• ই-পেপার

হাদি হত্যাকাণ্ডে ‘বিতর্কিত মন্তব্য’ : মমতার বিরুদ্ধে এফআইআর

২০২৩ সাল থেকে গাজায় ৯,৫০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিখোঁজ: আল-দামির

অনলাইন ডেস্ক
২০২৩ সাল থেকে গাজায় ৯,৫০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিখোঁজ: আল-দামির
ছবি: রয়টার্স

গাজা উপত্যকায় ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের পর এখন পর্যন্ত ৯৫০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। নিখোঁজদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক নারী ও শিশু রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

গাজাভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন 'আল-দামির' এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে প্রায় ৪৭০০ জন নারী ও শিশু। সংগঠনটির দাবি, চলমান যুদ্ধ ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের কারণে হাজারো মানুষের অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবনগুলোর ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রায় ৮১০০ মানুষ চাপা পড়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকাজ সীমিত হওয়ায় তাদের অনেকের ভাগ্য এখনো অজানা।

এ ছাড়া গাজায় ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রগুলোর আশপাশ থেকে আরো প্রায় ২৫০ ফিলিস্তিনি নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানিয়েছে আল-দামির। তাদের অবস্থান সম্পর্কেও এখন পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।

সংগঠনটির প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, উত্তর গাজা থেকে দক্ষিণাঞ্চলে সরে যাওয়ার সময় ইসরায়েলি সামরিক তল্লাশি চৌকিতে ৮০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনিকে আটক করা হয়েছিল। তবে তাদের কোথায় রাখা হয়েছে বা বর্তমানে তারা কী অবস্থায় আছেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানা যায়নি।

প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে প্রবেশ করা প্রায় ৩৫০ জন মানুষের ভাগ্যও এখনো অজানা রয়ে গেছে।

আল-দামির বলেছে, চলমান যুদ্ধের কারণে এটি গাজার সবচেয়ে জটিল এবং বেদনাদায়ক মানবিক সংকটগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। সংগঠনটির মতে, জোরপূর্বক মানুষকে গুম করা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। তারা বলেছে, ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি এবং নিহতদের মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে ইসরায়েলের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে নিখোঁজ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত করতে একটি জিনগত তথ্যভান্ডার বা ডিএনএ ডাটাবেজ গড়ে তোলারও আহ্বান জানিয়েছে আল-দামির।


 

ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতির ‘পাইলট জোন’ নিয়ে ধোঁয়াশা

অনলাইন ডেস্ক
ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতির ‘পাইলট জোন’ নিয়ে ধোঁয়াশা
ছবি: ইপিএ

লেবানন সরকার ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কয়েকটি ‘পাইলট জোন’ বা পরীক্ষামূলক অঞ্চল নির্ধারণে সমঝোতা হয়েছে। তবে এসব অঞ্চল কীভাবে পরিচালিত হবে এবং সেখানে কার্যক্রম কোন পদ্ধতিতে এগোবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার আগে দুই দেশের সামরিক প্রতিনিধিদের মধ্যে একাধিক কারিগরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ওই বৈঠকগুলোতেই পাইলট জোনের অবস্থান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

জানা গেছে, এমন কিছু এলাকা বেছে নেওয়া হবে যেগুলোকে পর্যাপ্ত নিরাপদ বলে বিবেচনা করা হবে। একই সঙ্গে নিশ্চিত করা হবে যে, ওই অঞ্চলগুলোতে হিজবুল্লাহর কোনো ধরনের উপস্থিতি বা কার্যক্রম থাকবে না।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় এবং ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে লেবাননের সেনাবাহিনী এসব এলাকায় দায়িত্ব গ্রহণ করবে। কোন সময় এবং কীভাবে সেনাবাহিনী ওই অঞ্চলগুলোতে প্রবেশ করবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে লেবাননের সামরিক কর্তৃপক্ষ।

তবে পুরো প্রক্রিয়াটি কোন সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন হবে, কিংবা ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো সময়সূচি প্রকাশ করেনি।

উল্লেখ্য যে, 'পাইলট জোন' বলতে সাধারণত এমন একটি পরীক্ষামূলক বা সীমিত এলাকা বোঝায়, যেখানে কোনো নতুন পরিকল্পনা, চুক্তি, নীতি বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রথমে ছোট পরিসরে বাস্তবায়ন করে দেখা হয়। এটি সফল হলে পরে আরো বড় এলাকায় বা পুরো অঞ্চলে তা সম্প্রসারণ করা হয়।

সকালে টিকিট কেটে দুপুরে কোটিপতি!

অনলাইন ডেস্ক
সকালে টিকিট কেটে দুপুরে কোটিপতি!
সংগৃহীত ছবি

মুহূর্তের মধ্যে কার ভাগ্য কোন দিকে মোড় নেয় তা বলা যায় না! আর এ ভাগ্য পরিবর্তন বদলে দিতে পারে মানুষের জীবনও। তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ক্রান্তি ব্লকের ধলাবাড়ি গ্রামের যুবক আনারুল হক।

সকালে লটারির টিকিট কেটে দুপুরেই প্রথম পুরস্কার জিতে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গেলেন এই যুবক। এই খবরে আনন্দে ভাসছে গোটা গ্রাম।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের তথ্য মতে, আনারুল বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিদ্যুৎ মিটারের বিল রিডিং সংগ্রহের কাজ করেন। সাধারণ পরিবারের সন্তান আনারুলের বাবা চা-বাগানের শ্রমিক। সংসারের নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তিনি মাঝে মধ্যেই শখে লটারির টিকিট কাটতেন।

জানা গেছে, বুধবার সকালে তিনি বারঘরিয়ার একটি লটারি কাউন্টার থেকে নাগাল্যান্ড স্টেট লটারির একটি টিকিট কিনেছিলেন। পরে ফলাফল প্রকাশিত হলে কাউন্টার মালিক তপন সরকার তাকে জানান, তার টিকিটে এক কোটি টাকার প্রথম পুরস্কার পাওয়া গেছে। সুখবরটি পাওয়ার পর আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন আনারুল।

মুহূর্তের মধ্যেই খবরটি ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। এরপর থেকেই তার বাড়িতে ভিড় জমাতে শুরু করেন প্রতিবেশী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। পরিবারের সদস্যদের মুখেও ফুটে ওঠে স্বস্তি ও আনন্দের হাসি। বাবা-মা, আত্মীয়-স্বজন থেকে শুরু করে গ্রামের মানুষ সবাই তার এই সাফল্যে উচ্ছ্বাসিত। আনারুলের এ সাফল্যে নতুন স্বপ্ন দেখছে তার পরিবারও।

নেতানিয়াহুকে ‘পাগল’ বলেছি, স্বীকার করলেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
নেতানিয়াহুকে ‘পাগল’ বলেছি, স্বীকার করলেন ট্রাম্প
ছবি : রয়টার্স

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ থামানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মধ্যেই এক ফোনালাপে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে ‘পাগল’ বলে মন্তব্য করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্রকে নিয়ে এমন কঠোর মন্তব্যের কথা এবার নিজেই স্বীকার করেছেন তিনি।

বুধবার প্রচারিত ‘পড ফোর্স ওয়ান’ পডকাস্টে ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি কি সত্যিই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘একেবারে পাগল’ বলেছিলেন এবং তাকে অকৃতজ্ঞ বলে অভিযুক্ত করেছিলেন?

জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, বলেছিলাম।’ তবে তিনি দাবি করেন, তিনি রাগান্বিত ছিলেন না। বরং লেবাননকে ঘিরে ইসরায়েলের চলমান সামরিক তৎপরতায় বিরক্ত হয়েছিলেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বলব না যে আমি রেগে গিয়েছিলাম। লেবাননের সঙ্গে তার ক্রমাগত লড়াইয়ে আমি কিছুটা বিরক্ত ছিলাম।’

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবারের ওই ফোনালাপে ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে বলেন, ‘তুমি একটা বদ্ধ পাগল। আমি না থাকলে তুমি জেলে থাকতে। আমি তোমার জীবন বাঁচাচ্ছি। এখন সবাই তোমাকে ঘৃণা করে। এ কারণেই সবাই ইসরায়েলকে ঘৃণা করে।’

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরো জানান, একপর্যায়ে তিনি নেতানিয়াহুকে বলেছিলেন, ‘আমাদের এটা থামাতে হবে। আমাদের এটা বন্ধ করতেই হবে।’

তবে কঠোর ভাষা ব্যবহার করলেও ট্রাম্প দাবি করেছেন, নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার সম্পর্ক এখনও খুব ভালো রয়েছে। অন্যদিকে নেতানিয়াহুও এই ফোনালাপের বিস্তারিত প্রকাশ করতে রাজি হননি। তবে তিনি বলেছেন, ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্কের কোনো পরিবর্তন হয়নি এবং উভয় নেতা এখনও অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন।

নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য রয়েছে। তবে সেরা পরিবারগুলোর মধ্যেও যেমন কৌশলগত মতপার্থক্য দেখা যায়, আমাদের মধ্যেও কখনও কখনও তেমন মতভেদ হয়।’

বুধবার সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি আরো বলেন, ‘হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় বন্ধু ছিলেন ট্রাম্প। তিনি আমাকে সম্মান করেন, আমিও তাকে সম্মান করি। আমাদের মধ্যে কোনো মতপার্থক্য তৈরি হলে আমরা সবসময়ই তা সমাধানের পথ খুঁজে নিই।’

এদিকে ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের কোনো চুক্তিতে তারা সম্মত হবে না, যদি সেই যুদ্ধবিরতি লেবাননকেও অন্তর্ভুক্ত না করে। তেহরানের দাবি, গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর শুরু করা সংঘাতের অংশ হিসেবেই মার্চ মাসে ইসরায়েল লেবাননে অভিযান চালায়। ইসরায়েলের লক্ষ্য ছিল ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ যারা তেহরানের সমর্থনে সীমান্তজুড়ে হামলা চালিয়ে আসছিল।

সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় একটি সমঝোতা ঘোষণা করা হয়। এর আওতায় ইসরায়েল বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে বড় ধরনের হামলা থেকে সরে আসে। এটি হিজবুল্লাহর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত, অন্যদিকে হিজবুল্লাহও সীমান্তপার হামলা বন্ধ করতে সম্মত হয়। তবে ওই সমঝোতার পরও উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি এবং বিভিন্ন এলাকায় সংঘাত অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে বুধবার দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন বলে লেবাননের নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে। একই দিনে বৈরুতের দক্ষিণে একটি গাড়িকেও লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, নেতানিয়াহু কি তাকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে প্ররোচিত করেছিলেন? জবাবে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে বলেন, এ ধরনের অভিযোগ তার রাজনৈতিক বিরোধীদের প্রচার।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমিই এটি শুরু করেছি। কারণ আমরা ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দিতে পারি না।’

তিনি আরো দাবি করেন, ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করত, তাহলে প্রথম আঘাতের শিকার হতে পারত ইসরায়েল। ট্রাম্প বলেন, ‘ইসরায়েলের অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়ত। আমি না থাকলে আজ ইসরায়েলও থাকত না।’ ট্রাম্প আবারও তার প্রথম মেয়াদে নেওয়া সিদ্ধান্তের পক্ষে অবস্থান নেন।

তিনি বলেন, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং বিশ্বশক্তিগুলোর সঙ্গে ২০১৫ সালে ইরানের যে পারমাণবিক চুক্তি হয়েছিল, তা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। ওই চুক্তির আওতায় ইরান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে তার পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করতে রাজি হয়েছিল।

তবে ২০১৮ সালে ট্রাম্প চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর ইরান উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত বাড়ায়। এখন ট্রাম্প চাইছেন, তেহরান সেই কর্মসূচি পুরোপুরি ত্যাগ করুক।

তবে ট্রাম্পের সমালোচকদের দাবি, চুক্তি বাতিলের ফলে ইরান আগের চেয়ে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। তাই নতুন করে ভালো কোনো চুক্তি করা ট্রাম্পের জন্য কঠিন হতে পারে।