• ই-পেপার

আমাদের বেছে নিন অথবা অভিষেককে—মমতাকে কল্যাণ ব্যানার্জির আলটিমেটাম

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ
রয়টার্স ছবি

সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে সরকারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের মতবিরোধের জেরে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার জামা দেওয়া ওই পদত্যাগপত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সমালোচনা করে বলেছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দিতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, জন হিলি অভিযোগ করেন, ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক হুমকির মুখে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করতে যে পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, তা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার ও অর্থ মন্ত্রণালয় যথাযথ পদক্ষেপ নেয়নি।

প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের উদ্দেশে লেখা চিঠিতে তিনি বলেন, ‘দেশকে রক্ষার জন্য এই সময়ে যে সম্পদ প্রয়োজন, তা নিশ্চিত করতে আপনি সক্ষম হননি এবং ট্রেজারি (অর্থ মন্ত্রণালয়) তা দিতে অনিচ্ছুক ছিল।’

গত কয়েক মাস ধরে ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছিল। তবে ব্যয় সংক্রান্ত মতবিরোধের কারণে সরকারের বহুল প্রত্যাশিত ‘ডিফেন্স ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান’ গত বছর থেকে আটকে আছে।

হিলির পদত্যাগ ব্রিটিশ সরকারের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি দেশটির প্রতিরক্ষা নীতি ও সামরিক ব্যয় নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও তীব্র করে তুলতে পারে।

আমি মুদ্রাস্ফীতি ভালোবাসি : ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
আমি মুদ্রাস্ফীতি ভালোবাসি : ট্রাম্প
সংগৃহীত ছবি

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় অন্যতম প্রধান উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এমন পরিস্থিতিতে দেশটির মূল্যস্ফীতি নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য আবারও উসকে দিচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।

গত তিন বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমি মুদ্রাস্ফীতি ভালোবাসি’। 

মার্কিন শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিএলএস) তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে দেশটির বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৪.২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা এপ্রিলের ৩.৮ শতাংশ থেকে বেশি।

ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা বলছে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক সংঘাতের ফলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এটা ভালোবাসি। সংখ্যাগুলো দুর্দান্ত। জানেন আমি আসলে কী ভালোবাসি? আমি মূল্যস্ফীতিকে ভালোবাসি।’

তবে পরে তিনি দাবি করেন, তার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তিনি মূল্যস্ফীতি বাড়াকে সমর্থন করেননি; বরং প্রত্যাশার তুলনায় মূল্যস্ফীতি আরো বেশি না হওয়ায় তিনি সন্তুষ্ট।

ট্রাম্পের ভাষায়, ‘যুদ্ধ চলার পরও মূল্যস্ফীতির হার প্রত্যাশার চেয়ে কম। যুদ্ধ শেষ হলে এটি আরো কমে যাবে এবং সংঘাত শুরুর আগের সময়ের চেয়েও নিচে নেমে আসবে।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরো দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান এবং ইরানের জ্বালানির ওপর চাপ সৃষ্টির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছে। তার মতে, ইরান সংঘাত শেষ হলে জ্বালানির দাম দ্রুত হ্রাস পাবে।

তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন ইঙ্গিত দিচ্ছে। মার্কিন অটোমোবাইল সংগঠন এএএ-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন পেট্রলের গড় দাম ৪.১৫ ডলারে পৌঁছেছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলা শুরুর সময় এই দাম ছিল ২.৯৮ ডলার।

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতার কারণে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় জ্বালানির বাজারে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

মূল্যস্ফীতির পাশাপাশি বিমান ভাড়া, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যক্তিগত সেবা, বিনোদন ও যোগাযোগ খাতেও ব্যয় বেড়েছে বলে সরকারি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা। বর্তমানে সুদের হার ৩.৫ থেকে ৩.৭৫ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ফেড সাধারণত সুদের হার বৃদ্ধি করে থাকে।

ট্রাম্পের মন্তব্য নিয়ে বিরোধী ডেমোক্র্যাট নেতারাও সমালোচনা করেছেন। সিনেটের ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘সাধারণ মানুষের প্রতি তার অবজ্ঞার কোনো সীমা নেই।’

টানা দ্বিতীয় রাতের সহিংসতায় বেলফাস্টে ১২ পুলিশ আহত, আটক ১৬

অনলাইন ডেস্ক
টানা দ্বিতীয় রাতের সহিংসতায় বেলফাস্টে ১২ পুলিশ আহত, আটক ১৬
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের বেলফাস্টে ছুরিকাঘাতের ঘটনার পর উত্তর আয়ারল্যান্ডে টানা দ্বিতীয় রাতেও সহিংসতা ও অস্থিরতা দেখা গেছে। এ ঘটনায় ১২ জন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন এবং ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

উত্তর আয়ারল্যান্ডবিষয়ক সেক্রেটারি হিলারি বেন বলেছেন, মঙ্গলবার রাতের তুলনায় বুধবার রাতে সহিংসতা কিছুটা কম ছিল। তবে দ্বিতীয় রাতেও দাঙ্গা চলতে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে।

এদিকে ছুরিকাঘাতে নিহত ব্যক্তির পরিবার জানিয়েছে, তারা এই সহিংস ঘটনাগুলো দেখে খুবই মর্মাহত ও বিরক্ত।

সোমবারের ছুরিকাণ্ডের পর কো অ্যান্ট্রিম এলাকায় মুখোশধারী দাঙ্গাকারীরা পুলিশের দিকে ইট ও পেট্রল বোমা ছুড়ে মারে। বেলফাস্টের উত্তর-পশ্চিমে নিউ টাউনঅ্যাবির স্যান্ডিনোজ রাউন্ডঅ্যাবাউট এলাকায় পুলিশ ও দাঙ্গাকারীদের সংঘর্ষের সময় একটি সরকারি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

ভিডিওতে দেখা গেছে, কালো পোশাক ও মুখ ঢাকা কয়েক ডজন ব্যক্তি অ্যান্ট্রিম রোডে জড়ো হয়ে ইট ও পাথর সংগ্রহ করছে। তারা হাতুড়ি দিয়ে পাথর ভেঙে পুলিশের দিকে নিক্ষেপের জন্য প্রস্তুত করছিল।

নিউ টাউনঅ্যাবির স্যান্ডিনোজ এলাকায় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ দুটি জলকামান ব্যবহার করে। সেখানে প্রায় ২০০ জন মানুষ জড়ো হয়েছিল। এ সময় কিছু বিক্ষোভকারী একটি পেট্রোল স্টেশনের কাছে পরিত্যক্ত একটি ভবনে আগুন লাগানোর চেষ্টা করে। তাদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশের ব্যারিকেড লক্ষ্য করে পেট্রল বোমাও নিক্ষেপ করে।

এ ছাড়া দাঙ্গাকারীদের বাড়ির সামনে থাকা চাকার ময়লার বিন টেনে এনে সেগুলোতে আগুন ধরিয়ে দিতে দেখা যায়। ডেরি শহরের আর্ডমোর রোড এলাকাতেও বিভিন্ন জিনিসপত্রে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। দ্বিতীয় রাতেও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় উত্তর আয়ারল্যান্ডে কিছু গণপরিবহন সেবা বন্ধ রাখা হয় এবং কয়েকটি স্কুল নির্ধারিত সময়ের আগেই ছুটি ঘোষণা করে।

এদিকে ৩০ বছর বয়সী হাদি আলোদিদ বুধবার আদালতে হাজির হন। সোমবারের ছুরিকাঘাতের ঘটনায় আহত স্টিফেন ওগিলভি একটি চোখ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় আলোদিদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।

স্টিফেন ওগিলভির পরিবার জানিয়েছে, চল্লিশোর্ধ্ব ওগিলভি বর্তমানে বেলফাস্টের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন এবং তার অবস্থা স্থিতিশীল।

ছুরিকাঘাতে আহত স্টিফেন ওগিলভির পরিবার পুলিশ মারফত দেওয়া এক বিবৃতিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হামলা নিয়ে ছড়ানো ‘ভুল তথ্য’ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। তারা সাম্প্রতিক সহিংসতা ও দাঙ্গার ঘটনায় নিজেদের ‘ঘৃণা ও বিরক্তি’ প্রকাশ করেছে।

পরিবারটি বলেছে, ‘এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় যে সহিংসতা চলছে, আমরা তা কোনোভাবেই সমর্থন করি না। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই একমাত্র গ্রহণযোগ্য পথ।’ তারা আরো বলেন, ‘আমাদের দেশে অনেক অভিবাসী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। স্বাস্থ্যসেবা ও আতিথেয়তা খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন এবং দেশের কার্যক্রম সচল রাখতে তাদের অবদান প্রয়োজন।’

এদিকে এই ঘটনার পর মঙ্গলবার বেলফাস্টে কয়েকটি বাড়ি, একটি বাস ও একাধিক গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, কিছু মানুষকে তাদের জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, ‘যারা এই বিভাজন ও সহিংসতা উসকে দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মোদিকে শুভেচ্ছা জানানোর পর শত্রুঘ্ন সিনহা বললেন—‘দিদিকে ছাড়ব না’

অনলাইন ডেস্ক
মোদিকে শুভেচ্ছা জানানোর পর শত্রুঘ্ন সিনহা বললেন—‘দিদিকে ছাড়ব না’
সংগৃহীত ছবি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করার পর থেকে তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) সাংসদ ও প্রবীণ অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহার পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে শুরু হয় রাজনৈতিক গুঞ্জন। তবে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেস বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছেড়ে যাওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।’

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, সম্প্রতি লোকসভার স্পিকারের কাছে তৃণমূলের কথিত ‘বিদ্রোহী’ গোষ্ঠীর জমা দেওয়া একটি চিঠিতে শত্রুঘ্ন সিনহার নাম রয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। এর মধ্যেই তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি পোস্ট করেন।

সেখানে তিনি লেখেন, ‘সমাজ ও দেশের বন্ধু ও পথপ্রদর্শক, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দায়িত্বে ১২ বছর পূর্তির জন্য শুভেচ্ছা। সম্ভবত এটি ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদগুলোর একটি। আপনার দীর্ঘ, সুস্থ ও সমৃদ্ধ জীবন কামনা করি। জয় হিন্দ।’

পোস্টটিতে তিনি তৃণমূল নেত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগও করেন, যা রাজনৈতিক মহলে নানান গুঞ্জনের জন্ম দেয়। তবে এসব জল্পনা নাকচ করে আসানসোলের এই সাংসদ বলেন, ‘আমাকে নিয়ে অনেক কিছু বলা হচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন আমি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর অংশ। এসব সম্পূর্ণ মিথ্যা।’

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘খারাপ সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। কঠিন সময়ে আমিও তার পাশে থাকব।’

শত্রুঘ্ন সিনহা জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধেই তিনি আসানসোল থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তাই তিনি কখনো দিদিকে ছেড়ে যাবেন না।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে শত্রুঘ্ন সিনহা প্রথমে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) অন্যতম পরিচিত নেতা ছিলেন এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। তবে মতাদর্শগত মতপার্থক্যের কারণে তিনি বিজেপি ত্যাগ করেন। পরে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে পাটনা সাহিব আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও পরাজিত হন।

পরবর্তীতে ২০২২ সালে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন এবং আসানসোল উপনির্বাচনে জয়ী হন। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে একই আসন ধরে রাখতে সক্ষম হন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মোদিকে শুভেচ্ছা জানানোকে কেন্দ্র করে যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, শত্রুঘ্ন সিনহার সাম্প্রতিক বক্তব্য তা অনেকটাই থামিয়ে দিয়েছে। তিনি আপাতত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসেই থাকার ব্যাপারে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন।