• ই-পেপার

‘ফ্রান্সের উচিত আমাদের ভয় পাওয়া’

বিশ্বকাপ খেলে দেশে ফিরেই মারা গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার খেলোয়াড়

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ খেলে দেশে ফিরেই মারা গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার খেলোয়াড়
ছবি : ফিফা

বিশ্বকাপে শেষে দেশে ফিরে মারা গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার জেইডেন অ্যাডামস। চলতি জুলাইয়ে ২৫ বছর পা রাখা এই বাফনার খেলোয়াড়কে কেপ টাউনে নিজ বাড়িতে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। তার অকালপ্রয়াণে দক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবল প্লেয়ার্স ইউনিয়নসহ ক্রীড়াঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।  

বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচে খেলা ২৫ বছর বয়সে মারা যাওয়া মামেলোদি সানডাউনসের এই মিডফিল্ডার।

এক বিবৃতিতে ক্রীড়ামন্ত্রী গেটন ম্যাকেনজি জানিয়েছেন, মামেলোডি সানডাউনস এবং বাফানার ২৫ বছর বয়সী মিডফিল্ডার জেইডেন অ্যাডামসের মৃত্যুর খবর পেয়ে আমি গভীরভাবে স্তব্ধ এবং মর্মাহত।

দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবল তার অন্যতম সেরা তরুণ প্রতিভাকে হারাল। এই প্রতিভাবান ফুটবলারকে একাডেমি থেকে উঠে এসে জাতীয় দল বাফানার তারকা হয়ে উঠতে দেখেছেন লাখো সমর্থক। তার এই অকাল বিদায়ে পরিবার, সতীর্থ এবং কোটি ভক্তের সাথে আজ পুরো জাতি গভীরভাবে শোকাহত বলে যোগ করেন বিবৃতিতে।

পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার সকালে সেন্ট্রাল কেপ টাউনের শহরতলি স্কটশে ক্লুফের একটি বাড়ি থেকে ২৫ বছর বয়সী এক যুবকের লাশ উদ্ধারের পর তারা তদন্ত শুরু করেছে।

অ্যাডামস স্টেলেনবোশের যুব ক্যাম্প থেকে উঠে আসেন। ক্লাবটির প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে পেশাদার লিগে চুক্তিবদ্ধ হন এই মিডফিল্ডার। তিনি ক্লাবটির হয়ে ১৩৯টি ম্যাচ খেলেন এবং ২০২৩ সালের কার্লিং নকআউট শিরোপা জিততে সাহায্য করেন। এরপর ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তিনি মামেলোডি সানডাউনসে যোগ দেন।

অ্যাডামস মূলত স্টেলেনবোশের যুব একাডেমি থেকে উঠে এসেছিলেন। এই একাডেমি থেকে প্রথম কোনো খেলোয়াড় হিসেবে তিনি পেশাদার চুক্তিতে সই করেন। ক্লাবটির হয়ে তিনি ১৩৯টি ম্যাচ খেলেন এবং ২০২৩ সালের ‘কার্লিং নকআউট’ ট্রফি জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তিনি মামেলোডি সানডাউনস ক্লাবে যোগ দেন।

দক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবল প্লেয়ার্স ইউনিয়ন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মামেলোদি সানডাউনস এবং বাফানা বাফানার মিডফিল্ডার জেডেন অ্যাডামসের অকালমৃত্যুতে এসএএফপিইউ গভীরভাবে শোকাহত।

জেডেন কিছুদিন আগেই ২০২৬ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। গর্ব, সাহস ও কৃতিত্বের সাথে জাতির আশা বহন করেছিলেন। তার মৃত্যুতে পরিবার, সতীর্থ, ক্লাব, ফুটবল অঙ্গন এবং সমগ্র দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

ওয়ানডে সিরিজ

বাংলাদেশের সান্ত্বনার জয়ে তানজিদের এক ছক্কার আক্ষেপ

ক্রীড়া ডেস্ক
বাংলাদেশের সান্ত্বনার জয়ে তানজিদের এক ছক্কার আক্ষেপ
৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি পাওয়া হয়নি তানজিদ তামিমের। ছবি : ক্রিকইনফো

আক্ষেপটা রয়েই গেল তানজিদ হাসান তামিমের। অপেক্ষা করেও যে সেঞ্চুরিটা করতে পারলেন না বাঁহাতি ওপেনার। ওয়েলিংটন মাসাকাদজার করা ম্যাচের ৩৩তম ওভারের তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ৯৪ রানে পৌঁছান তিনি।

তখন বাংলাদেশের জয়ের জন্য প্রয়োজন ৩ রান। তবে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির আশায় বাকি ৩ বল ডট দিলেন তানজিদ। অপেক্ষায় ছিলেন ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ শেষ করার।

পরের ওভার মেডেন দিয়ে সেই সুযোগও করে দিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে কাজে লাগাতে পারলেন না তানজিদ। আর্নেস্ট মাসুকুর প্রথম বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ক্রেইগ আরভিনের হাতে তালুবন্দি হলেন। তাতে ৮ চার ও ৩ ছক্কার ইনিংসটির ‘মৃত্যু’ ঘটে।

হতাশা নিয়েই তাই মাঠ ছাড়তে হলো তানজিদকে। বাঁহাতি ওপেনারের আক্ষেপের ম্যাচে অবশ্য সহজ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ৭ উইকেটের জয়টি বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমে এনে দিয়েছে স্বস্তি। কেননা আগের দুই ওয়ানডেতে হেরে সিরিজ খুইয়েছে তারা। আজকের জয়টি তাই সান্ত্বনার। ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে স্বাগতিকরা।

হারারেতে আজ ২০০ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু পায় বাংলাদেশ। তানজিদ-সৌম্য সরকারের দুর্দান্ত ব্যাটিং একটা সময় ১০ উইকেটের জয় দেখছিল বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত ৬৯ রানে সৌম্য বিদায় নেওয়ায় তা আর হয়নি। বাঁহাতি ওপেনারের ৬ চার ও ২ ছক্কার ইনিংস শেষ হতেই ভেঙে যায় ১৫১ রানের জুটিটি।

পরে আরও দুই উইকেট হারিয়ে ৭ উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ। ৮৪ বল হাতে রেখে পাওয়া জয়ে শান্ত অপরাজিত থাকেন ১৮ রানে। জিম্বাবুয়ের হয়ে ২টি উইকেট নেন মাসুকু।

এর আগে তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে জিম্বাবুয়েকে অল্প রানেই আটকানোর সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। সেটা হতে দেননি স্বাগতিকদের দুই হাফসেঞ্চুরিয়ান। ব্র্যাড ইভান্সের ৫০ রানের বিপরীতে ৭৫ রান করে দলকে দুই শ ছুঁই ছুঁই স্কোর এনে দেন ওয়েসলি মাধেভেরে। প্রতিপক্ষকে ১৯৯ রানে অলআউট করার পথে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন বাঁহাতি পেসার শরীফুল।

ভাইকিংসদের সামনে থ্রি লায়ন্স, ম্যাচের আগে চর্চায় হাল্যান্ডের চুল বাঁধার স্টাইল

ক্রীড়া ডেস্ক
ভাইকিংসদের সামনে থ্রি লায়ন্স, ম্যাচের আগে চর্চায় হাল্যান্ডের চুল বাঁধার স্টাইল
বাঁয়ে ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও নরওয়ের আলিং হালান্ড। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের কোয়ার্টারে হ্যারি কেইনের ইংল্যান্ড সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ব্রাজিলকেই ভেবে রেখেছিল। সেখানে এখন তাদের সামনে ছয় ফুট পাঁচ ইঞ্চির ‘স্নাইপার’ বা সাইলেন্ট আত্মঘাতী আর্লিং হাল্যান্ড।

মেসি-এমবাপ্পে থাকলেও যিনি সাত গোল করে দুজনের ঘাড়ে যেমন নিঃশ্বাস ফেলছেন। ঠিক তেমনই এই ম্যাচে ইংল্যান্ডকে কোচ টমাস টুখেলের আসল কাঁটা ওই আইকনিক চুল বাঁধার মালিক। থ্রি লায়ন্সরা কি পারবে ভাইকিংসদের থামতে?

কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এই সময়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিচে বসে ইংল্যান্ড সমর্থক গ্যারি হুয়ার্ট বিয়ারের গ্লাস হাতে উত্তেজিত কণ্ঠে বলছেন, ‘হ্যারি ৬টা গোল করেছে। রিয়েল লিডার। আমরা সেমিফাইনালে যাচ্ছি। হাল্যান্ড কিছু করতে পারবে না।’

যে হারে ইংরেজ সমর্থকরা মায়ামির বারগুলোর দখল নিয়েছে, প্রশাসন অবশ্যই নিচ্ছে বাড়তি সতর্কতা। স্টেডিয়ামে বা ফ্যান পার্কে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতেই এই সতর্কতা।

সমুদ্রসৈকত থাকবে আর জলদস্যুরা তার দখল নেবে না, হতে পারে না। লাল জার্সি পরা অসংখ্য নরওয়ে সমর্থকও দল বেঁধে বিচে ঘুরছেন। ‘ইটস কামিং হোম’ শুনলেই তারা সুর করে পাল্টা আওয়াজ তুলছেন, ‘হা-হা-হা হাল্যান্ড’, যা ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল। সঙ্গে নৌকো বাওয়ার ভঙ্গিতে বিখাত ‘ভাইকিং রো’ তো আছেই।

কী ছকে টিম নামাবেন ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল? ৪-২-৩-১ ছকে খেলার কথা থ্রি লায়ন্সের। ডিফেন্সে বাঁ দিকে ও’রিলি, স্টপে গুয়েহি ও স্টোন্স আর রাইট ব্যাক কোয়ানসা। গুয়েহি পুরো ফিট কি না, তা নিয়ে অবশ্য সন্দেহ থাকছে। তিনি ফিট না হলে ড্যান বার্ন খেলবেন।

ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডে ডেক্লান রাইস আর অ্যান্ডারসন, অ্যাটাকিং মিডফিল্ডে গর্ডন, বেলিংহ্যাম আর সাকা। উপরে স্ট্রাইকার হ্যারি কেন। ইংল্যান্ড এখন পর্যন্ত যে ১১টা গোল করেছে, তার মধ্যে ছ’টা কেনের, চারটে বেলিংহ্যামের। ইংল্যান্ড মিডিয়া তো বটেই, ফুটবল দুনিয়াও মনে করছে, এখন পর্যন্ত কেন যে ভাবে টিমকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাতে তিনি টিমকে সেমিফাইনালে তুলবেনই।

অন্যদিকে, নরওয়ে কোচ স্টেল সোলবাক্কেন ব্রাজিলকে হারিয়ে শেষ আটে উঠে এসেছেন। ২৮ বছর পরে নরওয়ে বিশ্বকাপে যোগ্যতা পেয়েই কোয়ার্টার ফাইনালে। গোলের সামনে হাল্যান্ড কতটা বিধ্বংসী হতে পারেন, ব্রাজিল ম্যাচে দুনিয়া তা দেখেছে। ম্যাঞ্চেস্টার সিটির নয়নের মণি হাল্যান্ড, কিন্তু তিনিই এখন গোটা ইংল্যান্ডের ‘এনিমি নাম্বার ওয়ান।’ সঙ্গে ক্যাপ্টেন ওডেগার্ড, মিডফিল্ডটা পুরো কন্ট্রোল করতে পারেন।

হার্ড রক স্টেডিয়ামের মিডিয়া সেন্টারে বসে নামিদামি ইংরেজ ফুটবল বিশেষজ্ঞরা যে সব প্রতিবেদন পাঠাচ্ছেন, তার মমার্থ একটাই। কী করে হাল্যান্ড-ফ্যাক্টরকে সামলাবেন তুচেল। অথচ স্বয়ং হাল্যান্ড মজা করতে ব্যস্ত। প্র্যাক্টিসে হাসছেন, নাচছেন। বলছেন, ‘জীবনে রসিকতাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রস্তুতি থাকবে, কিন্তু আমার কাছে হাসিটা দরকার। বাকিটা তো ম্যাচে দেখা যাবে। কোনওদিন ভাবিইনি, বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে খেলব।’

এরই মধ্যে ম্যাচের আগে ইংল্যান্ডকে খোঁচা দিচ্ছেন জ্লাটান ইব্রোহিমোভিচ। হাল্যান্ড স্বয়ং বলছেন, ‘জ্লাটান আমাকে কী বলেছে, জানেন? বলেছে, তোমার ওই চুলে ঝুঁটি কখনো কেটো না। ওটাই কিন্তু তোমার আসল শক্তি।’

ইব্রাহিমোভিচ সারা জীবন ঝুঁটি রেখেছেন। তিনি বলে দিচ্ছেন, ‘হাল্যান্ড আর আমার একই এজেন্ট ছিল। আমি ওকে বলেছিলাম, হাল্যান্ডকে বলো ঝুঁটি রাখতে। সেটা ওকে ওর স্বপ্নের কাছাকাছি নিয়ে যাবে।’

স্বপ্নের কাছাকাছি সত্যিই দাঁড়িয়ে আর্লিং হাল্যান্ড। আইকনিক চুলের ঝুঁটিই কি মায়ামির মাঠেও শেষ কথা বলবে?

আবারও ইতিহাসের পাতায় স্মৃতি মান্ধানা

ক্রীড়া ডেস্ক
আবারও ইতিহাসের পাতায় স্মৃতি মান্ধানা
আরো একটি রেকর্ড স্মৃতি মান্ধানার। ছবি : সংগৃহীত

প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত আইসিসি নারীদের টেস্ট ম্যাচ খেলছে ভারত ও ইংল্যান্ড। লর্ডসে টেস্ট ম্যাচ খেলতে নেমে রেকর্ড গড়লেন ভারতের নারী ক্রিকেটার স্মৃতি মান্ধানা। ভারতের হয়ে ইংলিশদের বিপক্ষে ৩০০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নামেন তিনি। এতেই সর্বকনিষ্ঠ নারী ক্রিকেটার হিসেবে রেকর্ডের মালিক হন এই নারী ক্রিকেটার।

২৯ বছর বয়সী এই তারকা ক্রিকেটার বিশ্বের ১২তম মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে ৩০০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ফেললেন। এই মাইলস্টোন ছুঁতে পেরে গর্বিত স্মৃতি। এই মাইলস্টোন ছুঁতে পেরে গর্বিত বলে জানিয়েছেন স্মৃতি

ইংল্যান্ডের অধিনায়ক ন্যাট স্কাইভার ব্রান্ট টসে জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেন। ভারতের জার্সিতে টেস্টে অভিষেক হয় শ্রী চরণীর। প্রথম একাদশে ফেরেন জস্তিকা ভাটিয়া। ইংল্যান্ডের হয়ে অভিষেক হয় অ্যালিস ক্যাপসি এবং ম্যাডি ভিলিয়ার্সের। 

স্মৃতি জানান, ম্যাচের আগের দিন রাতে তিনি এই মাইলফলকের কথা জানতে পারেন। ২০১৭ সালে মেয়েদের বিশ্বকাপ ফাইনাল লর্ডসে খেলেছিলেন। এই সুযোগও একদিন আসবে, ভাবেননি। 

স্মৃতি বলেন, ‘আমি আগের দিন রাতেই ৩০০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচের কথা জানতে পেরেছি। প্লেয়ার হিসেবে সব ফরম্যাটে ম্যাচের হিসেবে রাখা যায় না। আমার মনে আছে, ২০১৭ মেয়েদের বিশ্বকাপ এই লর্ডসেই খেলেছিলাম। সেবারের বিশ্বকাপ আমার তেমন ভাল যায়নি। আমি জানতাম না ভারতের হয়ে আবার খেলার সুযোগ পাব কিনা। সেখান থেকে লর্ডসে ৩০০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলছি। এর থেকে বেশি কিছু চাওয়ার নেই।’ 

টি-২০ বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্স ভারতের মেয়েদের। গ্রুপের গণ্ডি পার করতে পারেনি। কিন্তু সেটাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে চান ভারতের সহ-অধিনায়ক। 

স্মৃতি বলেন, ‘লর্ডসে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে কোয়ালিফাই করার সুযোগ ছিল আমাদের। কিন্তু আমরা সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারিনি। তবে এটাই ক্রিকেট। আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আমরা এক শ করি বা শূন্য, মাঠে নামলে প্রতিবারই শূন্য থেকে শুরু করতে হয়। দলের ক্ষেত্রেও তেমনই। ভাল দিনের সঙ্গে খারাপ দিনও আসে। সেগুলোও গ্রহণ করে আমরা সব সময় দেশের জন্য সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব।’ 

কয়েক দিন আগেই টি-২০ বিশ্বকাপ খেলে ভারত। সেখান থেকে অল্প দিনের মধ্যেই লাল বলের ক্রিকেটে ফোকাস। এই পরিবর্তন আনতে প্রাথমিকভাবে মাইন্ডসেটে বদল আনতে হয় হবে উল্লেখ করে স্মৃতি বলেন, ‘আমরা খুব বেশি টেস্ট খেলি না। এর আগে পারথে আমরা গোলাপি বলের টেস্ট খেলেছি। এরপর ওয়ার্মস্লেতে ফেরা দারুণ ছিল। ২০১৪ সালের পর আর আমি ওখানে যাইনি। পুরোনো স্মৃতি ফিরিয়ে দেয়। টি-২০ ক্রিকেটে ওপেন করার পর কিছুটা মানিয়ে নিতে হয় টেস্টে। টি-২০ তে স্ট্রাইক রেটই সর্বস্ব। লাল বলের ক্রিকেটে বল দেখে খেলতে হয়। অভিধান মেনে খেলতে হয়। ক্রিজে অনেকটা সময় কাটাতে হয়।’

গতবছর ব্যক্তিগত জীবনে অনেক কিছুর মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন স্মৃতি। কিন্তু সবকিছু পেছনে ফেলে আবার বাইশ গজে নতুন কীর্তি স্থাপন করলেন বাঁ হাতি স্টাইলিশ ওপেনার।