• ই-পেপার

কৃষক কার্ড কৃষকের অধিকার, কোনো বিশেষ শ্রেণির জন্য নয় : কৃষিমন্ত্রী

দেশে নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
দেশে নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

দেশের সামরিক ও বেসামরিক বিভিন্ন সেবাখাত থেকে অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, অর্জিত দক্ষতা ও দেশপ্রেমকে সার্বিক উন্নয়ন ও সেবামূলক কাজে লাগানোর প্রত্যয়ে যাত্রা শুরু করেছে নতুন সংগঠন ‘ভেটেরানস বাংলাদেশ’। 

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠিত হয়। 

সংগঠনটির নেতারা জানান, সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও সেবামূলক এই প্ল্যাটফর্মটির উদ্দেশ্য একটি ঐক্যবদ্ধ, সম্মানিত, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী ভেটেরান সমাজ প্রতিষ্ঠা করা, যারা জাতীয় উন্নয়ন, দেশ গঠন ও মানবকল্যাণে ইতিবাচক অবদান রাখবে। এছাড়া ভেটেরানদের মর্যাদা রক্ষা, জীবনমান উন্নয়ন এবং একটি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ ভেটেরান কমিউনিটি গড়ে তোলা। 

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ভেটেরানস বাংলাদেশের আহ্বায়ক মেজর (অব.) আমীন আহমেদ আফসারী। এ সময় তিনি সংগঠনের সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

‘দেশ গঠনে ভেটেরানদের ভূমিকা’- শীর্ষক বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লে. কর্নেল (অব.) আ ক ম জাহিদ হোসেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মেজর (অব.) আব্দুর রাজ্জাক, মেজর (অব.) সিকদার, মেজর (অব.) ইউসুফ প্রমুখ। 

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের অবসরপ্রাপ্ত ভেটেরানদের পারস্পরিক ঐক্য জোরদার করা, কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং দেশের মানুষের সেবায় তাদের জ্ঞান ও নেতৃত্বের ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এই মিলনমেলায় অংশ নেন বিভিন্ন বাহিনী ও প্রতিষ্ঠানের ভেটেরান সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্ট নাগরিক, গবেষক ও গণমাধ্যমকর্মীরা।  

পশ্চিমবঙ্গে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় ঢাকায় প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
পশ্চিমবঙ্গে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় ঢাকায় প্রতিবাদ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদে ঢাকায় প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ খ্রীষ্টান অ্যাসোসিয়েশন। সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা কোনো দেশের একান্ত অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়; এটি মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং দক্ষিণ এশিয়ার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রশ্ন। তাই পশ্চিমবঙ্গের ঘটনাবলি নিয়ে বাংলাদেশের খ্রিস্টান সমাজের উদ্বেগ কূটনৈতিকভাবে ভারত সরকারের কাছে তুলে ধরতে হবে।

আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খ্রীষ্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্মল রোজারিও। 

তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে গির্জায় হামলা, প্রার্থনাসভায় বাধা, খ্রিস্টান পরিবারকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। একটি গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হলো সংখ্যালঘু নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, গির্জা ও খ্রিস্টানদের ওপর ধারাবাহিক হামলা শুধু উপাসনালয়ের ওপর আঘাত নয়, এটি ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মৌলিক মানবাধিকারের ওপরও আঘাত।

সমাবেশে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কোনো নাগরিক আতঙ্কে জীবনযাপন করবে, এমন পরিস্থিতি সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। তিনি অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিচারের দাবি জানান।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আবেদ রেজা বলেন, প্রতিবেশী দেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার প্রশ্নকে শুধু অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে দেখলে চলবে না। দক্ষিণ এশিয়ায় মানবাধিকার, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে বিষয়টি গভীরভাবে সম্পর্কিত।

বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিন্দ্র কুমার নাথ বলেন, আজ যদি একটি সম্প্রদায়ের উপাসনালয় আক্রান্ত হয়, কাল অন্য সম্প্রদায়ও একই ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার প্রশ্নে নীরবতা শেষ পর্যন্ত গণতন্ত্রকে দুর্বল করে।

রমনা ক্যাথিড্রালের পরিচালক ফাদার আলবার্ট টি. রোজারিও বলেন, প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচারই প্রয়োজন। ঘৃণা কখনো ঘৃণাকে পরাজিত করতে পারে না। আমরা নিরাপত্তা চাই, ভয় নয়; সহাবস্থান চাই, বিভাজন নয়।

যুব প্রতিনিধি লিংকার্স বি. রোজারিও বলেন, নতুন প্রজন্ম এমন একটি দক্ষিণ এশিয়া দেখতে চায়, যেখানে নাগরিকের পরিচয় নির্ধারিত হবে মানবিক মর্যাদায়, ধর্মীয় পরিচয়ে নয়।

সেলেসিয়ান সিস্টার ফ্লোরেন্স মিতা বলেন, উপাসনালয়ে হামলা শুধু একটি স্থাপনার ক্ষতি নয়; এটি মানুষের বিশ্বাস, মর্যাদা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ওপর আঘাত।

সমাবেশ থেকে ভারত সরকারের প্রতি অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

চার ক্যাটাগরির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
চার ক্যাটাগরির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বেড়েছে

খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সম্মানি ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধার নতুন হার নির্ধারণ করেছে সরকার। গত ১৫ জুলাই মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা মাসে ৩০ হাজার এবং বীর বিক্রম ও বীর প্রতীকরা ২৫ হাজার টাকা করে মূল সম্মানী ভাতা পাবেন। এর মধ্যে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পঙ্গুত্বের মাত্রা অনুযায়ী ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ও ‘ডি’— চার শ্রেণিতে ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নতুন এ হার গত ১ জুলাই থেকে ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। ৯৬ থেকে ১০০ শতাংশ পঙ্গুত্বসম্পন্ন ‘এ’ শ্রেণির যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসে ৩০ হাজার টাকা মূল ভাতা পাবেন। এর সঙ্গে ২ হাজার টাকা চিকিৎসা এবং ৫ হাজার টাকা খাদ্য ভাতা মিলিয়ে মাসিক নিয়মিত সুবিধা হবে ৩৭ হাজার টাকা।

জীবিত ‘এ’ শ্রেণির যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাকে অতিরিক্ত সহায়ক ভাতা হিসেবে মাসে আরো ৮ হাজার টাকা দেওয়া হবে। ফলে জীবিত থাকা অবস্থায় তিনি মাসে মোট ৪৫ হাজার টাকা পাবেন। তবে তার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারীরা অতিরিক্ত ৮ হাজার টাকার সহায়ক ভাতা পাবেন না।

৬১ থেকে ৯৫ শতাংশ পঙ্গুত্বসম্পন্ন ‘বি’ শ্রেণির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মাসে ২৮ হাজার টাকা মূল ভাতা পাবেন। চিকিৎসা ও খাদ্য ভাতাসহ তার মোট মাসিক সুবিধা হবে ৩৫ হাজার টাকা।

২০ থেকে ৬০ শতাংশ পঙ্গুত্বসম্পন্ন ‘সি’ শ্রেণির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার মূল ভাতা হবে ২৩ হাজার টাকা। চিকিৎসা ও খাদ্য ভাতাসহ তিনি মাসে মোট ৩০ হাজার টাকা পাবেন।

১ থেকে ১৯ শতাংশ পঙ্গুত্বসম্পন্ন ‘ডি’ শ্রেণির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার মূল ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা। ২ হাজার টাকা চিকিৎসা ও ৫ হাজার টাকা খাদ্য ভাতাসহ তার মাসিক মোট ভাতা হবে ২৭ হাজার টাকা।

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে বছরে দুটি উৎসব ভাতার প্রতিটির পরিমাণ হবে তাদের নিজ নিজ মূল ভাতার সমান। জীবিত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা মহান বিজয় দিবসে ৫ হাজার এবং বাংলা নববর্ষে ২ হাজার টাকা করে পাবেন।

মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮ সালের ধারা ৩ এর উপধারা (১)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত হারে ও শর্তে সম্মানি ভাতা ও অন্যান্য উৎসব ভাতাদি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

বন্যা মোকাবেলায় সরকারের কার্যক্রম

অনলাইন ডেস্ক
বন্যা মোকাবেলায় সরকারের কার্যক্রম
ছবি : রয়টার্স

দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস ও পাহাড়ধসসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য জানিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়াধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিস এবং তথ্য অধিদপ্তারের আঞ্চলিক অফিসগুলো থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। আজ শুক্রবার এক তথ্য বিবরণীতে এসব তথ্য তুলে ধরেছে মন্ত্রণালয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকার দপ্তর ও সংস্থাসমূহ চলমান আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস, পাহাড়ধস এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। জেলা তথ্য অফিস চট্টগ্রামের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী আবহাওয়ার পূর্বাভাসে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আগামী ২-৩ দিন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

এতে আরো বলা হয়েছে, ১২ জুলাই দুপুর ২টা থেকে রেল চলাচল স্বাভাবিক আছে। চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। ছয়টি উপজেলায় (সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, বোমালখালী, সন্দ্বীপ) অধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরের ২৫টি ওয়ার্ডসহ বন্যায় প্লাবিত ১৭৬টি ইউনিয়নের মধ্যে অধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬৩টি ইউনিয়ন। এ ছাড়া আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ৯২০৮টি, সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ৬০২০টি, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪০৫টি, ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের দৈর্ঘ্য ১৫৯২ কিলোমিটার। ক্ষতিগ্রস্ত সেতু/কালভার্ট ১৬৯টি এবং মৃত ব্যক্তির সংখ্যা ১৬ জন।

এসব এলাকায় ১২০০ মেট্রিক টন চাল এবং নগদ ৯৫ লাখ টাকা ত্রাণ বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০৮০ মেট্রিকটন চাল, ৮৩.৭৫ লাখ টাকা এবং ৫৬১০০ প্যাকেট শুকনো খাবার ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত আছে বলে জানানো হয়েছে তথ্য বিবরণীতে।

জেলা তথ্য অফিস খাগড়াছড়ির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী জেলায় এখন বৃষ্টি নেই এবং নতুন করে কোনো এলাকায় পাহাড়ধস/ভূমিধসের ঘটনা ঘটেনি। অধিকাংশ এলাকায় বন্যার পানি নেমে গেছে। বর্তমানে কোনো এলাকা প্লাবিত নেই। 
অধিক ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ২৭৫টি এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ৭৬৬টি। তবে এখনো যাচাই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, ফসলের মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ১১২০,৯৮০ লাখ টাকা এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা ৭ হাজার ৩৪৪ জন। মৎস্য খাতে মোট ক্ষতির পরিমাণ ৬৫১ লাখ টাকা। প্রাপ্ত ত্রাণ ১৫০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, ৪০০ টন চাল, ৪০ লাখ টাকা, ৪৬ বান্ডিল ঢেউটিন। মজুদকৃত ত্রাণের পরিমাণ ১০০ টন চাল, ৯,৫০,০০০ টাকা এবং ৪৬ বান্ডিল। 
খাগড়াছড়িতে ভারি বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস বন্যা এবং বন্যা-পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার অব্যাহত রয়েছে। জেলা তথ্য অফিস, কক্সবাজারের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন করে কোনো এলাকায় পাহাড়ধস/ভূমিধসের ঘটনা ঘটেনি। অধিক ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ২৪৭৫টি এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ৫৭৭৩টি। 
কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৮০ কোটি টাকা। মৎস্য খাতে মোট ক্ষতির পরিমাণ ৪৬ কোটি ২২ লাখ টাকা। জেলায় ৬৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। প্রাপ্ত ত্রাণ ৪৪৫ টন চাল, ৪৯.৫০ লাখ টাকা।

জেলা তথ্য অফিস, কক্সবাজারের কর্তৃক ভারি বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস বন্যা এবং বন্যা-পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার ও মাইকিং অব্যাহত রয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস হবিগঞ্জের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী হবিগঞ্জ সদর, বাহবল ও বানিয়াচং উপজেলাসহ মোট তিনটি উপজেলা খোয়াই নদী ভাঙনে আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত হওয়ায় ৪ হাজার ৫৫০টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। বর্তমানে বৃষ্টি কম হওয়ায় প্লাবিত এলাকায় পানি কমতে শুরু করেছে।

জেলা তথ্য অফিস মৌলভীবাজার সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী মৌলভীবাজার সদর, রাজনগর উপজেলায় ১২টি ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। সরকারের গৃহীত কার্যক্রমসমূহ-বন্যার্তদের জন্য ছয়টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ৭৫০০০০ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস বান্দরবান থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্তমানে দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ২০ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। জেলা তথ্য অফিস, বান্দরবান কর্তৃক ভারি বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস বন্যা এবং বন্যা পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচার ও চলচ্চিত্র প্রদর্শন অব্যাহত রয়েছে।