• ই-পেপার

আজ রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকান বন্ধ

ঢাকাসহ ১০ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকাসহ ১০ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত
ছবি/কালের কণ্ঠ

দেশের ১০ অঞ্চলে দুপুর ১টার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

অঞ্চলগুলো হলো ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, এ ১০ অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন নির্ধারণ

অনলাইন ডেস্ক
সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন নির্ধারণ

ইউরিয়া, ডিএপি ও টিএসপি সার উৎপাদনের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল জরুরিভিত্তিতে সংগ্রহের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বানের সময়সীমা ৪২ দিনের পরিবর্তে ২১ দিন নির্ধারণের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার (২৩ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে উত্থাপিত এ প্রস্তাব বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)।

কর্মকর্তারা জানান, এই সিদ্ধান্ত জরুরি সংগ্রহ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে, প্রয়োজনীয় কাঁচামালের পর্যাপ্ত মজুদ বজায় রাখতে এবং সার উৎপাদনে কোনো ধরনের ব্যাঘাত রোধ করতে সহায়তা করবে; যার ফলে দেশের কৃষি খাতের প্রয়োজনে সময়মতো সার সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এছাড়া কমিটি স্থানীয় সরকার বিভাগের একটি প্রস্তাবেরও নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। এই প্রস্তাব অনুযায়ী, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলায় একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের একাংশ বাস্তবায়নের জন্য ‘ডেলিগেটেড প্রকিউরমেন্ট’ বা অর্পিত ক্রয় পদ্ধতির আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডকে (চট্টগ্রাম) বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে।

বন্যায় ৬ লাখ টন চাল উৎপাদন কমার শঙ্কা

নিজামুল হক
বন্যায় ৬ লাখ টন চাল উৎপাদন কমার শঙ্কা

মাত্র দেড় মাসের ব্যবধানে দুই দফায় উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল ও রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে দেশের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাত। দেশের পূর্বাঞ্চলের হাওর এলাকার বন্যার ক্ষত শুকাতে না শুকাতে চট্টগ্রামে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়।

এসব অঞ্চলের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে নানা পরিকল্পনা গ্রহণের তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, বন্যায় দেশে চালের মোট ঘাটতি ছয়-সাত লাখ টনে পৌঁছাতে পারে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ২৬ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও আগাম বন্যায় দেশের হাওরাঞ্চলের সাত জেলায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। মোট আর্থিক ক্ষতি প্রায় এক হাজার ৪৭ কোটি টাকা।

হাওরের মোট কৃষিজমির ১০.৭৮ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৪৯ হাজার ৭৩ হেক্টর জমির বোরো ফসল নষ্ট হয়েছে, যাতে ধানের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে প্রায় দুই লাখ ১৩ হাজার টন। আকস্মিক এই দুর্যোগে প্রায় দুই লাখ ৩৬ হাজার কৃষক সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হন।
হাওরের বন্যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় যে ধাক্কা দিয়েছিল, চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক বন্যায় কৃষি আরো ঝুঁকির মুখে পড়েছে। তলিয়ে যাওয়া ফসল, ভেসে যাওয়া হাজারো মাছের ঘের আর গবাদি পশুর ক্ষতি গ্রামীণ অর্থনীতিকে গভীর সংকটে ফেলেছে।

এক লাখ ১৪ হাজার হেক্টর জমি প্লাবিত হওয়ায় ঝুঁকিতে আউশ ও আমন : চলতি মাসে চট্টগ্রামে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলেও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে এই বিভাগের জেলাগুলোসহ মোট ৪৩ জেলার কৃষি ক্ষতির মুখে।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত ৬ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের এক লাখ ১৪ হাজার ৭২৩ হেক্টর ফসলি জমি বানের পানিতে তলিয়ে যায়। এতে সংকটে পড়েন পাঁচ লাখ ২৬ হাজার ৮৭৪ জন প্রান্তিক কৃষক।

চলতি মৌসুমে চট্টগ্রামে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আউশ ও আমনের চাষাবাদের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। তবে টানা ১০ থেকে ১২ দিন পাঁচ থেকে সাত ফুট পানির নিচে তলিয়ে থেকে বোনা ও রোপা আউশের ক্ষেত পচে গেছে। এই জেলায় প্রায় ১২ হাজার ৫০০ হেক্টর আমন বীজতলা নষ্ট হওয়ায় আগামী মৌসুমে তীব্র চারাসংকটের আশঙ্কা করা হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন কালের কণ্ঠকে জানান, পাহাড়ি ও সমতল অঞ্চলের পেয়ারা বাগানসহ লেবু ও আনারস বাগানের শিকড় পচে গেছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে ব্যাপক ক্ষতি : চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলার ৩৫ হাজার ৫০০ পুকুর ও চিংড়ি ঘের ভেসে যাওয়ায় অনেক চাষি এখন নিঃস্ব। মা মাছের হ্যাচারি প্লাবিত হওয়ায় রুই মাছের লাখ লাখ পোনা নষ্ট হয়েছে। চারণভূমি ডুবে যাওয়ায় গোখাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ডেইরি ও পোলট্রি খামারে গবাদি পশু ও কয়েক লাখ মুরগি মারা গেছে এবং দুধের উৎপাদন কমেছে প্রায় ৭০ শতাংশ। সরকারি হিসাবে এই খাতে ৪৫০ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. মো. তারেক হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, বন্যার পর গবাদি পশুর মধ্যে সাধারণত বিভিন্ন সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রয়োজনীয় টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। উপপরিচালক বলেন, বর্তমানে সবচেয়ে বড় সংকট হলো গোখাদ্যের অভাব। অনেক এলাকার ঘাসের মাঠ, খড় ও পশুখাদ্যের মজুদ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় খামারিরা বেশ সংকটে পড়েছেন। এ পরিস্থিতিতে গোখাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় উদ্যোগ নিয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিটি জেলায় মানুষের বিভিন্ন সহায়তার পাশাপাশি পাঁচ থেকে ১০ লাখ টাকার গোখাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এনিম্যাল সায়েন্স ও ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. কে বি এম সাইফুল ইসলাম বলেন, বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন শুধু ত্রাণ বিতরণে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, জরুরি ভিত্তিতে গোখাদ্য, ওষুধ ও টিকাদান জোরদার করতে হবে।

মাঠে নানা চ্যালেঞ্জ : কৃষি ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় একাধিক মূল সংকট চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগের দাবি জানিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, আমন মৌসুমের শেষ মুহূর্তে নতুন বীজতলা তৈরি করা অসম্ভব। অন্য জেলা থেকে চারা এনে সরবরাহ করা না গেলে বিশাল জমি অনাবাদি থেকে যাবে। কৃষক-খামারিরা ব্যাংক বা এনজিওর ঋণে বিনিয়োগ করেছিলেন। পুঁজি হারিয়ে তাঁরা এখন নিঃস্ব। তাঁদের বিষয়টি ভাবতে হবে।

কৃষি অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম খানের মতে, বন্যায় আউশের প্রায় ১৫ শতাংশ ক্ষতি হলে উৎপাদন অন্তত সাড়ে চার লাখ টন কমে যেতে পারে। হাওর অঞ্চলের আগের ক্ষতির সঙ্গে এই ক্ষতি যোগ হলে দেশে মোট চালের ঘাটতি ছয় থেকে সাত লাখ টনে পৌঁছাতে পারে। এ পরিস্থিতিতে চালের চাহিদা মেটাতে প্রয়োজন অনুযায়ী আমদানি বাড়ানোর পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনায় সরকারের কার্যকর নজরদারি জরুরি।  কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, বন্যায় সবজিরও উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে। এ জন্য এখন থেকেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে হবে। শীতকালীন সবজির আবাদ সম্প্রসারণ করে দ্রুত উৎপাদন বাড়ানো গেলে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা যাবে।

সম্প্রতি বন্যাকবলিক এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, বন্যাকবলিত চট্টগ্রাম অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতি অনেক বেশি। সরকারের পক্ষে একবারে সব ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব না হলেও কৃষকদের দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বীজ, সার, গবাদি পশুর ভ্যাকসিন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে?

অনলাইন ডেস্ক
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে?

আগস্টে তফসিল ঘোষণা করে অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা থাকলেও হঠাৎ আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ায় তা পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশ্লেষক ও প্রার্থীরা। যদিও নির্বাচন কমিশন বলছে, আইন সংশোধনের কারণে নির্বাচন পিছিয়ে যাবে না। ইসি অক্টোবরে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়েই প্রস্তুতি নিচ্ছে। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের ১২তম সভায় সেখানে স্থানীয় সরকারের সিটি করপোরেশন; জেলা পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ আইনের একাধিক বিধান পরিবর্তনে সরকারকে সুপারিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিকে, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী (এলজিআরডি) এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগামী বছরের প্রথমেই ইউনিয়ন পরিষদের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল রাজধানীর কাকরাইলে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে তিনি একথা বলেন।

আইন সংশোধনের প্রস্তাবের কারণে নির্বাচন পেছাবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, আইন সংশোধনের উদ্যোগে নির্বাচন পেছানো বা বিলম্বিত হওয়ার কোনো সুযোগ নাই। যদি কোনো সংশোধন হয়, সেই আইনেই বলা থাকবে যে এটি কবে থেকে কার্যকর। আর যদি সংশোধন নাও হয়, তাহলে বিদ্যমান আইন তো রয়েছেই। এ মুহূর্তে যে আইন রয়েছে, সেটিও দুর্বল না। এ আইন দিয়েও নির্বাচন করা সম্ভব।

তিনি বলেন, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মামলা ও আপিল নিষ্পত্তিতে কিছু বিভ্রান্তি ছিল। সেই জিনিসগুলো যাতে এড়ানো যায়, সে জন্য কিছু পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে আইন সংশোধন হলে সেই অনুযায়ী হবে, না হলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী নির্বাচন হবে। এতে নির্বাচন পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। বিদ্যমান আইনেও সিটি করপোরেশনের প্রশাসকেরা স্বীয় পদে থেকে নির্বাচন করার বিধান আছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সে বিষয়টা যাতে পরিষ্কার হয় সেই ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশন করবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো করার প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং আমরা প্রস্তুত। অক্টোবরে প্রথম ধাপের নির্বাচন আমরা করতে পারব। এ জন্য আগস্টের মধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার ব্যবস্থা নিতে পারব। বিগত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মতো একাধিক ধাপে ভোটগ্রহণ হতে পারে বলেও জানান তিনি।

আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, আমরা কম সময়ে যাতে বেশি নির্বাচন করা যায় সে পরিকল্পনা করছি। প্রথম ধাপে কোন নির্বাচন হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেসব জায়গায় জনপ্রতিনিধি নাই, আইনগতভাবে মেয়াদ শেষ হয়েছে সেগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এ ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ নাকি উপজেলা নির্বাচন আগে হবে এমন প্রশ্নের জবাবে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, আমি নির্দিষ্ট করে বলব না। আইন-শৃঙ্খলা শতভাগ নিশ্চিত করে যেই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন করা সম্ভব হবে, সেটাকে গুরুত্ব দিয়ে আগে করব।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কমিশনের সঙ্গে সরকারের সরাসরি কোনো যোগাযোগ এখনো হয়নি বলে জানিয়েছেন আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তবে তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সঙ্গে সরকারের যোগাযোগ থাকবেই।

সহিংসতা কমানোর বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের সর্বাত্মক প্রস্তুতি থাকবে। নির্বাচন কমিশন মনে করে যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি গত নির্বাচন থেকে শুরু হয়েছে, তা অব্যাহত থাকবে এবং এটি বজায় রাখার জন্য কমিশন সব ধরনের ব্যবস্থা রাখবে।

এদিকে ইসির কর্মকর্তারা বলছেন, নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইন সংশোধনের প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে। এ প্রস্তাবে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সর্বক্ষণিক কর্মরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নির্বাচনে প্রার্থী হতে অযোগ্য হবেন। এ ছাড়া দ্বৈত নাগরিকদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার বিধান যুক্ত করা হচ্ছে। এ ছাড়া সিটি নির্বাচনে প্রশাসকরাও পদে থেকে নির্বাচন করতে পারবেন না। বিশেষ করে এ আইন সংশোধন হলে অনেকেই সংক্ষুব্ধ হতে পারেন।

ইসির স্থানীয় সরকার আইন সংশোধনের উদ্যোগে নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ার শঙ্কা আছে কি না জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের সাবেক যুগ্ম সচিব (আইন) ড. শাহজাহান সাজু বলেন, ইসি আইন সংশোধনের প্রস্তাব পাঠালে সরকার চাইলে দ্রুত তা সম্পন্ন করতে পারে। তবে আইন সংশোধনের পরে তা চ্যালেঞ্জ করে কেউ আদালতে গেলে জটিলতা সৃষ্টি হবে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

আজ রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকান বন্ধ | কালের কণ্ঠ