• ই-পেপার

ভূরুঙ্গামারীতে মার্কেটে আগুন, ভস্মীভূত ১০৫টি দোকান

সরাইলে প্রাইভেটকার-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ১

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
সরাইলে প্রাইভেটকার-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ১
সংগৃহীত ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে প্রাইভেটকার-সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বাড়িউড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থেকে ঢাকা-সিলেট হাইওয়ে দিয়ে মাধবপুরের দিকে যাচ্ছিল। বাড়িউড়া নামক স্থানে পৌঁছলৈ বিপরীত দিক থেকে আসা একটি প্রাইভেটকারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ওলি মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হন। 

আরো পড়ুন
বগুড়ায় অস্ত্রসহ ডাকাতদলের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

বগুড়ায় অস্ত্রসহ ডাকাতদলের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

 

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবু তাহের জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রাইভেটকারটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। ওলি মিয়ার লাশ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বগুড়ায় অস্ত্রসহ ডাকাতদলের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

বগুড়া প্রতিনিধি
বগুড়ায় অস্ত্রসহ ডাকাতদলের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

বগুড়ায় দুপচাঁচিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে রিভলবার, দেশীয় অস্ত্র ও ইয়াবাসহ ডাকাতদলের ৪ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপজেলার চৌমুহনী এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় বগুড়া পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া মুখপাত্র আতোয়ার রহমান।

গ্রেপ্তাররা হলেন–বগুড়ার কাহালু উপজেলার পুগইল গ্রামের মৃত নাজির উদ্দিনের ছেলে মো. ইমরান হোসেন (৩০), দুপচাঁচিয়া উপজেলার নওদাপাড়া গ্রামের মো. নবাব আলীর ছেলে মো. সোহেল (২৮), কাহালু উপজেলার চানপুর গ্রামের মো. আলমগীর হোসেনের ছেলে মো. রাব্বী হাসান (২১) এবং একই উপজেলার পাঁচপীর নলঘরিয়া গ্রামের মো. আব্বাস আলীর ছেলে মো. হালিম (২০)।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে দুপচাঁচিয়া উপজেলার চৌমুহনী এলাকার একটি বাড়িতে একদল সংঘবদ্ধ ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে— এমন সংবাদের ভিত্তিতে তিরিগাড়ী এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ৮-১০ জনের ডাকাতদল দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় তদের ধাওয়া করে ডাকাতদলের চার সদস্যকে আটক করে এবং বাকিরা পালিয়ে যান।

গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ১টি রিভলবার, ১টি চাইনিজ কুড়াল, ১টি কাটার, ২টি বার্মিজ চাকু, ১টি স্লাই রেঞ্জ ও ২টি গামছা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তাদের কাছ থেকে ১২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে পুলিশ।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান জানান, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা সবাই আন্ত জেলা ডাকাতদলের সক্রিয় সদস্য। পুলিশের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কারণে একটি বড় ধরনের ডাকাতির ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন যে সম্প্রতি শিবগঞ্জ ও নন্দীগ্রাম থানা এলাকায় সংঘটিত ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে তারা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। প্রত্যেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে।

পুলিশ আরো জানায়, পলাতক বাকি ডাকাতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় দুপচাঁচিয়া থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

লালমনিরহাটের ৩ সীমান্তে ৩৩ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা

লালমনিরহাট প্রতিনিধি
লালমনিরহাটের ৩ সীমান্তে ৩৩ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা

লালমনিরহাটের তিনটি উপজেলার পৃথক তিন সীমান্ত দিয়ে নারীসহ ৩৩ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশসহ (বিজিবি) স্থানীয়দের বাধায় তারা প্রবেশ করতে না পেরে সীমান্তের ভারতীয় অংশে অবস্থান করছে।

রংপুর ৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনিম জানান, আজ শুক্রবার( ৫ জুন) ভোরের দিকে হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা সীমান্তে  আট নারীসহ ১১ জন ও পাটগ্রামের পঁয়ষট্টিবাড়ি সীমান্ত দিয়ে পাঁচ পুরুষ ও পাঁচ নারীকে পুশ ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবির বাধায় তারা দেশের ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ করতে পারেনি।

এদিকে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতায় থাকা আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর সীমান্তে ১২ জনের উপস্থিতি লক্ষ করে মাইকের মাধ্যমে তাদের সতর্ক করা হলে এসব মানুষ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারেনি বলে ব্যাটালিয়নটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ওই ৩৩ নারী-পুরুষ বর্তমানে কাঁটাতারের বেড়ার ওই পাশে ভারতীয় ভুখণ্ডে অবস্থান করছে। তাদের পরিচয় শনাক্তে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

খুলনার ট্রিপল মার্ডার মামলার প্রধান আসামি রফিক গ্রেপ্তার

খুলনা অফিস
খুলনার ট্রিপল মার্ডার মামলার প্রধান আসামি রফিক গ্রেপ্তার

খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানার আলোচিত ট্রিপল মার্ডার মামলার প্রধান পলাতক আসামি মো. রফিকুল ইসলাম হাওলাদারকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বরিশালের কাশিপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আজ শুক্রবার (৫ জুন) সকালে র‌্যাব-৬-এর মিডিয়া সেল জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৬ সদর কম্পানি ও র‌্যাব-৮-এর একটি যৌথ দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার রফিকুল ইসলাম খুলনার দৌলতপুর এলাকার বাসিন্দা এবং আলোচিত ট্রিপল মার্ডার মামলার এক নম্বর আসামি।

আরো পড়ুন
নাইট উপাধিতে ভূষিত হলেন অভিনেতা ইদ্রিস এলবা

নাইট উপাধিতে ভূষিত হলেন অভিনেতা ইদ্রিস এলবা

 

র‌্যাব জানায়, হত্যা, ধর্ষণ, সন্ত্রাস ও মাদকসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযান চালিয়ে রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সোনাডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৩০ মে খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার হাজী তমিজউদ্দিন সড়কের দারুল আমান মহল্লার একটি বাড়ি থেকে ৬৫ বছর বয়সী বেবী এবং তার দুই নাতি শামীম (১৩) ও মুস্তাকিমের (৪) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।

আরো পড়ুন
বন্ধ শিল্প চালু করতে কম সুদে ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ, যারা পাবে

বন্ধ শিল্প চালু করতে কম সুদে ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ, যারা পাবে

 

এ ঘটনায় নিহত দুই শিশুর বাবা মাসুম বেপারী বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় তার আগের স্ত্রীর বর্তমান স্বামী রফিকুল ইসলাম হাওলাদারকে প্রধান আসামি করা হয়।

তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, চার বছর আগে মাসুম বেপারীকে তালাক দিয়ে ফাতেমা বেগম রফিকুল ইসলামকে বিয়ে করেন এবং দারুল আমান মহল্লার ওই বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। ঈদুল আজহার দুই দিন পর নানী ও দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই রফিকুল আত্মগোপনে ছিলেন। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।