• ই-পেপার

রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে তিনজন, ঢামেকে ভর্তি

শ্যামপুরে বিদ্যুৎস্পর্শে ওয়েল্ডিং মিস্ত্রির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
শ্যামপুরে বিদ্যুৎস্পর্শে ওয়েল্ডিং মিস্ত্রির মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর শ্যামপুরে পোস্তগোলা শ্মশানঘাট এলাকায় একটি ওয়ার্কশপে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. রানা আহমেদ (৪০) নামের এক ওয়েল্ডিং মিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার (১৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

রানা মুন্সিগঞ্জ টঙ্গীবাড়ী খিলপাড়া গ্রামের ঝালমুড়ি ও ফুচকা বিক্রেতা বসির আহমেদের ছেলে। বর্তমানে পোস্তগোলা করিমুল্লার বাগে থাকতে তিনি। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়।

রানার খালাতো ভাই কাজল জানিয়েছেন, রাতে ওয়ার্কশপে ওয়েল্ডিংয়ের কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন রানা। পরে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে সহকর্মীরা রাত সোয়া ৯টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, মরদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।

রাজধানীতে ময়লা ফেলার কাজ নিয়ে দ্বন্দ্ব, পরিচ্ছন্নতাকর্মী গুলিবিদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীতে ময়লা ফেলার কাজ নিয়ে দ্বন্দ্ব, পরিচ্ছন্নতাকর্মী গুলিবিদ্ধ

রাজধানীর বারিধারা নতুনবাজার এলাকায় ময়লার ডিপোর সামনে ময়লা ফেলার কাজ নিয়ে দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বে তৌহিদ (২৮) নামে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাত সোয়া ৯টার দিকে আহত অবস্থায় তাকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, ঢামেকের জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চিকিৎসকরা তাকে পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

আহতের সহকর্মী কামরুল জানান, নতুনবাজার বারিধারা এলাকায় ময়লা ফেলার ডাস্টবিন নিয়ে স্থানীয় ‘হেলাল গ্রুপ’-এর সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। আজ রাতে হঠাৎ ডাস্টবিনের সামনে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা অতর্কিত গুলি চালালে তৌহিদের পায়ে গুলি লাগে। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসি।

গুলিবিদ্ধ তৌহিদ নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা থানার কাকুরিয়া মাছিমা গ্রামের বাসিন্দা আবুল হাশেমের ছেলে। তিনি বর্তমানে রাজধানীর ভাটারা থানার কোকাকোলা টেকবাড়ি বারিধারা এলাকায় বসবাস করেন।

কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া নারী বন্দি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া নারী বন্দি গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া নারী বন্দি মোছা. রিম্পাকে (২১) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। রবিবার (১৯ জুলাই) বিকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে কারা অধিদপ্তরের এআইজি প্রিজন্স জান্নাতুল ফরহাদ জানিয়েছেন।  

গত বৃহস্পতিবার পালিয়ে যাওয়ার পর রিম্পার বিরুদ্ধে গত শুক্রবার গাজীপুরের কোনাবাড়ি থানায় মামলা দায়ের করে কারা কর্তৃপক্ষ। সূত্র জানায়, এখন তাকে র্যাব কোনাবাড়ি থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করবে। পুলিশ তাকে আদালতে পাঠাবে। আদালত হয়ে তিনি আবারও ফিরবেন পালিয়ে যাওয়া সেই কারগারেই। তার পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তিন মেট্রন ও চার মহিলা কারারক্ষীসহ মোট সাতজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।  সাময়িক বরখাস্তরা হলেন- মেট্রন লায়লা আনজুমান সুমি, মেরিনা ও রেহেনা এবং নারী কারারক্ষী শায়লা, শারমিন, জেমি ও আসমা।

কারাগার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রায় ৪০ জন নারী বন্দিকে দিয়ে কারাগারের ভেতরে ইট বহনের কাজ করানো হচ্ছিল। ওই সময় দায়িত্বে থাকা মেট্রনের তদারকির ঘাটতির সুযোগ নিয়ে বন্দি রিম্পা কারাগারের অফিস ভবনের পাশের দেয়ালের কার্নিশ বেয়ে সীমানা প্রাচীর টপকে পালিয়ে যান। পলাতক রিম্পা মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রায়পুর এলাকার মো. হাসানের মেয়ে। তিনি ঢাকার ধানমন্ডি থানার একটি সিআর মামলায় তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে বন্দি ছিলেন। ঘটনার পরপরই কারা কর্তৃপক্ষ পুরো কারাগারে তল্লাশি চালালেও তার কোনো সন্ধান পায়নি। পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তিনি কারাগার থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন।

বিমানবন্দরে ফলের ক্যারেটে মিলল ১৬ কেজি সোনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিমানবন্দরে ফলের ক্যারেটে মিলল ১৬ কেজি সোনা
সংগৃহীত ছবি

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে গোয়েন্দা সংস্থা (ডিজিএফআই) ও ঢাকা কাস্টমস হাউসের যৌথ অভিযানে ফলের ক্যারেটের ভেতর বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা অন্তত ১৬ কেজি সোনার বার জব্দ করা হয়েছে।

রবিবার (১৯ জুলাই) পরিচালিত এ অভিযানে সোনার চালানটি উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদেশ থেকে আনা ফলের চালানের আড়ালে সোনা পাচারের চেষ্টা করছিল একটি চোরাচালান চক্র।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কার্গো ভিলেজে অভিযান চালিয়ে ফলের ক্যারেটের ভেতরে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা সোনার বারগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সোনার মোট পরিমাণ অন্তত ১৬ কেজি। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া সোনার প্রকৃত মালিক এবং জড়িতদের সম্পর্কে তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।