আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপেই শেষ হতে চলেছে দুই মহাতারকা মেসি-রোনালদোর ক্যারিয়ার। এই দুই মহাতারকা সর্বশেষ ২০২০ সালের উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপপর্বে বার্সেলোনা ও জুভেন্টাস ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল। এর দীর্ঘ ছয় বছর আর কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে মুখোমুখি হননি লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্দো। শেষবার কি এই দ্বৈরথের দেখতে পারবে ফুটবল বিশ্ব।
এই অপেক্ষার অবসান হতে পারে আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপে। দুই আলাদা গ্রুপে রয়েছে আর্জেন্তিনা ও পর্তুগাল। তবে নকআউট পর্বে মুখোমুখি হতে পারে তারা। মেলাতে হবে তিনটি অঙ্ক। কিভাবে মুখোমুখি হবেন মেসি-রোনালদো?
বিশ্বকাপে ‘জে’ গ্রুপে রয়েছে আর্জেন্টিনা আর পর্তুগাল রয়েছে গ্রুপ ‘কে’তে। যে সম্ভাবনায় মুখোমুখি হতে পারেন এই দুই মহাতারকা।
উভয়দলই নিজ নিজ গ্রুপে শীর্ষস্থান নিয়ে করে রাউন্ড অফ বত্রিশে যায়। আর্জেন্টিনা ও পর্তুগাল নকআউট পর্বেও জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে উন্নীত হয়। তা হলে কোয়ার্টার ফাইনালেই হবে মেসি বনাম রোনালদো মহারণ।
যদি আর্জেন্টিনা ও পর্তুগাল দুই দলই নিজেদের গ্রুপে রানার্সআপ হিসেবে শেষ করে, তা হলে তারা কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে না। সে ক্ষেত্রে শেষ ষোলোয় মেসি বনাম রোনালদো ম্যাচ দেখতে পারেন ফুটবলপ্রেমীরা। তবে এই সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম বলেই মনে করা হচ্ছে।
যদি আর্জেন্টিনা ও পর্তুগালের মধ্যে একটি দল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় অন্যটি রানার্সআপ হিসেবে নক আউটে ওঠে। তা হলে তাদের পথ আলাদা হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে মেসি ও রোনালদো একমাত্র বিশ্বকাপ ফাইনালেই মুখোমুখি হতে পারবেন। ১৯ জুলাই নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ম্যাচে একে অন্যের বিরুদ্ধে নামতে পারেন দুই তারকা।
আর এই সম্ভাবনা নিয়েই জোর চর্চা চলছে। বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসি বনাম রোনালদো ম্যাচ ফুটবলপ্রেমীদের কাছে স্বপ্নের লাইন-আপ। আর দুই তারকার কাছেই এটা হতে পারে শেষ বিশ্বকাপ। তাই বিশ্বকাপের মঞ্চে আরো একবার মেসি-রোনালদো দ্বৈরথ দেখার আশায় বুক বাঁধছেন ভক্তরা।




