• ই-পেপার

দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা
ছবি : কালের কণ্ঠ

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, সংকটকালীন পরিস্থিতিতে প্রাথমিক সহায়তা দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী ‘Mental Health First Aid’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের সেমিনারকক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করে গ্রিট ফাউন্ডেশন। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কর্মশালা চলে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. জিয়া উদ্দিন হায়দার। বিশেষ অতিথি ছিলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. রেজওয়ানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা আবু বকর সিদ্দিক। সভাপতিত্ব করেন গ্রিট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম।

কর্মশালায় প্রশিক্ষক ছিলেন গ্রিট ফাউন্ডেশনের পরিচালক, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, ইউনাইটেড হাসপাতালের কনসালটেন্ট সাইকিয়াট্রিস্ট, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. মুজতবা তাসফিক আহমেদ।

প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্বীকৃত Mental Health First Aid এর মৌলিক ধারণা সম্পর্কে জানেন। পাশাপাশি মানসিক সংকটের প্রাথমিক লক্ষণ শনাক্ত করা, তাৎক্ষণিক সহায়তা দেওয়া, সংকটকালীন পরিস্থিতি সামাল দেওয়া, প্রয়োজনীয় রেফারেলের পদ্ধতি নিয়ে ব্যাবহারিক প্রশিক্ষণ নেন।

কর্মশালায় মানসিক স্বাস্থ্যসচেতনতা, দেশের মানসিক স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান বাস্তবতা, সামাজিক কুসংস্কার দূর করার উপায়, নীতিগত বিষয়, ব্যাবহারিক অভিজ্ঞতা নিয়েও আলোচনা হয়।

গ্রিট ফাউন্ডেশন জানায়, তরুণদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রশিক্ষণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, গবেষণাভিত্তিক উদ্যোগ চলবে। এসব আয়োজন শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিতে আগ্রহী করবে। একই সঙ্গে সহমর্মী, মানসিকভাবে সুস্থ সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবিতে আবারও আলটিমেটাম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবিতে আবারও আলটিমেটাম
ছবি : কালের কণ্ঠ

চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী স্থায়ীভাবে সর্বনিম্ন ৩৫ বছর এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে অস্থায়ীভাবে ৪০ বছর করার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সরকারকে আবারও আলটিমেটাম দিয়েছেন।

শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আন্দোলনের মুখপাত্র মো. শরিফুল হাসান শুভ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৫ জুলাই পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাৎ চেয়ে সচিবালয় অভিমুখে পদযাত্রা করা হয়। ওই কর্মসূচি থেকে সাত সদস্যের একটি টিম জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের আয়োজন করে। 

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডাকেন এবং প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বৈঠক শেষে খসড়া ফাইলটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠান বলে জানানো হয়। চলতি সপ্তাহে মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে বলেও শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়েছিল।

এতে বলা হয়, সারা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা এখন অধীর আগ্রহে সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন। বয়সসীমা বৃদ্ধির যৌক্তিকতা তুলে ধরে তারা বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর মতোই চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে। বিএনপির ২০২৬ সালের ইশতেহারের ৩১ দফার ২৩ দফায় এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতি রয়েছে এবং দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও ইতোমধ্যে এই দাবির পক্ষে মত দিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, করোনা মহামারিকালে সরকারি নিয়োগ বন্ধ থাকা, অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব, বিভিন্ন সময়ে ছাত্রসংগঠনের হামলা-মামলার কারণে শিক্ষাজীবনে বিলম্ব, নারী প্রার্থীদের পারিবারিক দায়িত্বজনিত প্রতিবন্ধকতা এবং সেশনজটের কারণে বহু মেধাবী শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বয়সসীমা বাড়ানো হলে অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রার্থীরাও প্রশাসনে কার্যকর অবদান রাখতে পারবেন এবং চাকরিপ্রত্যাশীদের মানসিক চাপ ও হতাশাও কমবে বলে তারা মত দেন।

সংবাদ সম্মেলনে সরকারকে আগামী ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য এক সপ্তাহের আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় শিক্ষার্থীরা কঠোর আন্দোলনের ডাক দেবেন বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

ঢাবির ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাবি প্রতিনিধি
ঢাবির ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও উদ্যোক্তা সম্ভাবনাকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে আগামী ১৪ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর সংশ্লিষ্ট বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা সূচনা বক্তব্য দেবেন। স্বাগত বক্তব্য রাখবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান। অনুষ্ঠানের সমাপনীতে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। পাশাপাশি সফল উদ্যোক্তারা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মুক্ত আলোচনা এবং নির্বাচিত স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণও অনুষ্ঠানের অংশ থাকবে।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে উদ্বোধন করা হবে ‘জাতীয় স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম’। উদ্যোক্তাদের জন্য জাতীয় ডিজিটাল লঞ্চপ্যাড হিসেবে কাজ করবে এই প্ল্যাটফর্ম। এর মাধ্যমে সরকারি সহায়তা কর্মসূচি, প্রশিক্ষণ, মেন্টরিং এবং বিনিয়োগের সুযোগ-সংক্রান্ত তথ্য একক ডিজিটাল মাধ্যমে পাওয়া যাবে।

আয়োজকরা জানান, তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তাকে বাস্তব উদ্যোক্তা উদ্যোগে রূপ দেওয়া এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার একটি স্টার্টআপ ফান্ডও গঠন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী পর্ব শেষে দুপুর ১টা থেকে অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেন্ট্রাল অনলাইন মনিটরিং সিস্টেম চালু করছে মাউশি

বাসস
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেন্ট্রাল অনলাইন মনিটরিং সিস্টেম চালু করছে মাউশি
সংগৃহীত ছবি

দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি ভিত্তিতে আইপিভিত্তিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং সেন্ট্রাল অনলাইন মনিটরিং সিস্টেম চালু করতে যাচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, সুষ্ঠুভাবে ক্লাস পরিচালনা, উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) প্রফেসর মো. নাজমুল হক স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ কথা জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়েছে, এই নতুন সেন্ট্রাল অনলাইন মনিটরিং সিস্টেম চালুর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অধিদপ্তরের আওতাধীন দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের আগামী ১৩ জুলাই সোমবার, বিকেল ৪টার মধ্যে নির্ধারিত গুগল ফর্মে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে।

মাউশি জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত তথ্য প্রদান করতে ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দেশের সব জেলার জেলা শিক্ষা অফিসার (ডিইও) এবং সব উপজেলা ও থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।