• ই-পেপার

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, বিশ্বজুড়ে মার্কিন নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি

মেট্রোতে হেডফোন ছাড়া ভিডিও দেখলেই জরিমানা

অনলাইন ডেস্ক
মেট্রোতে হেডফোন ছাড়া ভিডিও দেখলেই জরিমানা
সংগৃহীত ছবি

মেট্রোতে যাতায়াতের সময় হেডফোন ছাড়াই জোরে জোরে গান শোনার বা ভিডিও দেখার অভ্য়াস রয়েছে অনেকেরই। এর ফলে আশপাশের সহযাত্রীরা অনেকেই বিরক্ত হন। আর সে জন্য এবার জরিমানার বিধান করেছে বেঙ্গালুরু মেট্রো রেল করপোরেশন লিমিটেড (বিএমআরসিএল)।

ভারতের মেট্রোতে আগে সর্বোচ্চ জরিমানা ছিল ৫০০ টাকা। সংশোধিত আইনে তা পাঁচ গুণ বাড়িয়ে আড়াই হাজার টাকা করা হয়েছে। ১৯ জুন থেকে নতুন এই নিয়ম কার্যকর হয়েছে।

কলকাতাতেও রয়েছে এই নিয়ম?

মূলত, চেন্নাই ও বেঙ্গালুরুতে এই নিয়ম চালু হয়েছে। কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো এই ধরনের কোনো নিয়ম চালু করা হয়নি। যদিও বেঙ্গালুরু মেট্রো রেল করপোরেশন লিমিটেড (বিএমআরসিএল) জানিয়েছে, এই নিয়ম দেশের সব মেট্রো পরিষেবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সহযাত্রীদের অসুবিধা বা বিরক্তির কারণ হলে সর্বোচ্চ ২,৫০০ টাকা জরিমানা হতে পারে। কোন কোন কাজ করলে জরিমানা হবে? দেখে নিন—

  • স্পিকার অন করে গান বা ভিডিও চালালে জরিমানা
  • ইয়ারফোন ছাড়া মোবাইলে ভিডিও দেখা
  • জোরে চিৎকার করা
  • অশালীন বা আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার
  • মদ্যপ অবস্থায় যাতায়াত
  • থুতু ফেলা
  • কোচের মেঝেতে বসা
  • মেট্রোর সম্পত্তি নষ্ট করা
  • অশোভন আচরণ

কেন নেওয়া হলো এই সিদ্ধান্ত

বিএমআরসিএলের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে প্রায় ৫৭ হাজার যাত্রীকে স্পিকারে গান বা ভিডিও চালানোর জন্য সতর্ক করা হয়েছিল। যদিও আগে ৫০০ টাকা জরিমানার নিয়ম ছিল। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই যাত্রীদের শুধু সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হতো।

অন্যান্য অপরাধেও বেড়েছে জরিমানা

শুধু শব্দদূষণ নয়, আরো একাধিক অপরাধের ক্ষেত্রেও জরিমানা বাড়ানো হয়েছে। মেট্রো চত্বরে পোস্টার, ব্যানার বা প্ল্যাকার্ড লাগানো বা বিক্ষোভ দেখালে জরিমানা হতে পারে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত।

অনুমতি ছাড়া নিষিদ্ধ এলাকায় প্রবেশ বা মেট্রো ট্র্যাকে ঢুকলে জরিমানা হতে পারে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। ট্র্যাকে প্রবেশ করে পরিষেবা ব্যাহত করলে অন্যান্য আইনে মোট জরিমানা ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

ভুয়া মেট্রো টিকিট ব্যবহার বা সরকারি নোটিশ বিকৃত করলেও ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানার নিয়ম রয়েছে।

দৈনিক ১৫ ঘণ্টা কাজ করেও বেতন নেই ৪ মাস, নিজ দেশে ফেরার আকুতি নারীর

অনলাইন ডেস্ক
দৈনিক ১৫ ঘণ্টা কাজ করেও বেতন নেই ৪ মাস, নিজ দেশে ফেরার আকুতি নারীর
সংগৃহীত ছবি

মাসে ২০০ রিয়াল বেতনে গৃহকর্মীর চাকরির প্রতিশ্রুতি পেয়ে নিজ দেশে ছেড়ে ওমানে পাড়ি জামান শবনম বেগম। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পর দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। দৈনিক ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা কাজ করানোর পরেও তাকে গত ৪ মাস ধরে দেয়া হয়নি কোনো বেতন। এ নির্যাতন থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পালিয়ে মাসকাটে ভারতীয় দূতাবাসে অবস্থান করছেন এই নারী। 

এমন অভিযোগের বর্ণনা করে তিনি নিজ দেশে ফিরতে সরকারের সহায়তা চেয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, শবনম বেগম ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর হায়দরাবাদের পাহাড়ি শরিফ এলাকার বাসিন্দা। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় এক নিয়োগদাতা এজেন্টের মাধ্যমে চলতি বছরের ২৬ মার্চ ওমানের মাসকাটে যান শবনম বেগম। সেখানে যাওয়ার আগে এজেন্ট তাকে মাসে ২০০ ওমানি রিয়াল বেতনে গৃহকর্মীর চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

তবে তার অভিযোগ, ওমানে পৌঁছানোর পর তাকে একাধিক বাড়িতে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা কাজ করতে বাধ্য করা হয়। পর্যাপ্ত খাবার ও থাকার ব্যবস্থা দেয়া হয়নি। পাশাপাশি চার মাস ধরে তাকে কোনো বেতনও দেয়া হয়নি।

নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে একপর্যায়ে শবনম বেগম নিয়োগকর্তার কাছ থেকে পালিয়ে যান। বর্তমানে তিনি মাসকাটে ভারতীয় দূতাবাসে অবস্থান করছেন এবং সেখানে সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।

অন্যদিকে তার পরিবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের কাছে মাসকাটে ভারতীয় দূতাবাসে শবনমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দ্রুত তাকে হায়দরাবাদে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছে। এ ছাড়া মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে ওমানে পাঠানো নিয়োগদাতা এজেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছে পরিবার।

এদিকে প্রকাশিত এক ভিডিওতে শবনম বেগম নিজেই তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন। ভারত সরকারের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, আট দিন ধরে মাসকাটে ভারতীয় দূতাবাসে অবস্থান করছেন। সেখানে তার সাথে নিজ নিজ দেশে ফেরার অপেক্ষায় আরও প্রায় ১৩০ নারীও সেখানে রয়েছেন।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে শবনম আরো বলেন, হায়দরাবাদে তার তিন মেয়ে ও এক ছেলে তার অপেক্ষায় রয়েছে। 

এদিকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের কাছে পাঠানো চিঠিতে শবনমের স্বামী মোহাম্মদ চাঁদ অভিযোগ করেন, আরশাদ নামে স্থানীয় এক এজেন্ট তার স্ত্রীকে ওমানে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাঠিয়েছিলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে শবনমকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা এবং ওই এজেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান

অনলাইন ডেস্ক
মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান
সংগৃহীত ছবি

ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুজেস্তান প্রদেশের আহভাজ শহরে একটি অত্যন্ত উন্নত মানের মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।

দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, ইরাক সীমান্তবর্তী ওই এলাকায় ড্রোনটি শনাক্ত করার পর সেটিকে বাধা দিয়ে ধ্বংস করা হয়।

মার্কিন বিমান বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এমকিউ-৯ একটি দূরনিয়ন্ত্রিত বড় আকারের ড্রোন, যা মূলত গোয়েন্দা নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ, পর্যবেক্ষণ এবং নির্ভুল বিমান হামলার জন্য ব্যবহৃত হয়।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা টানা অষ্টম রাতের মতো ইরানে হামলা চালিয়েছে। এর আগে ওয়াশিংটন ঘোষণা দেয়, জর্ডানে ইরানের হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত এবং আরো একজন নিখোঁজ হয়েছেন।

আট লাইনের চিঠিতে কী লিখলেন ওয়াংচুক

অনলাইন ডেস্ক
আট লাইনের চিঠিতে কী লিখলেন ওয়াংচুক
সংগৃহীত ছবি

শিক্ষা দুর্নীতি ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে অনশনের ২২তম দিনে হাসপাতাল থেকেই নিজের হাতে চিঠি লিখলেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকে সোমবার (২০ জুলাই) দিল্লির সংসদ ভবন অভিযানের যে কর্মসূচি রয়েছে, তা সফল করার জন্য দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এই আন্দোলনকে তিনি ভারতের ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন’ বলে উল্লেখ করেছেন।

শনিবার (১৮ জুলাই) যন্তর মন্তরের বিক্ষোভস্থল থেকে পুলিশ সোনম ওয়াংচুককে তুলে নিয়ে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখান থেকেই রবিবার (১৯ জুলাই) স্ত্রী গীতাঞ্জলির হাত দিয়ে নিজের লেখা আট লাইনের একটি চিঠি বাইরে পাঠান তিনি। চিঠিতে সোনম লিখেছেন, ‘২০শে জুলাই, দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন। ভয়মুক্ত ভারত, অন্যায়মুক্ত ভারত।’ প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো অবিচার এবং তাকে বেআইনিভাবে হাসপাতালে আটকে রাখার প্রতিবাদ জানিয়ে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি লিখেছেন, ‘পার্লামেন্টে চলুন। এই কর্মসূচিকে সফল করে তুলুন।’ পরে তার সমাজমাধ্যমেও এই চিঠিটি প্রকাশ করা হয়।

গত ২৮ জুন থেকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অনশন করছেন সোনম। তার স্ত্রী গীতাঞ্জলি জানিয়েছেন, পুলিশ জোর করে হাসপাতালে নিয়ে আসলেও সোনমের অনশন ভাঙানো যায়নি। তিনি কোনো খাবার বা ওষুধ নিচ্ছেন না, কেবল লবণ-পানি পান করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। দীর্ঘ অনশনের কারণে তার শরীর দুর্বল হলেও মানসিক জোর শক্ত রয়েছে।

পরিবারের অভিযোগ, দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে সোনমকে বেআইনিভাবে হাসপাতালে আটকে রাখা হয়েছে এবং সেখানে তার কোনো চিকিৎসা হচ্ছে না। অন্যদিকে, যন্তর মন্তরে সোনমের জায়গায় নতুন করে অনশন শুরু করেছেন সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকে। সোমবারের সংসদ ভবন অভিযানের প্রস্তুতি চললেও দিল্লি পুলিশ এখনও এর অনুমতি দেয়নি।