• ই-পেপার

সিরিজে টিকে থাকতে বাংলাদেশে কাকে আনছে অস্ট্রেলিয়া

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ছয় জাতির হ্যান্ডবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

ক্রীড়া প্রতিবেদক
বর্ণাঢ্য আয়োজনে ছয় জাতির হ্যান্ডবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
আইএএইচএফ ট্রফির উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। ছবি: সংগৃহীত

বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদ্বোধন করা হলো বয়সভিত্তিক পুরুষ আইএএইচএফ (আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল ফেডারেশন)  ট্রফির। 

আজ বুধবার (১০ জুন) রাজধানীর পল্টনে শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে বেলুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। প্রতিযোগিতার পৃষ্ঠপোষকতা করছে পোলার আইসক্রিম। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনা করেন আলিফ স্কোয়াড শিল্পীরা। এর আগে সব দলের খেলোয়াড়, কোচ, কর্মকর্তা ও ম্যানেজার পতাকা হাতে হ্যান্ডবল কোর্টে প্রবেশ করেন। এ সময় অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর দেশাত্মবোধক গান বাজতে থাকে।  

PIC1
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনা করেন আলিফ স্কোয়াড শিল্পীরা। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ইয়েমেন, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তানকে নিয়ে আন্তর্জাতিক এই হকি টুর্নামেন্ট হতে চলেছে। 

প্রতিযোগিতার আয়োজন দেখে মুগ্ধ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। প্রতিটি দেশকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে যারা অংশ নিয়েছে, তাদের প্রত্যেককে স্বাগত জানাই। বর্তমান সরকার ক্রীড়া ক’টনীতি নিয়ে কাজ করছে। আমরা পাশের দেশসহ এশিয়া-ইউরোপের সব দেশের সঙ্গে ক্রীড়া ক’টনীতির মাধ্যমে ও  সম্পর্ক বিনিময়ের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়ঙ্গনকে সমৃদ্ধ করতে পারি, আমাদের ক্রীড়াঙ্গনকে উঁচু জায়গায় প্রতিষ্ঠিত করতে পারি।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মাহবুব উল আলম, বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সভাপতি মেজর জেনারেল আবু মোহাম্মদ সারওয়ার ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমেদ, পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান পোলার আইসক্রিমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মাসুদ ইমাম।

Aminul Minister
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। ছবি: সংগৃহীত

আজ দুপুর ১টায় মালদ্বীপ-আফগানিস্তান ম্যাচ দিয়ে অনূর্ধ্ব-১৮ বিভাগের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। অনূর্ধ্ব-২০ বিভাগে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ সন্ধ্যা ৭টায়; প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। 

অনূর্ধ্ব-২০ বিভাগে দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে দলগুলো। ‘এ’ গ্রুপে খেলবে ভারত, নেপাল ও ইয়েমেন। ‘বি’ গ্রুপে মালদ্বীপ, আফগানিস্তান ও স্বাগতিক বাংলাদেশ। দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলগুলো নিয়ে ১৩ জুন হবে সেমিফাইনাল। ১৪ জুন ফাইনাল।

অনূর্ধ্ব-১৮ বিভাগের ম্যাচগুলো রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে হবে। সর্বোচ্চ পয়েন্ট পাওয়া দল হবে চ্যাম্পিয়ন।

‘শেষ’ বিশ্বকাপে মুখোমুখি হবেন কি দুই মহাতারকা?

ক্রীড়া ডেস্ক
‘শেষ’ বিশ্বকাপে মুখোমুখি হবেন কি দুই মহাতারকা?

আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপেই শেষ হতে চলেছে দুই মহাতারকা মেসি-রোনালদোর ক্যারিয়ার। এই দুই মহাতারকা সর্বশেষ ২০২০ সালের উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপপর্বে বার্সেলোনা ও জুভেন্টাস ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল। এর দীর্ঘ ছয় বছর আর কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে মুখোমুখি হননি লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্দো। শেষবার কি এই দ্বৈরথের দেখতে পারবে ফুটবল বিশ্ব।

এই অপেক্ষার অবসান হতে পারে আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপে। দুই আলাদা গ্রুপে রয়েছে আর্জেন্তিনা ও পর্তুগাল। তবে নকআউট পর্বে মুখোমুখি হতে পারে তারা। মেলাতে হবে তিনটি অঙ্ক। কিভাবে মুখোমুখি হবেন মেসি-রোনালদো?

বিশ্বকাপে ‘জে’ গ্রুপে রয়েছে আর্জেন্টিনা আর পর্তুগাল রয়েছে গ্রুপ ‘কে’তে। যে সম্ভাবনায় মুখোমুখি হতে পারেন এই দুই মহাতারকা। 

 উভয়দলই নিজ নিজ গ্রুপে  শীর্ষস্থান নিয়ে করে রাউন্ড অফ বত্রিশে যায়। আর্জেন্টিনা ও পর্তুগাল নকআউট পর্বেও জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে উন্নীত হয়। তা হলে কোয়ার্টার ফাইনালেই হবে মেসি বনাম রোনালদো মহারণ।

যদি আর্জেন্টিনা ও পর্তুগাল দুই দলই নিজেদের গ্রুপে রানার্সআপ হিসেবে শেষ করে, তা হলে তারা কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে না। সে ক্ষেত্রে শেষ ষোলোয় মেসি বনাম রোনালদো ম্যাচ দেখতে পারেন ফুটবলপ্রেমীরা। তবে এই সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম বলেই মনে করা হচ্ছে।

যদি আর্জেন্টিনা ও পর্তুগালের মধ্যে একটি দল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়  অন্যটি রানার্সআপ হিসেবে নক আউটে ওঠে। তা হলে তাদের পথ আলাদা হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে মেসি ও রোনালদো একমাত্র বিশ্বকাপ ফাইনালেই মুখোমুখি হতে পারবেন। ১৯ জুলাই নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ম্যাচে একে অন্যের বিরুদ্ধে নামতে পারেন দুই তারকা।

আর এই সম্ভাবনা নিয়েই জোর চর্চা চলছে। বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসি বনাম রোনালদো ম্যাচ ফুটবলপ্রেমীদের কাছে স্বপ্নের লাইন-আপ। আর দুই তারকার কাছেই এটা হতে পারে শেষ বিশ্বকাপ। তাই বিশ্বকাপের মঞ্চে আরো একবার মেসি-রোনালদো দ্বৈরথ দেখার আশায় বুক বাঁধছেন ভক্তরা।

আসন্ন বৈশ্বিক টুর্নামেন্টকে ‌‘বিশৃঙ্খলার বিশ্বকাপ’ অ্যাখ্যা ইংলিশ তারকার

ক্রীড়া ডেস্ক
আসন্ন বৈশ্বিক টুর্নামেন্টকে ‌‘বিশৃঙ্খলার বিশ্বকাপ’ অ্যাখ্যা ইংলিশ তারকার

ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আর এক দিন। এরই মধ্যে মাঠের ভেতরে ও বাইরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। দলগুলো যখন বিশ্বকাপ প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের কাজ সারছে। তখনই খেলোয়াড়, স্টাফ এবং রেফারিকে পড়তে হচ্ছে আয়োজক দেশের কঠোর ভিসানীতিতে। 

সব কিছুকে ছাপিয়ে যখন ফুটবল অঙ্গনে ভিসাসংক্রান্ত সমস্যা শিরোনামে উঠে এসেছে। ক্রমবর্ধমান ঘটনা এসব ঘটনা  তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ইতিমধ্যে ২০২৬ বিশ্বকাপকে ইংল্যান্ডের সাবেক কিংবদন্তি খেলোয়াড় ইয়ান রাইট ‌‘বিশৃঙ্খলার বিশ্বকাপ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

বুধবার (১০ জুন) আসন্ন বিশ্বকাপ নিয়ে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন ‘দ্য বিউটিফুল গেম’ শিরোনামে ধারাবাহিক প্রতিবেদন পর্ব শুরু করেছে। সেখানেই বিশ্বকাপ উদ্বোধনী সপ্তাহের আগে আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বিতর্কে নিয়ে আলোকপাত করে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির জোরালো বাস্তবায়ন সামনে এসেছে। এতে নির্দিষ্ট কিছু দেশের মানুষ কিভাবে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবে, তা নিয়ে একটি প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

চলতি সপ্তাহে এই নীতির কঠোর প্রয়োগ দেখা গেল সোমালি রেফারি ওমর আব্দুলকাদির আরতানকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। কী কারণে তাকে ফেরত পাঠানো হয়েছে সে বিষয়ে মার্কিন শুল্ক ও সীমান্ত সুরক্ষা বিভাগের একজন মুখপাত্র সিএনএনকে জানান, ইস্তাম্বুল থেকে একটি ফ্লাইটে মায়ামিতে পৌঁছানোর পর তাকে তল্লাশির সম্মুখীন হতে হয়।  

কিন্তু আফ্রিকার সেরা পুরুষ রেফারি হিসেবে মনোনীত হয়েছিল আরতান। শুধু কঠোর অভিবাসন নীতির বলি হিসেবে তিনি বিশ্বকাপে রেফারি হিসেবে কাজ করতে পারবেন না।

এর পরই ফিফাও তার নাম বিশ্বকাপ রেফারি থেকে সরিয়ে নেয়। মার্কিন সরকার এর কারণ হিসেবে যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করেছে।

উল্লেখ্য, ট্রাম্প প্রশাসনের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় ৩৯টি দেশের মধ্যে সোমালিয়াও রয়েছে।

ফিফার একজন মুখপাত্র বলেছেন, কে ভিসা পাবে এবং কাকে আয়োজক দেশে প্রবেশ করবে, তা নির্ধারণ করার দায়িত্ব সেই দেশের সরকারের।

আরতানের নিষেধাজ্ঞার খবরটি এমন সময় এসেছে যেখানে ইরান ফুটবল দলও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে গিয়ে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। বিশেষত টুর্নামেন্টের জন্য আগত নির্দিষ্ট কিছু দলের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

এদিকে, বিবিসি স্পোর্টসের খবর অনুযায়ী, বেশ কয়েকজন স্কটল্যান্ড সমর্থকের ভ্রমণ অনুমতি শেষ মুহূর্তে বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে হোটেল ও ফ্লাইট বাবদ খরচকৃত অর্থ ক্ষতি হল।

এই ক্রমবর্ধমান ঘটনাটি স্বাভাবিকভাবেই তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে, এবং আর্সেনালের সাবেক কিংবদন্তি ও ইংল্যান্ডের আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় ইয়ান রাইট এই টুর্নামেন্টকে ‘বিশৃঙ্খলার বিশ্বকাপ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

গত মঙ্গলবার ইরানের ফুটবল ফেডারেশন (এফএফআইআরআই) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আসন্ন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচের এক সপ্তাহ আগেই দেশটির সমর্থদের বরাদ্দকৃত টিকিট বাতিল করা হয়েছে।

তবে ফিফা কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, বিশ্বকাপের অংশগ্রহণকারী দেশের জন্য প্রতিটি ম্যাচের প্রায় ৮% টিকিট সংরক্ষিত রাখার নিয়ম রয়েছে। যাতে ফেডারেশনগুলো তাদের সমর্থকদের কাছে সেগুলো বিক্রি করতে পারে।

ইরান গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই যুক্তরাষ্ট্রে হবে। তবে কেনো ইরানের জন্য বরাদ্দকৃত টিকিট বাতিল করা হলো ফিফা কোন কিছুই জানায়নি।

১৯৩০ সালে বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর এই প্রথমবার কোনো আয়োজক দেশ এমন একটি দেশকে আতিথ্য দেবে। যার সঙ্গে তারা সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত।

এসব বিতর্কে গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ খ্যাত এই বৈশ্বিক টুর্নামেন্টটিকে কিছুটা ম্রিয়মাণ হয়ে পড়ল।

বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল ‘ট্রাইওন্ডা’

পুরো চার্জে ৬ ঘণ্টা মাঠে গড়াবে ফুটবল

ভানু গোপাল রায়
পুরো চার্জে ৬ ঘণ্টা মাঠে গড়াবে ফুটবল
বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল ‘ট্রাইওন্ডা’। ছবি : ফিফা

ছোটবেলায় দোকানে গিয়ে চামড়ার বলে হাওয়া দেওয়ার স্মৃতি নিশ্চয়ই অনেকের আছে। তবে প্রযুক্তির ছোঁয়ায় পৃথিবী এখন যেখানে পৌঁছে গেছে, তাতে চাইলে এখন চার্জ দেওয়া বলেও ফুটবল খেলা সম্ভব!

কী, শুনতে একটু অবাক লাগছে? অবাক লাগলেও এটিই এখন বাস্তবতা। হাওয়ার বদলে চার্জযুক্ত বলেই এবারের বিশ্বকাপ হবে। সেই বলে লাথি দিয়েই জাদুকরী সব মুহূর্তের জন্ম দেবেন লিওনেল মেসি-ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো-কিলিয়ান এমবাপ্পেরা।

২০২৬ বিশ্বকাপের বল ‘ট্রাইওন্ডা’ও তাই আলোচনার দখল নিয়ে ফেলেছে। স্প্যানিশ এই শব্দের বাংলা অর্থ ‘তিন ঢেউ’। ‘ট্রাই’ অর্থ তিন আর ‘ওন্ডা’র মানে ঢেউ বা তরঙ্গ। বিশ্বকাপের তিন আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডাকেই ধারণ করা হয়েছে এই নামের মধ্যে। বলের নকশায়ও ছাপ আছে এই তিন দেশের। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতীকী রং নীল, কানাডার লাল এবং মেক্সিকোর জন্য নেওয়া হয়েছে সবুজ।

 

বলের গায়ে ছোঁয়া রয়েছে কানাডার ম্যাপলপাতা, মেক্সিকোর ইগল এবং যুক্তরাষ্ট্রের তারকা প্রতীকেরও। পুরো নকশায় ব্যবহৃত সোনালি রং আবার মনে করায় প্রতিটি দলের পরম আরাধ্য বিশ্বকাপ ট্রফিকেও।

চামড়া আর সুতো দিয়ে বানানো গোলাকৃতির বলের ভেতরটায় যেন আস্ত এক কম্পিউটারই ভরে দিয়েছে ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস। কেননা বলের পেটে যে লুকিয়ে অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তি। যন্ত্রগুলো গুপ্ত থাকলেও এগুলোর কাজ দেখা যাবে প্রকাশ্যেই। খেলাটায় স্বচ্ছতা আনতেই এই সবকিছুর শরণাপন্ন হয়েছে প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানটি।

অ্যাডিডাস বলের ভেতরে ১৪ গ্রামের এক বিশেষ মোশনের সেন্সর চিপ বসানো হয়েছে। কেন্দ্রে বসানো ৫০০ হার্টজের এই সেন্সরটি প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার তথ্য বা ডেটা রেকর্ড করতে পারে। ফুটবলারদের আলতো স্পর্শও তাই রিয়েল টাইমে পাওয়া যাবে। অফসাইড, হ্যান্ডবলের মতো বিতর্কিত ঘটনাগুলো তাই সহজেই ধরা পড়বে। একবার পুরো চার্জ দিলে ছয় ঘণ্টা খেলা যাবে। এক ম্যাচের জন্য সময়টা তাই যথেষ্টই। অ্যাডিডাসের মহাব্যবস্থাপক স্যাম হ্যান্ডি ‘ট্রাইওন্ডা’র বিশেষত্ব তুলে ধরতে গিয়ে বলছিলেন, ‘প্রতিটি ছোট জিনিসেরই বড় প্রভাব আছে। খোদাই করা নকশা, স্তরযুক্ত গ্রাফিকস এবং উজ্জ্বল রং এই বলকে অন্যগুলোর চেয়ে আলাদা করেছে। এখন পর্যন্ত এটাই আমাদের তৈরি করা সবচেয়ে সুন্দর ও আকর্ষণীয় ফিফা বিশ্বকাপের বল।’

সব মিলিয়ে ১৫ বার ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল তৈরি করেছে অ্যাডিডাস। ফিফার সঙ্গে তাদের পথচলা ১৯৭০ বিশ্বকাপের বল টেলস্টার দিয়ে। এর পর থেকে প্রতিটি বিশ্বকাপেই নতুনত্বের ছোঁয়া দিয়ে আসছে জার্মান কম্পানিটি।