• ই-পেপার

হোয়াইট হাউসে ব্রিটিশ রাজদম্পতি, চলছে জমকালো আয়োজন

বৈশ্বিক যোগাযোগ বাড়াতে ৪৪ বিমানবন্দর তৈরি করবে ভারত

অনলাইন ডেস্ক
বৈশ্বিক যোগাযোগ বাড়াতে ৪৪ বিমানবন্দর তৈরি করবে ভারত
ছবি: রয়টার্স

ভারত সরকার দেশজুড়ে নতুন করে ৪৪টি বিমানবন্দর গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে ৪টি বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের 'হাব বিমানবন্দর' হিসেবে তৈরি করা হবে। এসব হাবের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন শহরকে বিশ্বের বিভিন্ন গন্তব্যের সঙ্গে সরাসরি আকাশপথে যুক্ত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সরকারের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।

এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার অমৃতসর বিমানবন্দর থেকে 'হাব অ্যান্ড স্পোক মডেল'- এ ফ্লাইট চালু করেছে এয়ার ইন্ডিয়া। এর আগে বারাণসী থেকে এই ধরনের সেবা শুরু হয়েছিল। অমৃতসর হলো দ্বিতীয় বিমানবন্দর, যেখান থেকে এই মডেলের ফ্লাইট চালু হলো। বর্তমানে ভারতে একটি হাব বিমানবন্দর রয়েছে, সেটি দিল্লি। আর দুটি স্পোক বিমানবন্দর হলো বারাণসী ও অমৃতসর। পরবর্তী স্পোক বিমানবন্দর হিসেবে আহমেদাবাদকে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। হাব অ্যান্ড স্পোক মডেলে বড় একটি বিমানবন্দরকে কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ছোট শহর বা আঞ্চলিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রীরা প্রথমে ওই হাব বিমানবন্দরে আসেন। এরপর সেখান থেকে আন্তর্জাতিক গন্তব্যের ফ্লাইটে যেতে পারেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের শহরগুলোর বিমানবন্দরকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সহজে যুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে সরকার।

অমৃতসর বিমানবন্দরে এই সেবা চালুর অনুষ্ঠানে ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল সচিব সমীর কুমার সিনহা বলেন, সরকার ৪টি হাব বিমানবন্দর এবং ৪০টি বিমানবন্দর গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছে। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভারতের বিমান যোগাযোগ আরো শক্তিশালী হবে এবং দেশটি আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। বেসামরিক বিমান চলাচলমন্ত্রী কে. রামমোহন নাইডু এক ভিডিও বার্তায় বলেন, হাব অ্যান্ড স্পোক মডেল ভারতের বিমান চলাচলের জন্য একটি ‘সার্বভৌমত্বের মডেল’ এবং একই সঙ্গে ‘সুযোগের মডেল’। তিনি জানান, আগামী ১০ বছরে সরকার ১০০টি বিমানবন্দর এবং ২০০টি হেলিপোর্ট তৈরির লক্ষ্য নিয়েছে।

হাব অ্যান্ড স্পোক মডেলের আওতায় এয়ার ইন্ডিয়া অমৃতসর থেকে দিল্লির মাধ্যমে ২৭টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে যাত্রী পরিবহনের ব্যবস্থা করেছে। এই ব্যবস্থায় অমৃতসর থেকে যাত্রীরা দিল্লি হয়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, পশ্চিম এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন শহরে যেতে পারবেন। এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, অমৃতসর থেকে দিল্লি পৌঁছানোর চার ঘণ্টার মধ্যে যাত্রীরা ‘ইজি কানেক্ট’ ব্যবস্থার মাধ্যমে এসব আন্তর্জাতিক গন্তব্যের ফ্লাইট ধরতে পারবেন।

হাব অ্যান্ড স্পোক মডেলের অংশ হিসেবে এয়ার ইন্ডিয়া চালু করেছে ‘ইজি কানেক্ট’ সেবা। এই ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক যাত্রীরা যাত্রা শুরুর বিমানবন্দরেই পুরো যাত্রার জন্য একবার চেক-ইন করতে পারবেন। একই সঙ্গে অমৃতসর বিমানবন্দরেই শেষ করতে পারবেন অভিবাসন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া। এরপর দিল্লি বিমানবন্দরে গিয়ে তাদের আবার লাগেজ জমা দিতে হবে না বা টার্মিনাল পরিবর্তনের ঝামেলায় পড়তে হবে না। এয়ার ইন্ডিয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এই ব্যবস্থায় যাত্রীরা সহজে ও কম সময়ে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে উঠতে পারবেন।

মঙ্গলবার থেকে অমৃতসর থেকে প্রতিদিন দুটি ‘ইজি কানেক্ট’ ফ্লাইট পরিচালনা করবে এয়ার ইন্ডিয়া। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আহমেদাবাদ, গোয়া, কোচি এবং ভারতের আরো কয়েকটি শহর থেকেও এই ধরনের ফ্লাইট চালু করা হবে। এর আগে গত ২৫ জুন বারাণসী থেকে প্রথমবারের মতো ‘ইজি কানেক্ট’ সেবা চালু করেছিল এয়ার ইন্ডিয়া। সরকারের আশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের ছোট শহরের যাত্রীরাও সহজে আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সুযোগ পাবেন এবং ভারত বৈশ্বিক বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থায় আরও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করতে পারবে।


 

তাপপ্রবাহ ও দাবানলের দ্বিমুখী সংকটে স্পেন-ফ্রান্স

অনলাইন ডেস্ক
তাপপ্রবাহ ও দাবানলের দ্বিমুখী সংকটে স্পেন-ফ্রান্স
ছবি : রয়টার্স

স্পেন ও ফ্রান্সে আবারও তীব্র তাপপ্রবাহের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হতে পারে।

স্পেনের জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, এই তাপপ্রবাহ অন্তত রবিবার পর্যন্ত চলতে পারে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে চরম দাবানলের ঝুঁকির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বর্তমানে দমকলকর্মীরা দেশের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।

ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জিরোন্দ ও লঁদ এলাকায় তাপপ্রবাহের কারণে ‘হলুদ সতর্কতা’ জারি করা হয়েছে। বুধবার পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে জিরোন্দের বড় দাবানল নিয়ন্ত্রণের কাজ আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

বোর্দো শহরের মেয়র টমাস ক্যাজেনভ বলেন, শহর থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে একটি বড় দাবানল জ্বলছে। তাই সম্ভাব্য সব পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আরো মানুষকে সরিয়ে নিয়ে আশ্রয় দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। দাবানলের কারণে ফ্রান্সে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার এবং স্পেনে ১ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের পশ্চিমে একটি বড় আগুন এখনো নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে।

দাবানলকবলিত জিরোন্দ অঞ্চল পরিদর্শনের সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাখোঁ বলেন, দেশটি একেবারে নজিরবিহীন দাবানলের মুখোমুখি হয়েছে। তার মতে, এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ফ্রান্সের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল।

ম্যাখোঁ জানান, লঁদ অঞ্চলের একটি ছোট দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনা গেলেও পাশের জিরোন্দ অঞ্চলে আগুন নেভানোর চেষ্টা এখনও চলছে। ফ্রান্সে দাবানল কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও নতুন তাপপ্রবাহের কারণে পরিস্থিতি আবারও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দাবানলকবলিত এলাকা পরিদর্শনের সময় প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাখোঁ বলেন, অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা কিছু অগ্রগতি করেছেন। তবে তাপমাত্রা আবার বাড়বে এবং প্রবল বাতাস বইতে পারে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ বলেন, দাবানল এমনভাবে ছড়াচ্ছে যেনো এর নিজেরই একটি জীবন রয়েছে।

বোর্দোর দক্ষিণে সেস্তাস শহরের মেয়র জেরোম স্টেফি বিবিসিকে বলেন, এটি শতাব্দীর সবচেয়ে বড় দাবানল হতে পারে। তিনি জানান, মাত্র দুই দিন আগে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় রাতের মধ্যে তার শহর থেকে ১৭ হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত ওই অঞ্চলে ৪২ হাজার হেক্টরের বেশি বনভূমি পুড়ে গেছে এবং ২৪০টি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে।

স্টেফি বলেন, ‘আমাদের শহরের পরিস্থিতি সত্যিই ভয়াবহ।’

তার মতে, আগুনের বিস্তার আগের তুলনায় ধীর হলেও বিপদ এখনও কাটেনি। বাতাসে উড়ে যাওয়া জ্বলন্ত অঙ্গার বা বাতাসের দিক পরিবর্তনের কারণে যে কোনো সময় নতুন করে আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারে। তিনি জানান, আগুন ঠেকাতে প্রতিরক্ষামূলক ফায়ারব্রেক তৈরিতে সব ধরনের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন।

এদিকে ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকোর্নু বলেছেন, দেশটি নজিরবিহীন দাবানলের মৌসুম পার করছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৫ হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে গেছে এবং ১৩ হাজার ৫৬৬টি দাবানলের ঘটনা ঘটেছে।

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, প্রতি ১০টি দাবানলের মধ্যে ৯টিই মানুষের কারণে ঘটেছে। এর বেশিরভাগই অসাবধানতার ফল। যেমন, জ্বলন্ত সিগারেটের অবশিষ্টাংশ ফেলে দেওয়া, বারবিকিউ ব্যবহার বা যথাযথ সতর্কতা ছাড়া বিভিন্ন ধরনের কাজ করা।

ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকোর্নু বলেছেন, সব দাবানল দুর্ঘটনাবশত ঘটেনি। কিছু আগুন ইচ্ছাকৃতভাবে লাগানো হয়েছে বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে। তিনি জানান, ৬ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত দাবানল-সংক্রান্ত ঘটনায় ১৬২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে ফ্রান্সের ভার, ল্যান্ডেস এবং কর্সিকা দ্বীপের ওত-কর্সসহ আরো কয়েকটি এলাকায় দাবানল জ্বলছে।

অন্যদিকে, প্রতিবেশী স্পেনে রাজধানী মাদ্রিদের পশ্চিমাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানলের কারণে টানা পঞ্চম দিনের মতো জাতীয় জরুরি অবস্থা বহাল রয়েছে।

বিবিসি ভেরিফাইয়ের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মাদ্রিদের পশ্চিমাঞ্চলের দাবানলে ইতোমধ্যে ২৭ হাজার হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে গেছে। ২৪ ও ২৬ জুলাই তোলা স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে, আলমরক্স, ভিলা দেল প্রাডো এবং সান মার্টিন দে ভালদেইগ্লেসিয়াস এলাকায় শুরু হওয়া কয়েকটি ছোট আগুন একত্রিত হয়ে মাত্র দুই দিনের মধ্যে একটি বড় দাবানলে পরিণত হয়েছে। এতে পোড়া এলাকার পরিধিও দ্রুত বেড়েছে।

স্থানীয় কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, এই অঞ্চল তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানলের মুখোমুখি হয়েছে। এদিকে ইউরোপের জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা কোপারনিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস জানিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা বাড়ছে। ইউরোপ বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত উষ্ণ হয়ে ওঠা মহাদেশ, যেখানে উষ্ণতার হার বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে ইউরোপে গ্রীষ্মকালীন তাপপ্রবাহ আরও ঘন ঘন ও তীব্র হচ্ছে। পাশাপাশি পানির ওপর চাপ বাড়ছে এবং দাবানলের ঝুঁকি ও ক্ষয়ক্ষতিও বাড়ছে।
 

মোদির ভিডিও সরানোর ঘটনায় ভারতের কাছে ক্ষমা চাইল মেটা

অনলাইন ডেস্ক
মোদির ভিডিও সরানোর ঘটনায় ভারতের কাছে ক্ষমা চাইল মেটা
সংগৃহীত ছবি

ভারতে ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ভিডিও কিছু সময়ের জন্য সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় সরকারের কাছে ক্ষমা চেয়েছে মেটা। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে ভুল করে ভিডিওটি ব্লক করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
 
বিষয়টি সম্পর্কে জানেন এমন কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, মেটা ভারত সরকারকে ব্যাখ্যা দিয়েছে এবং পরে ভিডিওটি আবারও ফেসবুকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। মেটার এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, 'ভুলবশত এই কনটেন্ট সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। পরে সেটি আবার ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।' সূত্রগুলো জানিয়েছে, ভারত সরকার ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। ভিডিওটি কেন সরানো হয়েছিল এবং মেটার দেওয়া ব্যাখ্যা কতটা গ্রহণযোগ্য, তা যাচাই করা হচ্ছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে মেটার প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ডেকে পাঠানো হতে পারে বলেও সূত্রগুলো জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে ভারতের সরকার বা মেটা আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করেনি।

গত ২৩ জুলাই ফেসবুকে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়। ভিডিওতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আয়োজিত একটি শিক্ষার্থী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেওয়া বক্তব্য ছিল। সেখানে তিনি তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে জেনারেশন জির উদ্দেশে কথা বলেন। নিজের বক্তব্যে মোদি জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ করতে সরকার আরো কঠোর পদক্ষেপ নেবে।

ভিডিওটি আবার চালু করার আগে ভারতের কিছু ব্যবহারকারী একটি নোটিশ দেখতে পান। সেখানে বলা হয়, আইনি অনুরোধের কারণে ওই অঞ্চলে ভিডিওটি সীমিত করা হয়েছে। তবে মেটা পরে জানায়, ভিডিও সরানোর পেছনে কোনো ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত ছিল না। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে এটি ভুলভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। ভিডিওটি সরানোর আগে সেটি কয়েক মিলিয়ন বার দেখা হয়েছিল। পরে আবার ব্যবহারকারীদের জন্য ভিডিওটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।


 

ভারত

‘ককরোচ’ আন্দোলনের পর এবার ইন্সটাগ্রামে জনপ্রিয় হচ্ছে ‘ই২০ জনতা পার্টি’

অনলাইন ডেস্ক
‘ককরোচ’ আন্দোলনের পর এবার ইন্সটাগ্রামে জনপ্রিয় হচ্ছে ‘ই২০ জনতা পার্টি’
ছবি : রয়টার্স

ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলোচনায় আসা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র পর এবার ইথানল-মিশ্রিত ই২০ জ্বালানির বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন একটি ডিজিটাল আন্দোলন শুরু হয়েছে। ‘ই২০ জনতা পার্টি’ নামে এই গোষ্ঠী দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

প্রতিবেদন প্রকাশের সময় ইন্সটাগ্রামে ‘ই২০ জনতা পার্টি’র অনুসারীর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ১৮ হাজারের বেশি, যা দ্রুত বাড়ছে।

এই গোষ্ঠীর দাবি, সাধারণ মানুষকে ছাড়মূল্যে ১০০ শতাংশ বিশুদ্ধ (অমিশ্রিত) পেট্রোল বেছে নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। পাশাপাশি তারা কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহনমন্ত্রী নিতিন গড়করির পদত্যাগও দাবি করছে। তবে সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, ইথানলবিহীন পেট্রোলে ফিরে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই।

বর্তমানে ভারতে বিক্রি হওয়া পেট্রোলের নাম ই২০। এতে ২০ শতাংশ ইথানল মেশানো থাকে। সরকারের দাবি, এই জ্বালানি পরিবেশবান্ধব এবং প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত। অন্যদিকে, সমালোচকদের অভিযোগ, ই২০ ব্যবহারে গাড়ির মাইলেজ কমে যায় এবং ইঞ্জিনের ক্ষতি হতে পারে।

তবে সরকার বলছে, পরীক্ষাগার ও বাস্তব ব্যবহারের তথ্য অনুযায়ী ই২০ জ্বালানি ইঞ্জিনের কোনো ক্ষতি করে, এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে সরকার স্বীকার করেছে, ই১০ উপযোগী পুরোনো গাড়িতে ই২০ ব্যবহার করলে মাইলেজ কিছুটা কমতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র আলোচিত ডিজিটাল আন্দোলনের পর ‘ই২০ জনতা পার্টি’র উত্থান সোশ্যাল মিডিয়াভিত্তিক জনমতের নতুন প্রবণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

উল্লেখ্য, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে গড়ে ওঠা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র আন্দোলনের পর শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। এরপর গত সপ্তাহে সংগঠনটি তাদের প্রায় এক মাসের আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়।
 

হোয়াইট হাউসে ব্রিটিশ রাজদম্পতি, চলছে জমকালো আয়োজন | কালের কণ্ঠ