• ই-পেপার

চুপিসারে বিয়ে সারলেন জেনিফার?

ফিরছেন সুমাইয়া শিমু

বিনোদন প্রতিবেদক
ফিরছেন সুমাইয়া শিমু
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘদিন পর আবারও ধারাবাহিক নাটকে ফিরছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুমাইয়া শিমু। ব্যক্তিগত কারণে বেশ কয়েক বছর অভিনয়ে অনিয়মিত থাকার পর এবার নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের নতুন ধারাবাহিক ‘ফিরে আসার গল্প’-এ অভিনয় করছেন তিনি।

একসময় একক ও ধারাবাহিক—দুই ধরনের নাটকেই সমান জনপ্রিয় ছিলেন সুমাইয়া শিমু। অভিনয় দক্ষতায় দর্শকের প্রশংসা কুড়ানো এই অভিনেত্রী ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে দীর্ঘদিন অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন। তবে এরই মধ্যে নুহাশ হুমায়ূনের ‘২ষ’ অ্যান্থলজি সিরিজের ‘বেসুরা’ পর্ব দিয়ে পর্দায় ফিরেছিলেন তিনি। 

তখনই জানিয়েছিলেন, ভালো গল্প ও পছন্দের চরিত্র পেলে নিয়মিত অভিনয়ে ফেরার আগ্রহ রয়েছে তাঁর।

সেই ধারাবাহিকতায় এবার ‘ফিরে আসার গল্প’ নাটকে ‘রুকাইয়া’ চরিত্রে দেখা যাবে শিমুকে।

নাটকটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিনেমাওয়ালা এন্টারটেইনমেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুমাইয়া শিমুর প্রথম লুক প্রকাশ করে। তবে নাটকটি কিংবা নিজের চরিত্র সম্পর্কে এখনই বিস্তারিত কিছু বলতে রাজি নন অভিনেত্রী।

May be an image of text that says 'CiNEMAWALA Glow& Lovely নিরদিত নতুন। সিরিজ মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ র ফিরে আমার গল্প যেখানে সম্পর্কই বড় শক্তি INTRODUCING SUMAIYA SHIMU AS RUKAIYA COMING SOON ONLY ON CINEMAWALA CINEMAWALABD'

সম্প্রতি রাজ নির্মিত ধারাবাহিক ‘এটা আমাদেরই গল্প’ দর্শকমহলে সাড়া ফেলেছিল। সেই সফলতার ধারাবাহিকতায় নির্মিত হচ্ছে ‘ফিরে আসার গল্প’। বর্তমানে নাটকটির শুটিংয়ের প্রস্তুতি চলছে। আগামী মাস থেকে শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। নাটকের অন্যান্য অভিনয়শিল্পীদের নামও পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করবেন নির্মাতা।

উল্লেখ্য, সুমাইয়া শিমুর অভিনয়জীবনে রয়েছে একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক। এর মধ্যে ‘হাউজফুল’, ‘এফএনএফ’, ‘ললিতা’, ‘বিহাইন্ড দ্য সিন’ এবং ‘ফাঁদ ও বগার গল্প’ বিশেষভাবে দর্শকপ্রিয়।

বাংলা সিনেমায় অভিনয় করতে চান কাজল

বিনোদন ডেস্ক
বাংলা সিনেমায় অভিনয় করতে চান কাজল
সংগৃহীত ছবি

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল এবার জানালেন বাংলা সিনেমায় অভিনয়ের আগ্রহের কথা। সুযোগ ও উপযুক্ত গল্প পেলে বাংলা চলচ্চিত্রে কাজ করতে চান বলে জানিয়েছেন নব্বইয়ের দশকের এই গুণী তারকা।

সম্প্রতি ভারতের আনন্দবাজার ডটকম আয়োজিত ‘বছরের বেস্ট ২০২৬’ সম্মাননা অনুষ্ঠানে অংশ নেন কাজল। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে দর্শকদের ভালোবাসা ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ সম্মাননা গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে কাজলকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি বাংলা সিনেমা দেখেন কি না। উত্তরে সরাসরি ‘না’ বললেও বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেন। 

তিনি জানান, সময় ও সুযোগ মিললে অবশ্যই বাংলা সিনেমায় কাজ করতে চান।

Kajol - Indian Actress Profile, Pictures, Movies, Events | nowrunning

বাংলার সঙ্গে কাজলের পারিবারিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। তার মা কিংবদন্তি অভিনেত্রী তনুজা হিন্দি চলচ্চিত্রের পাশাপাশি বাংলা সিনেমায়ও অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। 

মায়ের মতো অভিনেত্রী হতে পেরেছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে কাজল বিনয়ের সঙ্গে বলেন, তিনি এখনো সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছেন। 

তার কথায়, তনুজা অনেক বড় মাপের অভিনেত্রী এবং মায়ের দেখানো পথ অনুসরণ করেই তিনি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন।

অনুষ্ঠানে নিজের ব্যক্তিত্বের আরেকটি দিকও তুলে ধরেন কাজল। তিনি বলেন, কাজের ক্ষেত্রে তিনি অত্যন্ত সময়নিষ্ঠ। নির্ধারিত সময়ে শুটিং সেটে পৌঁছানো এবং কাজ শেষ হলে সময়মতো সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়াকে তিনি পেশাদারির অংশ বলে মনে করেন। 

একই সঙ্গে মন্তব্য করেন, বলিউডে সময়নিষ্ঠ শিল্পীর সংখ্যা খুব বেশি নয়।

উল্লেখ্য, এবার আনন্দবাজার ডটকমের ‘বছরের বেস্ট ২০২৬’ সম্মাননা পেয়েছেন কাজলের পাশাপাশি পাওলি দাম, দেব, নিকিতা গান্ধী, ব্রাত্য বসুসহ বিভিন্ন অঙ্গনের আরো কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

এ আর রহমানের স্টোরিতে বাংলাদেশের দুই শিল্পী

বিনোদন প্রতিবেদক
এ আর রহমানের স্টোরিতে বাংলাদেশের দুই শিল্পী
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের দুই কণ্ঠশিল্পী শুভেন্দু দাশ শুভ ও সানজিদা মাহমুদ নন্দিতার জন্য এ যেন স্বপ্নপূরণের মুহূর্ত। অস্কারজয়ী ভারতীয় সংগীত পরিচালক ও গায়ক এ আর রহমান নিজেই তাদের পরিবেশিত একটি গান নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেছেন। এতে উচ্ছ্বাসে ভাসছেন দুই শিল্পী।

শুভ ও নন্দিতা দীর্ঘ দেড় বছর ধরে ‘মোজি অ্যান্ড কোং’ প্রকল্পের অধীনে জনপ্রিয় পুরোনো গানগুলো নতুন আঙ্গিকে কাভার করে আসছেন। তাদের পরিবেশনা ইতোমধ্যেই দর্শক-শ্রোতাদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী এ আর রহমানও।

সম্প্রতি তারা রহমানের সুর করা জনপ্রিয় গান ‘সাওয়ারিয়া’ নতুনভাবে পরিবেশন করেন। গানটি প্রকাশের পর সেটি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেন এ আর রহমান। বিষয়টি দুই শিল্পীর জন্য বড় এক স্বীকৃতি হয়ে এসেছে।

May be an image of smiling, guitar, violin and text that says '13:34 arrahman ۵ 13h D Watch full reel X melancholymates, nandita_mahmood nahmood and shuv. 1:03 REIN CONg Send message...'

এ প্রসঙ্গে শুভ বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে এ আর রহমান গান শুনে আসছি। যার কাজ অনুপ্রেরণা হিসেবে মনের মধ্যে ধারণ করেছি, তিনিই আমাদের গান দেখেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন, এটা তো দারুণ অনুভূতি।’

অন্যদিকে এ আর রহমানের স্টোরির স্ক্রিনশট নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন নন্দিতাও। অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, ‘আমি কি স্বপ্ন দেখছি? কেউ আমাকে চিমটি কাটো প্লিজ! এই স্মৃতি আমার সারাজীবনের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।’

এবার আমির খানকে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হুমকি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
এবার আমির খানকে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হুমকি

বলিউড সুপারস্টার সালমান খানকে হত্যার হুমকি দিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে আলোচনায় আসে গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই। এবার তার গ্যাংয়ের দুই সদস্য হুমকি দিয়েছে বলিউডের আরেক সুপারস্টার আমির খানকে। গত ৫ জুলাই মুম্বাইয়ের বান্দ্রার বাসায় পারিবারিকভাবে বান্ধবী গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করেছেন আমির খান। এটি তার তৃতীয় বিয়ে। আমির খান নিজে মুসলমান হলেও তার তিন স্ত্রীই হিন্দু ধর্মাবলম্বী। তৃতীয় বিয়ের পর বিভিন্ন উগ্রবাদী সংগঠন আমির খানের বিরুদ্ধে ‘লাভ জিহাদ’এর অভিযোগ এনে বিক্ষোভ করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই আরজু বিষ্ণোই এবং টাইসন বিষ্ণোই নামে তার গ্যাংএর অপর এক সদস্য মিলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে আমির খানের বিরুদ্ধে ‘লাভ জিহাদ’ প্রচারের অভিযোগ আনে।

খান

শনিবার সকালে ফেসবুক পোস্ট এবং ভিডিও বার্তায় বলা হয়, আমি আরজু বিষ্ণোই এবং টাইসন বিষ্ণোই (লরেন্স বিষ্ণোই গ্রুপ) বলতে চাই যে, আমির খানের মতো মানুষ আমাদের দেশে ‘লাভ জিহাদ’ নামে পরিচিত বিষয়টি প্রচার করছেন, যা আমাদের সংস্কৃতির পরিপন্থী। আমরা এই লোকটিকে সহ্য করব না এবং শিগগিরই তাকে এর পরিণতি ভোগ করতে হবে। এটি সনাতন ধর্ম এবং দেশের বিরুদ্ধে।

এতে আরো যোগ করা হয়, ‘আমরা আমাদের ভাই, বোন এবং নাগরিকদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, যারা এই ধরনের লজ্জাজনক কাজ প্রচার করবে তাদের আমাদের নিজস্ব উপায়ে মোকাবেলা করা হবে। যারা স্টারডমের নামে এটিকে উৎসাহিত করছে তাদের থামিয়ে দেওয়া হবে।’

সূত্র অনুযায়ী, পুলিশ ফেসবুক এবং একটি ভয়েস নোটের মাধ্যমে এই কথিত হুমকির তথ্য পেয়েছে, যা তারা যাচাই করে দেখছে। সূত্রগুলো জানাচ্ছে যে, মুম্বাই পুলিশ এখনও আমির খান বা তার টিমের কাছ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পায়নি। আমির খানের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে মামলা দায়ের করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

এর আগে বলিউড অভিনেতা সালমান খান ও তার পরিবার বছরের পর বছর ধরে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের কাছ থেকে একের পর এক হুমকি পেয়ে আসছেন। ১৯৯৮ সালে রাজস্থানের যোধপুরে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ সিনেমার শুটিং চলাকালে সালমান খানের বিরুদ্ধে দুটি ‘কৃষ্ণসার হরিণ’ শিকারের অভিযোগ ওঠে। বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের মানুষ প্রকৃতি এবং বন্যপ্রাণী রক্ষাকে তাদের পরম ধর্মীয় কর্তব্য বলে মনে করে। তারা ‘কৃষ্ণসার হরিণ’কে অত্যন্ত পবিত্র জ্ঞান করে এবং তাদের আধ্যাত্মিক নেতা গুরু জাম্বেশ্বরের পুনর্জন্ম হিসেবে বিশ্বাস করে। তাই হরিণ হত্যার এই ঘটনা পুরো বিষ্ণোই সম্প্রদায়কে গভীরভাবে ক্ষুব্ধ করে। তাদের দায়ের করা মামলায় ২০১৮ সালে যোধপুর আদালত সালমান খানকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিলেও পরবর্তীতে তিনি জামিনে মুক্তি পান। হরিণ শিকারের ঘটনার সময় লরেন্স নিতান্তই শিশু ছিলেন। কিন্তু ঘটনাটি তার মনে গভীর রেখাপাত করে। ২০১৮ সালে যোধপুর আদালতে হাজিরার সময় লরেন্স প্রকাশ্যে প্রথমবার ঘোষণা দেন, ‘আমরা যোধপুরেই সালমান খানকে হত্যা করব। তখন তিনি বুঝবেন আমরা কারা।’

তবে হুমকি দিয়ে বসে থাকেননি লরেন্স বিষ্ণোই। এরপর ধারাবাহিক হুমকি সালমান পরিবারকে শঙ্কিত করে তোলে। ২০২২ সালে সালমানের বাবা সেলিম খান প্রাতঃভ্রমণের সময় একটি চিরকুট পান, যাতে বাবা-ছেলেকে হত্যার হুমকি ছিল। ২০২৩ সালেও গোল্ডি ব্রারের পক্ষ থেকে সালমানকে হুমকি দিয়ে ইমেইল পাঠানো হয়। ২০২৪ সালের ১৪ই এপ্রিল ভোর ৫টায় মুম্বাইয়ের বান্দ্রা এলাকায় সালমানের বিলাসবহুল ‘গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট’-এর বাইরে মোটরবাইকে চড়ে আসা দুই শ্যুটার ভবনের দেয়াল ও সালমানের বারান্দা লক্ষ্য করে অন্তত ৫ রাউন্ড গুলি চালায়।

২০১৫ সাল থেকে কারাগারেবন্দি লরেন্স বিষ্ণোই। তার বিরুদ্ধে ৩০টিরও বেশি মামলার বিচার চলছে। তবে কারাগারে বসেই ভারত এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে বিস্তৃত গ্যাং পরিচালনা করছেন লরেন্স বিষ্ণোই। এ মাসের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ লরেন্স বিষ্ণোইসহ ভারতভিত্তিক আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন হার্ড বল’ নামে একটি বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করছে।