• ই-পেপার

‘বাংলার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ প্রতিযোগিতায়

সেরা হলো অভিযাত্রিক

অনলাইন বাজির প্ল্যাটফর্ম কালশির কার্যক্রমে আদালতের নিষেধাজ্ঞা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন বাজির প্ল্যাটফর্ম কালশির কার্যক্রমে আদালতের নিষেধাজ্ঞা
ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে কালশি নামে একটি অনলাইন বাজির প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রমে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। আদালতের মতে, প্রতিষ্ঠানটি অঙ্গরাজ্যের জুয়া আইন লঙ্ঘন করে থাকতে পারে।

মঙ্গলবার  (২১ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।


সোমবার কিং কাউন্টি সুপিরিয়র কোর্টের বিচারক জন ম্যাকহেল এই আদেশ দেন। তিনি বলেন, কালশির কার্যক্রম চলতে থাকলে সাধারণ মানুষ অবৈধ জুয়ার কারণে ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। তাই আপাতত প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ রাখা প্রয়োজন।

কালশি একটি প্রেডিকশন মার্কেট। এখানে মানুষ খেলাধুলা, নির্বাচন বা অন্য কোনো ঘটনার ফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অর্থের বিনিময়ে বাজি ধরতে পারেন।

তবে কালশির দাবি, তারা কোনো অবৈধ জুয়ার ব্যবসা চালায় না। প্রতিষ্ঠানটির মতে, তাদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের কমোডিটি ফিউচার্স ট্রেডিং কমিশনের। তাই কোনো অঙ্গরাজ্যের এ বিষয়ে আলাদা ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার নেই।

ওয়াশিংটনের অ্যাটর্নি জেনারেল নিক ব্রাউন অভিযোগ করেন, কালশি খেলাধুলা, নির্বাচন, রোগের প্রাদুর্ভাব এমনকি প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো বিষয়েও বাজির সুযোগ দিয়ে মুনাফা করেছে।

এর আগে ম্যাসাচুসেটস, মিশিগান, নেভাদা ও নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যেও কালশির কার্যক্রমে আদালত একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল।

বিচারক জানিয়েছেন, আগামী ৫ আগস্ট এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞার আদেশ জারি করা হবে।

স্ন্যাপচ্যাট হ্যাক করে নারীদের ব্যক্তিগত ছবি চুরি, ৬ বছরের বেশি জেল

অনলাইন ডেস্ক
স্ন্যাপচ্যাট হ্যাক করে নারীদের ব্যক্তিগত ছবি চুরি, ৬ বছরের বেশি জেল
ছবি : রয়টার্স

স্ন্যাপচ্যাট অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে শত শত নারীর ব্যক্তিগত ছবি চুরির দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের ২৭ বছর বয়সী কাইল স্বারাকে ৭৬ মাস (৬ বছরের বেশি) কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২২ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।

তদন্তে জানা যায়, ২০২০ সালের মে থেকে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিনি স্ন্যাপচ্যাটের সাপোর্ট টিম পরিচয়ে ১ হাজার ৫০০-এর বেশি নারীকে ভুয়া বার্তা পাঠান। বার্তায় অ্যাকাউন্ট যাচাইয়ের কথা বলে নিরাপত্তা কোড (সিকিউরিটি কোড) চাওয়া হতো।

অনেকেই বার্তাটি সত্যি মনে করে কোড পাঠিয়ে দেন। সেই কোড ব্যবহার করে কাইল অন্তত ৫১৭ জন নারীর স্ন্যাপচ্যাট অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করেন। এরপর তিনি অন্তত ৫৯ জন নারীর ব্যক্তিগত ও অর্ধনগ্ন ছবি ডাউনলোড করেন।

তদন্তে আরো জানা যায়, তিনি শুধু এসব ছবি নিজের কাছে রাখেননি। কিছু ছবি অনলাইনে বিক্রি করেছেন। আবার কিছু ছবি অন্যদের সঙ্গে আদান-প্রদানও করেছেন। এমনকি অর্থের বিনিময়ে অন্যদের জন্যও স্ন্যাপচ্যাট অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার কাজ করতেন।

মামলার তদন্তে আরো উঠে আসে, এক সাবেক বিশ্ববিদ্যালয় কোচের অনুরোধে তিনি কয়েকজন নারীর অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ব্যক্তিগত ছবি সংগ্রহ করে দিয়েছিলেন। এ ঘটনায় সেই কোচও আগেই কারাদণ্ড পেয়েছেন।

কাইল স্বারা কম্পিউটার জালিয়াতি, পরিচয় চুরি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ স্বীকার করেন। পরে আদালত তাকে ৭৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। এই রায়ের মাধ্যমে অনলাইনে অন্যের ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি চুরির মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে।

ব্যবহারকারীদের তথ্য কতটা নিরাপদ? কংগ্রেসে জবাব দেবে টিকটক

অনলাইন ডেস্ক
ব্যবহারকারীদের তথ্য কতটা নিরাপদ? কংগ্রেসে জবাব দেবে টিকটক
ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকের ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। এই বিষয়ে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর মার্কিন কংগ্রেসে জবাব দেবেন টিকটক ইউএসের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা উইল ফ্যারেল।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।

উইল ফ্যারেলের কাজ হলো টিকটকের ব্যবহারকারীদের তথ্য সুরক্ষিত রাখা এবং সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। শুনানিতে মার্কিন আইনপ্রণেতারা জানতে চাইবেন, টিকটকের মার্কিন কার্যক্রমে এখনো চীনের কোনো প্রভাব আছে কি না এবং ব্যবহারকারীদের তথ্য কতটা নিরাপদ।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে টিকটকের চীনা মালিক প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্স যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা আলাদা করে দেয়। এরপর এই প্রথম টিকটক ইউএসের কোনো কর্মকর্তা প্রকাশ্যে কংগ্রেসে সাক্ষ্য দেবেন।

২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে একটি আইন করা হয়। সেখানে বলা হয়েছিল, বাইটড্যান্স টিকটকের মার্কিন ব্যবসা বিক্রি না করলে দেশটিতে অ্যাপটি নিষিদ্ধ হতে পারে। কারণ, মার্কিন আইনপ্রণেতাদের আশঙ্কা ছিল, চীনা সরকার টিকটকের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের তথ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। এতে জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

এরপর টিকটকের যুক্তরাষ্ট্রের কার্যক্রম একটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক যৌথ প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে ওরাকল, সিলভার লেক ও এমজিএক্স এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান বিনিয়োগকারী। তবে বাইটড্যান্স এখনো প্রতিষ্ঠানটির ১৯ দশমিক ৯ শতাংশ মালিকানা ধরে রেখেছে।

কংগ্রেসের শুনানিতে এই মালিকানা কাঠামো এবং টিকটকের সঙ্গে চীনের বর্তমান সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন করা হতে পারে। তবে টিকটক ইউএসের প্রধান নির্বাহী (সিইও) অ্যাডাম প্রেসার এই শুনানিতে অংশ নেবেন না।

এদিকে, শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে টিকটকের বৈশ্বিক প্রধান নির্বাহী শউ জি চিউকেও মার্কিন সিনেটে সাক্ষ্য দিতে আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে সেই শুনানির তারিখ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

এয়ার ট্যাক্সি ও সুপারসনিক বিমান চালুতে নিয়ম বদলাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
এয়ার ট্যাক্সি ও সুপারসনিক বিমান চালুতে নিয়ম বদলাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি : রয়টার্স

এয়ার ট্যাক্সি ও সুপারসনিক বিমান দ্রুত মানুষের ব্যবহারে আনতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব নতুন ধরনের উড়োজাহাজের অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করতে প্রয়োজনীয় নিয়মে পরিবর্তন আনছে দেশটির ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ)।

মঙ্গলবার (২১জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এফএএ এমন নিয়ম তৈরি করছে, যাতে নতুন প্রযুক্তির উড়োজাহাজ নিরাপদভাবে আকাশে চলাচল করতে পারে এবং কম্পানিগুলোও দ্রুত সেবা চালু করতে পারে।

এফএএ বর্তমানে ইলেকট্রিক ভার্টিক্যাল টেক-অফ অ্যান্ড ল্যান্ডিং প্রযুক্তির উড়োজাহাজ নিয়ে একটি পরীক্ষামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করছে। এই উড়োজাহাজগুলো হেলিকপ্টারের মতো সোজা ওপরে উঠতে ও নিচে নামতে পারে। এগুলোকে সাধারণভাবে এয়ার ট্যাক্সি বলা হয়। শহরের যানজট এড়িয়ে দ্রুত যাত্রী পরিবহনে এসব উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে।

এই কর্মসূচিতে আটটি কম্পানি যুক্ত রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ২৬টি অঙ্গরাজ্যে পরীক্ষা চলছে। পরীক্ষার ফলাফল ভবিষ্যতে এয়ার ট্যাক্সির অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে কাজে লাগানো হবে।

এদিকে শব্দের গতির চেয়েও দ্রুতগতির সুপারসনিক বিমান আবার বাণিজ্যিকভাবে চালু করার পরিকল্পনাও করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ জন্য ১৯৭৩ সাল থেকে স্থলভাগের ওপর সুপারসনিক বিমান চলাচলের যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তা তুলে নিতে দুটি নতুন নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। ২০২৭ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে এসব নীতিমালা চূড়ান্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।

এফএএর উপপ্রশাসক ক্রিস রোশেলো বলেন, বর্তমান অনেক নিয়মই পুরোনো হয়ে গেছে। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত রেখে নতুন প্রযুক্তিকে দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে নিয়মগুলো হালনাগাদ করা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে কনকর্ড বিমান অবসরে যাওয়ার পর থেকে নিয়মিত বাণিজ্যিক সুপারসনিক যাত্রীবাহী ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে। নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে ভবিষ্যতে আবারও এ ধরনের বিমান আকাশে দেখা যেতে পারে।