ভাগ্য সহায় থাকলে কাতার বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হতে পারত ফ্রান্স। কেননা ২০২২ বিশ্বকাপে পেনাল্টি শুটআউটে ৩৬ বছরের অপেক্ষায় ফুরায় আর্জেন্টিনা। খুব কাছে গিয়েও জিততে না পারা ফ্রান্স এবার তৃতীয় শিরোপার লক্ষ্যে নামবে।
আগামী ১১ জুন যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা-মেক্সিকোয় বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আবার সুসংবাদ পেয়েছে ফ্রান্স। ২০২৬ বিশ্বকাপের ট্রফি নাকি তাদের ঘরেই যাচ্ছে। তাদের নিয়ে এমন ভবিষ্যৎবাণী করেছেন অর্থনীতিবিদরা। জরিপটি করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
জরিপে বিশ্বের ১৬০ জন অর্থনীতিবিদ অংশ নেন। জরিপটি চালানো হয় ১১ মে থেকে ৫ জুন। জরিপে ৩৫ শতাংশ ভোট কিলিয়ান এমবাপ্পেদের পক্ষে পড়েছে। তাদের নিকপ্রতিদ্বন্দ্বী স্পেন পেয়েছে ৩১ শতাংশ ভোট।
শীর্ষ পাঁচের বাকি তিন দল হচ্ছে যথাক্রমে—ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা (৯), পর্তুগাল (৭) ও ইংল্যান্ড (৬)। অন্যদিকে ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল পেয়েছে ৫ শতাংশ ভোট। র্যাংকিংয়ের হিসেবে শীর্ষ ৬ এর মধ্যে ব্রাজিলই সবচেয়ে বাজে।
জরিপ সম্পর্কে লন্ডন ভিত্তিক রয়্যাল ব্যাংক অফ কানাডা (আরবিসি) শাখার সিনিয়র অর্থনীতিবিদ ক্যাথাল কেনেডি বলেছেন, ‘২০২২ সালের ফাইনালের হতাশা ভুলে ফ্রান্স আরও শক্তিশালী হয়ে এবার মাঠে নামবে। দলটির অধিকাংশ খেলোয়াড় ক্যারিয়ারের সেরা ফর্মে আছেন এবং পিএসজির কয়েকজন তরুণ প্রতিভা আছে। সবচেয়ে বড় কথা, তারা এবার সতেজ কিলিয়ান এমবাপ্পেকে পাচ্ছে।’
শুধু দল নয়, ব্যক্তিগত পুরস্কার কারা জিততে পারে সে সবও জরিপে উঠে এসেছে। গোল্ডেন বল ও বুট দুই পুরস্কারই এমবাপ্পের হাতে উঠতে পারে বলে জানা গেছে অর্থনীতিবিদদের এই জরিপে। গোল্ডেন বলের ২৬ শতাংশর বিপরীতে গোল্ডেন বুটে ৪০ শতাংশ ভোট পেয়েছেন রিয়াল ও ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড। গোল্ডেন বলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন লামিনে ইয়ামাল। অন্যদিকে গোল্ডেন বুটে ৩৫ শতাংশ ভোট নিয়ে দুইয়ে আছেন হ্যারি কেইন।
গোলরক্ষকদের পুরস্কার গোল্ডেন গ্লাভসে ২৬ শতাংশ ভোটে শীর্ষে ফ্রান্সের মাইক মেনিয়ঁ। ২২ শতাংশ ভোটে যৌথভাবে দুইয়ে আছেন স্পেনের দুই গোলরক্ষক উনাই সিমোন ও দাভিদ রায়া। ১৭ শতাংশ ভোটে তিনে আছেন কাতার বিশ্বকাপের সেরা গোলরক্ষক আর্জেন্টিনার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।




