• ই-পেপার

সালমানের পাঠানো লিগ্যাল নোটিশ ছিঁড়ে ফেললেন সেই প্রযোজক

‘ফিল্ম পলিটিকসের শিকার’ প্রসঙ্গে কী বললেন শাকিব খান?

বিনোদন প্রতিবেদক
‘ফিল্ম পলিটিকসের শিকার’ প্রসঙ্গে কী বললেন শাকিব খান?
সংগৃহীত ছবি

ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রকস্টার’ সিনেমা নিয়ে চলা নেতিবাচক প্রচারণা এবং তথাকথিত ‘ফিল্ম পলিটিকস’ প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান।

মুক্তির প্রথম সপ্তাহ শেষে বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরার স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটির প্রচারণায় অংশ নেন তিনি। সেখানে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সিনেমাটিকে ঘিরে ছড়ানো নেতিবাচক প্রচারণার সমালোচনা করেন এই অভিনেতা।

শাকিবের অভিযোগ, সিনেমা মুক্তির প্রথম দিন থেকেই একটি নির্দিষ্ট মহল পরিকল্পিতভাবে শুধু নেতিবাচক প্রতিক্রিয়াগুলো প্রচার করেছে। ইতিবাচক মন্তব্যগুলো আড়াল করে বেছে বেছে সমালোচনামূলক অংশ ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘একটা সিনেমায় পজিটিভ-নেগেটিভ রিভিউ হয়। শুধু  নেগেটিভ রিভিউ কেটে কেটে প্রচার করলো প্রথম দিন—এর ব্যাপারটা বুঝলাম না। এই আক্ষেপটা কার প্রতি? আক্ষেপটা কি আমার প্রতি? এই চক্রান্তটা কার প্রতি? আমার প্রতি? সানমোশন পিকচার্সের প্রতি? না রুশোর প্রতি? না আমার অন্যান্য কোনো আর্টিস্টের, আমার নায়িকাদের প্রতি? কার প্রতি আমি বুঝলাম না। নাকি বাংলা সিনেমার প্রতি?’

তার মতে, কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী বাংলা সিনেমার অগ্রগতি দেখতে চায় না। নতুন ধরনের গল্প ও নির্মাণশৈলী নিয়ে কোনো সিনেমা এগিয়ে এলে সেটিকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়।

শাকিব খান বলেন, দর্শকদের নতুন কিছু দেখানোর প্রচেষ্টা চললেও একটি পক্ষ এখনো পুরনো ধাঁচের সিনেমার মধ্যেই চলচ্চিত্রকে সীমাবদ্ধ রাখতে চায়। তবে এসব বিষয়কে তিনি দীর্ঘ ক্যারিয়ারের অংশ হিসেবেই দেখছেন।

এ সময় দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ‘ফিল্ম পলিটিকস’-এর শিকার হওয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন উঠলে তা নিয়েও সরাসরি কথা বলেন এই নায়ক।

প্রায় ২৭ বছরের ক্যারিয়ারে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেছেন উল্লেখ করে তিনি জানান, সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছানোর মতো সেখানে টিকে থাকাও সমান কঠিন। 

শাকিব বলেন, ক্যারিয়ারের প্রথম বছর থেকেই আমি পলিটিকসের শিকার। যদিও আমি এটাকে শিকার বলি না। আমার কাছে মনে হয়, পাহাড়ের চূড়ায় উঠতে কষ্ট করেই উঠতে হয়। আবার চূড়ায় যদি থাকতে হয় তাহলেও অনেক স্ট্রাগল, কষ্ট করেই থাকতে হয়। এটা আমাদের ক্যারিয়ারেরই অংশ। 

অভিনেতার দাবি, মুক্তির পর দ্বিতীয় দিন থেকেই প্রেক্ষাগৃহে দর্শক উপস্থিতি বেড়েছে, যা প্রমাণ করে যে সব ধরনের সমালোচনা ও বিতর্কের পরও ভালো কাজ শেষ পর্যন্ত দর্শকের সমর্থন পায়।
 

বিয়ের ১০ বছর পর যমজ সন্তানের মা হলেন অভিনেত্রী

বিনোদন ডেস্ক
বিয়ের ১০ বছর পর যমজ সন্তানের মা হলেন অভিনেত্রী
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ ১০ বছরের অপেক্ষার অবসান হলো। অবশেষে মা হওয়ার সুখবর দিলেন ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সম্ভাবনা শেঠ। একসঙ্গে এক পুত্র ও এক কন্যাসন্তানের জন্ম হয়েছে তার পরিবারে। 

সুখবরটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন সম্ভাবনা ও তার স্বামী অবিনাশ দ্বিবেদী।

ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা একটি ছবিতে দেখা যায়, হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছেন সম্ভাবনা ও অবিনাশ। অভিনেত্রীর কোলে রয়েছে তাদের যমজ সন্তান। ছবিতে ‘প্যারেন্টস অব টুইনস’ লেখা ছাড়াও একটি নীল ও একটি গোলাপি বেলুন দেখা যায়, যা ছেলে ও মেয়েশিশুর আগমনের ইঙ্গিত দেয়।

ছবিটি পোস্ট করে তারকা দম্পতি লিখেছেন, ‘এই বছর আমাদের বাড়িতে মহা দীপাবলি আগেই এসে গিয়েছে। লক্ষ্মী এবং গণেশ একসঙ্গে এসেছেন। মহাদেবের প্রতি আমাদের হৃদয় কৃতজ্ঞতায় পূর্ণ। হর হর মহাদেব।’

এর আগে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে সম্ভাবনা জানিয়েছিলেন, সারোগেসির মাধ্যমে মা হতে যাচ্ছেন তিনি। স্বামীকে নিয়ে একটি বিশেষ পোস্টে সেই সুখবর প্রকাশ করেন অভিনেত্রী।

সেই পোস্টে একটি ছবিতে দেখা যায়, তারা দুজন একটি সংবাদপত্র হাতে ধরে আছেন। সেখানে লেখা ছিল—‘স্যাম অ্যাভির বেবি। ব্রেকিং নিউজ। কামিং সুন। আমরা প্রেগন্যান্ট।’

আরেকটি ছবিতে ছিল শিশুর জুতো, আরেকটিতে তাদের পোষা কুকুরের সঙ্গে রাখা ছিল অনাগত সন্তানের আলট্রাসনোগ্রাফির ছবি।

পোস্টের ক্যাপশনে সম্ভাবনা লিখেছিলেন, ‘আমি গর্ভবতী। আমাদের মিষ্টি গল্পটি এখন প্রযোজনায়, প্রেম, আশা এবং সারোগেসির মাধ্যমে। কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে।’

সন্তান জন্মের খবর প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছায় ভাসছেন সম্ভাবনা ও অবিনাশ। ভক্তদের পাশাপাশি অভিনন্দন জানিয়েছেন শোবিজ অঙ্গনের অনেক তারকাও।

উল্লেখ্য, বিয়ের পর একাধিকবার গর্ভধারণজনিত জটিলতা ও মিসক্যারেজের কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল সম্ভাবনাকে। দীর্ঘ অপেক্ষা ও সংগ্রামের পর অবশেষে একসঙ্গে দুই সন্তানের আগমনে আনন্দে ভাসছে এই তারকা দম্পতির পরিবার।

হঠাৎ কেন কটাক্ষের শিকার আনুশকা?

বিনোদন ডেস্ক
হঠাৎ কেন কটাক্ষের শিকার আনুশকা?
সংগৃহীত ছবি

ঠাৎ করেই বিতর্কে জড়ালেন আনুশকা শর্মা। হোমিওপ্যাথি নিয়ে একটি মন্তব্য করে বিপাকে পড়েছেন অভিনেত্রী। কটাক্ষের শিকার হচ্ছেন তিনি।

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক রাজন শঙ্করন এবং শিল্পোদ্যোগী নমিতা থাপারের কথোপকথনের ভিডিও শেয়ার করে আনুশকা জানান, হোমিওপ্যাথি এবং রাজন শঙ্করনের পরামর্শ তাঁকেও স্বাস্থ্যের দিক থেকে সাহায্য করেছে।

আনুশকা লিখেছেন, “হোমিওপ্যাথি আমার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং চিকিৎসক রাজন শঙ্করনেরও বড় ভূমিকা আছে। স্বাস্থ্য-সচেতন জীবনযাপন সম্পর্কে তাঁর ভাবনাকে আমি মূল্য দিই।”

আনুশকার শেয়ার করে নেওয়া ভিডিওতে আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় হোমিওপ্যাথির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রতিটি চিকিৎসাপদ্ধতির সহাবস্থানের কথাও বলা হয় সেই ভিডিওতে। 

সেই ভিডিওতে রাজন বলেন, “হোমিওপ্যাথি আসলে রোগের চিকিৎসা করে না, মানুষের চিকিৎসা করে। মানুষকে সুস্থ করার মাধ্যমে তার রোগও সেরে ওঠে। হোমিওপ্যাথি সবার চিকিৎসা করতে পারে।” 

আনুশকা এই ভিডিও শেয়ার করতেই তাঁকে এক হেপাটোলজিস্ট কটাক্ষ করেন। তিনি সমাজমাধ্যমে ‘দ্য লিভার ডক’ নামে পরিচিত। আনুশকা, নমিতা থাপার ও রাজনকে ‘অশিক্ষিত তারকা’ বলেও আক্রমণ করেন তিনি। 

একটি পোস্টে তিনি লেখেন, “হোমিওপ্যাথি হল জল, অ্যালকোহল এবং চিনি দিয়ে তৈরি ‘ওষুধ’। দাম দিয়ে চিনির বড়ি কেনা ছাড়া আর কিছু নয়।”

তবে এই কটাক্ষ নিয়ে আর মুখ খোলেননি আনুশকা। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে।

ক্রাইম থ্রিলার ‘ব্রাউন’ দিয়ে ওটিটি-তে কারিশমা কাপুর

অনলাইন ডেস্ক
ক্রাইম থ্রিলার ‘ব্রাউন’ দিয়ে ওটিটি-তে কারিশমা কাপুর
সংগৃহীত ছবি

ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘জি ফাইভ’-এ মুক্তি পেতে যাওয়া ক্রাইম থ্রিলার সিরিজ ব্রাউন-এর প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন কারিশমা কাপুর। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, এই সিরিজের মূল আকর্ষণ হলো এর প্রধান নারী চরিত্র ‘রিতা ব্রাউন’—যে আক্ষরিক অর্থেই বাস্তব জীবনের এক ভাঙাচোরা ও ত্রুটিপূর্ণ মানুষ।

কারিশমা কাপুর জানান, শুরুতে এই সিরিজের প্রস্তাব তিনি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কলকাতায় টানা ৫০ থেকে ৬০ দিন শুটিং করার কথা শুনে তিনি সরাসরি ‘না’ বলে দেন। তবে নির্মাতা দলের ক্রমাগত অনুরোধে শেষ পর্যন্ত তিনি চিত্রনাট্য শোনেন। চরিত্রটির কথা শোনার পর তিনি আর না বলতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘ব্যক্তি হিসেবে রিতা আমার চেয়ে একদম আলাদা, আর এটাই আমাকে আকর্ষণ করেছে।’

নির্মাতারা রিতা চরিত্রটিকে কোনো রকম গ্ল্যামার ছাড়া পর্দায় তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। কারিশমা জানান, পরিচালকের কাছে চরিত্রটির রূপ নিয়ে স্পষ্ট ধারণা ছিল। রিতার হাঁটাচলার ধরন থেকে শুরু করে মেকআপ ছাড়া চেহারা, এমনকি অতিরিক্ত ধূমপানের কারণে তার ঠোঁট বেগুনি হয়ে যাওয়া—সবকিছুই খুব যত্ন নিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কারিশমার মতে, বিশ্বজুড়ে এখন গল্প বলার ধরন পাল্টাচ্ছে এবং পর্দায় নারীদের শুধু একভাবে না দেখিয়ে তাদের জীবনের সব চড়াই-উতরাই ও বহুমাত্রিক রূপ দেখানো হচ্ছে।

কারিশমা কাপুরের ক্যারিয়ারে যেমন ‘বিবি নং ১’ বা ‘রাজা হিন্দুস্তানি’র মতো বাণিজ্যিক সিনেমা রয়েছে, তেমনি ‘ফিজা’, ‘জুবাইদা’ ও ‘শক্তি’র মতো শক্তিশালী চলচ্চিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতাও রয়েছে। তবে তিনি এই ধারণার সঙ্গে একমত নন যে কেবল আজকালের ওটিটি যুগেই নারীদের জন্য শক্তিশালী চরিত্র লেখা হচ্ছে।

কারিশমা বলেন, ‘আমরা বলতে পারি না যে আগে হিন্দি সিনেমায় শক্তিশালী চরিত্র ছিল না। ‘মাদার ইন্ডিয়া’ থেকে শুরু করে প্রতিটি দশকেই এমন কালজয়ী চরিত্র তৈরি হয়েছে। যেমন ২০০০-এর দশকে আমার করা ‘ফিজা’ বা ‘শক্তি’র চরিত্রগুলোও নিজ নিজ জায়গায় খুবই দৃঢ় ছিল। তবে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আসার কারণে এখন আমরা মানুষের ভেতরের ভিন্ন ও জটিল দিকগুলো আরো বেশি করে অন্বেষণ করার সুযোগ পাচ্ছি।’

সূত্র : ভ্যারাইটি ইন্ডিয়া