• ই-পেপার

হামের উপসর্গে আরো ৬ প্রাণহানি, মোট মৃত্যু ৮১৬

জ্বর হলে ওষুধ সেবনে সতর্কতা, যেসব পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

বাসস
জ্বর হলে ওষুধ সেবনে সতর্কতা, যেসব পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের
সংগৃহীত ছবি

দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ায় সাধারণ জ্বর ও ডেঙ্গু জ্বরের পার্থক্য বুঝে সতর্কতার সঙ্গে ওষুধ সেবনের পরামর্শ দিয়েছেন মেডিসিন ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। তাদের মতে, শরীরে সাধারণ জ্বর হলে শুধু প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ সেবন করা উচিত। জ্বরের সঙ্গে মাথা ব্যথা, সমস্ত শরীর ব্যথা, গিরায় গিরায় ব্যথা এবং গায়ে রেশ দেখা দিলে তা ডেঙ্গু জ্বর হওয়ার লক্ষণ।

এই ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ না খাওয়া পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ডেঙ্গু ইস্যুতে উদ্বিগ্ন না হয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্টরা বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের প্রধান চাবিকাঠি হলো সতর্কতা ও জনসচেতনতা। এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ, মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত থাকা এবং ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই হলো ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

রাজধানী ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ৫৯টি ওয়ার্ডকে ইতোমধ্যে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এমন পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের ২৩ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ২০ জন। চলতি বছরে এ যাবৎ মোট ১০ হাজার ৯১১ জন ডেঙ্গুরোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

ডেঙ্গু চিকিৎসার বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হাসান হাফিজুর রহমান বাসস’কে বলেন, জ্বর হলে শুধু প্যারাসিটামল ওষুধ সেবন করতে হবে। জ্বরের সঙ্গে মাথা ব্যথা, সমস্ত শরীর ব্যথা, গিরায় গিরায় ব্যথা, গায়ে রেশ দেখা দিলে ডেঙ্গু জ্বর হওয়ার লক্ষণ। এই ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে কোনো ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকতে হবে।

তিনি বলেন, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসাব্যবস্থা নেওয়া নিরাপদ। নিজেরা ওষুধের দোকান থেকে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ব্যতীত কোনো ওষুধ ক্রয় করে খাবেন না। শিশুদের জ্বর হলে ডাবের পানি, শরবতসহ বেশি বেশি পানি পান করাবেন। এছাড়া বাইরে বের হলে শিশুদের ফুলপ্যান্ট ও ফুলহাতা শার্ট, পায়ে মোজা পরানোর পরামর্শ দেন তিনি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, বর্তমানে একসঙ্গে একাধিক ভাইরাস বাড়ছে— করোনা, ডেঙ্গু, ডায়রিয়া ইত্যাদি। সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে পড়ছে যে কোনটা কোন রোগ। এজন্য ভয়ের কিছু নেই, সচেতনতা জরুরি। লক্ষণ দেখা দিলেই পরীক্ষা ও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন এ বিষয়ে বাসস’কে বলেন, প্রতি বছরই ডেঙ্গু হচ্ছে, ভাবছি আগামী বছর হবে না। একটা সাময়িক ব্যবস্থা করে সন্তুষ্ট থাকছি। সিটি কর্পোরেশনের এত কম জনবল দিয়ে ডেঙ্গু মোকাবিলা করা যাবে না। সিটি কর্পোরেশনের লোকজন শুধু কীটনাশক প্রয়োগ করছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারকে মূল উদ্যোগ নিতে হবে।

বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ বিসিএস হেলথ ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এডিস মশা সাধারণ মশার তুলনায় কিছুটা ভিন্ন স্বভাবের। এটি গ্রামাঞ্চলের তুলনায় শহরাঞ্চলে বেশি বসবাস করতে পছন্দ করে। এর অন্যতম কারণ হলো প্রজননের জন্য এডিস মশা অল্প গভীর ও স্বচ্ছ পানিকে বেছে নেয়। কাদা বা ময়লাযুক্ত পানিতে এটি ডিম পাড়ে না। ফলে ফুলের টব, ছাদ বা বারান্দায় রাখা পাত্র, টায়ার কিংবা অন্যান্য ছোট পাত্রে জমে থাকা পরিষ্কার পানি এডিস মশার আদর্শ প্রজননস্থল হয়ে ওঠে।

তিনি বলেন, এডিস মশার একটি নির্দিষ্ট জৈবিক ছন্দ রয়েছে। সূর্যোদয়ের পরের প্রথম দুই ঘণ্টা এবং সূর্যাস্তের আগের দুই থেকে তিন ঘণ্টা এদের সবচেয়ে সক্রিয় সময়। এ সময়ই এডিস মশার কামড়ানোর প্রবণতা সবচেয়ে বেশি থাকে। তাই এই সময়ে বিশেষ সতর্ক থাকা উচিত এবং প্রয়োজনে মশা প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

আইইডিসিআরের পরিচালক ডা. কাজী আহমেদ জাকী বলেন, ডেনভ-৩ সেরোটাইপের কারণে রোগীদের মধ্যে দ্রুত ডেঙ্গু শক সিনড্রোমের মতো জটিলতা দেখা দেওয়ার প্রবণতাও বাড়ছে। এতে রোগীর অবস্থা দ্রুত খারাপ হতে পারে। 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা। জ্বর হলে অবহেলা না করে দ্রুত পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিতে হবে। পাশাপাশি বাসাবাড়ির আশপাশে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরো ৫ শিশুর

নিজস্ব প্রতিবেদক
হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরো ৫ শিশুর

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে আরো পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত নিয়ে হাম উপসর্গে ৭১৫ জনের মৃত্যু হলো। অন্যদিকে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৫ জনের। সব মিলিয়ে অর্থাৎ হাম ও হাম উপসর্গে ৮১০ জনের মৃত্যু হলো। যার মধ্যে অধিকাংশ শিশু।

হামসংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আজ শুক্রবারের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

সেখানে বলা হয়, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টার মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৩৭ জন। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ১৫ হাজার ১৯৪ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ১ লাখ ২২ হাজার ১৫০ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৭১৭ জন যাদের মধ্যে ১ লাখ এক হাজার ৫৬ জন জন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।

সংকোচে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাচ্ছে না কিশোর-কিশোরীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
সংকোচে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাচ্ছে না কিশোর-কিশোরীরা

সংকোচ, সামাজিক বাধা ও সচেতনতার অভাবে অনেক কিশোর-কিশোরী প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে দ্বিধাবোধ করে। ফলে তারা মানসিক স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে কিশোর-কিশোরীদের জন্য সহজলভ্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও যুববান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যব্যবস্থার সঙ্গে কমিউনিটির কার্যকর সংযোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীতে সিরাক-বাংলাদেশ আয়োজিত ‘কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার (ভিপিএল) মডেল প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ’ বিষয়ক জাতীয় পর্যায়ের মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (পিএইচসি ও আইটিএইচসি) এবং টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপের সভাপতি ডা. সৈয়দ কামরুল ইসলাম।

সভাপতির বক্তব্যে কামরুল ইসলাম বলেন, কিশোর-কিশোরীদের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার (ভিপিএল) কার্যক্রম অত্যন্ত কার্যকর। তবে এটিকে দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর রাখতে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সমন্বিত আলোচনা ও কাঠামোবদ্ধ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থার সঙ্গে টেকসইভাবে যুক্ত করতে হবে।

স্বাগত বক্তব্যে সিরাক-বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এম সৈকত বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান জনবল সংকটের মধ্যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডাররা প্রাথমিক কাউন্সেলিং, প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান, মানসিক সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবায় রেফারেলের মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। এতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও কমিউনিটির মধ্যে একটি কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি হয়েছে।

সিরাক-বাংলাদেশের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. নাজমুল হাসান এক উপস্থাপনায় কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবার বিদ্যমান ঘাটতি, ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডারদের কার্যক্রম এবং তাদের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

আলোচনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, অধিকাংশ কিশোর-কিশোরী বিভিন্ন কারণে সরাসরি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে দ্বিধাবোধ করে। এ বাস্তবতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডাররা স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছেন। তারা প্রাথমিক কাউন্সেলিং, স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্য, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে রেফারেলের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

বক্তারা বলেন, এই উদ্যোগকে আরো কার্যকর করতে একটি সুস্পষ্ট বাস্তবায়ন কাঠামো, দায়িত্ব ও কার্যপরিধি (টার্মস অব রেফারেন্স), নীতিগত অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক পরিকল্পনা প্রণয়ন জরুরি। পাশাপাশি জাতীয় কৈশোর স্বাস্থ্য কৌশলের সঙ্গে সমন্বয় রেখে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে গঠিতব্য অ্যাডোলেসেন্ট ফোকাল বডির সঙ্গে এই কার্যক্রম যুক্ত করার সুপারিশ করা হয়। পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলায় এ কার্যক্রম সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার মো. বনি আমিন মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, প্রশিক্ষণ শেষে তারা সমবয়সী কিশোর-কিশোরীদের বয়ঃসন্ধিকালীন পরিবর্তন, মানসিক স্বাস্থ্য ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিষয়ক বিষয়ে সচেতন করেন এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে উদ্বুদ্ধ করেন।

বক্তারা আরো বলেন, এই উদ্যোগ শুধু স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার বাড়ায় না, বরং তরুণদের নেতৃত্ব, যোগাযোগ দক্ষতা, দলগত কাজ, স্বেচ্ছাসেবী মনোভাব ও সামাজিক দায়বদ্ধতা গড়ে তুলতেও ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্য, বাল্যবিবাহ, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, মাদকাসক্তি ও অন্যান্য সামাজিক ঝুঁকি মোকাবিলায় পরিবার, বিদ্যালয়, কমিউনিটি ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের প্রতিনিধি, সিরাক-বাংলাদেশের কর্মকর্তাসহ সাবেক ও বর্তমান ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার এবং বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় উত্থাপিত সুপারিশগুলো সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে উপস্থাপন করা হবে।

২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরো দুজনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরো দুজনের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৪ জন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৪ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৪ হাজার ৯২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।