• ই-পেপার

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

১১ বছরেও স্থায়ী ক্যাম্পাস হয়নি

  • ৫ অনুষদের ৪৫ বিভাগে শিক্ষার্থী ৮ শতাধিক
  • শিক্ষা-গবেষণাসহ স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত

ঢাবিসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৩৫ শিক্ষার্থী পেলেন ইমদাদ-সিতারা খান বৃত্তি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবিসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৩৫ শিক্ষার্থী পেলেন ইমদাদ-সিতারা খান বৃত্তি
ছবি : কালের কণ্ঠ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৩৫ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ‘ইমদাদ-সিতারা খান বৃত্তি’ প্রদান করা হয়েছে। স্পন্দনবি-এর উদ্যোগে এবং ইমদাদ-সিতারা খান ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে শনিবার (১৮ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ বৃত্তি প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বৃত্তি প্রদানের উদ্যোগের জন্য ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।

উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের পরমতসহিষ্ণুতা, নিয়মানুবর্তিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে হবে।

স্পন্দনবি-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর অধ্যাপক ড. আমেনা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক সদস্য অধ্যাপক ড. এহসানুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন স্পন্দনবি-এর ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

অনুষ্ঠানে ইমদাদ-সিতারা খান ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন সিতারা খান, সভাপতি মারুফা কানিজ ও উপদেষ্টারা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

প্রোগ্রাম মনিটর শাপলা খাতুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন ফাউন্ডেশনের সদস্য এ কে এম আশিকুর রহমান মজুমদার, ড. কায়সার আহমেদ রকী, ড. তাহসিনা ফারাহ সনম, ব্র্যাকের সিনিয়র ম্যানেজার মনসুর হাসান খন্দকার এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর শাহিন আনাম।

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, বিশিষ্ট গবেষক ও পদার্থবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক খান ২০০৪ সালে সুবিধাবঞ্চিত ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি দেওয়ার লক্ষ্যে ‘ইমদাদ-সিতারা খান ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন ও নাসাসহ বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতিমান গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।

২০০৬ সালে মৃত্যুর আগে তিনি ফাউন্ডেশন পরিচালনার দায়িত্ব তার স্ত্রী সিতারা খানের কাছে হস্তান্তর করে যান।

মাভাবিপ্রবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে গ্রুমিং সেশন অনুষ্ঠিত

মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি
মাভাবিপ্রবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে গ্রুমিং সেশন অনুষ্ঠিত
সংগৃহীত ছবি

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে এবং তাদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে চার দিনব্যাপী এক বিশেষ ‘গ্রুমিং সেশন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। যা চলবে আগামী ২১ জুলাই পর্যন্ত। প্রতিদিন ৪টি গ্রুপে শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবেন।

শনিবার (১৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩য় একাডেমিক ভবনের অডিটরিয়ামে এ সেশনের আয়োজন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম। সেশন পরিচালনা করেন বাংলাদেশে ইউএনডিপির যোগাযোগ প্রধান মো. আব্দুল কাইয়ুম, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদ এবং শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করীম প্রমুখ।

গ্রুমিং সেশনে নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, উচ্চশিক্ষার বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কেবল পাঠ্যবইয়ের পড়াশোনাই যথেষ্ট নয়, বরং গবেষণামুখী মনোভাব গড়ে তুলতে হবে।

অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করীম বলেন, ‘কর্পোরেট এবং বাস্তব জীবনের জন্য যোগাযোগ দক্ষতা নেতৃত্ব গুণাবলি এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা অর্জন করতে হবে।’

প্রক্টর অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদ বলেন,  বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার পাশাপাশি শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।

 

জুলাই শহীদ স্মরণে জাককানইবি প্রশাসনের নেই কোনো আয়োজন

জাককানইবি প্রতিনিধি
জুলাই শহীদ স্মরণে জাককানইবি প্রশাসনের নেই কোনো আয়োজন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নানা কর্মসূচি পালন করা হলেও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় (জাককানইবি) প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়নি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিঙ্ক (ইউটিএল) উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। প্রশাসনের কোনো কর্মসূচি না থাকায় বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একাংশের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে।

সরকারের ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে দেশব্যাপী স্মরণসভা, সমাবেশ, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জাককানইবি প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বিজ্ঞপ্তি বা কর্মসূচি প্রকাশ করা হয়নি।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলন বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ওই আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বহু মানুষ নিহত হন। তাদের স্মরণে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমামুল হোসেন বলেন, আজকের নতুন বাংলাদেশের পেছনে জুলাই আন্দোলনের আত্মত্যাগের ইতিহাস রয়েছে। যারা জীবন দিয়ে এই পরিবর্তনের ভিত্তি গড়েছেন, তাদের স্মরণ করা আমাদের দায়িত্ব। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাদের সম্মান জানিয়ে অন্তত একটি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির আয়োজন প্রত্যাশিত ছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী সিফাত আহাদ বলেন, যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় রচনা করেছেন, তাদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানো আমাদের নৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব। একটি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞানচর্চার স্থান নয়; এটি ইতিহাস, মূল্যবোধ ও জাতীয় চেতনা ধারণ ও লালনেরও কেন্দ্র। শহীদদের স্মরণ করা কোনো রাজনৈতিক বিষয় নয়; এটি মানবিকতা, কৃতজ্ঞতা এবং ইতিহাসের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রকাশ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, গত বছর সরকার ১৬ জুলাই থেকে মাসব্যাপী জুলাই উদযাপন ও স্মরণে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আমরাও তখন কর্মসূচি পালন করেছি। এ বছরও সরকার যদি কোনো নির্দেশনা দেয়, আমরা সেটি বাস্তবায়ন করব।

তিনি আরো বলেন, তারপরও জুলাই নিয়ে আমরা কাজ করছি। ‘জুলাই স্কয়ার’ দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল। আমি নিজে সেখানে পরিদর্শন করেছি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে, ঘাস কাটা হচ্ছে এবং ভাঙা টাইলস মেরামতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এর উন্নয়নে নতুন নকশাও আহ্বান করা হয়েছে। তাই এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না—এমনটি বলা ঠিক হবে না।

এসএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় জানাল বোর্ড

অনলাইন ডেস্ক
এসএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় জানাল বোর্ড
সংগৃহীত ছবি

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পূর্বনির্ধারিত ২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না। শিক্ষা বোর্ডগুলো প্রস্তুতি নিলেও প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে এই তারিখ পিছিয়ে যাচ্ছে। 

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে তিনি জানান, জরুরি প্রশাসনিক কাজে অংশীজনরা ব্যস্ত থাকায় নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা যায়নি। তবে ফল প্রকাশে খুব বেশি বিলম্ব হবে না বলে বোর্ড প্রধান আশ্বস্ত করেছেন। নতুন কোনো নির্দিষ্ট দিনক্ষণ ঘোষণা না করা হলেও চলতি মাসের মধ্যেই ফল প্রস্তুত করা সম্ভব হবে। শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান আশা প্রকাশ করেছেন যে, এ মাসের বাকি দিনগুলোর মধ্যে সব কাজ গুছিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করা যাবে।

বোর্ড চেয়ারম্যান জানান, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশের কথা ছিল। শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনায় শিক্ষা বোর্ডগুলো ফল প্রকাশের প্রস্তুতিও নিচ্ছিল। তবে প্রশাসনিক ব্যস্ততায় তা কিছুটা পিছিয়ে যাচ্ছে। এ মাসের মধ্যে কাজ গুছিয়ে ফল প্রকাশ করা হবে।