• ই-পেপার

ভারতের চলমান আন্দোলন দেখা যাবে ওটিটিতে, প্রকাশ পেল টিজার

নাইজেরিয়ায় মহাসড়কে রহস্যময় সাদা ফেনা, জরুরি তদন্ত শুরু

অনলাইন ডেস্ক
নাইজেরিয়ায় মহাসড়কে রহস্যময় সাদা ফেনা, জরুরি তদন্ত শুরু
সংগৃহীত ছবি

নাইজেরিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে রহস্যময় সাদা ফেনাসদৃশ অজানা পদার্থ ছড়িয়ে পড়েছে। তুষারের মতো দেখতে এ ফেনা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাটি ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগ দেখা দেওয়ায় জরুরি তদন্ত শুরু করেছে দেশটির ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড রেগুলেশনস এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি (নেসরিয়া)।

ব্রিটিশ সংবা মাধ্যম বিবিসি বলছে, দেশটির উত্তরাঞ্চলের প্রধান শহর কাদুনার সঙ্গে রাজধানী আবুজাকে সংযুক্তকারী ব্যস্ত কাদুনা-আবুজা এক্সপ্রেসওয়েতে রহস্যময় এই সাদা ফেনা দেখা যায়। এরপর থেকে শত শত যানবাহন থামিয়ে মানুষ সেটির ছবি তুলছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে।

অনেকে ধারণা করছেন, এটি কোনো রাসায়নিক পদার্থের ছড়িয়ে পড়ার ফল। আবার কেউ কেউ এটিকে তুষারের মতো দেখতে বলে বিস্ময় প্রকাশ করছেন।

নিয়মিত এই সড়ক ব্যবহারকারী চালক ইসাহ আমিনু জানান, প্রথমে তিনি অন্য একজন চালকের কাছ থেকে শুনেছিলেন, আকাশ থেকে মেঘ নেমে এসেছে। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি দেখেন, পদার্থটি অনেকটা তুষারের মতো দেখতে।

তিনি বলেন, ‘আমি ফেনাটিকে স্পর্শ করার সাহস করিনি। তবে অনেক মানুষকে এর খুব কাছাকাছি যেতে দেখেছি। কর্তৃপক্ষের দ্রুত জানানো উচিত এটি আসলে কী, যাতে মানুষের বিভ্রান্তি দূর হয়।’

নেসরিয়া জানিয়েছে, তাদের কাদুনা রাজ্য কার্যালয়ের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্তকারীরা রহস্যময় ফেনার নমুনার পাশাপাশি পাশের একটি খালের পানি ও মাটির নমুনাও সংগ্রহ করেছেন। পরীক্ষাগারে এগুলোর রাসায়নিক উপাদান ও পরিবেশগত প্রভাব পরীক্ষা করা হবে।

তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত জনসাধারণকে ওই ফেনা, আশপাশের পানি এবং মাটি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। 

সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সংস্থাটির এক মুখপাত্র বলেন, ‘এটি কী, তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা এর ঝুঁকি সম্পর্কে কিছু বলতে পারছি না।’

প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, একটি লরি দুর্ঘটনার পর কোনো পদার্থ সড়কে ছড়িয়ে পড়ে এই ফেনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে লরিটিতে কী ধরনের মালামাল ছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এপস্টেইনের সহযোগী ফরাসি এজেন্টের মরদেহ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
এপস্টেইনের সহযোগী ফরাসি এজেন্টের মরদেহ উদ্ধার

মার্কিন ধনকুবের এবং দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের অন্যতম সহযোগী ফরাসি মডেলিং এজেন্ট ড্যানিয়েল সিয়াদের মরদেহ উদ্ধার। গত ২০ জুলাই প্যারিসের শহরতলি কোলম্বেসের নিজ বাসভবন থেকে ৬৯ বছর বয়সী এই ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করে ফরাসি কর্তৃপক্ষ।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত ও ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নান্তেসের জুডিশিয়াল কোর্টের প্রসিকিউটর অফিস।

ড্যানিয়েল সিয়াদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে জেফরি এপস্টাইনের জন্য অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরী ও তরুণী মডেলদের সরবরাহ এবং যাতায়াতের ব্যবস্থা করতেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত এপস্টাইন ফাইলসের হাজার হাজার নথিতে সিয়াদের নাম এবং তার সাথে এপস্টাইনের ইমেইল যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এক বিবৃতিতে সিয়াদের আইনজীবী মেইনা আরব-তিগ্রিন জানিয়েছেন,তার বিরুদ্ধে ফ্রান্সে ধর্ষণ, মানবপাচারসহ একাধিক অভিযোগ ছিল। তবে তাকে কখনোই বিচারের আওতায় আনা হয়নি। সে মারা গেছে এবং নির্দোষ ছিল বলে যোগ করেন তিনি।

জেফরি এপস্টাইনের যৌন অপরাধ নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত ফরাসি সহযোগীদের মধ্যে ড্যানিয়েল সিয়াদ হলেন দ্বিতীয় ব্যক্তি, যার মৃত্যু হলো। এর আগে ২০২২ সালে এপস্টাইনের আরেক ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং কুখ্যাত ফরাসি মডেলিং এজেন্ট জঁ-লুক ব্রুনেল প্যারিসের একটি কারাগারে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার আগেই ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছিলেন।

উল্লেখ্য, মূল অপরাধী জেফরি এপস্টাইন নিজেও ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে আত্মহত্যা করেন।

আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’

অনলাইন ডেস্ক
আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’
ছবি : রয়টার্স

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে আটক হয়েছিলেন দেশটির লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। বিক্ষোভ চলাকালীন ওই সময় পুলিশ যখন রাহুল গান্ধীকে টেনেহিঁচড়ে সরিয়ে নিচ্ছিল, তখন পুলিশ সদস্যরা তার কানে ফিসফিস করে বললেন, ‘এই (মোদি) সরকারকে হটাও।’

দেশটির সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে কথা বলার সময় এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন রাহুল।

এর আগে গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর লোক কল্যাণ মার্গের বাসভবনের সামনে চলা বিক্ষোভে অংশ নেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের হস্তক্ষেপেও রাহুল সেখান থেকে সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে সেখান থেকে তাদের তুলে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ জোরপূর্বক দুই হাত ও দুই পায়ে ধরে টেনেহিঁচড়ে রাহুল গান্ধীকে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ওই সময় তার নাক থেকে রক্ত ঝরছে।

রাহুলের দাবি, এই হট্টগোলের মধ্যেই পুলিশ সদস্যরা ব্যক্তিগতভাবে মোদি সরকারের প্রতি তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।

সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন, ‘পুলিশ আমাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু এ সময় তারা আমার কানে কানে বলছিল, এই সরকারকে হটাও। আমি রাজস্থান থেকে এসেছি। আমি হরিয়ানা থেকে এসেছি। আমরা শুধু গায়ে ইউনিফর্ম পরে আছি।’

এই বিরোধীদলীয় নেতা আরো বলেন, ‘ওদের (পুলিশের) নির্দেশ মানতে হয়, তাই ওরা তা করছে। যা ঘটছে তাতে পুলিশও খুশি নয়। তারা জানে একটি অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। তারা এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজেদের সন্তানদের দেখতে পাচ্ছে।’

যে শর্তে অনশন ভাঙবেন সোনম ওয়াংচুক

অনলাইন ডেস্ক
যে শর্তে অনশন ভাঙবেন সোনম ওয়াংচুক
সংগৃহীত ছবি

ভারতের শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জবাবদিহির দাবিতে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। তবে সুস্পষ্ট একটি শর্ত সরকারের পক্ষ থেকে মেনে নিলে তিনি অনশন ভাঙার ঘোষণা দিয়েছেন।

তিনি জানান, আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণ-তরুণীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আইনি বা প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—সরকার এমন স্পষ্ট নিশ্চয়তা দিলে তিনি অনশন প্রত্যাহার করবেন। অন্যথায় তিনি অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশন চালিয়ে যাবেন।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংকে লেখা এক চিঠিতে ওয়াংচুক বলেন, ‘আমি সরকারের কাছে স্পষ্ট নিশ্চয়তা চাই যে, আন্দোলনে অংশ নেওয়া কোনো তরুণের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক বা প্রতিশোধমূলক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। আন্দোলনকারীরা কেবল একটি সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থার দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন।’

প্রসঙ্গত, ৫৯ বছর বয়সী ওয়াংচুক গত ২৮ জুন থেকে অনশন শুরু করেন। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জবাবদিহির দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আয়োজিত আন্দোলনের অংশ হিসেবে তিনি দিল্লির জন্তর মন্তরে অনশন করছিলেন। 

টানা তিন সপ্তাহ পর পুলিশ তাকে সেখান থেকে সরিয়ে দিলেও তিনি অনশন ভাঙতে অস্বীকৃতি জানান। বর্তমানে তিনি গুরুগ্রামের মেদান্তা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় টানা ২৫তম দিনের অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন।

চিঠিতে ওয়াংচুক জানান, নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং সম্প্রতি হাসপাতালে গিয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সেখানে তারা নিট প্রশ্নফাঁসের পর আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ বিবেচনা করা এবং প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ও জবাবদিহি নিয়ে সংসদে আলোচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন।

পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।