• ই-পেপার

গোলাম মাওলা রনি

‘ইউনূস কম্পানি’র একটি অংশ চেহারা পাল্টে ফেলেছে, অন্য অংশ পালিয়েছে

স্থানীয় নির্বাচন হবে নির্দলীয়, আওয়ামী লীগও অংশ নিতে পারবে : মাসুদ কামাল

অনলাইন ডেস্ক
স্থানীয় নির্বাচন হবে নির্দলীয়, আওয়ামী লীগও অংশ নিতে পারবে : মাসুদ কামাল
সংগৃহীত ছবি

সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। সেই  নির্বাচন হবে নির্দলীয়ভাবে, মানে কোনো দলীয় প্রতীক থাকবে না। সেটা মেয়র নির্বাচন হোক, সিটি করপোরেশন নির্বাচন হোক কিংবা ইউপি নির্বাচন হোক। সব নির্বাচনেই প্রার্থী থাকবে নির্দলীয়। মানে দলীয় প্রার্থী হতে পারে কিন্তু কোনো দলীয় প্রতীক থাকবে না। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগও অংশ নিতে পারবে বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক মাসুদ কামাল।       

আজ বুধবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিও পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, সব নির্বাচনই নির্দলীয় হয়। একমাত্র জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছাড়া। জাতীয় সংসদ নির্বাচনটাই দলীয়ভাবে নির্বাচন হয়। যখন নির্দলীয় নির্বাচন হবে তখন প্রশ্ন উঠবে সেই নির্বাচনে কি যারা একসময় আওয়ামী লীগ করতেন তারা অংশ নিতে পারবেন? কারণ আওয়ামী লীগের তো এখন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ। কিন্তু আওয়ামী লীগের লোকজন তো আছে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ মানে আওয়ামী লীগ তাদের ব্যানারে  কিছু করতে পারবে না। কিন্তু আওয়ামী লীগের ব্যানারে বাইরে থাকে তারা কি তাহলে বিয়েশাদি করতে পারবে না? পারবে। তারা কি কোনো পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে পারবে না? তাও পারবে। পারা উচিত বলে তিনি মনে করেন।   

তিনি আরো বলেন,  ‘যখন তাকে পারতে দেওয়া না হয়, তখন বুঝতে মব হচ্ছে। আর সে মব থামানো একটা বৈধ সরকারের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। সরকার যদি না থামাতে পারে দুটো অর্থ হবে। একটা অর্থ হলো সরকার এই মবকে মদদ দিচ্ছে অথবা আরেকটা অর্থ হতে পারে যে সরকার মবকারীদের কাছে অসহায়। এই দুটোর একটা। দুটোর কোনোটাই সরকারের জন্য সম্মানজনক নয়।’ 

মাসুদ কামাল বলেন,  ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারবে এর একটা প্রাতিষ্ঠানিক  জবাব পাওয়া গেছে। সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা  ডা. জাহেদ উর রহমান সচিবালয়ের সংবাদ সম্মেলন এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এই বিষয়ে ক্লিয়ার করেছেন। জাহেদ উর রহমান বলেছেন,  কোনোরকম সমস্যা নেই।  একজন ব্যক্তি যদি নির্বাচনে অংশ নিতে চান, যদি আওয়ামী লীগেরও হয় তিনি নির্বাচন করতে পারবেন। কারণ এটা নির্দলীয়, কেউ দলের কথা বলবেন না। তবে নির্দলীয় ব্যক্তি যদি প্রচারে আওয়ামী লীগ বা তাদের যা যা বলার সেটা বলেন তাহলে সেটা সমস্যা হবে। এর বাইরে নির্বাচনের যে ক্রাইটেরিয়া আছে সেটি যদি পূরণ করতে পারেন তাহলে তিনি নিশ্চয়ই নির্বাচন করতে পারবেন।’ 

পুলিশের সঙ্গে ‘কিশোর গ্যাং’ সদস্যদের হাতাহাতি, ভিডিও ভাইরাল

অনলাইন ডেস্ক
পুলিশের সঙ্গে ‘কিশোর গ্যাং’ সদস্যদের হাতাহাতি, ভিডিও ভাইরাল
ছবি ভিডিও থেকে নেওয়া

পুলিশের সঙ্গে ‘কিশোর গ্যাং’ সদস্যদের হাতাহাতির এক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। গত সোমবার দুই তরুণের সঙ্গে এক পুলিশ সদস্যের হাতাহাতির ভিডিওটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, এক তরুণ লাঠি হাতে নিয়ে সামনের দিকে তেড়ে যাচ্ছেন। তাকে থামানোর চেষ্টা করছেন এক পুলিশ সদস্য। কিন্তু সে কোনো কিছুতেই মানছে না, পরে পুলিশ সদস্য তার কাছ থেকে লাঠিটা কেড়ে নেন এবং ধাক্কা দিয়ে সরানোর চেষ্টা করেন। এসময় পাশে থাকা আরেক তরুণ ওই পুলিশ সদস্যকে ধাক্কা দেন।

ভিডিওর কমেন্টে অনেকেই ওই তরুণদের কিশোর গ্যাং বলে আখ্যা দিয়েছেন। অনেকে বলেছেন, সরকারকে কঠোর হতে হবে।

আরেকজন লিখেছেন, কিশোর গ্যাংদের ছাড় দেওয়ার মানে কি? বেয়াদবির উচিৎ শাস্তি হওয়া জরুরি নয় কি?

এই ভিডিওটি কোন জায়গা থেকে ধারণ করা হয়েছে এবং ওই তরুণদের পরিচয় কালের কণ্ঠ নিশ্চিত হতে পারেনি। 

‘হাসনাত আব্দুল্লাহর কাছে এখনো ৮০০ টাকা পাই’

অনলাইন ডেস্ক
‘হাসনাত আব্দুল্লাহর কাছে এখনো ৮০০ টাকা পাই’
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

হাসনাত আব্দুল্লাহর কাছে টাকা পাবেন বলে দাবি করেছেন এক ব্যক্তি। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে অভিযোগকারী ব্যক্তিকে এ দাবি তুলতে দেখা গেছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘আমি এখনো হাসনাত আব্দুল্লাহর কাছে টাকা পাব, ৮০০ টাকা। ভার্সিটিতে গাড়ি নিয়ে বসতাম আমি। এসেই বলতো, ভাই চা খাওয়ান, মামা চা খাওয়ান, খাওয়াইতাম।’

ভিডিওতে তাকে আরো বলতে দেখা যায়, ‘সেই চোরের ঘরে চোর ৫ আগস্টে শেখ হাসিনার বাড়ি থেকে বস্তা নিয়ে যায়। ওই চোরের ঘরে চোরে সংসদে বড় বড় কথা বলে। চোর তো সংসদেই বসে আছে। পবিত্র জায়গাকে অপবিত্র করে ফেলছে।’

বর্তমান সরকার ড. ইউনূসকে রাজকীয় খালাস দিচ্ছে : আনিস আলমগীর

অনলাইন ডেস্ক
বর্তমান সরকার ড. ইউনূসকে রাজকীয় খালাস দিচ্ছে : আনিস আলমগীর
আনিস আলমগীর।

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতায় থেকে নিজেই নিজেকে বিভিন্ন মামলা থেকে দায়মুক্তি দিয়েছিলেন। আর বর্তমান সরকার তাকে রাজকীয় খালাস দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সিনিয়র সাংবাদিক আনিস আলমগীর।

সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন অভিযোগ তোলেন তিনি।

আনিস আলমগীর বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের রক্তক্ষয়ী অধ্যায়ের পর ভাবছিলাম একটা জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা দেখব। কিন্তু বাস্তবতা কী? আন্দোলনের আড়ালে ঘটা হত্যা আর সন্ত্রাস থেকে সংশ্লিষ্টদের ঢালাওভাবে দায়মুক্তি দেওয়া হলো। বাহ!’

হাম ও রুবেলার টিকা যথাসময়ে আমদানি না করে শিশুদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আজ সোমবার আদালতে মামলার আবেদন করেছিলেন সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। আবেদন-পরবর্তী শুনানি শেষে তা খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।’

আনিস আলমগীর তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘সবচেয়ে তাজ্জব ব্যাপার হলো, ড. ইউনূসকেও যেন সব কর্মকাণ্ড থেকে অলিখিত দায়মুক্তি দিয়ে দেওয়া হয়েছে! একটা সময় তিনি যখন ক্ষমতায় ছিলেন (গ্রামীণ ব্যাংক বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে) তখন নিজেই নিজেকে বিভিন্ন মামলা-অভিযোগ থেকে দায়মুক্তি দিয়েছিলেন। আর এখন বর্তমান সরকার এসে তাকে রাজকীয় খালাস দিচ্ছে। আইনের শাসন কি তবে শুধু কাগজের বাঘ?’

এখন পর্যন্ত হাম ও হাম উপসর্গে ৬২০ শিশুর মৃত্যুর তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, “এই ব্যর্থতার বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র এমপি মুজিবুর রহমান ইকবাল সাহেব যখন আদালতে মামলা করলেন, আদালত তা ‘যথেষ্ট গ্রাউন্ড নেই’ বলে সরাসরি খারিজ করে দিলেন! তার মানে কী দাঁড়াল? সময়মতো হামের টিকা আমদানি না করার পেছনে ড. ইউনূস, তার স্বাস্থ্য উপদেষ্টা, স্বাস্থ্য সহকারী, স্বাস্থ্যসচিব কিংবা ডিজি হেলথ—কেউই দায়ী নন? এতগুলো শিশুর মৃত্যুর দায় তবে কার? বাতাসের? নাকি নিয়তির? জবাবদিহি আমরা কোথায় নিশ্চিত করছি।”

আনিস আলমগীর বলেন, ‘সবাই যদি এভাবে ধোয়া তুলসী পাতা হয়ে দায়মুক্তি পেয়ে যান, তবে আমজনতার জীবনের দামটা কোথায়? এখন দেখার বিষয়, আদালত থেকে ফেরা এমপি সাহেব সংসদে দাঁড়িয়ে এই নির্মমতা নিয়ে মুখ খোলার সাহস পান কি না, নাকি তিনিও নীরব দর্শকের ভূমিকা নেবেন!’