• ই-পেপার

শিশুদের জন্য ভয়াবহতম হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ

ভারতের চলমান আন্দোলন দেখা যাবে ওটিটিতে, প্রকাশ পেল টিজার

অনলাইন ডেস্ক
ভারতের চলমান আন্দোলন দেখা যাবে ওটিটিতে, প্রকাশ পেল টিজার
সংগৃহীত ছবি

নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ এবং তা ঘিরে দেশজুড়ে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে নতুন ওয়েব সিরিজের ঘোষণা দিয়েছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জি৫। ‘দ্য স্ক্যাম : লিকড’ শিরোনামের এই সিরিজটি পরীক্ষা-ব্যবস্থার অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে। খবর হিন্দুস্থান টাইমস

প্রায় এক মিনিটের টিজারে দেখা যায়, কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ছাপানো, গোপনীয়তার সিল লাগিয়ে কার্টনে প্যাক করা এবং পরিবহনের প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু গাড়িতে তোলার আগেই একটি প্রশ্নপত্র অসাধু ব্যক্তির হাতে পৌঁছে যায়। তিনি প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে ফাঁস করে দেন, এরপরই শুরু হয় দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক। এরপর টিজারে সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধান, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ, খালি শ্রেণিকক্ষ এবং শেষদিকে এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার মর্মান্তিক দৃশ্য দেখানো হয়েছে। পুরো টিজারেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের স্বপ্নভঙ্গ ও সামাজিক অস্থিরতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। 

প্রসঙ্গত, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ পরীক্ষা-ব্যবস্থার অনিয়মের অভিযোগে দিল্লির যন্তর মন্তরে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রে। ককরোজ জনতা পার্টি (সিজেপি)-এর নেতৃত্বে চলা এই আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা-ব্যবস্থার সংস্কার, অনিয়মের জবাবদিহি এবং সরকারের সরাসরি পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে আসছেন।

আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে অনশন শুরু করেন শিক্ষা সংস্কারক সোনম ওয়াংচুক। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, যা নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। এরপর সংসদ অভিমুখে মিছিল ঘিরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, লাঠিচার্জ ও আটক করার অভিযোগও ওঠে। সেই ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন বলিউডের অনেক তারকারা, এ তালিকায় আছেন সাহাবানা আজমি, অনুপম খের নাসিরুদ্দিন শাহ, রাজকুমার রাও, স্বরা ভাস্কর, সোনাক্ষী সিনহা, দিয়া মির্জা, ঋচা চাড্ডা ও আলি ফজল। এছাড়াও  খ্যাতিমান সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিং ও কৌশিকী চক্রবর্তীও শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

নাইজেরিয়ায় মহাসড়কে রহস্যময় সাদা ফেনা, জরুরি তদন্ত শুরু

অনলাইন ডেস্ক
নাইজেরিয়ায় মহাসড়কে রহস্যময় সাদা ফেনা, জরুরি তদন্ত শুরু
সংগৃহীত ছবি

নাইজেরিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে রহস্যময় সাদা ফেনাসদৃশ অজানা পদার্থ ছড়িয়ে পড়েছে। তুষারের মতো দেখতে এ ফেনা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাটি ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগ দেখা দেওয়ায় জরুরি তদন্ত শুরু করেছে দেশটির ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড রেগুলেশনস এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি (নেসরিয়া)।

ব্রিটিশ সংবা মাধ্যম বিবিসি বলছে, দেশটির উত্তরাঞ্চলের প্রধান শহর কাদুনার সঙ্গে রাজধানী আবুজাকে সংযুক্তকারী ব্যস্ত কাদুনা-আবুজা এক্সপ্রেসওয়েতে রহস্যময় এই সাদা ফেনা দেখা যায়। এরপর থেকে শত শত যানবাহন থামিয়ে মানুষ সেটির ছবি তুলছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে।

অনেকে ধারণা করছেন, এটি কোনো রাসায়নিক পদার্থের ছড়িয়ে পড়ার ফল। আবার কেউ কেউ এটিকে তুষারের মতো দেখতে বলে বিস্ময় প্রকাশ করছেন।

নিয়মিত এই সড়ক ব্যবহারকারী চালক ইসাহ আমিনু জানান, প্রথমে তিনি অন্য একজন চালকের কাছ থেকে শুনেছিলেন, আকাশ থেকে মেঘ নেমে এসেছে। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি দেখেন, পদার্থটি অনেকটা তুষারের মতো দেখতে।

তিনি বলেন, ‘আমি ফেনাটিকে স্পর্শ করার সাহস করিনি। তবে অনেক মানুষকে এর খুব কাছাকাছি যেতে দেখেছি। কর্তৃপক্ষের দ্রুত জানানো উচিত এটি আসলে কী, যাতে মানুষের বিভ্রান্তি দূর হয়।’

নেসরিয়া জানিয়েছে, তাদের কাদুনা রাজ্য কার্যালয়ের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্তকারীরা রহস্যময় ফেনার নমুনার পাশাপাশি পাশের একটি খালের পানি ও মাটির নমুনাও সংগ্রহ করেছেন। পরীক্ষাগারে এগুলোর রাসায়নিক উপাদান ও পরিবেশগত প্রভাব পরীক্ষা করা হবে।

তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত জনসাধারণকে ওই ফেনা, আশপাশের পানি এবং মাটি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। 

সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সংস্থাটির এক মুখপাত্র বলেন, ‘এটি কী, তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা এর ঝুঁকি সম্পর্কে কিছু বলতে পারছি না।’

প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, একটি লরি দুর্ঘটনার পর কোনো পদার্থ সড়কে ছড়িয়ে পড়ে এই ফেনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে লরিটিতে কী ধরনের মালামাল ছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এপস্টেইনের সহযোগী ফরাসি এজেন্টের মরদেহ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
এপস্টেইনের সহযোগী ফরাসি এজেন্টের মরদেহ উদ্ধার

মার্কিন ধনকুবের এবং দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের অন্যতম সহযোগী ফরাসি মডেলিং এজেন্ট ড্যানিয়েল সিয়াদের মরদেহ উদ্ধার। গত ২০ জুলাই প্যারিসের শহরতলি কোলম্বেসের নিজ বাসভবন থেকে ৬৯ বছর বয়সী এই ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করে ফরাসি কর্তৃপক্ষ।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত ও ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নান্তেসের জুডিশিয়াল কোর্টের প্রসিকিউটর অফিস।

ড্যানিয়েল সিয়াদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে জেফরি এপস্টাইনের জন্য অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরী ও তরুণী মডেলদের সরবরাহ এবং যাতায়াতের ব্যবস্থা করতেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত এপস্টাইন ফাইলসের হাজার হাজার নথিতে সিয়াদের নাম এবং তার সাথে এপস্টাইনের ইমেইল যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এক বিবৃতিতে সিয়াদের আইনজীবী মেইনা আরব-তিগ্রিন জানিয়েছেন,তার বিরুদ্ধে ফ্রান্সে ধর্ষণ, মানবপাচারসহ একাধিক অভিযোগ ছিল। তবে তাকে কখনোই বিচারের আওতায় আনা হয়নি। সে মারা গেছে এবং নির্দোষ ছিল বলে যোগ করেন তিনি।

জেফরি এপস্টাইনের যৌন অপরাধ নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত ফরাসি সহযোগীদের মধ্যে ড্যানিয়েল সিয়াদ হলেন দ্বিতীয় ব্যক্তি, যার মৃত্যু হলো। এর আগে ২০২২ সালে এপস্টাইনের আরেক ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং কুখ্যাত ফরাসি মডেলিং এজেন্ট জঁ-লুক ব্রুনেল প্যারিসের একটি কারাগারে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার আগেই ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছিলেন।

উল্লেখ্য, মূল অপরাধী জেফরি এপস্টাইন নিজেও ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে আত্মহত্যা করেন।

আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’

অনলাইন ডেস্ক
আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’
ছবি : রয়টার্স

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে আটক হয়েছিলেন দেশটির লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। বিক্ষোভ চলাকালীন ওই সময় পুলিশ যখন রাহুল গান্ধীকে টেনেহিঁচড়ে সরিয়ে নিচ্ছিল, তখন পুলিশ সদস্যরা তার কানে ফিসফিস করে বললেন, ‘এই (মোদি) সরকারকে হটাও।’

দেশটির সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে কথা বলার সময় এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন রাহুল।

এর আগে গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর লোক কল্যাণ মার্গের বাসভবনের সামনে চলা বিক্ষোভে অংশ নেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের হস্তক্ষেপেও রাহুল সেখান থেকে সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে সেখান থেকে তাদের তুলে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ জোরপূর্বক দুই হাত ও দুই পায়ে ধরে টেনেহিঁচড়ে রাহুল গান্ধীকে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ওই সময় তার নাক থেকে রক্ত ঝরছে।

রাহুলের দাবি, এই হট্টগোলের মধ্যেই পুলিশ সদস্যরা ব্যক্তিগতভাবে মোদি সরকারের প্রতি তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।

সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন, ‘পুলিশ আমাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু এ সময় তারা আমার কানে কানে বলছিল, এই সরকারকে হটাও। আমি রাজস্থান থেকে এসেছি। আমি হরিয়ানা থেকে এসেছি। আমরা শুধু গায়ে ইউনিফর্ম পরে আছি।’

এই বিরোধীদলীয় নেতা আরো বলেন, ‘ওদের (পুলিশের) নির্দেশ মানতে হয়, তাই ওরা তা করছে। যা ঘটছে তাতে পুলিশও খুশি নয়। তারা জানে একটি অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। তারা এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজেদের সন্তানদের দেখতে পাচ্ছে।’

শিশুদের জন্য ভয়াবহতম হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ | কালের কণ্ঠ