• ই-পেপার

আজ থেকে শুরু বিশ্বকাপ, মোবাইল ফোনে যেভাবে দেখবেন খেলা

টি-টোয়েন্টিতে ফিরলেন নাহিদ, প্রথমবার টেস্ট দলে হৃদয়-রবিউল

ক্রীড়া ডেস্ক
টি-টোয়েন্টিতে ফিরলেন নাহিদ, প্রথমবার টেস্ট দলে হৃদয়-রবিউল
প্রথমবার টেস্টে জায়গা পেয়েছেন হৃদয়। বিপরীতে টি-টোয়েন্টিতে ফিরেছেন নাহিদ। ছবি : কালের কণ্ঠ

ষোলোকলা আগেই পূর্ণ করেছেন নাহিদ রানা। তবে টেস্ট ও ওয়ানডে একাদশের নিয়মিত সদস্য হলেও টি-টোয়েন্টিতে থিতু হওয়ার সুযোগ মিলছিল না বাংলাদেশি পেসারের। এবার সংক্ষিপ্ত সংস্করণেও সেই সুযোগ পাচ্ছেন।

নাহিদকে স্কোয়াডে রেখেই আজ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এর আগে অভিষেক টি-টোয়েন্টি খেলেছেন ২০২৫ সালের ১৯ মে আরব আমিরাতের বিপক্ষে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে থাকলেও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে নেই তিনি। না থাকার কারণ ২৩ বছর বয়সী পেসারকে বিশ্রাম দিয়েছে বাংলাদেশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন।

অন্যদিকে টি-টোয়েন্টিতে জায়গা ধরে রেখেছেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সংক্ষিপ্ত সংস্করণে প্রথমবার ডাক পেলেও বাংলাদেশের জার্সিতে এখনো মাঠে নামা হয়নি এই পেসারের। 

তাওহিদ হৃদয়ের ক্যারিয়ারের ষোলোকলা অবশ্য পূর্ণ হচ্ছে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে জায়গা পেয়েছেন অন্য দুই সংস্করণের নিয়মিত সদস্য। হৃদয়ের সঙ্গে প্রথমবার দীর্ঘ সংস্করণে ডাক পেয়েছেন পেসার রবিউল হক।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড :

লিটন দাস (অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন, তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, শামীম হোসেন, তাওহিদ হৃদয় (সহঅধিনায়ক), নুরুল হাসান, মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, শরীফুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা ও আব্দুল গাফফার।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট স্কোয়াড :

নাজমুল হোসেন, সাদমান ইসলাম, মাহমুদুল হাসান, তানজিদ হাসান, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান, খালেদ আহমেদ, ইবাদত হোসেন, হাসান মাহমুদ, তাওহিদ হৃদয়, অমিত হাসান, রবিউল হক।

মেসি-ম্যারাডোনা নাকি পেলে, সেরা ১০ বিশ্বকাপ কিংবদন্তির তালিকা প্রকাশ

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসি-ম্যারাডোনা নাকি পেলে, সেরা ১০ বিশ্বকাপ কিংবদন্তির তালিকা প্রকাশ
সংগৃহীত ছবি

মেসি, ম্যারাডোনা, পেলে নাকি অন্য কেউ বিশ্বকাপের ইতিহাসের সেরা কে? ৯৬ বছরে ২২টি আসর পেরিয়ে ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে হাজারো তারকা খেললেও তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০ জন কিংবদন্তিকে বেছে নিয়েছে বিবিসি স্পোর্টস। 

এই তালিকায় আছে ভিন্ন যুগের ভিন্ন স্টাইলের ফুটবলাররা, যারা বিশ্বকাপকে নিজেদের কীর্তিতে রঙিন করে তুলেছেন।

তালিকার দশম স্থানে আছেন ইংল্যান্ডের জিওফ হার্স্ট। ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে তার হ্যাটট্রিক ইংল্যান্ডকে একমাত্র বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দেয়। ঘরের মাঠে সেই স্মরণীয় জয় আজও ইংলিশ ফুটবলের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত।

নবম স্থানে আছেন ব্রাজিলের কাফু। তিনি একমাত্র ফুটবলার, যিনি টানা তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলেছেন। ১৯৯৪ সালে ব্রাজিলের শিরোপাজয়ী দলে ছিলেন তিনি, ১৯৯৮ সালে ফাইনালে হেরেছিলেন এবং ২০০২ সালে অধিনায়ক হিসেবে দলকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করেন।

অষ্টম স্থানে ইতালির পাওলো রসি। ১৯৮২ বিশ্বকাপে তার অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম নাটকীয় অধ্যায়। ম্যাচ ফিক্সিং কেলেঙ্কারির কারণে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফিরে এসে তিনি ব্রাজিলের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকসহ টুর্নামেন্টে ৬ গোল করেন এবং ইতালিকে শিরোপা এনে দেন। একই সঙ্গে তিনি গোল্ডেন বুট ও গোল্ডেন বল দুই পুরস্কারই জেতেন।

সপ্তম স্থানে ফ্রান্সের জিনেদিন জিদান। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে স্বাগতিক ফ্রান্সকে প্রথম বিশ্বকাপ এনে দিতে ফাইনালে তার দুই হেড গোল আজও ইতিহাসে অমর। তবে তার বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে উজ্জ্বলতার পাশাপাশি বিতর্কও ছিল ২০০৬ ফাইনালে লাল কার্ড দেখেই বিদায় নিতে হয়েছিল তাকে।

ষষ্ঠ স্থানে আছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই ২০১৮ বিশ্বকাপে আলো ছড়ান তিনি, হন নতুন প্রজন্মের পোস্টার বয়। ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালে হ্যাটট্রিক করে তিনি দেখিয়ে দেন যে বিশ্বমঞ্চে তিনি এখনো সবচেয়ে ভয়ঙ্করদের একজন।

পঞ্চম স্থানে পশ্চিম জার্মানির ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার। ‘ডের কাইজার’ নামে পরিচিত এই ডিফেন্ডার খেলোয়াড় হিসেবে ১৯৭৪ সালে বিশ্বকাপ জেতেন এবং পরে কোচ হিসেবে ১৯৯০ সালে আবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে ইতিহাস গড়েন যা খুব কম মানুষের পক্ষেই সম্ভব।

চতুর্থ স্থানে আছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ২০২২ বিশ্বকাপে তিনি আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এনে দেন। পুরো টুর্নামেন্টে তার নেতৃত্ব, গোল, অ্যাসিস্ট এবং ফাইনালের অসাধারণ পারফরম্যান্স তাকে আধুনিক ফুটবলের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে দেয়।

তৃতীয় স্থানে ব্রাজিলের রোনালদো। ইনজুরির লড়াই পেরিয়ে ২০০২ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেন ‘আর-নাইন’। টুর্নামেন্টে আট গোল করে ব্রাজিলকে শিরোপা জেতান এবং ১৯৯৮ ফাইনালের ব্যর্থতার পর নিজেকে নতুন করে প্রমাণ করেন।

দ্বিতীয় স্থানে আছেন আর্জেন্টিনার দিয়েগো ম্যারাডোনা। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে তার একক নৈপুণ্য ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা অধ্যায়। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ‘হ্যান্ড অব গড’ ও পরের অবিশ্বাস্য ড্রিবলিং গোল তাকে অমর করে রেখেছে। পুরো টুর্নামেন্টে তার নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়।

আর তালিকার শীর্ষে আছেন ব্রাজিলের পেলে। তিনবার বিশ্বকাপ জেতা একমাত্র ফুটবলার তিনি। ১৭ বছর বয়সে ১৯৫৮ বিশ্বকাপে বিশ্বকে চমকে দেন, পরে ১৯৬২ ও ১৯৭০ বিশ্বকাপেও ব্রাজিলকে শিরোপা এনে দিয়ে ফুটবল ইতিহাসে নিজের অবস্থান চিরস্থায়ী করেন।

নেইমারকে ছাড়াই গ্রুপ পর্ব খেলতে হতে পারে ব্রাজিলের

ক্রীড়া ডেস্ক
নেইমারকে ছাড়াই গ্রুপ পর্ব খেলতে হতে পারে ব্রাজিলের
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের মহোৎসব শুরু হতে বাকি আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা ঘণ্টা। মাঠের লড়াইয়ে নামার আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ঘাম ঝরাচ্ছেন ফুটবলাররা। তবে ব্রাজিলের শিবিরে আনন্দের আবহ থাকলেও চিন্তার ভাঁজ দলের সেরা তারকা নেইমার জুনিয়রকে নিয়ে। চোটের সঙ্গে লড়াই চলায় এখনো সেলেসাওদের মূল অনুশীলনে যোগ দিতে পারেননি এই তারকা ফরোয়ার্ড।

আগামী রবিবার নিউইয়র্কে মরক্কোর মুখোমুখি হয়ে হেক্সা মিশনের যাত্রা শুরু করবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। নিউ জার্সির মরিসটাউনে চলছে ব্রাজিলের প্রস্তুতি ক্যাম্প। তবে সেখানে বুধবারের অনুশীলনেও অনুপস্থিত ছিলেন নেইমার।

গত মাসে সান্তোসের হয়ে খেলার সময় পায়ের মাংসপেশির চোটে পড়েন ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ এই গোলদাতা। পরে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দিলে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ধরা পড়ে, তার মাংসপেশি দ্বিতীয় মাত্রায় (সেকেন্ড ডিগ্রি) ছিঁড়ে গেছে। বর্তমানে নিবিড় পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

পরিস্থিতি যা, তাতে মরক্কোর বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে নেইমারের খেলার সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায়। শুধু তাই নয়, গ্রুপ পর্বে হাইতি ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষেও তিনি মাঠে নামতে পারবেন কি না, তা নিয়ে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

নেইমারের মতো প্রধান অস্ত্রকে ছাড়াই বিশ্বকাপ শুরু করতে হচ্ছে, তবে এতে আশাহত হচ্ছেন না দেশটির সাবেক তারকারা। ১৯৯৪ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল দলের সদস্য জিনহোর মতে, বর্তমান দলটির শিরোপা উঁচিয়ে ধরার মতো যথেষ্ট সামর্থ্য রয়েছে।

এক সাক্ষাৎকারে জিনহো বলেন, ‘ব্রাজিলকে হয়তো এবারের টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় ফেবারিট বলা যাবে না। তবে এই স্কোয়াডে এমন কিছু চমৎকার ফুটবলার আছে, যারা একসঙ্গে জ্বলে উঠলে দারুণ কিছু করা সম্ভব। আমার বিশ্বাস, এবার ব্রাজিলের ভালো সুযোগ রয়েছে।’

বিশ্বকাপের ফল বলে ‘জ্যোতিষী’ বনে যাওয়া প্রাণীরা

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের ফল বলে ‘জ্যোতিষী’ বনে যাওয়া প্রাণীরা

ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি আলোচনায় আসে কিছু অদ্ভুত ‘ভবিষ্যদ্বক্তা’ প্রাণী। বিভিন্ন দলের পতাকা বা খাবারের পাত্র বেছে নিয়ে ম্যাচের ফল অনুমান করে তারা বিশ্বজুড়ে খ্যাতি পেয়েছে। যদিও বিজ্ঞানীরা এসব ভবিষ্যদ্বাণীকে নিছক কাকতালীয় ঘটনা বলেই মনে করেন, তবু কয়েকটি প্রাণী বিশ্বকাপ ইতিহাসে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে।

পল দ্য অক্টোপাস (২০১০ বিশ্বকাপ)

বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বিখ্যাত ভবিষ্যদ্বক্তা প্রাণী নিঃসন্দেহে পল দ্য অক্টোপাস। জার্মানির একটি অ্যাকুয়ারিয়ামে থাকা পলের সামনে দুটি বাক্স রাখা হতো, যার প্রতিটিতে থাকত প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের পতাকা। যে বাক্সটি সে প্রথম খুলত, সেটিকেই ধরা হতো তার ভবিষ্যদ্বাণী।

২০১০ বিশ্বকাপে জার্মানির সাতটি ম্যাচের ফল সঠিকভাবে অনুমান করার পাশাপাশি ফাইনালে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে স্পেনের শিরোপা জয়ের পূর্বাভাসও দিয়েছিল পল। মোট ৮টি ভবিষ্যদ্বাণীর সবকটিই সঠিক হয়েছিল, যা তাকে বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসে।

শাহীনের উট (২০১৪ বিশ্বকাপ)

সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি উট ‘শাহীন’ ২০১৪ বিশ্বকাপে বেশ কয়েকটি ম্যাচের ফল অনুমান করে সংবাদমাধ্যমের নজর কাড়ে। নকআউট পর্বের কয়েকটি ম্যাচে সঠিক পূর্বাভাস দিলেও শেষ পর্যন্ত ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি সে।

নেলি দি এলিফ্যান্ট (২০১৪ বিশ্বকাপ)

জার্মানির হাতি নেলি বল মেরে দুই দেশের পতাকাচিহ্নিত গোলপোস্টের একটি বেছে নিত। ২০১৪ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে জার্মানির জয় সঠিকভাবে অনুমান করে আলোচনায় আসে নেলি। তবে সব ম্যাচে তার ভবিষ্যদ্বাণী সফল হয়নি।

অ্যাকিলিস দ্য ক্যাট (২০১৮ বিশ্বকাপ)

রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি জাদুঘরে থাকা বধির সাদা বিড়াল অ্যাকিলিস ২০১৮ বিশ্বকাপে জনপ্রিয়তা পায়। খাবারের বাটির মাধ্যমে ম্যাচের ফল অনুমান করত সে। রাশিয়ার উদ্বোধনী ম্যাচসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের ফল সঠিকভাবে বললেও টুর্নামেন্টের শেষ দিকে তার সাফল্যের হার কমে যায়।

ক্যাবেসাও দ্য টার্টল (২০১৪ বিশ্বকাপ)

ব্রাজিলের সামুদ্রিক কচ্ছপ ক্যাবেসাও বিভিন্ন দেশের পতাকার নিচে রাখা মাছের মধ্যে একটি বেছে নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করত। ব্রাজিলের উদ্বোধনী ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জয় সঠিকভাবে অনুমান করলেও পরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকটি ভুল পূর্বাভাস দেয়।

হ্যারি দ্য ক্রোকোডাইল (২০১০ বিশ্বকাপ)

অস্ট্রেলিয়ার কুমির হ্যারি ২০১০ বিশ্বকাপে বেশ কিছু ম্যাচের ফল অনুমান করেছিল। বিশেষ করে স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের পূর্বাভাস সঠিক হওয়ায় আলোচনায় আসে সে। তবে পরবর্তী সময়ে তার বেশ কিছু পূর্বাভাস ভুল প্রমাণিত হয়।
 
ফিওনা দ্য হিপ্পো (২০১৮ বিশ্বকাপ)

যুক্তরাষ্ট্রের সিনসিনাটি চিড়িয়াখানার জলহস্তী ফিওনাও বিশ্বকাপ উপলক্ষে ম্যাচের ফল অনুমান করেছিল। কিছু পূর্বাভাস সঠিক হলেও তাকে মূলত দর্শক আকর্ষণের অংশ হিসেবেই দেখা হয়।

পলের রেকর্ড এখনো অক্ষত

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব প্রাণীর সাফল্যের পেছনে কোনো অলৌকিক ক্ষমতা নয়, বরং সম্ভাবনা ও কাকতালীয় ঘটনাই কাজ করে। তবু ২০১০ বিশ্বকাপে পল দ্য অক্টোপাসের টানা আটটি সঠিক ভবিষ্যদ্বাণী এখনো বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বিস্ময়কর ঘটনাগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়।

আজও নতুন কোনো প্রাণী বিশ্বকাপের ফল অনুমান করতে শুরু করলে তার তুলনা করা হয় পলের সঙ্গে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউই সেই কিংবদন্তি অক্টোপাসের নিখুঁত রেকর্ডের ধারেকাছেও যেতে পারেনি।