাফার ও চিত্রগ্রহণকারীদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিচ্ছেন। তিনি তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ছবি ও ভিডিও ধারণের ক্ষেত্রে যেন তারা এমন কোনো আচরণ না করেন, যা মুসল্লিদের কষ্ট দেয় বা তাদের ইবাদতে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ইমামের এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য মুহূর্তেই ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং পবিত্র স্থানগুলোতে ফটোগ্রাফি ও ভিডিও ধারণের সীমা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক ও আলোচনার জন্ম দেয়।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মসজিদ, হারামাইন শরিফাইন এবং অন্যান্য ধর্মীয় স্থানে মোবাইল ফোন ও ক্যামেরার ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। অনেক মুসল্লি, ওমরাহ পালনকারী ও জিয়ারতকারী নিজেদের স্মৃতিময় মুহূর্ত সংরক্ষণ কিংবা প্রিয়জনদের সঙ্গে তা ভাগাভাগি করার উদ্দেশ্যে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। তবে অনেকের মতে, অতিরিক্ত চিত্রগ্রহণ কখনো কখনো ইবাদতের গভীরতা, একাগ্রতা এবং পবিত্র পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

বিশেষ করে নামাজ, দোয়া, তাওয়াফ কিংবা অন্যান্য ইবাদতের সময় ক্যামেরার সামনে নিজেকে উপস্থাপন করার প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন আলেম ও সচেতন মুসল্লিরা। কেননা ইবাদতের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা; সেটিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রদর্শনের বিষয় বানানো উচিত নয়। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্মৃতি সংরক্ষণ বা তথ্য প্রচারের উদ্দেশ্যে সীমিত ও শালীনভাবে ছবি তোলা এক বিষয়, আর ইবাদতের পরিবেশ ব্যাহত করে কিংবা অন্যের একাগ্রতায় বিঘ্ন সৃষ্টি করে চিত্রগ্রহণ করা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা, নীরবতা ও আধ্যাত্মিক পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখার স্বার্থে এ বিষয়ে অধিক সচেতনতা প্রয়োজন। মসজিদে নববির ইমাম ড. সালাহ আল-বুদাইরের এই সতর্কবার্তা তাই শুধু উপস্থিত কয়েকজন ফটোগ্রাফারের জন্য নয়; বরং আধুনিক প্রযুক্তির যুগে ইবাদত ও আত্মপ্রদর্শনের মধ্যকার সূক্ষ্ম সীমারেখা সম্পর্কে সমগ্র মুসলিম সমাজের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মরণিকা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কোরআনের বাণী

শিরকের ভয়াবহ পরিণতি

ইসলামী জীবন ডেস্ক
শিরকের ভয়াবহ পরিণতি
সংগৃহীত ছবি

মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, 

 اِنَّكُمۡ وَ مَا تَعۡبُدُوۡنَ مِنۡ دُوۡنِ اللّٰهِ حَصَبُ جَهَنَّمَ ؕ اَنۡتُمۡ لَهَا وٰرِدُوۡنَ 

সরল অনুবাদ :
‘নিশ্চয় তোমরা এবং আল্লাহ ছাড়া তোমরা যাদের উপাসনা কর, সেগুলো তো জাহান্নামের জ্বালানী। তোমরা সেখানে প্রবেশ করবে।’ (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ৯৮)

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা : 
এই আয়াত মক্কার মুশরিকদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে। যারা লাত, মানাত, উজ্যা ও হুবালের উপাসনা করত। তবে এই সব মূর্তি ছিল পাথরের তৈরী, যা ছিল জড়, অচেতন ও জ্ঞানহীন। সেই কারণে আয়াতে مَا تَعبُدُون’  শব্দ ব্যবহার হয়েছে। আর আরবি ভাষায় ‘ مَا’ শব্দটি জ্ঞানহীনদের জন্যই ব্যবহার হয়। অর্থাৎ বলা হচ্ছে যে, তোমরা ও তোমরা যেসব মূর্তির উপাসনা কর, সকলেই জাহান্নামের ইন্ধন হবে। পাথরের গড়া মূর্তিগুলোর যদিও কোন দোষ নেই; কারণ তারা প্রাণহীন জড়পদার্থ, এমনকি এগুলোর কোনো সাধানণ জ্ঞান বা অনুভূতি কিছুই নেই । তবুও তাদেরও উপাসনাকারিদের সঙ্গে জাহান্নামে দেওয়া হবে। শুধু মুশরিকদের এটা বুঝানোর জন্য যে, তোমরা যাদেরকে নিজেদের ভরসাস্থল মনে করতে, তারাও তোমাদের সাথে জাহান্নামের ইন্ধনে পরিণত হয়েছে। (তাফসিরে আহসানুল বায়ান, তাফসিরে জাকারিয়া)

মুশরিকরা পাথরে গড়া যে সব দেব-দেবীর উপাসনা করত তাদেরও জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। অবশ্য সেটা তাদের শাস্তি হিসেবে নয়; বরং তাদের মুশরিক পূজারীদের সরাসরি দেখিয়ে দেওয়ার জন্য যে, তারা যাদের ক্ষমতাবান মনে করে পূজা-অর্চনা করত, বাস্তবে তারা কতটা অক্ষম ও অসহায়। (তাফসিরে তাওজিহুল কোরআন, মুফতি তাকি উসমানী)


শিক্ষা ও বিধান

১. আল্লাহ তাআলাই একমাত্র ইবাদতের উপযুক্ত সত্তা। তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক করা বা অন্য কারো উপাসনা করা মহাপাপ। 

২. যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কিছুর উপাসনা করে, তাদের জন্য কঠিন শাস্তির ঘোষণা রয়েছে। আর শিরক মানুষের সব নেক আমল ধ্বংস করে দেয়।

৩. কাফের-মুশরিকরা যাদের উপাসনা করে, তারা নিজেদেরই কোনো উপকার বা ক্ষতি করতে পারে না। 

৪. মানুষকে এমন সব বিশ্বাস ও কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকতে হবে, যা তাকে আল্লাহর একত্ববাদ থেকে বিচ্যুত করে।

৫. ইবাদতে একনিষ্ঠতা অপরিহার্য। তাই সব দোয়া, আশা, ভয়, ভালোবাসা ও ইবাদত একমাত্র আল্লাহর জন্য নিবেদিত হওয়া উচিত।

অতএব, আমাদের সকলের উচিত, আল্লাহর একত্ববাদে দৃঢ় থাকা, শিরক ও সকল প্রকার বাতিল থেকে সতর্ক থাকা এবং আখিরাতের জবাবদিহিতার প্রস্তুতি গ্রহণ করা। কেননা যে ব্যক্তি একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করবে এবং তাঁর নির্দেশনা অনুসরণ করবে, সে-ই প্রকৃত মুক্তি ও সফলতা লাভ করবে।

হাদিসের বাণী

খ্যাতিহীন সাধারণ মানুষের মর্যাদা ও ফজিলত

ইসলামী জীবন ডেস্ক
খ্যাতিহীন সাধারণ মানুষের মর্যাদা ও ফজিলত
সংগৃহীত ছবি

আবু আব্বাস সাহল ইবনে সাদ সায়েদি (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি মহানবী (সা.)-এর পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিল। তখন মহানবী (সা.) তার পাশে বসা এক লোককে জিজ্ঞেস করলেন, এ লোকের ব্যাপারে তোমার ধারণা কী? সে বলল, সে সম্মানি লোক। আল্লাহর কসম! যদি সে কাউকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, তাহলে তার প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে এবং কারও জন্য সুপারিশ করলে তার সুপারিশও কবুল করা হবে। একথা শোনে মহনবী (সা.) চুপ করে থাকলেন; কিছুই বললেন না। একটু পর আরেক ব্যক্তি সেখান দিয়ে অতিক্রম করছিল। মহানবী (সা.) তার পাশে বসা লোককে এবার জিজ্ঞেস করলেন, এ লোকের ব্যাপারে তোমার ধারণা কী? সে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ, এ তো একজন দরিদ্র মুসলমান। সে এমন ব্যক্তি, কোথাও সে বিয়ের প্রস্তাব দিলে, সেটা কবুল করা হবে না; কারও জন্য সুপারিশ করলে, তা কবুল করা হবে না। সে কোনো কথা বললে, তার কথা কেউ শুনবেও না। তখন মহানবী (সা.) বললেন, ওরকম খ্যাতিমানদের চেয়ে এ-রকম সাধারণ লোক পুরো দুনিয়া ভরে যাওয়া উত্তম। (সহিহ বুখারি, হাদিস নং : ৬৪৪৭)


শিক্ষা ও বিধান

১. আল্লাহর কাছে মর্যাদার মাপকাঠি হলো তাকওয়া মানুষের ধন-সম্পদ, বংশমর্যাদা, পদ-পদবি বা সামাজিক অবস্থান নয়; বরং আল্লাহর কাছে প্রকৃত মর্যাদা নির্ধারিত হয় ঈমান, তাকওয়া ও নেক আমলের মাধ্যমে।

২. বাহ্যিক চাকচিক্য দেখে মানুষকে বিচার করা উচিত নয়। অনেক সময় ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিকে মানুষ সম্মান দেয়, আর দরিদ্র ও সাধারণ মানুষকে অবহেলা করে। অথচ প্রকৃত অবস্থান আল্লাহই ভালো জানেন।

৩. দরিদ্র মুমিনের মর্যাদা অনেক উচ্চ হতে পারে। যে ব্যক্তি মানুষের চোখে তুচ্ছ, সে-ই আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয় ও মর্যাদাবান হতে পারে। তাই কোনো দরিদ্র বা সাধারণ মুসলমানকে ছোট করে দেখা যাবে না।

৪. সামাজিক মর্যাদা নয়, ঈমান ও চরিত্রই আসল সম্পদ। মানুষের প্রকৃত মূল্য তার ঈমান, আমল, আখলাক ও আল্লাহভীতির মধ্যে নিহিত। ধন-সম্পদ ও খ্যাতি ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু নেক আমল চিরস্থায়ী।

৫. অহংকার থেকে বেঁচে থাকার শিক্ষা। ধন, বংশ, সৌন্দর্য বা প্রভাবের কারণে নিজেকে অন্যের চেয়ে শ্রেষ্ঠ মনে করা ইসলামে নিন্দনীয়। এই হাদিস অহংকার পরিহার করে বিনয়ী হওয়ার শিক্ষা দেয়।

৬. সমাজের দুর্বল ও অসহায় মানুষের সম্মান রক্ষা করা উচিত। ইসলাম দরিদ্র, অসহায় ও সাধারণ মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছে। তাদের অবজ্ঞা করা বা তুচ্ছজ্ঞান করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য নয়।

৭. মানুষের অন্তরের অবস্থা আল্লাহই জানেন। কোনো ব্যক্তির বাহ্যিক অবস্থা দেখে তার চূড়ান্ত মূল্যায়ন করা যায় না। তার অন্তরের ঈমান, ইখলাস ও তাকওয়ার খবর একমাত্র আল্লাহ তাআলাই জানেন।

৮. দুনিয়ার সম্মান সবসময় প্রকৃত সম্মান নয়। যে ব্যক্তি মানুষের কাছে সম্মানিত, সে আল্লাহর কাছেও সম্মানিত হবে—এমন নয়। আবার যে ব্যক্তি মানুষের কাছে অখ্যাত, সে আল্লাহর কাছে অত্যন্ত মর্যাদাবান হতে পারে।

অতএব, আমাদের উচিত মানুষকে বাহ্যিক অবস্থান দিয়ে নয়, বরং ইসলামী মূল্যবোধের আলোকে মূল্যায়ন করা এবং সকল মুসলমানের প্রতি সম্মান ও সদ্ভাব প্রদর্শন করা।

বিপদের সময় যেসব দোয়া পড়বেন

ইসলামী জীবন ডেস্ক
বিপদের সময় যেসব দোয়া পড়বেন
সংগৃহীত ছবি

জীবনে চলার পথে মানুষ নানা বিপদ-আপদের সম্মুখীন হয় । এতে ধৈর্য ধারণ ও আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা মুমিনের কর্তব্য। কেননা আল্লাহই আমাদের চূড়ান্ত ভরসাস্থল। তাইতো কোরআনে আল্লাহ তাআলা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করতে বলেছেন। আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয় তা বিনয়ী ছাড়া অন্যদের ওপর কঠিন। (সুরা : বাকারা, আয়াত : ৪৫)

মহানবী (সা.) যখনই কোনো বিপদের আভাস পেতেন তখনই তিনি নামাজ ও দোয়ায় মশগুল হয়ে পড়তেন। একাধিক সহিহ হাদিসে মহানবী (সা.)-এর এই অভ্যাসের কথা বর্ণিত হয়েছে। সাহাবি হুজাইফা (রা.) বলেন, মহানবী (সা.) কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হলে নামাজে দাঁড়িয়ে যেতেন। (আবু দাউদ, হাদিস নং : ১৩১৯)

তাই বিপদ-আপদে একজন মুমিনের সর্বত্তোম করনীয় হলো-বিপদ থেকে উত্তরণের বিভিন্ন উপায় অবলম্বনের পাশাপাশি হাদিসে বর্ণিত দোয়াগুলোতে অভ্যস্থ হওয়া। কেননা দোয়াই হলো মুমিনের শ্রেষ্ঠ হাতিয়ার। বিপদের সময় পঠিতব্য কিছু দোয়া হলো-

১. বিপদে সহজতার দোয়া

اللَّهمَّ لا سَهْلَ إلَّا ما جعَلْتَه سَهلًا وأنتَ تجعَلُ الحَزْنَ سَهلًا إذا شِئْتَ 

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লা সাহলা ইল্লা মা জাআলতাহু সাহলা, ওয়া আন্তা তাজআলুল হাজানা সহলান ইজা শিতা।

অর্থ : হে আল্লাহ, আপনি যা সহজ করেন, তা ছাড়া কিছুই সহজ নয়। আপনি চাইলে কঠিন বিপদকেও সহজ করতে পারেন। (সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নং : ৯৭৪)


২. বিপদে আল্লাহকে সঙ্গি বানানোর দোয়া

حَسۡبِیَ اللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ عَلَیۡهِ تَوَکَّلۡتُ وَ هُوَ رَبُّ الۡعَرۡشِ الۡعَظِیۡمِ 

উচ্চারণ : ‘হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া, আলাইহি তাওয়াক্কালতু, ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আজিম।

অর্থ : আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট, তিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। আমি তাঁরই ওপর ভরসা করেছি আর তিনিই আরশের রব। (সুরা : তাওবা, আয়াত : ১২৯)


৩. বিপদে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করে দোয়া

يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيثُ، وأَصْلِحْ لي شَأْنِي كُلَّهُ وَلَا تَكِلْنِي إِلَى نَفْسِي طَرْفَةَ عَيْنٍ أبدا 

উচ্চারণ : ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুমু, বিরাহমতিক আস্তাগিস, ওয়া আসলিহ লি শাআনি কুল্লাহু, ওয়ালা তাকিলনি ইলা নাফসি তরফাতা আইনিন আবাদা।

অর্থ : হে চিরস্থায়ী, সব কিছুর ধারক ও রক্ষাকর্তা! আমি আপনার করুণার মাধ্যমে সাহায্য চাই; আমার সব সমস্যা মিটিয়ে দিন এবং এক পলকের জন্যও আমার ভার আমার নিজের ওপর দেবেন না।’ (সুনানে নাসায়ি, হাদিস নং : ১০৪০৫)