ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক বলেছেন, ‘দলে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা হবে। যারা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা কিংবা অন্য কোনো অপকর্মে জড়িত, তাদের বিএনপিতে কোনো স্থান নেই। রাজনীতিকে ব্যবহার করে যারা এসব করতে চান, তারা দল থেকে চলে যান।’
শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে ঢাকার দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খন্দকার আবু আশফাক বলেন, ‘এবারের বাজেট সব শ্রেণি-পেশার মানুষের বাজেট। এ বাজেট দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের কথা বিবেচনা করেই প্রণয়ন করা হয়েছে। একটি দল ২৪-এর আবেগ বিক্রি করতে চায়। কিন্তু ২৪ শুধু একটি দলের নয়, এটি পুরো জাতির অর্জন। জুলাই সবার আবেগ ও গর্বের প্রতীক।’
তিনি জুলাই আন্দোলনে শহীদদের স্মরণ করে বলেন, ‘জুলাইয়ের শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।
ধর্মকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের সমালোচনা করে এই সাংসদ বলেন, ‘কোনো ধর্মকে আমরা আলাদা করে দেখতে চাই না। ধর্মকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার বা বিক্রি করতে দেওয়া হবে না।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘তারেক রহমান একজন দূরদর্শী ও গতিশীল নেতা। তাঁকে দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। তাঁর বৃহৎ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে এবং একসময় বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।’
দীর্ঘ ১৭ বছর পর অনুষ্ঠিত এ কর্মী সম্মেলন উদ্বোধন করেন ঢাকা জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল হাসেম বেপারী। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন দোহার উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোশারফ হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন মো. জহিরুল ইসলাম ও মো. মাহবুব বেপারী।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. জাকির হোসেন মন্ডল মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মিজানুর রহমান, মো. জাকির হোসেন মাস্টার, হিরণ শেখ, মুকসুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম বেপারী ও মুকসুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. আব্দুর রাজ্জাকসহ প্রমুখ।





