• ই-পেপার

এশিয়ান গেমসের ক্রিকেটে জায়গা পেল নেপাল, মালয়েশিয়া, হংকং ও ওমান

বিশ্বকাপ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ছে যৌনকর্মীদের ভিড়

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ছে যৌনকর্মীদের ভিড়
সংগৃহীত ছবি

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে নিউ ইয়র্ক ও নিউ জার্সি অঞ্চলে ব্যাপক দর্শক সমাগমের প্রস্তুতি চলছে। আয়োজকদের ধারণা, মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচগুলো উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১২ লাখ ফুটবলপ্রেমী এই অঞ্চলে ভিড় জমাবেন।

এই বিশাল জনসমাগমকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন খাতের ব্যবসার পাশাপাশি এসকর্ট সেবার চাহিদাও বেড়েছে বলে স্থানীয় কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। অনেক সেবাদাতা জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ শুরুর আগেই তাদের বুকিং ও অনুসন্ধানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

কিছু এসকর্ট কর্মী দাবি করেছেন, বিদেশি পর্যটকদের কাছ থেকে আগের তুলনায় অনেক বেশি যোগাযোগ পাচ্ছেন তারা। বিশেষ করে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আগত দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্রুকলিনের এক যৌনকর্মী ‘দ্য পোস্টকে’ জানান, তিনি তার বিশেষ সেবার জন্য পুরো দিনের জন্য ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত পারিশ্রমিক নেন। বিশ্বকাপ সামনে রেখে নতুন গ্রাহকের অনুরোধে তিনি প্রায় অভিভূত।

তার ভাষায়, ‘আমি প্রচুর নতুন ক্লায়েন্টের অনুরোধ পাচ্ছি।’

ঘণ্টাপ্রতি ৮০০ ডলারে সেবা দেওয়া ওই নারী জানান, মে মাসে তার অনলাইন প্রোফাইলে আগ্রহ ও যোগাযোগের পরিমাণ তিন গুণ বেড়েছে। বিশেষ করে দম্পতিদের কাছ থেকে আগের তুলনায় অনেক বেশি অনুরোধ পাচ্ছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘সাধারণত প্রতি মাসে একটি নতুন দম্পতির অনুরোধ পাই। কিন্তু গত এক মাসে ২৫টি অনুরোধ পেয়েছি।’

নিউ জার্সিভিত্তিক আরেক যৌনকর্মী জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ উপলক্ষে শহরে আসা কয়েকজন গ্রাহক ইতিমধ্যেই তার সময় নিশ্চিত করতে ৩ হাজার ডলার করে অগ্রিম জমা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘জুন মাস দ্রুত ভরে যাচ্ছে। কোনো ক্লায়েন্ট শহরে এলেই তার জন্য প্রস্তুত থাকার প্রত্যাশা থাকে। আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’

তার দাবি, তিনি ইতিমধ্যে ইউরোপের দুই গ্রাহকসহ বেশ কয়েকজনের বুকিং নিশ্চিত করেছেন।

তবে বিশ্বকাপ ঘিরে শুধু ব্যাবসায়িক ব্যস্ততাই বাড়ছে না, নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর উদ্বেগও বাড়ছে। বিশেষ করে মানবপাচারের ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

নিউ জার্সি স্টেট অ্যাসোসিয়েশন অব চিফস অব পুলিশের সভাপতি অ্যান্ড্রু ক্যাজিয়ানো সতর্ক করে বলেছেন, বড় ধরনের আন্তর্জাতিক আয়োজনের সময় মানবপাচারকারীরা সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করে।

এ কারণে বিশ্বকাপ চলাকালে নিরাপত্তা জোরদার করতে নিউ জার্সি স্টেট পুলিশ প্রায় ১,২০০ সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা করেছে। তারা বিভিন্ন অফিশিয়াল ও অনানুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানস্থলে নজরদারি চালাবে।

এ ছাড়া মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইমস এনফোর্সমেন্ট নেটওয়ার্ক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, বিশ্বকাপ উপলক্ষে বাড়তি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ নিয়ে যৌন ও শ্রম পাচারের ঘটনা বাড়তে পারে।

নিউ জার্সির অ্যাটর্নি জেনারেল জেনিফার ডেভেনপোর্ট জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ চলাকালে দর্শনার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজ্য প্রশাসন বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে।

উল্লেখ্য, নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের মোট আটটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যার মধ্যে রয়েছে ১৯ জুলাইয়ের ফাইনালও।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন ভারতীয় উইকেটরক্ষক

ক্রীড়া ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন ভারতীয় উইকেটরক্ষক
ছবি : আইসিসি

ভারতীয় উইকেটরক্ষক-ব্যাটার কনা শ্রিকার ভারত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তায় নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান ৩২ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। 

জাতীয় দলের হয়ে হয়ে সাতটি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন ভারত। তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ ছিল ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিশাখাপত্তনমে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তিনি মোট ২২১ রান করেন এবং উইকেটের পেছনে ১৯টি ডিসমিসাল সম্পন্ন করেন। ব্যাট হাতে তার সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ২০২৩ সালে আহমেদাবাদে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে করা ৪৪ রান।

সেই পারফরম্যান্সের সুবাদেই ২০২৩ সালে লন্ডনের দ্য ওভালে অনুষ্ঠিত আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতের একাদশে জায়গা করে নিয়েছিলেন ভারত। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেই ম্যাচে তিনি দ্বিতীয় ইনিংসে ২৩ রান করেছিলেন এবং উইকেটের পেছনে পাঁচটি ডিসমিসাল করেছিলেন।

অবসরের ঘোষণা দিয়ে ভারত লিখেছেন, ‘গর্বিত হৃদয় এবং গভীর কৃতজ্ঞতা নিয়ে আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিচ্ছি। দেশের হয়ে খেলার সুযোগ পাওয়া আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান।’

নিজের বার্তায় তিনি সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি সাবেক প্রধান কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের অবদানও স্মরণ করেন।

ভারত বলেন, ‘আমার আইপিএল অভিষেকের অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে ধন্যবাদ। তিনি আমাকে নিজের সামর্থ্য দেখানোর সুযোগ দিয়েছিলেন এবং পরিচিতি পেতে সাহায্য করেছিলেন।’

রোহিত শর্মাকে উদ্দেশ্য করে তিনি লেখেন, ‘ভারতের হয়ে আমার টেস্ট অভিষেক হয়েছিল রোহিত শর্মার অধিনায়কত্বে। সেই মুহূর্তের মূল্য ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।’

রাহুল দ্রাবিড় সম্পর্কে ভারত বলেন, “ইন্ডিয়া ‘এ’ দল থেকে শুরু করে জাতীয় দলে ওঠার পথে তার দিকনির্দেশনা আমি কখনো ভুলব না। তার সমর্থন না পেলে ভারতীয় টেস্ট ক্রিকেটার হওয়া সম্ভব হতো না।”

ফ্রেঞ্চ ওপেনের সেমিতে হাত মেলালেন না দুই প্রতিদ্বন্দ্বী, ফাইনালে আন্দ্রেভা

ক্রীড়া ডেস্ক
ফ্রেঞ্চ ওপেনের সেমিতে হাত মেলালেন না দুই প্রতিদ্বন্দ্বী, ফাইনালে আন্দ্রেভা
ছবি : রয়টার্স

ফ্রান্স ওপেনের সেমিফাইনালে শীর্ষ বাছাই রুশ তারকা মিরা আন্দ্রেভার কাছে বড় ব্যবধানে হেরে বিদায় নিয়েছেন ইউক্রেনের মার্তা কস্তিউক। এতেই রোলা গ্যারোতে (ফ্রেঞ্চ ওপেন) মেয়েদের এককের ফাইনালে পৌঁছে গেলেন রাশিয়ার ১৯ বছর বয়সী কিশোরী মিরা। 

কস্ত্যুককে ৬-১, ৬-৩ গেমে উড়িয়ে দিয়ে ম্যাচটিতে নিজের পরিণত মানসিকতার পরিচয় দেন রুশ উদীয়মান তারকা। গত ৩০ বছরে মার্টিনা হিঙ্গিস, কিম ক্লাইস্টার্স ও কোকো গফের পর চতুর্থ সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালে ওঠার রেকর্ড গড়লেন আন্দ্রেভা।

মাত্র ১৫ বছর বয়স থেকে শীর্ষ স্তরে খেলা আন্দ্রেভা এত দিন নিজের রাগ, আবেগ এবং প্রত্যাশার চাপ সামলাতে বেশ ভুগছিলেন। তবে অবশেষে যেন তিনি নিজেকে চিনেছেন এবং বড় শিরোপার জন্য প্রস্তুত করেছেন। ম্যাচ শেষে আন্দ্রেভা বলেন, ‘আমি নিজেকে শান্ত ও ইতিবাচক রাখার চেষ্টা করছি। ইদানীং আমি অনেক কিছু নিয়ে কাজ করছিলাম। মনে হচ্ছে, শেষ পর্যন্ত আমি সঠিক পথটি খুঁজে পেয়েছি যা আমার জন্য কাজ করছে।’

পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনের বিষয়টি বারবার আলোচনায় এসেছে। টুর্নামেন্ট শুরুর ঠিক ১১ দিন আগে, প্রথম রাউন্ডের ম্যাচের দিন সকালে কস্তিউক জানতে পারেন যে ইউক্রেনে তার পারিবারিক বাড়ির মাত্র ১০০ মিটার দূরে একটি রুশ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। যেখানে তার মা, বোন ও নানি অবস্থান করছিলেন। ক্যারিয়ারের সেরা গ্র্যান্ড স্লাম সফর শেষে সেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের খেলোয়াড়ের কাছে হেরেই বিদায় নিতে হলো তাকে।

হারের পর কস্তিউক বলেন, ‘কোয়ার্টার ফাইনালের পর দর্শকরা যেভাবে আমাকে দাঁড়িয়ে সম্মান জানিয়েছে, তা আমি কোনো দিন ভুলব না। এই স্মৃতি আমি চিরকাল বয়ে বেড়াব। বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে কোনো খেলোয়াড় যদি বলে যে তাদের কোনো প্রভাব নেই, আমি তা কখনোই বিশ্বাস করব না। কারণ আমি নিজে এর প্রমাণ পেয়েছি।’

এদিকে ম্যাচের আগে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আশা করি পরিস্থিতি নিয়ে সবার একটি স্পষ্ট অবস্থান থাকবে, বিশেষ করে যখন আপনার দেশ অন্য দেশের মানুষকে হত্যা করছে। এই পরিস্থিতির পরও কোনো কথা না বলে কেউ কীভাবে রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারে, তা আমার জানা নেই।’

গত চার বছর ধরে ডব্লিউটিএ ট্যুরে ইউক্রেন এবং রাশিয়ার খেলোয়াড়দের এই বৈরিতা নিয়মিত রূপ নিয়েছে। ম্যাচের আগে টসের সময় দুই দেশের খেলোয়াড়রা শিশুদের সঙ্গে আলাদাভাবে ছবি তোলেন। ম্যাচ শেষে যথারীতি আন্দ্রেভার সঙ্গে করমর্দন করা থেকে বিরত থাকেন কস্তিউক। 

অন্যদিকে, ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় জয়ের পরও আন্দ্রেভাকে দেখা যায় বেশ সংযত। কস্তিউক করমর্দন করবেন না এমন সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে ম্যাচ জয়ের পর জালের দিকে এগিয়ে যাওয়ার গতি কমিয়ে দেন তিনি, যাতে দুই খেলোয়াড়কে একই সময়ে নেটের সামনে মুখোমুখি হতে না হয়। 

চেলসি কিংবদন্তি ববি ট্যাম্বলিং আর নেই

ক্রীড়া ডেস্ক
চেলসি কিংবদন্তি ববি ট্যাম্বলিং আর নেই
সংগৃহীত ছবি

ইংলিশ ক্লাব চেলসির কিংবদন্তি ফুটবলার ববি ট্যাম্বলিং মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। 

১৯৫৯ থেকে ১৯৭০ সালের মধ্যে চেলসির হয়ে ৩৭০ ম্যাচে ২০২ গোল করেছিলেন ট্যাম্বলিং। ক্লাবের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার এই রেকর্ড তিনি চার দশকেরও বেশি সময় ধরে ধরে রেখেছিলেন। অবশেষে ২০১৩ সালে ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড তার সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়েন।

ল্যাম্পার্ড রেকর্ডটি নিজের করে নেয়ার পর ট্যাম্বলিং মজার ছলে বলেছিলেন, ‘গত কয়েক বছরে আমাদের মধ্যে বেশ ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল। কারণ আমরা দুজনই জানতাম, একদিন না একদিন এই দিনটি আসবেই।’
 
তিনি আরো বলেছিলেন, “আমি সবসময় ফ্র্যাঙ্ককে বলতাম, ‘চলো ফ্র্যাঙ্ক, তাড়াতাড়ি করো।’ আর আমার সঙ্গী মজা করে বলতেন, ‘ফ্র্যাঙ্ক, আর কোনো পেনাল্টি নিও না।”

তবে একটি রেকর্ড এখনো ট্যাম্বলিংয়ের দখলেই রয়েছে। ১৯৬৬ সালে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে এক ম্যাচে পাঁচ গোল করে তিনি চেলসির হয়ে এক ম্যাচে সর্বাধিক গোলের কীর্তি গড়েছিলেন।

মাত্র ১৭ বছর বয়সে চেলসির জার্সিতে অভিষেক হয় তার। ১৯৬৫ সালের ফুটবল লিগ কাপ ফাইনালে লেস্টার সিটি এবং ১৯৬৭ সালের এফএ কাপ ফাইনালে টটেনহ্যামের বিপক্ষেও গোল করেছিলেন তিনি।

চেলসির হয়ে দুর্দান্ত সময় কাটানোর পরও ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে মাত্র তিনটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন ট্যাম্বলিং। ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপজয়ী ইংল্যান্ড দলেও জায়গা হয়নি তার।

চেলসি ছাড়ার পর তিনি লন্ডনের আরেক ক্লাব ক্রিস্টাল প্যালেসে খেলেন। পরে আয়ারল্যান্ডে ক্যারিয়ার শেষ করে অবসরের পর সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।

আয়ারল্যান্ডের কর্ক শহরে বসতি গড়ে তিনি স্থানীয় বেশ কয়েকটি ক্লাবের কোচ ও ম্যানেজার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। জীবনের শেষ সময়ে ট্যাম্বলিং ডিমেনশিয়া রোগে ভুগছিলেন।