• ই-পেপার

গোপীনাথপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত শরীফ আব্দুস সোবহান

ইডব্লিউএমজিপিএলসির কর্মকর্তা সালমান শাহর বাবা সগীর উল্লাহ মারা গেছেন

অনলাইন ডেস্ক
ইডব্লিউএমজিপিএলসির কর্মকর্তা সালমান শাহর বাবা সগীর উল্লাহ মারা গেছেন

ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ পিএলসির (ইডব্লিউএমজিপিএলসি) আইটি বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালমান শাহর বাবা সগীর উল্লাহ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) আনুমানিক রাত পৌনে ১১টায় নিজ বাড়িতে তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।

স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন সগীর উল্লাহ।

তার মৃত্যুতে ইডব্লিউএমজিপিএলসির সব কর্মকর্তা-কর্মচারী গভীরভাবে শোক প্রকাশ করছেন। তারা বলেন, মহান আল্লাহ তায়ালা মরহুমকে জান্নাতবাসী করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার শক্তি দান করুন।

বন্যাকবলিত এলাকায় জাকাত ম্যানেজমেন্টের ত্রাণ সহায়তা

অনলাইন ডেস্ক
বন্যাকবলিত এলাকায় জাকাত ম্যানেজমেন্টের ত্রাণ সহায়তা

চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত মানুষের জরুরি সহায়তায় ১২ থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত টানা ১০ দিন ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্ট (সিজেডএম)। এ সময়ে সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলার দুর্গম বন্যাকবলিত এলাকায় ৩ হাজার ৫০০টি পরিবারের মধ্যে ত্রাণ ও খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়।

বুধবার (২২ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিজেডএম এ তথ্য জানিয়েছে। 

সিজেডএম জানায়, বন্যার প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায় ৮ কেজি ওজনের প্রতিটি ত্রাণ প্যাকেজে চিড়া, মুড়ি, খেজুর, চিনি, গুড়, বিস্কুট, খাবার স্যালাইন, বিশুদ্ধ পানিসহ ১২টি জরুরি খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে বন্যার পানি কমতে শুরু করলে তাৎক্ষণিক চাহিদার পরিবর্তন বিবেচনায় সিজেডএম ১২.৫ কেজি ওজনের খাদ্য প্যাকেজ বিতরণ করে, যাতে ছিল চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, তেল ও লবণের মতো প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী। এই ত্রাণ ও খাদ্য সহায়তা বন্যাদুর্গত পরিবারগুলোর তাৎক্ষণিক খাদ্য সংকট মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এই জরুরি খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার মাধ্যমে সিজেডএম-এর বন্যা মোকাবেলায় তাৎক্ষণিক মানবিক সহায়তার প্রথম ধাপ শেষ হয়েছে। 

সিজেডএম আরো জানায়, সংস্থাটি জরুরি খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি বাঁশখালী উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ক্ষয়ক্ষতি ও প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়ন সম্পন্ন করেছে। প্রাথমিক মূল্যায়নে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য ঘরবাড়ি মেরামত, জীবিকা পুনর্বাসন, খাদ্য নিরাপত্তা এবং বিশুদ্ধ পানি, স্বাস্থ্যবিধি ও স্যানিটেশন সহায়তার প্রয়োজনীয়তা চিহ্নিত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়নের ফলাফল এবং প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ সাপেক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন ও জীবিকা পুনরুদ্ধার কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত অর্ণবকে বাঁচাতে প্রয়োজন সহযোগিতা

অনলাইন ডেস্ক
ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত অর্ণবকে বাঁচাতে প্রয়োজন সহযোগিতা
সংগৃহীত ছবি

দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত অর্ণব আচার্য (২৭)। তার শরীরে বাসা বেঁধেছে ব্ল্যাড ক্যান্সার। বিভিন্ন সময়ে তার চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে গিয়ে নিঃস্ব প্রায় পরিবার। এমন অবস্থায় অর্ণবকে বাঁচাতে প্রয়োজন সবার সহযোগিতা।

অর্ণব একটি প্রতিষ্ঠানের সেলস এক্সিকিউটিভ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে দুরারোগ্য ব্ল্যাড ক্যান্সারে আক্রান্তের পর দ্রুত তার শরীরের অবস্থা খারাপ হতে থাকে। দীর্ঘ এক বছর ধরে তিনি রাজধানীর মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অর্ণবের বড় ভাই সুস্ময় সুমন বলেন, ‘আমার ছোট ভাই অর্ণব ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত। ওকে বাঁচাতে পারব কি না জানি না। ওর আট সাইকেল কেমো শুরু হবে সামনে। এটাই শেষ বলে জানিয়েছেন ডাক্তার। কেমোর খরচ, এমআরডি টেস্ট, বোনম্যারো টেস্টসহ ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকার মতো খরচ। আমাদের সব টাকাই শেষ। আপনাদের সহায়তা না পেলে আট সাইকেল কেমো দেওয়া কোনোভাবেই আমাদের পক্ষে সম্ভব হবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘কেউ কেউ ৫০০-১০০০ টাকা সহায়তা করলে চিকিৎসা শুরু হবে। আমাদের পরিবার, আমার অসুস্থ ভাইটার পাশে দাঁড়ানোর বিনীত অনুরোধ রইল। মহাখালী ক্যান্সার হসপিটালে আমার ভাই আজ এক বছর ধরে চিকিৎসাধীন আছে। আপাতত কেমোর টাকাটা জোগাড় হলেই ওর শেষ এবং আট সাইকেল কেমো শুরু করতে পারব।

 সবাই একটু দয়া করবেন। আপনাদের সহায়তা আমার পরিবারের খুব দরকার।’

সহায়তা পাঠানোর পারসোনাল বিকাশ নম্বর :
 0194-6282439

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট-

Susmoy Acheria 

Ac no : 0220094412811, Ific, Malibagh branch

পদ নয়, আদর্শই ছিল রাজনীতির প্রেরণা!

মো. তরিকুল ইসলাম তারিক
পদ নয়, আদর্শই ছিল রাজনীতির প্রেরণা!
মো. তরিকুল ইসলাম তারিক।

রাজনীতি আমার কাছে কখনোই ক্ষমতার সিংহাসনে পৌঁছানোর সোপান ছিল না। এটি ছিল আমার রক্তে বহমান এক আদর্শ, আত্মার গভীরে লালিত এক বিশ্বাস, বিবেকের সঙ্গে করা এক আজীবনের অঙ্গীকার।

এই অঙ্গীকার রক্ষা করতে গিয়ে কতবার মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েছি, কতবার হামলার শিকার হয়েছি, কতবার কারাগারের নির্জন অন্ধকারে কাটিয়েছি—তার কোনো হিসাব রাখিনি। পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছি; সেই গুলির ক্ষত আজও শরীরে যেমন বহন করি, তেমনি তার যন্ত্রণা প্রতিদিন হৃদয়ের গভীরেও অনুভব করি। প্রতিটি ব্যথা আমাকে শুধু একটি কথাই মনে করিয়ে দেয়—আদর্শের পথে হাঁটার মূল্য কখনোই সহজ নয়।

আমি কখনো প্রাপ্তির হিসাব কষে রাজনীতি করিনি। পদ-পদবির মোহ আমাকে টানেনি; করতালির শব্দও আমার পথচলার প্রেরণা ছিল না। আমার একমাত্র শক্তি ছিল বিশ্বাস—দুঃসময়ে যে বিশ্বাস আমাকে রাজপথে দাঁড়াতে শিখিয়েছে, অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করতে শিখিয়েছে।

তবু নিয়তির নির্মম পরিহাসে বারবার বঞ্চিত হয়েছি। কখনো মনে হয়েছে, যাদের রক্তে সংগ্রামের ইতিহাস লেখা হয়, সুসময়ের আলোয় তাদের নামই সবচেয়ে আগে মুছে যেতে বসে। এই বঞ্চনা কষ্ট দেয়, বুকের ভেতর নীরব রক্তক্ষরণ ঘটায়; কিন্তু আমার আদর্শকে এক মুহূর্তের জন্যও নত করতে পারেনি।

আজও আমার আস্থা অটুট। দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব জনাব তারেক রহমানের প্রতি আমার বিশ্বাস অবিচল। কারণ আমি মনে করি, সত্যকে হয়তো কিছু সময়ের জন্য আড়াল করা যায়, কিন্তু চিরদিনের জন্য মুছে ফেলা যায় না। ত্যাগের মূল্যায়ন বিলম্বিত হতে পারে, কিন্তু ইতিহাস কখনো প্রকৃত ত্যাগীদের সঙ্গে অবিচার করে না।

আমি আজও সেই পথের পথিক—যে পথ রক্তে রঞ্জিত, অশ্রুতে সিক্ত, তবু বিশ্বাসে আলোকিত। যদি আবারও বেছে নিতে বলা হয়, তবু আমি আদর্শের এই পথই বেছে নেব। কারণ কিছু বিশ্বাসের মূল্য পদে নয়, কিছু ত্যাগের মূল্য প্রশংসায় নয়—সেগুলোর মূল্য লেখা থাকে ইতিহাসের গভীরতম পাতায়।

মো. তরিকুল ইসলাম তারিক
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ এবং
সাবেক নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক, সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্রদল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।