• ই-পেপার

কারাগারে কয়েদি ধারণক্ষমতা শতভাগ পূর্ণ, যা করল যুক্তরাজ্য

ইরানের সামরিক স্থাপনায় আবারও মার্কিন হামলা

অনলাইন ডেস্ক
ইরানের সামরিক স্থাপনায় আবারও মার্কিন হামলা
ছবি : রয়টার্স

ইরানের ওপর টানা ১১তম রাতের সামরিক অভিযান শেষ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার মার্কিন সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। 

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, ইরানের সামরিক অভিযান কেন্দ্র, নৌ সক্ষমতা, বিমান হ্যাঙ্গার, ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং সামরিক সরঞ্জাম রাখার স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে।

সেন্টকমের দাবি, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে ইরানের হুমকি দেওয়ার সক্ষমতা কমাতেই এসব স্থাপনায় হামলা করা হয়েছে। 

মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে চালানো এই হামলা প্রায় ৭৫ মিনিট স্থায়ী হয়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, গত তিন মাসে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী ৩০টির বেশি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরান হামলা চালিয়েছে।

এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর ইরানও ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর পাল্টা হামলা শুরু করে। এরপর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত চলছে। 

ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলায় দেশটিতে ৫০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং প্রায় ৫০০ জন আহত হয়েছেন। এদিকে সাম্প্রতিক সংঘর্ষে মার্কিন সেনাদের মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে আরো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এর আগে তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুর মতো স্থাপনাগুলোকে সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তু করার কথাও বলেছিলেন।

ইসলামাবাদে ইরান-পাকিস্তানের বৈঠকে কী আলোচনা হলো

অনলাইন ডেস্ক
ইসলামাবাদে ইরান-পাকিস্তানের বৈঠকে কী আলোচনা হলো
সংগৃহীত ছবি

সন্ত্রাসবাদ দমন, মাদক ও মানবপাচার প্রতিরোধ এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়েছে ইরান ও পাকিস্তান।

পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদে সফররত ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসকান্দার মোমেনি ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকে দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। উভয় পক্ষ অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচার ঠেকাতে পারস্পরিক সমন্বয় আরো বাড়ানোর বিষয়েও একমত হয়।

এদিকে বর্তমানে মোমেনি পাকিস্তন সফরে রয়েছেন। চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের অবসান এবং স্থগিত শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরুর লক্ষ্যে পাকিস্তান ও কাতারের প্রস্তাবিত উত্তেজনা প্রশমন পরিকল্পনা নিয়েও এ সফরে আলোচনা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি বিশেষ করে আফগানিস্তান সীমান্ত ব্যবহার করে সন্ত্রাসবাদ ও মাদক পাচার রোধে ইরান-পাকিস্তানের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কফিন কিনে মৃত্যুর ভান, শেষ পর্যন্ত পুলিশের জালে চীনা ব্যক্তি

অনলাইন ডেস্ক
কফিন কিনে মৃত্যুর ভান, শেষ পর্যন্ত পুলিশের জালে চীনা ব্যক্তি
সংগৃহীত ছবি

মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর মামলার শাস্তি এড়াতে নিজের মৃত্যুর ভুয়া নাটক সাজিয়েছিলেন মধ্য চীনের এক ব্যক্তি। পরিবারের সদস্যদের সহায়তায় তিনি নিজের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে শত শত কিলোমিটার দূরে পালিয়ে যান। তবে কয়েক মাসের তদন্তের পর পুলিশ তাকে জীবিত অবস্থায় খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করেছে।

সম্প্রতি চীনের হেনান প্রদেশের আনইয়াংয়ের প্রসিকিউটররা এই ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশ করেছে। এরপর ঘটনাটি দেশটির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রসিকিউটরদের তথ্য অনুযায়ী, শুধু ‘সি’ পদবিতে পরিচিত ওই ব্যক্তিকে গত বছরের জানুয়ারিতে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগে আটক করা হয়। তদন্তে জানা যায়, এর আগেও তিনি দুবার মদ্যপ অবস্থায় এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালাতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন। পরে চলমান মামলায় তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। চীনের আইনে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এ অপরাধে ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল, সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।


প্রসিকিউটরদের ভাষ্য, কারাদণ্ডের আশঙ্কায় সি আত্মগোপনের পরিকল্পনা করেন। তার ধারণা ছিল, নতুন করে দোষী সাব্যস্ত হলে আগের অপরাধের রেকর্ড এবং ক্রমবর্ধমান ঋণের কারণে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা তার পক্ষে কঠিন হয়ে যাবে। এই কারণে গত বছরের জুনে তিনি নিজের মৃত্যুর ভুয়া নাটক সাজান। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি আগে থেকেই একটি কফিন কিনে রাখেন। এরপর বাড়ির চারপাশে খালি ওষুধের বোতল ছড়িয়ে দেন, যেন মনে হয় অতিরিক্ত ওষুধ খেয়ে তিনি মারা গেছেন। এরপর তিনি নিঃশ্বাস আটকে সম্পূর্ণ স্থির হয়ে শুয়ে থাকেন। শরীর ঠাণ্ডা দেখানোর জন্য শীতল করার যন্ত্রও ব্যবহার করেন।

পরে তার পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, অতিরিক্ত ওষুধ সেবনের কারণে তিনি মারা গেছেন। তারা আরো বলেন, তার মুখ বিকৃত হয়ে যাওয়ায় সেটি কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সন্ধ্যা হওয়ার আগেই সির মা ও দাদি দ্রুত কফিনটি দাফন করেন। এদিকে সি গোপনে শত শত কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের ইউনান প্রদেশে পালিয়ে যান। সেখানে তিনি নতুন করে কাজ খোঁজার চেষ্টা শুরু করেন। সির মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কিন্তু ততক্ষণে কফিন দাফন করা হয়ে গিয়েছিল।

 

তবে কয়েকটি বিষয় পুলিশের সন্দেহের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তদন্তে দেখা যায়, পরিবারের কেউ জরুরি চিকিৎসা সহায়তা চাননি। কফিন আগে থেকেই কেনা ছিল। এ ছাড়া মৃত্যুর কোনো সরকারি সনদ, দাহ বা দাফনের সরকারি নথি কিংবা পারিবারিক নিবন্ধন থেকে তার নাম বাদ দেওয়ার কোনো রেকর্ডও পাওয়া যায়নি। পুলিশ আরো জানতে পারে, সির মা ও দাদি ছাড়া অন্য কেউ তার মরদেহ দেখেনি। কারণ পুরো সময় তার মুখ ঢাকা ছিল। পরে পুলিশ নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ, ব্যাংক লেনদেনের তথ্য এবং মোবাইল ফোনের অবস্থান বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত হয়, সি আসলে জীবিত। এরপর তাকে খুঁজে বের করতে অভিযান শুরু হয়। চলতি বছরের এপ্রিলে ইউনান প্রদেশ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরের মাসে আদালত তাকে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি ২০ হাজার ইউয়ান (প্রায় ৩ হাজার মার্কিন ডলার) জরিমানাও করা হয়। এদিকে, গত ১১ জুন সির মা ও দাদির বিরুদ্ধেও একজন অপরাধীকে লুকিয়ে রাখা এবং তাকে পালাতে সহায়তা করার অভিযোগে ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনাটি প্রকাশের পর চীনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি না চালানো কি এতই কঠিন? শাস্তি এড়াতে তিনি এত বড় নাটক করলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ধরা পড়তেই হলো।’ আরেকজন মন্তব্য করেন, ‘পরিবার তাকে বাঁচাতে চেয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারাও আইনি ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছে।’

সৌদি আরবের পারমাণবিক কর্মসূচির অনুমোদন দিলেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
সৌদি আরবের পারমাণবিক কর্মসূচির অনুমোদন দিলেন ট্রাম্প
ছবি : রয়টার্স

সৌদি আরবের বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি সহায়তা দেওয়ার পথ তৈরি করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে অনুমোদন দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার (২২ জুলাই) অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন সৌদি আরবের সঙ্গে এমন একটি চুক্তিতে অনুমোদন দিয়েছে, যার মাধ্যমে দেশটি বেসামরিক পারমাণবিক প্রকল্পের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতা পেতে পারে। 

বিষয়টি সম্পর্কে জানেন এমন দুই ব্যক্তি জানিয়েছেন, বুধবারের মধ্যেই চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হতে পারে। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো সরকারি ঘোষণা দেওয়া হয়নি। প্রস্তাবিত চুক্তিটি প্রায় ৩০ বছর মেয়াদি হতে পারে। এতে সৌদি আরবে পারমাণবিক কর্মসূচি উন্নয়নে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোও যুক্ত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। যৌথ সমীক্ষার ভিত্তিতে দেশটিতে একটি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র নির্মাণের সুযোগ দেওয়া হতে পারে।

তবে চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের অনুমোদনের জন্য গেলে বিরোধিতার মুখে পড়তে পারে। কিছু আইনপ্রণেতার আশঙ্কা, সৌদি আরবকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সুযোগ দিলে ভবিষ্যতে পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা ও বিস্তারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

সৌদি আরব আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সদস্য। সংস্থাটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে এবং কোনো দেশ গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি পরিচালনা করছে কি না, তা যাচাই করে।

কিন্তু সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তির মতে, এই চুক্তিতে আইএএইএ-এর অতিরিক্ত প্রোটোকল অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই, যা আরো বেশি পর্যবেক্ষণ, পরিদর্শন এবং যাচাইয়ের সুযোগ করে দেবে।

এই প্রত্যাশিত ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছে। এই যুদ্ধের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো তেহরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা বন্ধ করা। ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ।

এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে হোয়াইট হাউস এবং রিয়াদের সৌদি কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেননি, যা প্রথম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত হয়েছিল।

ট্রাম্প এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন উভয়েই মার্কিন প্রযুক্তি ভাগাভাগি করার জন্য সৌদি আরবের সঙ্গে একটি পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছিলেন।

কিন্তু বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, সৌদি আরবের অভ্যন্তরে যেকোনো ঘূর্ণায়মান সেন্ট্রিফিউজ দেশটির জন্য একটি সম্ভাব্য অস্ত্র কর্মসূচির পথ খুলে দিতে পারে। দেশটির নেতা যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ইঙ্গিত দিয়েছেন, তেহরান পারমাণবিক বোমা অর্জন করলে তিনি এই কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারেন।

জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট গত বছর ট্রাম্পের সৌদি আরব সফরের অল্প কিছুদিন আগে সেখানে গিয়েছিলেন এবং তার সৌদি প্রতিপক্ষের সঙ্গে দেশটির বাণিজ্যিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ শিল্প গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন। মঙ্গলবার গভীর রাতে এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে মার্কিন জ্বালানি দপ্তর তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি।

কাতারে হামাস কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলি হামলার পর সৌদি আরব ও পারমাণবিক অস্ত্রধারী পাকিস্তান একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এর পর পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনে পাকিস্তানের পারমাণবিক কর্মসূচি সৌদি আরবের জন্য ‘উপলব্ধ করা হতে পারে’।

এই মন্তব্যকে ইসরায়েলের প্রতি একটি বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইসরায়েলকে দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ করলেই কোনো দেশ সরাসরি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারে না। এর জন্য আরো অনেক প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জন করতে হয়, যার মধ্যে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক ব্যবহারের দক্ষতাও রয়েছে। তবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাব্য পথ তৈরি করতে পারে। এ কারণেই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্বেগ রয়েছে।

সৌদি আরবের প্রতিবেশী সংযুক্ত আরব আমিরাতও পারমাণবিক বিদ্যুৎ কর্মসূচি চালু করেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সহায়তায় বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ‘১২৩ চুক্তি’ স্বাক্ষর করে। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সুযোগ না নিয়েই এই প্রকল্প পরিচালনা করছে, যা পারমাণবিক শক্তি অর্জন করতে চাওয়া দেশগুলোর জন্য একটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়।


 

কারাগারে কয়েদি ধারণক্ষমতা শতভাগ পূর্ণ, যা করল যুক্তরাজ্য | কালের কণ্ঠ