• ই-পেপার

সাকিব ভাইয়ের দলে থাকাটাই আমার কাছে হাসি পায় : মুমিনুল

রোজারিওতে ফিরলেন মেসি

ক্রীড়া ডেস্ক
রোজারিওতে ফিরলেন মেসি
প্রাইভেট জেটে বাসায় ফিরলেন মেসি। ছবি : রয়টার্স

মেটলাইফে হৃদয় পুড়েছে আর্জেন্টিনার। অতিরিক্ত সময় স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারায় টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জেতা হয়নি তাদের। ম্যাচ হেরে ভীষণ কষ্ট পাওয়ার বিষয়টি এক খোলা চিঠিতে জানিয়েছেন লিওনেল মেসি। ৮ বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী বলেন, ‘কষ্টটা অনেক গভীর, ক্ষত শুকাতে সময় লাগবে।’

আর্জেন্টাইনদের মুখে হাসি এনে দিতে না পারায় হয়তো সতীর্থদের সঙ্গে দেশে ফেরেননি মেসি। অভিমানকে বুকে পাথর চাপা দিয়ে অবশ্য গতকাল দেশে ফিরেছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। তবে সতীর্থদের মতো বুয়েন এইরেসে নন, ফিরেছেন নিজ শহর রোজারিওতে। ফ্লোরিডা থেকে নিজের প্রাইভেট জেটে রোজারিওতে ফিরেন তিনি।

ফেরার সময় মেসির সঙ্গে ছিলেন যথারীতি তার পরিবার। তার আসার সংবাদে অনেকে অপেক্ষায় থাকলে কোনো পাবলিক বক্তব্য রাখেননি তিনি। প্রাইভেট জেট থেকে নেমেই সাদা এসইউভি গাড়িতে বাড়ির পথে রওয়ানা দেন মেসি। বাসায় অপেক্ষায় ছিলেন ৬৮ বছর বয়সী তার বাবা জর্জ মেসি। বর্তমানে তিনি লক্ষণ স্পষ্ট না হওয়া এক রোগে ভুগছেন।

 

মেসির অপেক্ষায় থাকা ভক্ত-সমর্থক তার জার্সি ও প্ল্যাকার্ড হাতে এসেছিলেন। তাদের একজনের হাতে ছিল এমন বার্তা, ‘মেসি, তুমি কিংবদন্তি। আমাদের আনন্দ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। পুরো দেশ তোমাকে ভালোবাসে।’

বাড়িতে কতদিন থাকবেন মেসি তা জানা যায়নি। তবে জুলাইয়ের শেষ কিংবা আগস্টের শুরুতে ইন্টার মায়ামিতে ফিরতে পারেন ৩৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। অন্যদিকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও ক্যারিয়ারের সায়াহ্নেও দারুণ ছন্দে ছিলেন তিনি। কিলিয়ান এমবাপ্পের (১০ গোল) পর সর্বোচ্চ ৮ গোল করেন তিনি। সঙ্গে ৮ ম্যাচে ৪ অ্যাসিস্ট।

সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ই নেই বিশ্বকাপের একাদশের লড়াইয়ে

ক্রীড়া ডেস্ক
সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ই নেই বিশ্বকাপের একাদশের লড়াইয়ে
সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার নেওয়ার সময় কুবারসি। ছবি : রয়টার্স

শিরোপা জয় নিয়ে স্যার আলেক্স ফার্গুসনের বিখ্যাত এক উক্তি আছে—‘আক্রমণ আপনাকে ম্যাচ জেতাবে, কিন্তু রক্ষণ আপনাকে ট্রফি জেতাবে।’ তার যথার্থ প্রমাণ এবারের বিশ্বকাপ। দীর্ঘ ১৬ বছর পর সোনালি ট্রফি জিতেছে স্পেন।

নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিততে রক্ষণভাগের অবদান ছিল অনন্য। ৮ ম্যাচে মাত্র এক গোল হজম করেছে স্পেন। এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের অন্যতম ছিলেন পাউ কুবারসি। পুরো বিশ্বকাপে ৩৩ টি বল ক্লিয়ার করে টুর্নামেন্টের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ও হয়েছেন বার্সেলোনার সেন্টার ডিফেন্ডার।

কিন্তু বিশ্বকাপের সেরা একাদশের লড়াই নেই কুবারসি। তবে ২৮ সদস্যের প্রাথমিক তালিকায় সর্বোচ্চ ফুটবলার স্পেনের। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ৬ ফুটবলার সেরা লড়াইয়ে আছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫ ফুটবলার রানার্সআপ আর্জেন্টিনার।

তালিকার শুরুটা গোলরক্ষক দিয়ে করা যাক। তিন কাঠির নিচে ৪ জন জায়গা পেয়েছেন। তারা হচ্ছেন—এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, ভোজিনহা, উনাই সিমন, জর্ডান পিকফোর্ড, এলয় রুম।

রক্ষণভাগে বিশ্বকাপ জয়ী মার্ক কুকুরেয়া-পেদ্রো পোরোর সঙ্গে আছেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নুনো মেন্ডেজ, ভার্জিল ফন ডাইক, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ও দায়োত ‍উপামেকানো।

মিডফিল্ডে বিশ্বকাপের সেরারাই সুযোগ পেয়েছেন। তারা হচ্ছেন—জুড বেলিংহ্যাম, মাইকেল ওলিসে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, এনজো ফার্নান্দেজ, উসমান দেম্বেলে, লুকা মদরিচ, ইসমাইল সাইবারি, রদ্রি, লামিনে ইয়ামাল।

ফরোয়ার্ডে অবধারিতভাবেই আছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে-লিওনেল মেসি। সঙ্গে আছেন আর্লিং হালান্ড, হ্যারি কেইন, হুলিয়ান কিনিওনেস, মিকেল ওয়ারজাবাল। 

এখন দেখার বিষয় বিশ্বকাপের সেরা একাদশে কাদের কপাল খোলে।

সেরা একাদশের প্রাথমিক তালিকা:

গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ (আর্জেন্টিনা), ভোজিনহা (কেপ ভার্দে), উনাই সিমন (স্পেন), জর্ডান পিকফোর্ড (ইংল্যান্ড), এলয় রুম (কুরাসাও)।

ডিফেন্ডার: লিসান্দ্রো মার্তিনেজ (আর্জেন্টিনা), নুনো মেন্দেস (পর্তুগাল), মার্ক কুকুরেয়া (স্পেন), ভার্জিল ফন ডাইক (নেদারল্যান্ডস), গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস (ব্রাজিল), ক্রিস্তিয়ান রোমেরো (আর্জেন্টিনা), দায়োত উপামেকানো (ফ্রান্স), পেদ্রো পোরো (স্পেন)।

মিডফিল্ডার: জুড বেলিংহ্যাম (ইংল্যান্ড), উসমান দেম্বেলে (ফ্রান্স), লুকা মদরিচ (ক্রোয়েশিয়া),  মাইকেল ওলিসে (ফ্রান্স), ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (ব্রাজিল), এনজো ফার্নান্দেজ (আর্জেন্টিনা), ইসমাইল সাইবারি (মরক্কো), রদ্রি (স্পেন), লামিনে ইয়ামাল (স্পেন)।

ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা), কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স), আর্লিং হলান্ড (নরওয়ে), হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড). হুলিয়ান কিনিওনেস (মেক্সিকো), মিকেল ওইয়ারজাবাল (স্পেন)।

কসমেটিক সার্জারি করে কি চেহারাই বদলে ফেললেন ভিনিসিয়ুস

ক্রীড়া ডেস্ক
কসমেটিক সার্জারি করে কি চেহারাই বদলে ফেললেন ভিনিসিয়ুস
ভিনিসিয়ুসের আগে-পরের চেহারা। ছবি : এক্স থেকে

কথায় আছে—‘আগে দর্শনধারী তারপর গুণবিচারী’। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এই প্রবাদেই যেন বিশ্বাস। তা না হলে কসমেটিক সার্জারি করাতেন না তিনি।

নিজেকে আরও সুন্দর দেখতেই কসমেটিক সার্জারি করিয়েছেন ভিনিসিয়ুস। এতে করে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের মুখায়বে একটা পরিবর্তন এসেছে। পরিবর্তন আনতে কসমেটিক সার্জারির ‘চিন হারমোনাইজেন’ চিকিৎসা করিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী তারকা। 

চিন হারমোনাইজেশন করানো হয় মুখের অন্যান্য অংশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে থুতনি বা চোয়ালের গঠনে কিছুটা পরিবর্তন আনা। এই চিকিৎসা নেওয়ার পর ভিনিসিয়ুসের চোয়াল এবং থুতনির গঠনেও অনেকটা পরিবর্তন এসেছে। আগের থেকে তাকে বেশ সুন্দর ও আকর্ষণীয় লাগছে। অস্ত্রপচার ছাড়াই ফিলারের সহায়তায় তার এই সৌন্দর্য বর্ধন করা হয়েছে। এই চিকিৎসা সাধারণত বিনোদন জগতের মানুষরাই বেশি নেন।

 

ভিনির ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই তাকে কার মতো দেখাচ্ছে সেই তুলনাও শুরু হয়েছে। অনেকেই মজা করে জানাচ্ছেন, রিয়াল মাদ্রিদের তারকাকে ব্রাজিল ও চেলসির সাবেক মিডফিল্ডার রামিরেসের মতো লাগছে। এই মজায় যোগ দিয়েছেন রামিরেসও।

ব্রাজিলের গয়ইনিয়ার একটি ক্লিনিকে চিন হরমোনাইজেশন করিয়েছেন ভিনিসিয়ুস। নিজ দেশে করালেও চিকিৎসক ছিলেন মায়ামির। যুক্তরাষ্ট্র থেকে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ আলেসান্দ্রো আলারকাওকে ব্রাজিলে নিয়ে এসে চিকিৎসা নেন তিনি। 

চিন হরমোনাইজেশন কঠিন সময়েই নিলেন ভিনিসিয়ুস। বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিল শেষ ষোলোয় বিদায় নেওয়ার পরেই। তবে দলের ব্যর্থতার মাঝে নিজে জ্বলে ওঠেন তিনি। ৫ ম্যাচে ৪ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট করেন তিনি। সব কিছু ভুলে এখন ক্লাবে মনোযোগ দিতে চান তিনি। রিয়ালে ফেরার অপেক্ষায় এখন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। ক্লাবের সঙ্গে এখনো এক বছরের চুক্তি থাকলেও তার সঙ্গে নতুন করে মেয়াদ বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন রিয়ালের সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। তাতে স্বাভাবিকভাবেই সম্পর্কটা আরও দীর্ঘ হচ্ছে তাদের। 

ফাইনালে পারেদেসকে লাল কার্ড দেওয়া হয়নি : ফিফা

অনলাইন ডেস্ক
ফাইনালে পারেদেসকে লাল কার্ড দেওয়া হয়নি : ফিফা
সংগৃহীত ছবি

শেষ বাঁশি বাজিয়ে রেফারি মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। বিপরীতে ফাইনালে ১-০ ব্যবধানে জিতে শিরোপা উদযাপন শুরু করে স্পেন। কিন্তু এই মুহূর্তেই ম্যাচ হেরে হতাশ লিয়ান্দ্রো পারেদেস স্পেনের দুই ফুটবলারের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান।

মাঠের এই নজিরবিহীন শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় কঠোর অবস্থান নেন রেফারি। ম্যাচ অফিশিয়ালদের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি পারেদেসকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান।

এদিকে ম্যাচ-পরবর্তী ঘটনায় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের আচরণ নিয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। একই সঙ্গে ফাইনালে লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে লাল কার্ড দেখানোর যে খবর ছড়িয়েছিল, সেটিও পরে আনুষ্ঠানিক নথি থেকে প্রত্যাহার করেছে সংস্থাটি। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

ফিফা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, স্পেন-আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ ফাইনালের ম্যাচ রিপোর্ট পর্যালোচনার পর ডিসিপ্লিনারি কোডের ৩৬ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একজন ডিসিপ্লিনারি অ্যান্ড এথিকস প্রসিকিউটর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ম্যাচ-পরবর্তী ঘটনাগুলোতে শৃঙ্খলাভঙ্গের সম্ভাব্য অভিযোগ তদন্ত করবেন তিনি।

বিবৃতিতে ফিফা বলেছে, স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের ম্যাচ রিপোর্ট মূল্যায়নের পর এবং ফিফা ডিসিপ্লিনারি কোডের (এফডিসি) ৩৬ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ম্যাচ-পরবর্তী ঘটনাগুলোতে এফডিসি লঙ্ঘনের সম্ভাব্য অভিযোগ তদন্তের জন্য ফিফা ডিসিপ্লিনারি কমিটি একজন ডিসিপ্লিনারি অ্যান্ড এথিকস প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়েছে। প্রসিকিউটরের তদন্ত প্রতিবেদন সম্পন্ন হলে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানানো হবে।

তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আর্জেন্টিনার কয়েকজন খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ শাস্তির মুখে পড়তে পারেন। পাশাপাশি আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) বিরুদ্ধেও আর্থিক জরিমানাসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ফাইনালে আগ্রাসী ফুটবলের কারণে সমালোচনায় ছিল আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে দুটি হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেস। ম্যাচ শেষে স্পেনের উদ্‌যাপনের সময় নাউয়েল মলিনা দৌড়ে যাওয়া রদ্রির বুকে আঘাত করেন। পরে আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালা ও স্পেনের দানি ওলমোর মধ্যে উত্তপ্ত বাগ্‌বিতণ্ডাও হয়।

এদিকে শেষ বাঁশির পর স্পেনের ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরার অভিযোগে পারেদেসকে লাল কার্ড দেখানো হয়েছে বলে ধারণা করা হয়েছিল। কিন্তু পরে ফিফা নিশ্চিত করে, ম্যাচ-পরবর্তী ঘটনায় পারেদেসের বিরুদ্ধে মাঠে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সাকিব ভাইয়ের দলে থাকাটাই আমার কাছে হাসি পায় : মুমিনুল | কালের কণ্ঠ