• ই-পেপার

দেশে নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

৬৪ হাজার টাকাসহ নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধার করলেন আনসার সদস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
৬৪ হাজার টাকাসহ নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধার করলেন আনসার সদস্য

বাবা-মার সঙ্গে অভিমান করে নগদ ৬৪ হাজার টাকা ও প্রিয় খেলনা নিয়ে বাড়ি ছেড়েছিল আট বছরের এক শিশু। গত বুধবার মাদারীপুরের শিরখাড়া থেকে নিখোঁজ হওয়া শিশুটি অবশেষে আজ শুক্রবার ফিরেছে পরিবারের কোলে। আর এই অবুঝ শিশুকে উদ্ধার করেছেন মাদারীপুর সদর জেলা হাসপাতালে নিয়োজিত আনসার সদস্যরা।

গত ১৬ জুলাই (বৃহস্পতিবার) রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের আউটডোরে একা ঘুরে বেড়ানো শিশুটিকে লক্ষ্য করেন আনসার মো. অন্তর মিয়া। তিনি বিষয়টি ক্যাম্প ইনচার্জ পিসি মোখলেসকে জানালে তারা শিশুটির সঙ্গে পরম মমতায় কথা বলেন। পরে তল্লাশি চালিয়ে শিশুটির ব্যাগ থেকে খেলনাসহ নগদ ৬৪ হাজার ১২০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

শিশুটিকে নিরাপদ হেফাজতে নিয়ে আনসার সদস্যরা বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা মনির হোসেনকে জানান। তিনি হাসপাতালে এসে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সহায়তায় শিশুর বাবা ও চাচার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং সদর থানার ওসিকে বিষয়টি জানান। 

পরে শিশুটিকে পুলিশের মাধ্যমে আজ শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোররাতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধারকৃত অর্থসহ শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

অভিমানে হারিয়ে যাওয়া সন্তান ফিরে পেয়ে আনসার সদস্যদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে শিশুটির পরিবার। 

এ সময় স্থানীয় প্রশাসনও বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর এই দায়িত্বশীল ও মানবিক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

পশ্চিমবঙ্গে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় ঢাকায় প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
পশ্চিমবঙ্গে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় ঢাকায় প্রতিবাদ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদে ঢাকায় প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন। সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা কোনো দেশের একান্ত অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়; এটি মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং দক্ষিণ এশিয়ার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রশ্ন। তাই পশ্চিমবঙ্গের ঘটনাবলি নিয়ে বাংলাদেশের খ্রিস্টান সমাজের উদ্বেগ কূটনৈতিকভাবে ভারত সরকারের কাছে তুলে ধরতে হবে।

আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্মল রোজারিও। 

তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে গির্জায় হামলা, প্রার্থনাসভায় বাধা, খ্রিস্টান পরিবারকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। একটি গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হলো সংখ্যালঘু নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, গির্জা ও খ্রিস্টানদের ওপর ধারাবাহিক হামলা শুধু উপাসনালয়ের ওপর আঘাত নয়, এটি ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মৌলিক মানবাধিকারের ওপরও আঘাত।

সমাবেশে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কোনো নাগরিক আতঙ্কে জীবনযাপন করবে, এমন পরিস্থিতি সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। তিনি অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিচারের দাবি জানান।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আবেদ রেজা বলেন, প্রতিবেশী দেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার প্রশ্নকে শুধু অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে দেখলে চলবে না। দক্ষিণ এশিয়ায় মানবাধিকার, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে বিষয়টি গভীরভাবে সম্পর্কিত।

বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিন্দ্র কুমার নাথ বলেন, আজ যদি একটি সম্প্রদায়ের উপাসনালয় আক্রান্ত হয়, কাল অন্য সম্প্রদায়ও একই ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার প্রশ্নে নীরবতা শেষ পর্যন্ত গণতন্ত্রকে দুর্বল করে।

রমনা ক্যাথিড্রালের পরিচালক ফাদার আলবার্ট টি. রোজারিও বলেন, প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচারই প্রয়োজন। ঘৃণা কখনো ঘৃণাকে পরাজিত করতে পারে না। আমরা নিরাপত্তা চাই, ভয় নয়; সহাবস্থান চাই, বিভাজন নয়।

যুব প্রতিনিধি লিংকার্স বি. রোজারিও বলেন, নতুন প্রজন্ম এমন একটি দক্ষিণ এশিয়া দেখতে চায়, যেখানে নাগরিকের পরিচয় নির্ধারিত হবে মানবিক মর্যাদায়, ধর্মীয় পরিচয়ে নয়।

সেলেসিয়ান সিস্টার ফ্লোরেন্স মিতা বলেন, উপাসনালয়ে হামলা শুধু একটি স্থাপনার ক্ষতি নয়; এটি মানুষের বিশ্বাস, মর্যাদা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ওপর আঘাত।

সমাবেশ থেকে ভারত সরকারের প্রতি অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

কৃষক কার্ড কৃষকের অধিকার, কোনো বিশেষ শ্রেণির জন্য নয় : কৃষিমন্ত্রী

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
কৃষক কার্ড কৃষকের অধিকার, কোনো বিশেষ শ্রেণির জন্য নয় : কৃষিমন্ত্রী
ছবি : কালের কণ্ঠ

কৃষক কার্ড কোনো বিশেষ শ্রেণির জন্য নয়, এটি দেশের প্রতিটি প্রকৃত কৃষকের অধিকার বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, ‘কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে। কৃষক কার্ড নিয়ে কেউ ভুল তথ্য দেবেন না। ভুল তথ্য দিলে কৃষক কার্ডের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি আইনি জটিলতায়ও পড়তে পারেন।’

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের কালি মহাজন বাড়িতে দেশব্যাপী কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সরেজমিন পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার কৃষিকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও লাভজনক খাতে রূপান্তর করতে কাজ করছে। কৃষকের সঠিক তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা গেলে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে সব ধরনের সরকারি সহায়তা, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও জরুরি সহায়তা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে দ্রুত পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। এজন্য তথ্য সংগ্রহে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেশের কৃষকদের একটি জাতীয় ডাটাবেজ গড়ে তোলা হচ্ছে। এতে কৃষকের পরিচয়, জমির পরিমাণ, উৎপাদনের ধরন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। ভবিষ্যতে কৃষি নীতি প্রণয়ন ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনায় এই তথ্যভাণ্ডার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই কৃষক যেন উৎপাদন করে ন্যায্য মূল্য পান। কৃষক বাঁচলে কৃষি বাঁচবে, কৃষি বাঁচলে দেশের অর্থনীতি আরো শক্তিশালী হবে। কৃষক কার্ডে ভুল তথ্য দিলে সুবিধা হারাতে হবে কৃষকদের। আমাদের তিন বছরের এ প্রকল্পের আওতায় চলতি বছর আমরা ৪৩ লাখ কৃষকের মাঝে কৃষক কার্ড বিতরণ করব।’ 

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক এনাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. আব্দুর রহিম, চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, চট্টগ্রাম জেলার উপপরিচালক আপ্রু মারমা, পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র দে, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ইলিয়াছ, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তপন কুমার রায়, পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক প্রমুখ।

সরেজমিন মন্ত্রী তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের তথ্য যাচাই-বাছাইয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করে তাদের বিভিন্ন সমস্যা, উৎপাদন ব্যয়, বাজার ব্যবস্থা ও সরকারি সেবা প্রাপ্তির বিষয়েও খোঁজখবর নেন।

চার ক্যাটাগরির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
চার ক্যাটাগরির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বেড়েছে

খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সম্মানি ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধার নতুন হার নির্ধারণ করেছে সরকার। গত ১৫ জুলাই মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা মাসে ৩০ হাজার এবং বীর বিক্রম ও বীর প্রতীকরা ২৫ হাজার টাকা করে মূল সম্মানী ভাতা পাবেন। এর মধ্যে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পঙ্গুত্বের মাত্রা অনুযায়ী ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ও ‘ডি’— চার শ্রেণিতে ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নতুন এ হার গত ১ জুলাই থেকে ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। ৯৬ থেকে ১০০ শতাংশ পঙ্গুত্বসম্পন্ন ‘এ’ শ্রেণির যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসে ৩০ হাজার টাকা মূল ভাতা পাবেন। এর সঙ্গে ২ হাজার টাকা চিকিৎসা এবং ৫ হাজার টাকা খাদ্য ভাতা মিলিয়ে মাসিক নিয়মিত সুবিধা হবে ৩৭ হাজার টাকা।

জীবিত ‘এ’ শ্রেণির যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাকে অতিরিক্ত সহায়ক ভাতা হিসেবে মাসে আরো ৮ হাজার টাকা দেওয়া হবে। ফলে জীবিত থাকা অবস্থায় তিনি মাসে মোট ৪৫ হাজার টাকা পাবেন। তবে তার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারীরা অতিরিক্ত ৮ হাজার টাকার সহায়ক ভাতা পাবেন না।

৬১ থেকে ৯৫ শতাংশ পঙ্গুত্বসম্পন্ন ‘বি’ শ্রেণির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মাসে ২৮ হাজার টাকা মূল ভাতা পাবেন। চিকিৎসা ও খাদ্য ভাতাসহ তার মোট মাসিক সুবিধা হবে ৩৫ হাজার টাকা।

২০ থেকে ৬০ শতাংশ পঙ্গুত্বসম্পন্ন ‘সি’ শ্রেণির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার মূল ভাতা হবে ২৩ হাজার টাকা। চিকিৎসা ও খাদ্য ভাতাসহ তিনি মাসে মোট ৩০ হাজার টাকা পাবেন।

১ থেকে ১৯ শতাংশ পঙ্গুত্বসম্পন্ন ‘ডি’ শ্রেণির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার মূল ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা। ২ হাজার টাকা চিকিৎসা ও ৫ হাজার টাকা খাদ্য ভাতাসহ তার মাসিক মোট ভাতা হবে ২৭ হাজার টাকা।

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে বছরে দুটি উৎসব ভাতার প্রতিটির পরিমাণ হবে তাদের নিজ নিজ মূল ভাতার সমান। জীবিত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা মহান বিজয় দিবসে ৫ হাজার এবং বাংলা নববর্ষে ২ হাজার টাকা করে পাবেন।

মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮ সালের ধারা ৩ এর উপধারা (১)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত হারে ও শর্তে সম্মানি ভাতা ও অন্যান্য উৎসব ভাতাদি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।