• ই-পেপার

টি-টোয়েন্টিতে ফিরলেন নাহিদ, প্রথমবার টেস্ট দলে হৃদয়-রবিউল

সিরিজ জিততে ১৯২ রানের লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক
সিরিজ জিততে ১৯২ রানের লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ
ছবি : মীর ফরিদ, মিরপুর থেকে

মিরপুরে উইকেট বৃষ্টি শুরু করেছিলেন তাসকিন আহমেদ-মুস্তাফিজুর রহমানরা। তা দেখে যেন নিজেরও খেলতে ইচ্ছে করল বৃষ্টির। চাওয়া মাত্রই কাঁদল আকাশও। তাতে মারনাশ লাবুশানে-তাসকিনদের খেলা বন্ধ।

ইচ্ছে পূরণ করার পর নিজের কান্না থামিয়েছে বেরসকি বৃষ্টি। এবার খেলতে নামার অপেক্ষায় ক্রিকেটাররা। তবে অস্ট্রেলিয়া আর ব্যাটিংয়ে নামতে পারছে না। বৃষ্টি আইনে বাংলাদেশকে ১৯২ রানের লক্ষ্য দিয়েছে তারা। রান তাড়ায় বাংলাদেশ পাচ্ছে ৪১ ওভার।

৪১তম ওভারে তাসকিন টানা দুই উইকেট নেওয়ার পরের ওভারেই বৃষ্টি শুরু হয়। তাতে ৪২ ওভার শেষে ৮ ‍উইকেটে ১৮৭ রানে থামে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। বৃষ্টির কারণে পরে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন লাবুশানে-নাথান এলিস। পেসার এলিসের ২ রানের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেন লাবুশানে।

লাবুশানে প্রতিরোধ না গড়লে দুই শ ছুঁই ছুঁই স্কোর পাওয়া হতো না অস্ট্রেলিয়ার। শুরুতেই যে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছিল অজিরা। প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে ম্যাথিউ শর্টকে বোল্ড করে শুরুটা করেন তাসকিন। 

ফিরতি ওভারে জোড়া আঘাত হানে মুস্তাফিজ। সতীর্থর মতোই মেডেন নেন বাঁহাতি পেসার। তাতে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর শূন্য রানে ৩ উইকেট। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে একটা সময় তাদের দলীয় স্কোর দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ৮১ রান।

সেখান থেকে সপ্তম উইকেটে ১০৩ রানের জুটি গড়েন লাবুশানে-জাভিয়ের বার্টলেট। বার্টলেট ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটির ইনিংসটি খেলেন ৫২ রানের। বাংলাদেশের হয়ে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজ-তাসকিন।

রান তাড়া করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের স্কোর শূন্য রানে ১ উইকেট। ব্যাটিংয়ে আছেন দুই বাঁহাতি ব্যাটার সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত।

মেসি-ম্যারাডোনা নাকি পেলে, সেরা ১০ বিশ্বকাপ কিংবদন্তির তালিকা প্রকাশ

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসি-ম্যারাডোনা নাকি পেলে, সেরা ১০ বিশ্বকাপ কিংবদন্তির তালিকা প্রকাশ
সংগৃহীত ছবি

মেসি, ম্যারাডোনা, পেলে নাকি অন্য কেউ বিশ্বকাপের ইতিহাসের সেরা কে? ৯৬ বছরে ২২টি আসর পেরিয়ে ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে হাজারো তারকা খেললেও তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০ জন কিংবদন্তিকে বেছে নিয়েছে বিবিসি স্পোর্টস। 

এই তালিকায় আছে ভিন্ন যুগের ভিন্ন স্টাইলের ফুটবলাররা, যারা বিশ্বকাপকে নিজেদের কীর্তিতে রঙিন করে তুলেছেন।

তালিকার দশম স্থানে আছেন ইংল্যান্ডের জিওফ হার্স্ট। ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে তার হ্যাটট্রিক ইংল্যান্ডকে একমাত্র বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দেয়। ঘরের মাঠে সেই স্মরণীয় জয় আজও ইংলিশ ফুটবলের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত।

নবম স্থানে আছেন ব্রাজিলের কাফু। তিনি একমাত্র ফুটবলার, যিনি টানা তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলেছেন। ১৯৯৪ সালে ব্রাজিলের শিরোপাজয়ী দলে ছিলেন তিনি, ১৯৯৮ সালে ফাইনালে হেরেছিলেন এবং ২০০২ সালে অধিনায়ক হিসেবে দলকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করেন।

অষ্টম স্থানে ইতালির পাওলো রসি। ১৯৮২ বিশ্বকাপে তার অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম নাটকীয় অধ্যায়। ম্যাচ ফিক্সিং কেলেঙ্কারির কারণে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফিরে এসে তিনি ব্রাজিলের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকসহ টুর্নামেন্টে ৬ গোল করেন এবং ইতালিকে শিরোপা এনে দেন। একই সঙ্গে তিনি গোল্ডেন বুট ও গোল্ডেন বল দুই পুরস্কারই জেতেন।

সপ্তম স্থানে ফ্রান্সের জিনেদিন জিদান। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে স্বাগতিক ফ্রান্সকে প্রথম বিশ্বকাপ এনে দিতে ফাইনালে তার দুই হেড গোল আজও ইতিহাসে অমর। তবে তার বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে উজ্জ্বলতার পাশাপাশি বিতর্কও ছিল ২০০৬ ফাইনালে লাল কার্ড দেখেই বিদায় নিতে হয়েছিল তাকে।

ষষ্ঠ স্থানে আছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই ২০১৮ বিশ্বকাপে আলো ছড়ান তিনি, হন নতুন প্রজন্মের পোস্টার বয়। ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালে হ্যাটট্রিক করে তিনি দেখিয়ে দেন যে বিশ্বমঞ্চে তিনি এখনো সবচেয়ে ভয়ঙ্করদের একজন।

পঞ্চম স্থানে পশ্চিম জার্মানির ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার। ‘ডের কাইজার’ নামে পরিচিত এই ডিফেন্ডার খেলোয়াড় হিসেবে ১৯৭৪ সালে বিশ্বকাপ জেতেন এবং পরে কোচ হিসেবে ১৯৯০ সালে আবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে ইতিহাস গড়েন যা খুব কম মানুষের পক্ষেই সম্ভব।

চতুর্থ স্থানে আছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ২০২২ বিশ্বকাপে তিনি আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এনে দেন। পুরো টুর্নামেন্টে তার নেতৃত্ব, গোল, অ্যাসিস্ট এবং ফাইনালের অসাধারণ পারফরম্যান্স তাকে আধুনিক ফুটবলের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে দেয়।

তৃতীয় স্থানে ব্রাজিলের রোনালদো। ইনজুরির লড়াই পেরিয়ে ২০০২ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেন ‘আর-নাইন’। টুর্নামেন্টে আট গোল করে ব্রাজিলকে শিরোপা জেতান এবং ১৯৯৮ ফাইনালের ব্যর্থতার পর নিজেকে নতুন করে প্রমাণ করেন।

দ্বিতীয় স্থানে আছেন আর্জেন্টিনার দিয়েগো ম্যারাডোনা। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে তার একক নৈপুণ্য ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা অধ্যায়। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ‘হ্যান্ড অব গড’ ও পরের অবিশ্বাস্য ড্রিবলিং গোল তাকে অমর করে রেখেছে। পুরো টুর্নামেন্টে তার নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়।

আর তালিকার শীর্ষে আছেন ব্রাজিলের পেলে। তিনবার বিশ্বকাপ জেতা একমাত্র ফুটবলার তিনি। ১৭ বছর বয়সে ১৯৫৮ বিশ্বকাপে বিশ্বকে চমকে দেন, পরে ১৯৬২ ও ১৯৭০ বিশ্বকাপেও ব্রাজিলকে শিরোপা এনে দিয়ে ফুটবল ইতিহাসে নিজের অবস্থান চিরস্থায়ী করেন।

আজ থেকে শুরু বিশ্বকাপ, মোবাইল ফোনে যেভাবে দেখবেন খেলা

ক্রীড়া ডেস্ক
আজ থেকে শুরু বিশ্বকাপ, মোবাইল ফোনে যেভাবে দেখবেন খেলা
সংগৃহীত ছবি

ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের উন্মাদনা ও উত্তেজনার কোনো সীমা নেই। ঘরে বসেই টিভিতে বসে দেশীয় তিনটি চ্যানেলে দেখা যাবে খেলা।

রাষ্ট্রায়ত্ত টিভি চ্যানেল বিটিভির পাশাপাশি টি-স্পোর্টস ও সময় টিভিতে সরাসরি দেখানো হবে বিশ্বকাপ। এ ছাড়া মোবাইল বা ল্যাপটপ থেকেও ম্যাচগুলো উপভোগ করতে পারবেন ভক্তরা।

রাষ্ট্রীয় চ্যানেল বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ছাড়াও এই ফুটবল মহাযজ্ঞের ম্যাচগুলো সরাসরি সম্প্রচার করবে টি-স্পোর্টস ও সময় টেলিভিশন। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছ থেকেই সম্প্রচারস্বত্ব কিনেছে তারা।

নির্দিষ্ট সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়ে মোবাইল ফোন ও স্মার্ট ডিভাইসে মাই রবি অ্যাপ, বাংলালিংকের টফি ও গ্রামীণফোনের বায়োস্কোপে ঘরে বসেই ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ উপভোগ করতে পারবেন দেশের ফুটবলপ্রেমীরা।

নেইমারকে ছাড়াই গ্রুপ পর্ব খেলতে হতে পারে ব্রাজিলের

ক্রীড়া ডেস্ক
নেইমারকে ছাড়াই গ্রুপ পর্ব খেলতে হতে পারে ব্রাজিলের
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের মহোৎসব শুরু হতে বাকি আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা ঘণ্টা। মাঠের লড়াইয়ে নামার আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ঘাম ঝরাচ্ছেন ফুটবলাররা। তবে ব্রাজিলের শিবিরে আনন্দের আবহ থাকলেও চিন্তার ভাঁজ দলের সেরা তারকা নেইমার জুনিয়রকে নিয়ে। চোটের সঙ্গে লড়াই চলায় এখনো সেলেসাওদের মূল অনুশীলনে যোগ দিতে পারেননি এই তারকা ফরোয়ার্ড।

আগামী রবিবার নিউইয়র্কে মরক্কোর মুখোমুখি হয়ে হেক্সা মিশনের যাত্রা শুরু করবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। নিউ জার্সির মরিসটাউনে চলছে ব্রাজিলের প্রস্তুতি ক্যাম্প। তবে সেখানে বুধবারের অনুশীলনেও অনুপস্থিত ছিলেন নেইমার।

গত মাসে সান্তোসের হয়ে খেলার সময় পায়ের মাংসপেশির চোটে পড়েন ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ এই গোলদাতা। পরে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দিলে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ধরা পড়ে, তার মাংসপেশি দ্বিতীয় মাত্রায় (সেকেন্ড ডিগ্রি) ছিঁড়ে গেছে। বর্তমানে নিবিড় পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

পরিস্থিতি যা, তাতে মরক্কোর বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে নেইমারের খেলার সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায়। শুধু তাই নয়, গ্রুপ পর্বে হাইতি ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষেও তিনি মাঠে নামতে পারবেন কি না, তা নিয়ে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

নেইমারের মতো প্রধান অস্ত্রকে ছাড়াই বিশ্বকাপ শুরু করতে হচ্ছে, তবে এতে আশাহত হচ্ছেন না দেশটির সাবেক তারকারা। ১৯৯৪ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল দলের সদস্য জিনহোর মতে, বর্তমান দলটির শিরোপা উঁচিয়ে ধরার মতো যথেষ্ট সামর্থ্য রয়েছে।

এক সাক্ষাৎকারে জিনহো বলেন, ‘ব্রাজিলকে হয়তো এবারের টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় ফেবারিট বলা যাবে না। তবে এই স্কোয়াডে এমন কিছু চমৎকার ফুটবলার আছে, যারা একসঙ্গে জ্বলে উঠলে দারুণ কিছু করা সম্ভব। আমার বিশ্বাস, এবার ব্রাজিলের ভালো সুযোগ রয়েছে।’