• ই-পেপার

অস্ত্র মামলায় আনিসুল হকের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি পেছাল

১২৮ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ

অনলাইন ডেস্ক
১২৮ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ
সংগৃহীত ছবি

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আজ বুধবারও আদালতে জমা পড়েনি। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ আগামী ২৮ আগস্ট ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৮ বার পেছানো হলো।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে আজ বুধবার (২২ জুলাই) এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন জমা দেয়নি। তাই আদালত নতুন তারিখ ধার্য করেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) মাজহারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনসের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক আদালতে হাজির হয়ে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানান।

ওই দিন তিনি আদালতকে জানান, তিনি তদন্তভার নেওয়ার পর এ পর্যন্ত ৭০ জন সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি হয়েছে। তদন্ত চলছে। আশা করা যায়, খুব শিগগির তদন্ত শেষ হবে। এই মামলার তদন্ত বিলম্বিত হওয়ায় আদালত সেদিন অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এর পরও তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়নি।

২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তদন্তের দায়িত্ব থেকে র‌্যাবকে সরিয়ে পিবিআইকে দায়িত্ব দেন। এরপর নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয় এই মামলায়।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক গোলাম মোস্তফা সারওয়ার ওরফে সাগর সারওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন নাহার ওরফে মেহেরুন রুনি দম্পতি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসায় খুন হন।

এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রাজধানীর শেরেবাংলানগর থানায় হত্যা মামলা করেন। প্রথমে তদন্ত শুরু করে থানা-পুলিশ। পরে তদন্তভার পায় ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। পরবর্তী সময়ে তদন্তের দায়িত্ব পায় র‍্যাব।

উল্লেখ্য, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের পর আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, পলাশ রুদ্র পাল, আনামুল হক ওরফে হুমায়ুন কবির ও তানভীর রহমান খান। বর্তমানে তানভীর ও পলাশ জামিনে এবং বাকিরা কারাগারে আছেন।

১ মামলায় ব্যারিস্টার সুমনের জামিন

অনলাইন ডেস্ক
১ মামলায় ব্যারিস্টার সুমনের জামিন
সংগৃহীত ছবি

সিলেটের হবিগঞ্জে একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (২২ জুলাই) বিচারপতি শেখ জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল নিষ্পত্তি করে এ জামিন দেন। এদিন ব্যারিস্টার সুমনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার পূর্ণিমা জাহান।

জানা গেছে, সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের আরো ৪টি মামলা জামিন শুনানির অপেক্ষায় আছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের নতুন ব্রিজ গোলচত্বর এলাকায় জড়ো হয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ছাত্র ও সাধারণ মানুষ জড়ো বিক্ষোভ করছিলেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আন্দোলনরত তাদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং গুলিবর্ষণ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়।

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মো. মোস্তাফিজুর রহমান হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানায় সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমনসহ ৯৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরো ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। ওই বছর ২১ অক্টোবর দিবাগত রাত দেড়টায় রাজধানীর মিরপুর-৬ থেকে ব্যারিস্টার সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রাজধানীর খিলগাঁও ও আদাবর থানার পৃথক দুটি হত্যা মামলায় ব্যারিস্টার সুমনের জামিনের রুল বর্তমানে হাইকোর্টে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আরো বেশ কয়েকটি মামলা চলমান থাকায় এই জামিন পাওয়ার পরও এখনই তার কারাগার থেকে মুক্তি মিলছে না।

লিগ্যাল এইডের এডিআরের মাধ্যমে ২ লাখ ১১৪৪১ মামলার নিষ্পত্তি

বাসস
লিগ্যাল এইডের এডিআরের মাধ্যমে ২ লাখ ১১৪৪১ মামলার নিষ্পত্তি

জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থায় (লিগ্যাল এইড) বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি সেবার (এডিআর) মাধ্যমে নিস্পত্তি হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৪৪১টি মামলা।

২০০৯  থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত লিগ্যাল এইডের কার্যক্রম নিয়ে করা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা প্রতিবেদনে বলা হয়, এ সময়ে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি সেবার (এডিআর) জন্য উদ্যোগ (প্রি ও পোস্ট-কেইস) নেওয়া হয়েছে মোট ২ লাখ ৩৯ হাজার ৪২৬ মামলায়। এর মধ্যে নিস্পত্তি হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৪৪১টি মামলা। এডিআরের মাধ্যমে নিষ্পত্তিকৃত মামলা বা বিরোধে উপকারভোগী ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭ জন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, একই সময়ে সরকারি খরচে ১৪ লাখ ৮৭ হাজার ৬৬৩ জনকে আইনি সেবা দেওয়া হয়েছে। সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ, দেশের সব নিম্ন আদালত ও শ্রম আদালত এবং কারাগারে থাকা অসচ্ছল বন্দিরাও এ সেবার আওতায় ছিলেন।

দেশের আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও অসমর্থ বিচারপ্রার্থীদের আইনি সহায়তা দিতে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’-এর অধীনে সরকারি খরচে এ সেবা দেওয়া হয়। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

গৃহকর্মীর মৃত্যু : স্ত্রীসহ ডেইলি স্টারের সাবেক নির্বাহী সম্পাদকের বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনানি পেছাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
গৃহকর্মীর মৃত্যু : স্ত্রীসহ ডেইলি স্টারের সাবেক নির্বাহী সম্পাদকের বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনানি পেছাল
ডেইলি স্টারের সাবেক নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আশফাকুল হক ও তার স্ত্রী তানিয়া খন্দকার। ছবি : সংগৃহীত

গৃহকর্মী প্রীতি উরাংয়ের ‘অবহেলাজনিত মৃত্যু’র মামলায় ডেইলি স্টারের সাবেক নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আশফাকুল হক ও তার স্ত্রী তানিয়া খন্দকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি পিছিয়ে আগামী ২ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (২২ জুলাই)  ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীর হোসেনের আদালত আসামিপক্ষের আইনজীবীর সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে এ দিন নির্ধারণ করেন।

এদিন মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ছিল। আসামিপক্ষের আইনজীবী চৈতন্য চন্দ্র হালদার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি পেছাতে আবেদন করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী এ এস এম শাহাদাৎ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকায় আসামিপক্ষ সময় আবেদন করে। আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে ২ সেপ্টেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার আগ থেকে প্রায় দুই বছর ধরে ঢাকার মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের একটি বহুতল ভবনের অষ্টম তলায় সৈয়দ আশফাকুল হকের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করত। ২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি সকালে বাসার ড্রইং স্পেসের জানালায় নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় কাচের ফাঁক দিয়ে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হয় মেয়েটি। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এ ঘটনায় প্রীতির বাবা লোকেশ উরাং মামলা করেন।

মামলার তদন্ত শেষে গত ৩১ মার্চ ডিবি পুলিশের তেজগাঁও জোনাল টিমের এসআই এস এম মাহমুদ রেজা দুই জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় গত ১৬ জুন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত থেকে মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়।