• ই-পেপার

সুন্দরগঞ্জে প্রশক্ষিণ শেষে ২০ নারী পেল বসুন্ধরা গ্রুপের সেলাই মেশিন

চরফ্যাশন

তরুণদের সামাজিক কাজে উদ্বুদ্ধ করতে বসুন্ধরা শুভসংঘের আলোচনাসভা

মো. শাফায়াত হোসেন,  চরফ্যাশন
তরুণদের সামাজিক কাজে উদ্বুদ্ধ করতে বসুন্ধরা শুভসংঘের আলোচনাসভা
সংগৃহীত ছবি

তরুণদের সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করতে ‘তরুণসমাজকে সামাজিক কাজে অংশগ্রহণের কৌশল’ শীর্ষক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) বসুন্ধরা শুভসংঘ চরফ্যাশন উপজেলা শাখার আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

উপজেলা শাখার আহ্বায়ক শামীমা নাসরিনের সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব কাউসার আহমেদের সঞ্চালনায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্য, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, স্বেচ্ছাসেবক এবং সমাজসেবায় আগ্রহী তরুণ-তরুণীদের অংশগ্রহণে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। 

আলোচনাসভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে দেশের উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তনের অন্যতম শক্তি হলো তরুণসমাজ। তাদের সৃজনশীল চিন্তা, উদ্যম এবং নেতৃত্বের গুণাবলিকে কাজে লাগিয়ে সমাজের বিভিন্ন সমস্যা মোকাবেলা করা সম্ভব। মাদক, বাল্যবিবাহ, পরিবেশদূষণ, নিরক্ষরতা, সামাজিক বৈষম্য, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং মানবিক সংকট মোকাবেলায় তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বক্তারা আরো বলেন, স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ড শুধু সমাজের উপকারই করে না, বরং একজন তরুণের ব্যক্তিত্ব বিকাশ, নেতৃত্বের দক্ষতা, যোগাযোগ সক্ষমতা এবং দায়িত্ববোধ তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই পড়াশোনার পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে একটি মানবিক, সচেতন ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে।

আলোচনায় সামাজিক কাজে অংশগ্রহণের বিভিন্ন কৌশল তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে দলগতভাবে কাজ করা, স্থানীয় সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হওয়া, পরিবেশ সংরক্ষণ, রক্তদান, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিকে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করে সামাজিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার বিষয়গুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত তরুণরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতে আরো বেশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তারা বলেন, সমাজের কল্যাণে কাজ করার মাধ্যমে একজন মানুষ যেমন আত্মতৃপ্তি লাভ করেন, তেমনি একটি সুন্দর, বৈষম্যহীন ও মানবিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন।

অংশগ্রহণকারীরা তরুণদের নিয়ে নিয়মিত দক্ষতা উন্নয়ন, সচেতনতামূলক কার্যক্রম, স্বেচ্ছাসেবামূলক উদ্যোগ এবং সামাজিক নেতৃত্ব বিকাশে বসুন্ধরা শুভসংঘের এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের মানববন্ধন

অনলাইন ডেস্ক
নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের মানববন্ধন

সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, ট্রাফিক আইন মেনে চলার গুরুত্ব তুলে ধরা এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজধানীর টেকনিক্যাল মোড়ে মানববন্ধন ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ দারুসসালাম থানা শাখা।

শনিবার (২৫ জুলাই) আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শুভসংঘের সদস্যরা বিভিন্ন সচেতনতামূলক প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের মাধ্যমে পথচারী, চালক এবং সাধারণ মানুষের কাছে নিরাপদ সড়কের বার্তা পৌঁছে দেন। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক আইন মেনে চলা, অতিরিক্ত গতিতে যানবাহন না চালানো, হেলমেট ও সিটবেল্ট ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং পথচারীদের জন্য নিরাপদ চলাচলের পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, প্রতিবছর অসংখ্য মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান কিংবা পঙ্গুত্ব বরণ করেন। অধিকাংশ দুর্ঘটনাই অসচেতনতা, অতিরিক্ত গতি, বেপরোয়া যানবাহন চালানো এবং ট্রাফিক আইন অমান্যের কারণে ঘটে। তাই নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি।

বসুন্ধরা শুভসংঘ ঢাকা মহানগর সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মিলটনের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং বসুন্ধরা শুভসংঘ দারুসসালাম থানা শাখার সভাপতি ইয়াসিন শেখ ও সাধারণ সম্পাদক তামিম ইসলাম ইবাদতের নেতৃত্বে কর্মসূচিটি সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় আবদুল হান্নান মিলটন বলেন, ‘একটি সড়ক দুর্ঘটনা শুধু একজন মানুষের জীবন কেড়ে নেয় না; এটি একটি পরিবারের স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ এবং মানসিক শান্তিকেও ধ্বংস করে দেয়। নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা একটি সম্মিলিত দায়িত্ব। চালক, পথচারী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং সাধারণ মানুষ—সবাই যদি নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করি, তাহলে দুর্ঘটনার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব।’

তিনি আরো বলেন, ‘তরুণদের সচেতন অংশগ্রহণের মাধ্যমেই নিরাপদ সড়ক আন্দোলন আরো শক্তিশালী হতে পারে। বসুন্ধরা শুভসংঘ সব সময় জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে একটি দায়িত্বশীল ও মানবিক সমাজ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে।’

মানববন্ধনে উপস্থিত সদস্যরা সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেতনতামূলক শপথ গ্রহণ করেন এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি রাশেদুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম শাওন, অর্থ সম্পাদক সোহান আহমেদ রিজন, ইভেন্ট সম্পাদক ফাতেমা শিরীন, প্রচার সম্পাদক মো. জাকারিয়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক নাদিয়া আফরিন নদী, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাসিবুল রহমান, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক হাওয়া মনি, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ফাতেমাতুল জান্নাতসহ বসুন্ধরা শুভসংঘ দারুসসালাম থানা শাখার অন্য সদস্যরা।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী তরুণরা বলেন, নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠা শুধু একটি দাবি নয়, এটি প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। তারা প্রতিজ্ঞা করেন, নিজেরা ট্রাফিক আইন মেনে চলবেন এবং অন্যদেরও সচেতন করতে নিয়মিত সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

আয়োজকরা জানান, নিরাপদ সড়ক, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরির লক্ষ্যে বসুন্ধরা শুভসংঘ দারুসসালাম থানা শাখা ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন সামাজিক ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।

অসহায় বন্যার্ত মানুষের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

অনলাইন ডেস্ক
অসহায় বন্যার্ত মানুষের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

আকস্মিক বন্যার পানি কিছুটা কমলেও কমেনি মানুষের দুর্ভোগ। প্রকৃতির নির্মম আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে বহু মানুষের স্বপ্ন আর স্বাভাবিক জীবনের ছন্দ।

কোথাও বসতঘর তলিয়ে গেছে পানির নিচে, কোথাও ভেসে গেছে সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী। অনেক পরিবার এখনো দিন কাটাচ্ছে অনিশ্চয়তা আর সংকটের মধ্যে। বন্যার ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট, কর্মহীনতা এবং নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব বন্যাদুর্গত মানুষের দুর্ভোগকে আরো বাড়িয়ে তুলেছে। এমন দুর্যোগময় সময়ে সারা দেশে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘ।

বন্যার্ত মানুষের কাছে বসুন্ধরা শুভসংঘের মানবিক সহায়তা নিয়ে আজ শনিবার (২৫ জুলাই) কালের কণ্ঠ পাঠকদের জন্য বিশেষ আয়োজন করা হলো।

 

গোবিন্দগঞ্জে বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন ও গাছের চারা বিতরণ

পরিবারকে সচ্ছল করার দৃঢ় প্রত্যয়ে ঘরে ফিরলেন ২০ নারী

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
গোবিন্দগঞ্জে বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন ও গাছের চারা বিতরণ
ছবি: কালের কণ্ঠ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার জুগিয়াপাড়া গ্রামের আদিবাসী নারী কাজলী মার্ডের প্রতিটি দিনই কাটে সংগ্রামের মধ্যে। স্বামীর ভ্যান চালানোর সামান্য আয়ে কোনোমতে চলে পাঁচ সদস্যের সংসার। তিন মেয়ের পড়াশোনা, খাবার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ সামলাতে গিয়ে প্রায়ই দিশাহারা হতে হয় পরিবারটিকে। তবু অভাবের কাছে হার না মেনে মেয়েদের লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেন তিনি।

অনেক দিন ধরেই সেলাইয়ের কাজ শিখে আয় করার ইচ্ছা ছিল কাজলীর। কিন্তু একটি সেলাই মেশিন কেনার সামর্থ্য না থাকায় সেই স্বপ্ন অধরাই ছিল। অবশেষে বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তায় বসুন্ধরা শুভসংঘের দেওয়া একটি সেলাই মেশিন তার জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।

সেলাই মেশিন হাতে পেয়ে আবেগাপ্লুত কাজলী মার্ডে বলেন, ‘অনেক দিন ধরেই ইচ্ছা ছিল সেলাইয়ের কাজ করে কিছু আয় করব। কিন্তু মেশিন কেনার সামর্থ্য ছিল না। এখন কাজ শুরু করতে পারব। সংসারে সাহায্য করতে পারব, মেয়েদের পড়াশোনার খরচও বহন করা সহজ হবে।’

শুক্রবার (২৪ জুলাই) গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপজেলার ২০ জন অসচ্ছল নারীর হাতে সেলাই মেশিন এবং দুটি করে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। তিন মাসের প্রশিক্ষণ শেষে দক্ষ হয়ে ওঠা এসব নারী বসুন্ধরা গ্রুপের উপহার হিসেবে সেলাই মেশিন গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন কালের কণ্ঠের গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি এবং গাইবান্ধা জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি অমিতাভ দাস হিমুন। প্রধান অতিথি ছিলেন দুই বাংলার প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ও বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রধান ইমদাদুল হক মিলন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইমদাদুল হক মিলন বলেন, ‘অসহায় ও অসচ্ছল নারীদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যেই আমরা সেলাই মেশিন বিতরণ কর্মসূচি চালু করেছি। একজন নারী ঘরে বসে আয় করতে পারলে তার পুরো পরিবার উপকৃত হয়। এই সেলাই মেশিনকে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করুন। একই সঙ্গে আপনাদের দেওয়া গাছগুলোরও যত্ন নিন।’

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তামশিদ ইরাম খান, গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ, পৌর বিএনপির সভাপতি রবিউল কবির মনু, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন দিপু, থানা মহিলা দলের সভাপতি মঞ্জুরি আহমেদ, গোবিন্দগঞ্জ সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা, পৌর যুবদলের সদস্যসচিব আনোয়ার হোসেন গোলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মিনহাজুল তালুকদার, থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক গোবিন্দ কুমার, সদস্যসচিব মনির হোসেন সরকার, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হাদিসুর রহমান, গোবিন্দগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক শিবলী কায়েস মীরসহ স্থানীয় সাংবাদিক, সমাজসেবক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তামশিদ ইরাম খান বলেন, ‘বসুন্ধরা গ্রুপের মতো একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান গোবিন্দগঞ্জের অসচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, এটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সুবিধাভোগীদের মধ্যে সাঁওতাল নারীদের অন্তর্ভুক্ত করাও একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। এই সেলাই মেশিন তাদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।’

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ বলেন, ‘অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য বসুন্ধরা শুভসংঘের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। এই সেলাই মেশিন অনেক নারীর স্বাবলম্বী হওয়ার পথ খুলে দেবে।’

পৌর বিএনপির সভাপতি রবিউল কবির মনু বলেন, ‘অসচ্ছল নারীদের স্বাবলম্বী করতে বসুন্ধরা শুভসংঘ যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা অত্যন্ত ইতিবাচক। ভবিষ্যতেও তারা মানুষের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে আশা করি।’

জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন দিপু বলেন, ‘আজ যারা সেলাই মেশিন পেয়েছেন, তারা শুধু কর্মসংস্থানের একটি উপকরণই পাননি, পরিবেশ রক্ষার বার্তাও পেয়েছেন গাছের চারার মাধ্যমে। একটি সেলাই মেশিন যেমন একটি পরিবারের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ খুলে দিতে পারে, তেমনি একটি গাছ সুন্দর ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলে।’

অনুষ্ঠান শেষে তিন মাসের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা ২০ নারী হাতে সেলাই মেশিন ও গাছের চারা নিয়ে নতুন স্বপ্ন ও পরিবারকে স্বচ্ছল করার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে বাড়ি ফেরেন।