• ই-পেপার

সিইও সেজে কর্মীদের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারকরা, সতর্ক ভারত

মহাকাশে ডেটা নিয়ে কাজ করবে চীনের ১ হাজার স্যাটেলাইট

অনলাইন ডেস্ক
মহাকাশে ডেটা নিয়ে কাজ করবে চীনের ১ হাজার স্যাটেলাইট
ছবিঃ এআই জেনারেটেড

মহাকাশে বসেই কম্পিউটারের মতো ডেটা বিশ্লেষণ করার নতুন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু করেছে চীন। এই প্রকল্পের প্রথম ধাপ হিসেবে কয়েকটি স্যাটেলাইটের একটি দল মহাকাশে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

চীনের সাংহাই শিংশু তিয়ানসুয়ান স্পেস টেকনোলজি কম্পানি জানিয়েছে, পুরো প্রকল্পে ১ হাজার স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

সহজভাবে বললে, মহাকাশ থেকে কোনো তথ্য সংগ্রহের পর সেটি আগে পৃথিবীতে পাঠাতে হবে না। মহাকাশেই স্যাটেলাইটগুলো সেই তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারবে।

এই প্রযুক্তি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও দূর থেকে তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহার করা যাবে। এতে একসঙ্গে অনেক ডেটা পৃথিবীতে পাঠানোর প্রয়োজন কমবে।

ফলে ডেটা পাঠাতে সময় কম লাগতে পারে। একই সঙ্গে ইন্টারনেট ও ডেটা ব্যবহারের চাপও কমবে।

শিংশু তিয়ানসুয়ান জানায়, এই উৎক্ষেপণের মাধ্যমে চীনের প্রথম মহাকাশভিত্তিক কম্পিউটিং নেটওয়ার্ক তৈরির কাজ আরো এক ধাপ এগিয়েছে।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সাংহাইয়ে বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময়ই এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

এদিকে ইলন মাস্কের স্পেসএক্সও মহাকাশে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ নিয়ে কাজ করছে। এআই প্রযুক্তির উন্নয়ন আরও দ্রুত করতেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এমন প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে।

ফিরল ফেসবুকের ডেস্কটপ ভার্সন, কী হয়েছিল

অনলাইন ডেস্ক
ফিরল ফেসবুকের ডেস্কটপ ভার্সন, কী হয়েছিল
সংগৃহীত ছবি

প্রযুক্তির বিভ্রাটের কারণে ২ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ফিরে এসেছে মেটার মালিকানাধীন জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের ডেস্কটপ ভার্সন। রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুর থেকে হঠাৎ প্ল্যাটফর্মটির ডেক্সটপ ভার্সন বন্ধ হয়ে যায়। এর দুপুর সাড়ে ৩টায় সচল হয়।

সেসময় ব্যবহারকারীরা অভিযোগ করেছেন, ফেসবুকে লগ-ইন করতে পারছেন না। অনেকে অ্যাপ বা ওয়েবসাইট লোড হতে দেরি হওয়া এবং ফিড আপডেট না হওয়ার মতো সমস্যার কথা জানিয়েছেন। ডাউন ডিটেক্টরসহ বিভিন্ন ওয়েবসাইটে এই বিভ্রাটের তথ্য উঠে এসেছে।

ওয়েবসাইট বিভ্রাট পর্যবেক্ষণকারী প্ল্যাটফরম ডাউন ডিটেক্টরের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার দুপুর দেড়টা থেকে ফেসবুকের বিভিন্ন সেবা ব্যবহারে সমস্যা নিয়ে অভিযোগ আসতে থাকে। মাত্র কয়েক মিনিটেই অভিযোগকারীর সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

এদিকে অনেক ব্যবহারকারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ গিয়ে #FacebookDown হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে সমস্যার কথা জানান। কেউ কেউ ত্রুটির বার্তার স্ক্রিনশটও শেয়ার করেন।

ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত বিভ্রাটের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সদর দপ্তর সরানোর আগে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মী ছাঁটাই স্যামসাংয়ের

অনলাইন ডেস্ক
সদর দপ্তর সরানোর আগে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মী ছাঁটাই স্যামসাংয়ের
ছবিঃ রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রে কর্মী ছাঁটাই শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং ইলেকট্রনিকস। দেশটির নিউ জার্সি ও টেক্সাসে কোম্পানিটির ডিসপ্লে, মোবাইল ও অন্যান্য ভোক্তা ইলেকট্রনিকস বিভাগে কর্মরতরা এতে প্রভাবিত হয়েছেন।

রবিবার (১৯ জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। 

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্যামসাং ইলেকট্রনিকস আমেরিকা (এসইএ) নিউ জার্সির এনগেলউড ক্লিফস থেকে তাদের সদর দপ্তর টেক্সাসে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এই সিদ্ধান্তের কারণে নিউ জার্সির ৭৩৯টি পদে থাকা কর্মীরা প্রভাবিত হয়েছেন।

স্যামসাং জানিয়েছে, এসব কর্মীর বেশিরভাগকে টেক্সাসে বদলি হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে যারা সেখানে যেতে পারবেন না, তাদের মধ্যে কিছু কর্মীকে চাকরি হারাতে হয়েছে।

টেক্সাসের প্লানো অফিসেও প্রায় ১০০ কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে মোবাইল বিভাগের কর্মীরাও রয়েছেন।

সদর দপ্তর সরানোর সঙ্গে এই ছাঁটাইয়ের সম্পর্ক থাকলেও স্যামসাংয়ের ব্যবসার ভিন্ন চিত্রও এতে ফুটে উঠেছে। কোম্পানির চিপ বিভাগ রেকর্ড মুনাফা করছে। অন্যদিকে, ভোক্তা ইলেকট্রনিকস ব্যবসা চিপের বাড়তি দাম ও তীব্র প্রতিযোগিতার চাপে রয়েছে।

নিউ জার্সিতে স্যামসাংয়ের প্রায় ১ হাজার ২০০ কর্মী কাজ করেন। তবে এক বছরেরও কম সময় আগে বড় আয়োজন করে সেখানে কোম্পানিটির নতুন অফিস চালু করা হয়েছিল।

রয়টার্সের দেখা নথি অনুযায়ী, গত ৩০ জুন স্যামসাংয়ের কিছু কর্মীকে জানানো হয় যে কোম্পানিজুড়ে কর্মী কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নথিতে বলা হয়, এতে ‘উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী’ প্রভাবিত হয়েছেন।

এদিকে রয়টার্সের পর্যালোচনা করা লিংকডইন পোস্টে দেখা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহে টেক্সাস, নিউ জার্সি ও যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য এলাকায় কর্মরত ৩০ জনের বেশি কর্মী চাকরি হারিয়েছেন বা কোম্পানি ছেড়েছেন। তাদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ বিক্রয় ও বিপণন কর্মকর্তারাও রয়েছেন।

স্যামসাং বলেছে, সদর দপ্তর সরানোর কারণে কর্মীদের কাঠামোয় পরিবর্তন আসতে পারে। বিশেষ করে যারা টেক্সাসে যেতে পারবেন না, তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারের সঙ্গে কর্মীদের দায়িত্ব মিলিয়ে কিছু বিভাগেও পরিবর্তন আনা হতে পারে।

চিপে মুনাফা বাড়লেও মোবাইল ব্যবসায় চাপ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের চাহিদায় চিপ ব্যবসা ভালো করায় স্যামসাং চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে মুনাফা ১৯ গুণ বাড়ার আশা করছে। গত মাসে নতুন চিপ কারখানা তৈরিতে শত শত বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনাও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে মোবাইল বিভাগে পরিস্থিতি ভালো নয়। অ্যাপলের সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে এই বিভাগ স্যামসাংয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো লোকসান করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

টেলিভিশন ও গৃহস্থালি পণ্যের বাজারেও চীনা কোম্পানি টিসিএল ও হাইসেন্স স্যামসাংকে চ্যালেঞ্জ করছে। এআইয়ের চাহিদা বাড়ায় চিপের দাম বেড়ে যাওয়ায় স্যামসাংয়ের ভোক্তা ইলেকট্রনিকস ব্যবসার আয়েও চাপ পড়েছে।

মাইক্রোসফট, অ্যামাজন ও মেটার মতো বড় কোম্পানিও এআই অবকাঠামোয় বিনিয়োগ বাড়াতে অন্য খাতে খরচ কমিয়ে কর্মী ছাঁটাই করেছে।

স্যামসাংও টেসলা ও ওরাকলের মতো টেক্সাসে সদর দপ্তর বা বড় কার্যক্রম সরিয়ে নেওয়া প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর তালিকায় যোগ দিয়েছে। কম কর ও ব্যবসাবান্ধব নীতির কারণে টেক্সাসে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর আগ্রহ বাড়ছে। স্যামসাংয়ের চিপ কারখানা ও প্লানোতে মোবাইল ব্যবসার একটি বড় কেন্দ্রও এই অঙ্গরাজ্যে রয়েছে।

স্যামসাংয়ের এক বর্তমান কর্মী জানান, সাম্প্রতিক ছাঁটাইয়ের পর কর্মীদের মধ্যে আরও চাকরি কমানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে অ্যাপ্লায়েন্স, হোম এন্টারটেইনমেন্ট ও মোবাইল বিভাগ একত্র করা হতে পারে বলেও তারা উদ্বিগ্ন।

তবে স্যামসাং জানিয়েছে, বর্তমানে তাদের ভোক্তা পণ্য ব্যবসায় বিশ্বব্যাপী কোনো বড় ধরনের পুনর্গঠন চলছে না।

কোম্পানির ভাষ্য, সদর দপ্তর টেক্সাসে সরানোর লক্ষ্য হলো আরও বেশি কর্মী ও দলকে একসঙ্গে এনে কাজের সমন্বয় বাড়ানো এবং প্রযুক্তি ও এআইভিত্তিক পরিবেশের সুবিধা নেওয়া।

২০২৫ সালের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রে স্যামসাং ইলেকট্রনিকসের মোট ১১ হাজার ৭৭০ কর্মী ছিল। এর মধ্যে চিপ বিভাগের কর্মীরাও রয়েছেন।

এদিকে স্যামসাংয়ের আইটি সেবা প্রতিষ্ঠান স্যামসাং এসডিএস আমেরিকা নিউ জার্সির রিজফিল্ড পার্কে ১৭৯টি পদ কমানোর বিষয়টি জানিয়েছে। তবে স্যামসাং বলেছে, উত্তর আমেরিকার সদর দপ্তর সরানোর কারণে এই পরিবর্তন হচ্ছে; ছাঁটাই বা পুনর্গঠনের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।

গাড়ির ওটিএ প্রযুক্তিতে সাইবার হামলার ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ

অনলাইন ডেস্ক
গাড়ির ওটিএ প্রযুক্তিতে সাইবার হামলার ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ
ছবিঃ রয়টার্স

গাড়িতে তার ছাড়াই সফটওয়্যার আপডেট দেওয়ার প্রযুক্তি ওভার-দ্য-এয়ার বা ওটিএ ব্যবহারের পরিমাণ দ্রুত বাড়ছে। তবে এই প্রযুক্তি যত বেশি ব্যবহার হচ্ছে, গাড়িতে সাইবার হামলার ঝুঁকিও তত বাড়ছে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্লেষকেরা। এ কারণে এ খাতে আরো নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সরকারি নজরদারির আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

শনিবার (১৮ জুলাই) সিএনবিসির এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।

ওটিএ হলো এমন একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত ডিভাইসে দূর থেকে নতুন সফটওয়্যার, ফার্মওয়্যার, বিভিন্ন ত্রুটির সমাধান ও তথ্য পাঠানো যায়।

২০১২ সালে টেসলা তাদের মডেল এস গাড়িতে প্রথম ওটিএ আপডেট চালু করে। এরপর ধীরে ধীরে গাড়ি শিল্পে এই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়তে থাকে। অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউটের সাইবার, প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ জেসন ভ্যান ডার শিফ বলেন, এখন গাড়ি খাতের বড় একটি অংশে ওটিএ প্রযুক্তি যুক্ত হয়ে গেছে।

যুক্তরাজ্যের সোয়ানসি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিস্টেম নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সিরাজ আহমেদ শেখ বলেন, ওটিএ প্রযুক্তি দ্রুত ও কম খরচে গাড়ির সিস্টেম পরিচালনার সুযোগ দেয়। আগে কোনো সফটওয়্যার আপডেট বা ত্রুটি ঠিক করতে গাড়ি ফিরিয়ে নেওয়া বা নিয়মিত সার্ভিসিংয়ের সময় কাজটি করতে হতো। এখন অনেক ক্ষেত্রেই দূর থেকেই তা করা সম্ভব।

তবে এই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ায় গাড়ি ও পরিবহন অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সিঙ্গাপুরের এস. রাজরত্নম স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক গ্যাব্রিয়েল লিম বলেন, ওটিএ প্রযুক্তি জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও বিশেষ উদ্বেগের কারণ হতে পারে। তার মতে, ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে ঝুঁকি তো আছেই। পাশাপাশি কোনো বিদেশি পক্ষ গাড়ির নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় ঢুকে চলন্ত গাড়ির নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলতে পারে—এমন আশঙ্কাও রয়েছে। নরওয়ে, ডেনমার্ক ও যুক্তরাজ্য এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

গত মে মাসে আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট এক প্রতিবেদনে বলেছে, বিদেশি সরকারের গোয়েন্দাগিরির ঝুঁকি কমাতে গাড়ি খাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তা যাচাই, কিছু বিদেশি হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের ওপর বিধিনিষেধ এবং গাড়িতে কী ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে—তা আরো স্পষ্টভাবে জানানো বাধ্যতামূলক করার কথা বিবেচনা করতে যুক্তরাষ্ট্রকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

‘নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় প্রবেশের সুযোগ রয়েছে’

ওটিএ প্রযুক্তির ঝুঁকি নিয়ে বাস্তব পরীক্ষাতেও উদ্বেগজনক বিষয় ধরা পড়েছে।

গত বছরের শেষ দিকে নরওয়ের বাস কম্পানি রুটার দুটি বাস পরীক্ষা করে। এর মধ্যে একটিতে ওটিএ প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি পাওয়া যায়।

রুটার জানায়, মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে একটি রোমানিয়ান সিম কার্ড ব্যবহার করে বাসটির ব্যাটারি ও বিদ্যুৎ সরবরাহের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় প্রবেশের সুযোগ রয়েছে। এর অর্থ, তাত্ত্বিকভাবে বাস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান দূর থেকেই বাসটি থামিয়ে দিতে বা অচল করে দিতে পারে।

এরপর যুক্তরাজ্য ও ডেনমার্কও বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে। যুক্তরাজ্যের পরিবহন বিভাগ জানায়, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং দেশটির ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টারের সঙ্গে কাজ করছে।

এই তদন্তগুলো চীনা প্রতিষ্ঠান ইউটংয়ের তৈরি বাসকে ঘিরে হলেও অধ্যাপক সিরাজ আহমেদ শেখ বলেন, সমস্যাটি শুধু একটি কোম্পানি বা একটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কারণ, আরো অনেক খাতে ওটিএ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে।

তার মতে, পরিবহনের অন্যান্য মাধ্যম, যেমন জাহাজ ও রেল, মহাকাশ খাত—বিশেষ করে ড্রোন—এবং শিল্পকারখানার যন্ত্রপাতি ও রোবটেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।