• ই-পেপার

দর্শকদের রেকর্ড পরিমাণ সাড়া নিয়ে শেষ হলো ‘ইউফোরিয়া’

ক্রাইম থ্রিলার ‘ব্রাউন’ দিয়ে ওটিটি-তে কারিশমা কাপুর

অনলাইন ডেস্ক
ক্রাইম থ্রিলার ‘ব্রাউন’ দিয়ে ওটিটি-তে কারিশমা কাপুর
সংগৃহীত ছবি

ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘জি ফাইভ’-এ মুক্তি পেতে যাওয়া ক্রাইম থ্রিলার সিরিজ ব্রাউন-এর প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন কারিশমা কাপুর। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, এই সিরিজের মূল আকর্ষণ হলো এর প্রধান নারী চরিত্র ‘রিতা ব্রাউন’—যে আক্ষরিক অর্থেই বাস্তব জীবনের এক ভাঙাচোরা ও ত্রুটিপূর্ণ মানুষ।

কারিশমা কাপুর জানান, শুরুতে এই সিরিজের প্রস্তাব তিনি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কলকাতায় টানা ৫০ থেকে ৬০ দিন শুটিং করার কথা শুনে তিনি সরাসরি ‘না’ বলে দেন। তবে নির্মাতা দলের ক্রমাগত অনুরোধে শেষ পর্যন্ত তিনি চিত্রনাট্য শোনেন। চরিত্রটির কথা শোনার পর তিনি আর না বলতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘ব্যক্তি হিসেবে রিতা আমার চেয়ে একদম আলাদা, আর এটাই আমাকে আকর্ষণ করেছে।’

নির্মাতারা রিতা চরিত্রটিকে কোনো রকম গ্ল্যামার ছাড়া পর্দায় তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। কারিশমা জানান, পরিচালকের কাছে চরিত্রটির রূপ নিয়ে স্পষ্ট ধারণা ছিল। রিতার হাঁটাচলার ধরন থেকে শুরু করে মেকআপ ছাড়া চেহারা, এমনকি অতিরিক্ত ধূমপানের কারণে তার ঠোঁট বেগুনি হয়ে যাওয়া—সবকিছুই খুব যত্ন নিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কারিশমার মতে, বিশ্বজুড়ে এখন গল্প বলার ধরন পাল্টাচ্ছে এবং পর্দায় নারীদের শুধু একভাবে না দেখিয়ে তাদের জীবনের সব চড়াই-উতরাই ও বহুমাত্রিক রূপ দেখানো হচ্ছে।

কারিশমা কাপুরের ক্যারিয়ারে যেমন ‘বিবি নং ১’ বা ‘রাজা হিন্দুস্তানি’র মতো বাণিজ্যিক সিনেমা রয়েছে, তেমনি ‘ফিজা’, ‘জুবাইদা’ ও ‘শক্তি’র মতো শক্তিশালী চলচ্চিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতাও রয়েছে। তবে তিনি এই ধারণার সঙ্গে একমত নন যে কেবল আজকালের ওটিটি যুগেই নারীদের জন্য শক্তিশালী চরিত্র লেখা হচ্ছে।

কারিশমা বলেন, ‘আমরা বলতে পারি না যে আগে হিন্দি সিনেমায় শক্তিশালী চরিত্র ছিল না। ‘মাদার ইন্ডিয়া’ থেকে শুরু করে প্রতিটি দশকেই এমন কালজয়ী চরিত্র তৈরি হয়েছে। যেমন ২০০০-এর দশকে আমার করা ‘ফিজা’ বা ‘শক্তি’র চরিত্রগুলোও নিজ নিজ জায়গায় খুবই দৃঢ় ছিল। তবে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আসার কারণে এখন আমরা মানুষের ভেতরের ভিন্ন ও জটিল দিকগুলো আরো বেশি করে অন্বেষণ করার সুযোগ পাচ্ছি।’

সূত্র : ভ্যারাইটি ইন্ডিয়া

পপ গুরু আজম খানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

অনলাইন ডেস্ক
পপ গুরু আজম খানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদকে ভূষিত কিংবদন্তি বীর মুক্তিযোদ্ধা, বাংলা ব্যান্ড সংগীতের পথিকৃৎ, ব্যান্ড সংগীত আন্দোলনের অন্যতম প্রধান পুরোধা পপ গুরু আজম খানের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শুক্রবার (৫ জুন)।

বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাসে যে কয়েকজন শিল্পীর নাম চিরকাল শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এবং গৌরবের সঙ্গে উচ্চারিত হবে, তাদের মধ্যে সর্বাগ্রে রয়েছেন রক অ্যান্ড পপ গুরু আজম খান। তিনি শুধু একজন শিল্পী ছিলেন না; তিনি ছিলেন একটি সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রতীক, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের তরুণ সমাজের কণ্ঠস্বর এবং বাংলা ব্যান্ড সংগীতের অন্যতম প্রধান স্থপতি।

আরো পড়ুন
চেলসি কিংবদন্তি ববি ট্যাম্বলিং আর নেই

চেলসি কিংবদন্তি ববি ট্যাম্বলিং আর নেই

 

১৯৫০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আজিমপুরে জন্মগ্রহণ করেন আজম খান। কৈশোর থেকেই খেলাধুলা, সংস্কৃতি এবং সংগীতচর্চার প্রতি তার আগ্রহ ছিল প্রবল। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি অস্ত্র হাতে দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি ২ নম্বর সেক্টরের একজন সম্মুখসমরের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

স্বাধীনতার পর যুদ্ধের রণাঙ্গন থেকে ফিরে এসে তিনি হাতে তুলে নেন গিটার। নতুন স্বাধীন বাংলাদেশের তরুণদের জন্য নতুন ভাষা, নতুন সুর এবং নতুন সাংস্কৃতিক চেতনার সূচনা করেন তিনি। সত্তরের দশকের শুরুতে ‘ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী’-তে গান পরিবেশনের মাধ্যমে তার সংগীতযাত্রা শুরু হয়।

আরো পড়ুন
নাইট উপাধিতে ভূষিত হলেন অভিনেতা ইদ্রিস এলবা

নাইট উপাধিতে ভূষিত হলেন অভিনেতা ইদ্রিস এলবা

 

পরবর্তীতে তিনি গঠন করেন কিংবদন্তি ব্যান্ড ‘উচ্চারণ’, যা বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা করে।

উচ্চারণ এবং আজম খানের জনপ্রিয় গানের তালিকায় রয়েছে— হৃদয় সাগর মরুভূমি, বাংলাদেশ, মা গো মা, সালেকা মালেকা, আলাল ও দুলাল, প্রেম চিরদিন দূরে দূরে, অভিমানী, পাপড়ি, জীবন সাথী, চুপ চুপ চুপ, হায় আল্লাহ, আসি আসি, জীবনে কিছু পাব না প্রভৃতি। এই গানগুলোর অনেকগুলোই আজ বাংলা ব্যান্ড সংগীতের ক্লাসিক হিসেবে বিবেচিত হয় এবং নতুন প্রজন্মের কাছেও সমানভাবে জনপ্রিয়।

বাংলাদেশে ব্যান্ড সংগীতকে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে আজম খানের অবদান ছিল অসামান্য। তিনি এমন এক সময়ে ব্যান্ড সংগীতকে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন, যখন এ ধারার সংগীতকে অনেকেই সন্দেহের চোখে দেখতেন।

আরো পড়ুন
যুক্তরাজ্যে ২৩ বছরের দীর্ঘ বিবাহবিচ্ছেদ মামলায় জিতলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নারী

যুক্তরাজ্যে ২৩ বছরের দীর্ঘ বিবাহবিচ্ছেদ মামলায় জিতলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নারী

 

সংগীতজীবনে তিনি দেশ-বিদেশে অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেন। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে কিংবদন্তি ব্যান্ড সোলস-এর ২০ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে তাকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে চ্যানেলে আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড-এ তাকে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। বাংলাদেশ সরকার তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মরণোত্তরভাবে দেশের সর্বোচ্চ দুই রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদান করে—একুশে পদক (২০১৯) এবং স্বাধীনতা পদক (২০২৫)।

দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করার পর ২০১১ সালের ৫ জুন তিনি মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু তার গান, দর্শন, সংগ্রাম এবং সাংস্কৃতিক আন্দোলন আজও বেঁচে আছে লাখো মানুষের হৃদয়ে।

নাইট উপাধিতে ভূষিত হলেন অভিনেতা ইদ্রিস এলবা

অনলাইন ডেস্ক
নাইট উপাধিতে ভূষিত হলেন অভিনেতা ইদ্রিস এলবা

ব্রিটেনের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন জনপ্রিয় ব্রিটিশ অভিনেতা ইদ্রিস এলবা। গত ২ জুন উইন্ডসর ক্যাসেলে রাজা তৃতীয় চার্লস আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে এই উপাধি তুলে দেন। এর মাধ্যমে তিনি এখন থেকে ‘স্যার ইদ্রিস এলবা’ নামে পরিচিত হবেন। ২০২৬ সালের নববর্ষের সম্মাননা তালিকার অংশ হিসেবে তাকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হলো।

ইদ্রিস এলবা ‘দ্য ওয়্যার’, ‘লুথার’ এবং অসংখ্য হলিউড সিনেমায় অভিনয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত হলেও, এই সম্মাননা মূলত তার পর্দার বাইরের মানবিক কাজের জন্য দেওয়া হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুবসমাজের ক্ষমতায়ন, সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ এবং তরুণদের সহিংসতা রোধে কাজ করে আসছেন। তারুণ্যের উন্নয়নে তিনি ও তার স্ত্রী সাবরিনা এলবা যৌথভাবে ‘এলবা হোপ ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংস্থাটি তরুণদের শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও তৃণমূল পর্যায়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তা দিয়ে থাকে।

উল্লেখ্য, ইদ্রিস এলবা তার কর্মজীবনের শুরুতে তৎকালীন ‘প্রিন্স’স ট্রাস্ট’ (বর্তমান কিং’স ট্রাস্ট) থেকে একটি অনুদান পেয়েছিলেন, যা তার ক্যারিয়ার গঠনে সাহায্য করেছিল। এখন তিনি নিজেই তরুণদের কল্যাণে কাজ করছেন।

সূত্র : গালফ নিউজ

সমকামী প্রেম নয়, কেবল বন্ধুত্ব : ‘ককটেল ২’ নিয়ে বললেন হোমি

বিনোদন ডেস্ক
সমকামী প্রেম নয়, কেবল বন্ধুত্ব : ‘ককটেল ২’ নিয়ে বললেন হোমি
সংগৃহীত ছবি

‘ককটেল ২’-এর ঝলক প্রকাশের পর থেকেই আলোচনায় রয়েছেন শহিদ কাপুর, কৃতি স্যানন ও রাশমিকা মান্দানা। বিশেষ করে কৃতি ও রাশমিকার চরিত্রের সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।

তিন মিনিটের বেশি দৈর্ঘ্যের ঝলকে তিন তারকাকে একটি ত্রিকোণ প্রেমের গল্পে দেখা যায়। কিছু দৃশ্য ও সংলাপের কারণে অনেকেই ধারণা করছেন, ছবিতে কৃতি ও রাশমিকার মধ্যে সমকামী প্রেমের সম্পর্ক দেখানো হতে পারে।

তবে পরিচালক হোমি আদাজানিয়া এ ধরনের গুঞ্জন নাকচ করেছেন। তিনি জানান, ছবিতে দুই চরিত্রের মধ্যে কেবল বন্ধুত্বের সম্পর্কই দেখানো হয়েছে।

এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কৃতি স্যাননও। তার মতে, দুই পুরুষের বন্ধুত্বকে যেমন ‘ব্রোম্যান্স’ বলা হয়, তেমনি দুই নারীর ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বকে ভিন্নভাবে দেখার প্রবণতা থাকা উচিত নয়।

আরো পড়ুন
ভারতের নতুন অধিনায়ক বাছাই নিয়ে কোচ-নির্বাচকের দ্বন্দ্ব!

ভারতের নতুন অধিনায়ক বাছাই নিয়ে কোচ-নির্বাচকের দ্বন্দ্ব!

 

এদিকে ছবির পারিশ্রমিক নিয়েও আলোচনা চলছে। জানা গেছে, ‘ফরজি’র সাফল্যের পর শহিদ কাপুর এই ছবির জন্য ৩৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন। অন্যদিকে কৃতি স্যানন ও রাশমিকা মান্দানা দুজনেই পেয়েছেন ১৫ কোটি রুপি করে।

হোমি আদাজানিয়া পরিচালিত ‘ককটেল ২’ আগামী ১৯ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।