• ই-পেপার

দেবীদ্বার

পুকুরে ভেঙে পড়ছে পাকা সড়ক, ঝুঁকিতে চলাচল

মনপুরায় কোস্ট গার্ডের অভিযান, অস্ত্রসহ ডাকাত স্বপন আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক
মনপুরায় কোস্ট গার্ডের অভিযান, অস্ত্রসহ ডাকাত স্বপন আটক

ভোলার মনপুরায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারসহ কুখ্যাত ডাকাত ‘স্বপন বাহিনী’র প্রধান স্বপন (৫০) আটক হয়েছেন।

বুধবার (২২ জুলাই) রাতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২১ জুলাই রাত ১১টা থেকে ২২ জুলাই দুপুর ৩টা পর্যন্ত মনপুরা থানার কাজিরচর সংলগ্ন মাছের ঘাট বাজার এলাকায় কোস্ট গার্ড বেইস ভোলা ও আউটপোস্ট মনপুরা যৌথভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে কুখ্যাত ডাকাত ‘স্বপন বাহিনী’র প্রধান স্বপনকে আটক করা হয়।

পরে আটক স্বপনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকার একটি মাছের আড়তে তল্লাশি চালিয়ে একটি দেশীয় একনলা বন্দুক এবং আটটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

আটক স্বপন ভোলার মনপুরা উপজেলার হাজিরহাট এলাকার বাসিন্দা। কোস্ট গার্ডের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ‘স্বপন বাহিনী’র প্রধান হিসেবে বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও ডাকাতি কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি মামলাও রয়েছে।

কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, উদ্ধার করা আলামত ও আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।

কালের কণ্ঠের সংবাদে ঘর পাচ্ছেন জুলাই যোদ্ধা আমির

বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
কালের কণ্ঠের সংবাদে ঘর পাচ্ছেন জুলাই যোদ্ধা আমির
ছবি: কালের কণ্ঠ

‘রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা সেই জুলাইযোদ্ধা আমিরের সংসার চলে গাছ কেটে’ শিরোনামে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কালের কণ্ঠে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া আমির হোসেনকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। একমাত্র কালের কণ্ঠে এ মানবিক সংবাদটি প্রকাশের পর পরই বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।

এ প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে বুধবার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তারিকুল ইসলাম সদর উপজেলা থেকে ১৫ কিমি দূরত্বের সোনারামপুর ইউনিয়নের দুলারামপুর গ্রামের প্রত্যন্ত মহল্লায় ছুটে যান।

আমিরের পরিবারের খোঁজখবর নেন ইউএনও। তার ভাঙা ঘর ও শারীরিক অবস্থা দেখে দুঃখ প্রকাশ করে পরিবারের সবাইকে সমবেদনা জানান তিনি। অসুস্থ শরীর নিয়ে গাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ করা আমিরকে তাৎক্ষণিক নগদ ১০ হাজার টাকা ও ২ বস্তা খাদ্যপণ্য তুলে দেন।

এসময় ইউএনও ঘোষণা দেন অল্প কিছুদিনের মধ্যে একটি ঘর, বাড়তি টিন ও নিয়মিত মাসিক খাদ্যপণ্য প্রদান করা হবে।

উপহার সামগ্রী পেয়ে তরুণ যোদ্ধা আমির আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তিনি কালের কণ্ঠসহ বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

এসময় ইউএনওর সঙ্গে উপজেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ কার্যালয়ের কর্মকর্তা প্রকৌশলী মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, কালের কণ্ঠের সংবাদটি প্রকাশিত না হলে আমরা জানতেই পারতাম না, একজন জুলাই যোদ্ধা তরুণ কতটা কষ্টে আছে। তার ভাঙা ঘর মেরামত নয়, নতুন করে গড়ে দেবো।

টঙ্গীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, গাজীপুর
টঙ্গীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

গাজীপুরের টঙ্গীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ফজলুল হক বেপারি (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে টঙ্গীর চেরাগ আলী মার্কেট এলাকায় হাইটেক ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপে এই ঘটনা ঘটেছে। নিহত ফজলুল হক বেপারি গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থানার চিনাডুলি গ্রামের মৃত আব্দুল মতিন বেপারির ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বুধবার বেলা ১১টার দিকে ওয়ার্কশপে বিদ্যুতের কাজ করছিলেন বৃদ্ধ ফজলুল হক বেপারি। এসময় অসাবধানতা বসত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। এতে তার পেটে ও কোমরে গুরুতর আঘাত পান বৃদ্ধ ফজলুল হক। পরে ওয়ার্কসপ কর্মচারী ও স্থানীয় দোকানদাররা তাকে উদ্ধার করে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাষ্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।

রান্নার সময় সবুজ হলো গরুর মাংস, চাঞ্চল্য পাইকগাছায়

খুলনা অফিস
রান্নার সময় সবুজ হলো গরুর মাংস, চাঞ্চল্য পাইকগাছায়
ছবি: কালের কণ্ঠ

খুলনার পাইকগাছায় গরুর মাংস রান্না করতে গিয়ে অস্বাভাবিক রং পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেছে। বুধবারের (২২ জুলাই) এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, পাইকগাছা পৌর বাজারের একজন মাংস ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ফ্রিজে সংরক্ষিত গরুর মাংস কেনেন স্থানীয় মডার্ন বেকারির কর্মচারীরা। পিকনিকের জন্য তারা মোট তিন কেজি ৯০০ গ্রাম গরুর মাংস ক্রয় করেন। রান্নার সময় হঠাৎ মাংসের রং সবুজ হয়ে যেতে দেখে তারা বিষয়টি স্থানীয়দের জানান। পরে ওই মাংস পাইকগাছা থানায় নিয়ে গেলে পুলিশ তা জব্দ করে থানার হেফাজতে রাখে।

অভিযোগের বিষয়ে মাংস বিক্রেতা ইসমাইল কসাই বলেন, বুধবার সকালে তিনি আরো অনেক ক্রেতার কাছে একই মাংস বিক্রি করেছেন, কিন্তু মডার্ন বেকারির কর্মচারী ছাড়া অন্য কারো কাছ থেকে কোনো অভিযোগ পাননি। 

তিনি দাবি করেন, গত ১৫ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করে আসছেন। বেকারিতে ব্যবহৃত কোনো রং বা রাসায়নিক ভুলবশত রান্নার সময় মিশে যাওয়ার কারণে এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলেও তিনি দাবি করেন।

পাইকগাছা থানার ওসি (অপারেশন) জুলফিকার আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মাংসের নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই রং পরিবর্তনের প্রকৃত কারণ এবং কোনো ধরনের রাসায়নিক বা ভেজালের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।