• ই-পেপার

নাইট উপাধিতে ভূষিত হলেন অভিনেতা ইদ্রিস এলবা

হঠাৎ কেন কটাক্ষের শিকার আনুশকা?

বিনোদন ডেস্ক
হঠাৎ কেন কটাক্ষের শিকার আনুশকা?
সংগৃহীত ছবি

ঠাৎ করেই বিতর্কে জড়ালেন আনুশকা শর্মা। হোমিওপ্যাথি নিয়ে একটি মন্তব্য করে বিপাকে পড়েছেন অভিনেত্রী। কটাক্ষের শিকার হচ্ছেন তিনি।

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক রাজন শঙ্করন এবং শিল্পোদ্যোগী নমিতা থাপারের কথোপকথনের ভিডিও শেয়ার করে আনুশকা জানান, হোমিওপ্যাথি এবং রাজন শঙ্করনের পরামর্শ তাঁকেও স্বাস্থ্যের দিক থেকে সাহায্য করেছে।

আনুশকা লিখেছেন, “হোমিওপ্যাথি আমার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং চিকিৎসক রাজন শঙ্করনেরও বড় ভূমিকা আছে। স্বাস্থ্য-সচেতন জীবনযাপন সম্পর্কে তাঁর ভাবনাকে আমি মূল্য দিই।”

আনুশকার শেয়ার করে নেওয়া ভিডিওতে আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় হোমিওপ্যাথির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রতিটি চিকিৎসাপদ্ধতির সহাবস্থানের কথাও বলা হয় সেই ভিডিওতে। 

সেই ভিডিওতে রাজন বলেন, “হোমিওপ্যাথি আসলে রোগের চিকিৎসা করে না, মানুষের চিকিৎসা করে। মানুষকে সুস্থ করার মাধ্যমে তার রোগও সেরে ওঠে। হোমিওপ্যাথি সবার চিকিৎসা করতে পারে।” 

আনুশকা এই ভিডিও শেয়ার করতেই তাঁকে এক হেপাটোলজিস্ট কটাক্ষ করেন। তিনি সমাজমাধ্যমে ‘দ্য লিভার ডক’ নামে পরিচিত। আনুশকা, নমিতা থাপার ও রাজনকে ‘অশিক্ষিত তারকা’ বলেও আক্রমণ করেন তিনি। 

একটি পোস্টে তিনি লেখেন, “হোমিওপ্যাথি হল জল, অ্যালকোহল এবং চিনি দিয়ে তৈরি ‘ওষুধ’। দাম দিয়ে চিনির বড়ি কেনা ছাড়া আর কিছু নয়।”

তবে এই কটাক্ষ নিয়ে আর মুখ খোলেননি আনুশকা। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে।

ক্রাইম থ্রিলার ‘ব্রাউন’ দিয়ে ওটিটি-তে কারিশমা কাপুর

অনলাইন ডেস্ক
ক্রাইম থ্রিলার ‘ব্রাউন’ দিয়ে ওটিটি-তে কারিশমা কাপুর
সংগৃহীত ছবি

ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘জি ফাইভ’-এ মুক্তি পেতে যাওয়া ক্রাইম থ্রিলার সিরিজ ব্রাউন-এর প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন কারিশমা কাপুর। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, এই সিরিজের মূল আকর্ষণ হলো এর প্রধান নারী চরিত্র ‘রিতা ব্রাউন’—যে আক্ষরিক অর্থেই বাস্তব জীবনের এক ভাঙাচোরা ও ত্রুটিপূর্ণ মানুষ।

কারিশমা কাপুর জানান, শুরুতে এই সিরিজের প্রস্তাব তিনি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কলকাতায় টানা ৫০ থেকে ৬০ দিন শুটিং করার কথা শুনে তিনি সরাসরি ‘না’ বলে দেন। তবে নির্মাতা দলের ক্রমাগত অনুরোধে শেষ পর্যন্ত তিনি চিত্রনাট্য শোনেন। চরিত্রটির কথা শোনার পর তিনি আর না বলতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘ব্যক্তি হিসেবে রিতা আমার চেয়ে একদম আলাদা, আর এটাই আমাকে আকর্ষণ করেছে।’

নির্মাতারা রিতা চরিত্রটিকে কোনো রকম গ্ল্যামার ছাড়া পর্দায় তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। কারিশমা জানান, পরিচালকের কাছে চরিত্রটির রূপ নিয়ে স্পষ্ট ধারণা ছিল। রিতার হাঁটাচলার ধরন থেকে শুরু করে মেকআপ ছাড়া চেহারা, এমনকি অতিরিক্ত ধূমপানের কারণে তার ঠোঁট বেগুনি হয়ে যাওয়া—সবকিছুই খুব যত্ন নিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কারিশমার মতে, বিশ্বজুড়ে এখন গল্প বলার ধরন পাল্টাচ্ছে এবং পর্দায় নারীদের শুধু একভাবে না দেখিয়ে তাদের জীবনের সব চড়াই-উতরাই ও বহুমাত্রিক রূপ দেখানো হচ্ছে।

কারিশমা কাপুরের ক্যারিয়ারে যেমন ‘বিবি নং ১’ বা ‘রাজা হিন্দুস্তানি’র মতো বাণিজ্যিক সিনেমা রয়েছে, তেমনি ‘ফিজা’, ‘জুবাইদা’ ও ‘শক্তি’র মতো শক্তিশালী চলচ্চিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতাও রয়েছে। তবে তিনি এই ধারণার সঙ্গে একমত নন যে কেবল আজকালের ওটিটি যুগেই নারীদের জন্য শক্তিশালী চরিত্র লেখা হচ্ছে।

কারিশমা বলেন, ‘আমরা বলতে পারি না যে আগে হিন্দি সিনেমায় শক্তিশালী চরিত্র ছিল না। ‘মাদার ইন্ডিয়া’ থেকে শুরু করে প্রতিটি দশকেই এমন কালজয়ী চরিত্র তৈরি হয়েছে। যেমন ২০০০-এর দশকে আমার করা ‘ফিজা’ বা ‘শক্তি’র চরিত্রগুলোও নিজ নিজ জায়গায় খুবই দৃঢ় ছিল। তবে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আসার কারণে এখন আমরা মানুষের ভেতরের ভিন্ন ও জটিল দিকগুলো আরো বেশি করে অন্বেষণ করার সুযোগ পাচ্ছি।’

সূত্র : ভ্যারাইটি ইন্ডিয়া

পপ গুরু আজম খানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

অনলাইন ডেস্ক
পপ গুরু আজম খানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদকে ভূষিত কিংবদন্তি বীর মুক্তিযোদ্ধা, বাংলা ব্যান্ড সংগীতের পথিকৃৎ, ব্যান্ড সংগীত আন্দোলনের অন্যতম প্রধান পুরোধা পপ গুরু আজম খানের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শুক্রবার (৫ জুন)।

বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাসে যে কয়েকজন শিল্পীর নাম চিরকাল শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এবং গৌরবের সঙ্গে উচ্চারিত হবে, তাদের মধ্যে সর্বাগ্রে রয়েছেন রক অ্যান্ড পপ গুরু আজম খান। তিনি শুধু একজন শিল্পী ছিলেন না; তিনি ছিলেন একটি সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রতীক, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের তরুণ সমাজের কণ্ঠস্বর এবং বাংলা ব্যান্ড সংগীতের অন্যতম প্রধান স্থপতি।

আরো পড়ুন
চেলসি কিংবদন্তি ববি ট্যাম্বলিং আর নেই

চেলসি কিংবদন্তি ববি ট্যাম্বলিং আর নেই

 

১৯৫০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আজিমপুরে জন্মগ্রহণ করেন আজম খান। কৈশোর থেকেই খেলাধুলা, সংস্কৃতি এবং সংগীতচর্চার প্রতি তার আগ্রহ ছিল প্রবল। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি অস্ত্র হাতে দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি ২ নম্বর সেক্টরের একজন সম্মুখসমরের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

স্বাধীনতার পর যুদ্ধের রণাঙ্গন থেকে ফিরে এসে তিনি হাতে তুলে নেন গিটার। নতুন স্বাধীন বাংলাদেশের তরুণদের জন্য নতুন ভাষা, নতুন সুর এবং নতুন সাংস্কৃতিক চেতনার সূচনা করেন তিনি। সত্তরের দশকের শুরুতে ‘ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী’-তে গান পরিবেশনের মাধ্যমে তার সংগীতযাত্রা শুরু হয়।

আরো পড়ুন
নাইট উপাধিতে ভূষিত হলেন অভিনেতা ইদ্রিস এলবা

নাইট উপাধিতে ভূষিত হলেন অভিনেতা ইদ্রিস এলবা

 

পরবর্তীতে তিনি গঠন করেন কিংবদন্তি ব্যান্ড ‘উচ্চারণ’, যা বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা করে।

উচ্চারণ এবং আজম খানের জনপ্রিয় গানের তালিকায় রয়েছে— হৃদয় সাগর মরুভূমি, বাংলাদেশ, মা গো মা, সালেকা মালেকা, আলাল ও দুলাল, প্রেম চিরদিন দূরে দূরে, অভিমানী, পাপড়ি, জীবন সাথী, চুপ চুপ চুপ, হায় আল্লাহ, আসি আসি, জীবনে কিছু পাব না প্রভৃতি। এই গানগুলোর অনেকগুলোই আজ বাংলা ব্যান্ড সংগীতের ক্লাসিক হিসেবে বিবেচিত হয় এবং নতুন প্রজন্মের কাছেও সমানভাবে জনপ্রিয়।

বাংলাদেশে ব্যান্ড সংগীতকে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে আজম খানের অবদান ছিল অসামান্য। তিনি এমন এক সময়ে ব্যান্ড সংগীতকে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন, যখন এ ধারার সংগীতকে অনেকেই সন্দেহের চোখে দেখতেন।

আরো পড়ুন
যুক্তরাজ্যে ২৩ বছরের দীর্ঘ বিবাহবিচ্ছেদ মামলায় জিতলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নারী

যুক্তরাজ্যে ২৩ বছরের দীর্ঘ বিবাহবিচ্ছেদ মামলায় জিতলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নারী

 

সংগীতজীবনে তিনি দেশ-বিদেশে অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেন। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে কিংবদন্তি ব্যান্ড সোলস-এর ২০ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে তাকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে চ্যানেলে আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড-এ তাকে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। বাংলাদেশ সরকার তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মরণোত্তরভাবে দেশের সর্বোচ্চ দুই রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদান করে—একুশে পদক (২০১৯) এবং স্বাধীনতা পদক (২০২৫)।

দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করার পর ২০১১ সালের ৫ জুন তিনি মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু তার গান, দর্শন, সংগ্রাম এবং সাংস্কৃতিক আন্দোলন আজও বেঁচে আছে লাখো মানুষের হৃদয়ে।

দর্শকদের রেকর্ড পরিমাণ সাড়া নিয়ে শেষ হলো ‘ইউফোরিয়া’

অনলাইন ডেস্ক
দর্শকদের রেকর্ড পরিমাণ সাড়া নিয়ে শেষ হলো ‘ইউফোরিয়া’

বিনোদন দুনিয়ায় ঝড় তুলে শেষ হলো জনপ্রিয় ড্রামা সিরিজ ‘ইউফোরিয়া’-র শেষ সিজন। এইচবিও ও এইচবিও ম্যাক্স প্ল্যাটফর্ম মিলিয়ে শেষ পর্বটি প্রকাশের মাত্র তিন দিনেই ৮৭ লাখ (৮.৭ মিলিয়ন) দর্শক এটি দেখে নিয়েছেন। বিশ্বব্যাপী দর্শকপ্রিয়তার দিক থেকে এটি সিরিজটির আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। হাইস্কুল পড়ুয়া একদল তরুণের মাদক, মানসিক টানাপোড়েন ও বন্ধুত্বের গল্প নিয়ে নির্মিত এই সিরিজটি তৈরি ও পরিচালনা করেছেন স্যাম লেভিনসন।

ওয়ার্নার ব্রোস ডিসকভারি জানিয়েছে, এবারের সিজনের প্রথম পর্বটি তিন দিনে দেখেছিলেন ৮৫ লাখ দর্শক, যা আগের সিজনের প্রিমিয়ারের তুলনায় ৪৪ শতাংশ বেশি ছিল। গত রবিবার (৩১ মে) রাতে প্রচারিত সিরিজটির চূড়ান্ত পর্ব ‘ইন গড উই ট্রাস্ট’ প্রথম পর্বের চেয়েও ২ শতাংশ বেশি দর্শক টেনেছে। সব মিলিয়ে চলতি সিজনে ‘ইউফোরিয়া’-র প্রতিটি পর্ব গড়ে ২ কোটি ৫০ লাখ (২৫ মিলিয়ন) মানুষ দেখছেন, যা আগের সিজনের তুলনায় ১৭ শতাংশ বেশি।

সিরিজটির মূল আকর্ষণ ছিল এর অভিনয়শিল্পীরা। জেনডায়া, সিডনি সুইনি, জ্যাকব এলর্ডি ও হান্টার শেফারের মতো তারকাদের অভিনয় দর্শকদের দারুণভাবে মুগ্ধ করেছে। এবারের সিজনে গল্পটি হাইস্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে চরিত্রগুলোর গ্র্যাজুয়েশনের বেশ কয়েক বছর পরের জীবনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।

দর্শকসংখ্যার দিক থেকে এইচবিও ম্যাক্স-এর আরেকটি আলোচিত সিরিজ ‘দ্য পিট’-এর সাথে এর দারুণ প্রতিযোগিতা চলছে। এই বছরের শুরুতে ‘দ্য পিট’-এর দ্বিতীয় সিজনের শেষ পর্বটি ৯৭ লাখ দর্শক দেখেছিলেন। তবে পার্থক্য হলো, ‘দ্য পিট’-এর হিসাবটি ছিল শুধু যুক্তরাষ্ট্রের দর্শকদের, আর ‘ইউফোরিয়া’-র এই বিশাল দর্শকসংখ্যা হিসাব করা হয়েছে বিশ্বব্যাপী।

সূত্র : ভ্যারাইটি