• ই-পেপার

‘রোনালদো সৌদি ক্লাবে খেলতে পারে, বিশ্বকাপে খেলার সামর্থ নেই’

হকি ফেডারেশনের নতুন সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক সাদেক

ক্রীড়া ডেস্ক
হকি ফেডারেশনের নতুন সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক সাদেক

বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের (বাহফে) সাধারণ সম্পাদকের গুরুদায়িত্ব পেয়েছেন টি স্পোর্টসের প্রধান নির্বাহী (সিইও) ইশতিয়াক সাদেক। পূর্ববর্তী অ্যাডহক কমিটি বিলুপ্ত করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) যে নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে, সেখানেই এই গুরুত্বপূর্ণ পদে তাকে মনোনীত করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক মো. দৌলতুজ্জামান খাঁন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজন করে নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরে ব্যর্থ হওয়ায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত ২০২৬)-এর ২১ ধারা অনুযায়ী বিদ্যমান অ্যাডহক কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। একই আইনের আওতায় নতুন অ্যাডহক কমিটি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নতুন এই অ্যাডহক কমিটিতে পদাধিকার বলে সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক জাতীয় হকি খেলোয়াড় সাজেদ এ আদেল, কটন গ্রুপের চেয়ারম্যান ও উষা ক্রীড়া চক্রের শাহীন মাহমুদ, গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব.) মোহাম্মদ আলমগীর, এলিট পেইন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আহমেদ এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর এয়ার কমোডর মো. রাফিউল হক।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন, ২০১৮-এর ১৪(৩) ধারা অনুযায়ী গঠিত এই অ্যাডহক কমিটিকে আদেশ জারির তারিখ থেকে তিন মাসের মধ্যে ফেডারেশনের নির্বাচন সম্পন্ন করে নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে হবে।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অনুমোদনক্রমে জারি করা এ আদেশ প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই নতুন অ্যাডহক কমিটি কার্যকর হয়েছে।

বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের ২৯ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ অ্যাডহক কমিটি:

হাসান মাহমুদ খান – সভাপতি

সাজেদ এ আদেল – সহ-সভাপতি

শাহীন মাহমুদ– সহ-সভাপতি

গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আলমগীর (অবঃ) – সহ-সভাপতি

সেলিম আহমেদ – সহ-সভাপতি

মোঃ রাফিউল হক – সহ-সভাপতি

ইশতিয়াক সাদেক – সাধারণ সম্পাদক

আরিফুল হক প্রিন্স – যুগ্ম সম্পাদক

মোঃ সরাফত মিয়া – যুগ্ম সম্পাদক

মিজানুর রহমান ডন – কোষাধ্যক্ষ

নাজিরুল ইসলাম নাজু – সদস্য

মোঃ ইউসুফ আলী – সদস্য

মোসাদ্দেক হোসেন চৌধুরী পাপ্পু – সদস্য

মাহবুব হারুন – সদস্য

রাসেল মাহমুদ জিমি – সদস্য

কামরুল ইসলাম কিসমত – সদস্য

আশরাফুল আলম বাবলু – সদস্য

মোস্তাফিজুর রহমান মামুন – সদস্য

মোঃ ফারুক আহমেদ – সদস্য

আবু ইয়াসিন মোঃ মাসুদ রানা – সদস্য

সাফায়েত হোসেন ডালিম – সদস্য

এ এন এম মামুন উর রশিদ – সদস্য

রাহুল কান্তি রায় – সদস্য

শাহিন হালিম ডন – সদস্য

মালিক আব্দুল্লাহ আল-আমিন সাদী – সদস্য

শফিকুল ইসলাম লিটু – সদস্য

নুর হোসাইন – সদস্য

বদরুল ইসলাম দিপু – সদস্য

মোঃ আকিল সিদ্দিক – সদস্য

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে নামার আগে রেফারিকে কড়া সতর্কবার্তা স্পেন কোচের

ক্রীড়া ডেস্ক
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে নামার আগে রেফারিকে কড়া সতর্কবার্তা স্পেন কোচের
ছবি : রয়টার্স

চলতি বিশ্বকাপে মাঠের ফুটবলে আর্জেন্টিনার দাপট যেমন দেখা গেছে, তেমনি রেফারিদের কাছ থেকে আলবিসেলেস্তেদের ‘বিশেষ সুবিধা’ পাওয়ার অভিযোগ ঘিরে বিতর্কও কম হয়নি। বিশেষ করে শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিদায় নেওয়ার পর মিসরের কোচ হোসাম হাসান ও ফরোয়ার্ড মোস্তাফা জিকো রেফারির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যেই পক্ষপাতের তির ছোঁড়েন। এমনকি বিষয়টি নিয়ে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক নালিশও জানায় মিসর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।

সেই বিতর্কের রেশ ধরেই হয়তো এবার মহাদেবলের আগে রেফারিং নিয়ে আগাম সতর্কবার্তা দিয়ে রাখলেন স্পেনের মাস্টারমাইন্ড লুইস দে লা ফুয়েন্তে। আগামী রবিবার রাতে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বজয়ের ফাইনাল লড়াইয়ে নামছে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচের পরিচালনার দায়িত্বে থাকছেন স্লোভেনিয়ান রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ। স্প্যানিশ কোচের সাফ কথা, ম্যাচে নিয়মের কঠোর প্রয়োগ করতে হবে এই রেফারিকে।

স্প্যানিশ নারি দৈনিক ‘স্পোর্ত’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দে লা ফুয়েন্তে বলেন, ‘রেফারি কোনোভাবেই শিথিলতা দেখাতে পারেন না কিংবা নিয়ম ভাঙার সুযোগ দিতে পারেন না। ফুটবলের বৈধতার যে সীমারেখা আছে, তা কোনোভাবেই অতিক্রম করা উচিত নয়।’ 

তবে রেফারিদের প্রতি নিজের সম্পূর্ণ আস্থার কথাও জানাতে ভুলেননি তিনি, ‘রেফারিদের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে। একই সঙ্গে আমাদেরও পরিষ্কারভাবে জানা আছে, এমন বড় ম্যাচে কিভাবে খেলতে হয়।’

মজার ব্যাপার হলো, আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের বর্তমান ডিরেক্টর বা কোচিং কোর্সে লিওনেল স্কালোনির প্রশিক্ষক ছিলেন এই লুইস দে লা ফুয়েন্তে। সেই পুরনো সম্পর্কের প্রসঙ্গ টেনে স্পেনের এই ইউরোজয়ী কোচ জানান, ফাইনালে আর্জেন্টিনার কৌশল যা-ই হোক না কেন, স্পেনের মূল লক্ষ্য থাকবে নিজেদের চেনা ছন্দে খেলা।

তিনি বলেন, ‘আর্জেন্টিনা তাদের নিজস্ব ঘরানায় খেলবে। কিন্তু আমাদের মনোযোগ থাকতে হবে শুধু নিজেদের খেলায়। নিজেদের ফুটবলকে আরো শক্তিশালী করা এবং সেটিকে আরো নিখুঁত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’

একই সঙ্গে স্প্যানিশ ফুটবলারদের মাঠের ভেতরের উসকানি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়ে গুরু ফুয়েন্তে বলেন, ‘আমরা যদি আমাদের ফুটবল দর্শন ও খেলার ধরন থেকে বিচ্যুত হই, তবে আমাদের ভুগতে হবে। আমরা ফুটবলটা ফুটবলের মতোই খেলতে পছন্দ করি। নিজেদের ভাবনায় অটল থাকতে চাই, কোনো ধরনের উসকানিতে পা দিতে চাই না। অবশ্য এর মানে এই নয় যে আর্জেন্টিনা এমন কিছু করবে।’ 

বিশ্বকাপের প্রাইজমানিতে জোয়ার, অর্থ পাবে বাংলাদেশও

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের প্রাইজমানিতে জোয়ার, অর্থ পাবে বাংলাদেশও
ছবি : রয়টার্স

১৯৩০ সালে উরুগুয়ের মাটিতে যখন ফুটবলের প্রথম মহোৎসব বসেছিল, তখন অংশ নিয়েছিল মাত্র ১৩টি দল। সময়ের আবর্তে সেই সংখ্যা ১৬, ২৪ পেরিয়ে ঠেকেছিল ৩২-এ। দীর্ঘ ২২টি আসর পেরিয়ে ২৩তম আসরে এসে আবার রূপ বদলেছে ফুটবলের ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’। এবার বিশ্বমঞ্চের টিকিট পেয়েছে ৪৮টি দেশ। দল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফিফার আয়ের পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি আকাশ ছুঁয়েছে প্রাইজমানির অঙ্কও। আর ফিফার এই উপার্জনের ভাগীদার হতে যাচ্ছে বাংলাদেশও।

এবারের আসরে সব মিলিয়ে প্রাইজমানি ঘোষণা করা হয়েছে রেকর্ড ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত আসরের চেয়ে প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি। নিয়ম অনুযায়ী, টুর্নামেন্ট থেকে অর্জিত লভ্যাংশের একটা বড় অংশ বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ফিফা) তাদের সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে বণ্টন করে দেয়। ফলে বিশ্বকাপ শেষ হতেই দেশের ফুটবলের গভর্নিং বডি বা গেম ডেভেলপমেন্টের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

ফিফার এই অর্থ বণ্টন নীতি নিয়ে দেশের সাবেক জাতীয় ফুটবলার জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু বলেন, ‘এই বিশ্বকাপ থেকে ফিফা যে অর্থ আয় করবে, তার একটি অংশ বাংলাদেশসহ সারা পৃথিবীর সব মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনই পাবে। মূলত ফিফার আয়ের মূল লক্ষ্যই থাকে তাদের মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনগুলোকে সাহায্য করা।’

দলসংখ্যা বাড়ানোর ইতিবাচক দিক তুলে ধরে তিনি আরো যোগ করেন, ‘যখন দলের সংখ্যা বাড়ানো হয়, তখন অন্য দলগুলোও উৎসাহিত হয় এই ভেবে যে—আমাদেরও হয়তো সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে এশিয়া কিংবা আফ্রিকার দিকে তাকালে এটা স্পষ্ট। দলের সংখ্যা যেহেতু বাড়ছে, কোয়ালিফাই করার প্রতিযোগিতাও এখন অনেক বেশি।’

এবারের বিশ্বকাপে টাকার ঝনঝনানি কতটা, তা স্পষ্ট দলগুলোর প্রাপ্তির খতিয়ান দেখলেই। টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলই ট্রেনিং ক্যাম্প ও যাতায়াত খরচ বাবদ শুরুতেই পেয়েছে ২.৫ মিলিয়ন ডলার করে। এরপর মাঠের লড়াইয়ে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া ১৬টি দল পকেটে পুরেছে আরো ১০ মিলিয়ন ডলার করে (সব মিলিয়ে সাড়ে ১২ মিলিয়ন)।

পরের ধাপগুলোতেও টাকার অঙ্কটা বেড়েছে জ্যামিতিক হারে। দ্বিতীয় রাউন্ডে থমকে যাওয়া দলগুলো পেয়েছে ১২ মিলিয়ন এবং রাউন্ড অব সিক্সটিন বা শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলোর ঝুলিতে গেছে ১৬ মিলিয়ন ডলার করে। কোয়ার্টার ফাইনালের মঞ্চ থেকে ছিটকে পড়া চার দল পেয়েছে ২০ মিলিয়ন ডলার করে। এ ছাড়া সান্ত্বনার লড়াইতে চতুর্থ হওয়া দল পাবে ২৭ মিলিয়ন এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল পাবে ২৯ মিলিয়ন ডলার। ফাইনালের রানার্সআপ দল পাবে ৩৩ মিলিয়ন, আর বিশ্বজয়ের সোনালি ট্রফিতে চুমু আঁকা চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য বরাদ্দ থাকছে রেকর্ড ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

‘চকলেট মেডেলের ম্যাচ’ খেলার ইচ্ছা নেই ফ্রান্স খেলোয়াড়দের

ক্রীড়া ডেস্ক
‘চকলেট মেডেলের ম্যাচ’ খেলার ইচ্ছা নেই ফ্রান্স খেলোয়াড়দের
ছবি : রয়টার্স

গত দুই বিশ্বকাপের ফাইনালিস্ট তারা। অথচ এবার সেমিফাইনালের গণ্ডিটাই পার হতে পারল না ফ্রান্স। শেষ চারে থমকে গেছে কিলিয়ান এমবাপ্পেদের বিশ্বজয়ের স্বপ্ন। তবে স্বপ্নভঙ্গের বেদনায় পুড়লেও এখনই দেশে ফেরার বিমান ধরার উপায় নেই ফরাসিদের। টুর্নামেন্ট থেকে পুরোপুরি বিদায় নেওয়ার আগে তাদের খেলতে হচ্ছে অলিখিত এক ‘বাধ্যতামূলক’ ম্যাচ।

মিয়ামি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় আজ শনিবার দিবাগত রাত ৩টায় তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ব্রোঞ্জ মেডেলের এই ম্যাচে ফ্রান্সের মুখোমুখি হচ্ছে আরেক সেমিফাইনালে স্বপ্নভঙ্গ হওয়া ইংল্যান্ড। তবে মাঠের লড়াইয়ের আগেই ম্যাচটি নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অনীহা। ইংলিশরা আগেই সাফ জানিয়ে দিয়েছিল, এমন ‘অর্থহীন’ ম্যাচ খেলার কোনো ইচ্ছেই নেই হ্যারি কেইনদের। এবার সুর মেলালো ফরাসি শিবিরও। 

ফরাসি ডিফেন্ডার ইব্রাহিম কোনাতে তো হেসেই উড়িয়ে দিচ্ছেন ম্যাচটিকে। মজার ছলে এই ম্যাচের নাম দিয়েছেন ‘চকলেট মেডেলের ম্যাচ’। তবে খেলতে নামার তীব্র অনীহা থাকলেও, সতীর্থদের নিয়ে একটি বিশেষ কারণে ম্যাচটি জিততে চান কোনাতে। কারণ, এই ম্যাচ দিয়েই অবসান ঘটছে ফ্রান্স ফুটবলে ‘দিদিয়ের দেশম’ অধ্যায়ের। ফরাসি ডাগআউটে এটিই এই কিংবদন্তি কোচের শেষ ম্যাচ।

প্রিয় কোচের বিদায়বেলায় জয় উপহার দিতে চান কোনাতে, ‘আমাদের কেউই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি খেলতে চাইনি, কিন্তু আমাদের তো কোনো উপায় নেই। আমরা আমাদের কোচকে উপযুক্ত সম্মান দিয়ে বিদায় জানাতে চাই। ফ্রান্স দলের জন্য তিনি যা করেছেন, তার জন্য আমাদের কৃতজ্ঞ থাকতেই হবে। এই চকলেট মেডেল বা ব্রোঞ্জ মেডেল যা-ই বলুন, তা জেতার জন্য আমরা আমাদের সবকিছু উজাড় করে দেব।’

শিষ্যের মতো দেশম নিজেও ম্যাচটি নিয়ে বিরক্তি লুকাতে পারেননি। মনের বিরুদ্ধে গিয়েই আজ দলকে মাঠে নামাতে হচ্ছে বিদায়ী এই মাস্টারমাইন্ডকে, ‘এই ম্যাচের প্রতি আমার একটা দায়বদ্ধতা আছে। এটা কোনো প্রীতি ম্যাচ নয়, অফিশিয়াল ম্যাচ। খেলোয়াড়, স্টাফ এবং আমার দায়িত্ব হলো লক্ষ্য পূরণ করা; যদিও এটি ফাইনালের চেয়ে অনেক কম গুরুত্বপূর্ণ। ইংল্যান্ড যেমন খেলতে চায় না, আমরাও চাই না। তবুও আমাদের খেলতে হচ্ছে।’

নিজের বিদায়ের আবহে আবেগাক্রান্ত হতে চান না বিশ্বকাপজয়ী এই কিংবদন্তি। ম্যাচ শুরুর আগে শিষ্যদের কড়া বার্তাই দিয়ে রাখলেন দেশম, ‘আমাদের লক্ষ্য একটাই—তৃতীয় হওয়া। এই জার্সিটার একটা মর্যাদা আছে, সেটা আমাদের রক্ষা করতেই হবে। আমি জানি এটা আমার শেষ ম্যাচ, তবে আমি চাই না কেউ কাঁদুক। একটা অধ্যায়ের শেষ হতেই পারে, কিন্তু জীবন তো আর থেমে থাকে না।’