• ই-পেপার

১৪ জুন কক্সবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ভাঙ্গায় এক দম্পতির বাড়ির দুটি ঘর ভাঙল এলাকাবাসী

ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
ভাঙ্গায় এক দম্পতির বাড়ির দুটি ঘর ভাঙল এলাকাবাসী

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এক দম্পতির বাড়ির দুটি ঘর ভেঙে দিয়েছে এলাকাবাসী। এ সময় ঘর দুটির আসবাবপত্রও ভাঙচুর করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ ওই দম্পতি মাদক ব্যবসায়ী। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ৮টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার চন্ডীদাসদি মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকশ’ মানুষ একত্রিত হয়ে ঘর দুটিতে হামলা চালিয়ে সেগুলো ভেঙে ফেলছে। ঘরগুলোর মালিক চন্ডীদাসদি মহল্লার বাসিন্দা আইয়ুব শেখ (৫১)।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, আইয়ুব শেখ ও তার স্ত্রী ময়না আক্তার (৪৫) দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা ও ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদককারবারীর সঙ্গে জড়িত। তাদের কারণে এলাকায় মাদকাসক্তির বিস্তার ঘটছে এবং যুবসমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ভাঙ্গা পৌরসভার চন্ডীদাসদি মহল্লার পশ্চিমপাশেই ভাঙ্গার আলগী ইউনিয়নের সোনাখোলা গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আইয়ুব শেখ ও তার স্ত্রী ময়না ভাঙ্গা, নগরকান্দাসহ দুই- তিন উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় গাঁজা ও ইয়াবা কারবারি। এদের কারণে এলাকা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ময়না বেগম মাদক সম্রাজ্ঞী ও তার স্বামী আইয়ুব শেখ মাদকের ডিলার হিসেবে পরিচিত। এলাকাবাসীকে রক্ষা করতে এ দম্পতির ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করা ছাড়া উপায় নেই।

সোনাখোলা গ্রামের বাসিন্দা ও ভাঙ্গা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের আইনজীবী মো. মাসুদ হোসেনও বাড়িঘর ভাঙচুরের সময় উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, এ দম্পতি এলাকার বড় মাদককারবারী। এরা মাঝেমধ্যে গ্রেপ্তার হয়। আবার দুই-চারদিন পর জামিন নিয়ে চলে আসে। আমরা এদের ভালো হয়ে যেতে বলেছিলাম। কিন্তু, তারা ভালো হয়নি। তাই এলাকাবাসীর সম্মিলিত সিদ্ধান্তে মাদককারবারী দম্পতির দুটি ঘর ভেঙে দিয়েছে।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, চন্ডীদাসদি গ্রামের আইয়ুব শেখ ও তার স্ত্রী ময়না বেগম বড় ধরনের মাদককারবারী। এদের  বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার করেছি। চলতি বছরও এদের বিরুদ্ধে ভাঙ্গা থানায় মাদক আইনে তিনটি মামলা হয়েছে। এরা তিনবার গ্রেপ্তার হয়েছে। এদের বাড়িঘর এলাকাবাসী ভেঙে দেওয়ার খবর কিছুক্ষণ আগে শুনেছি। পুলিশ পাঠিয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

গলাচিপায় বজ্রাঘাতে কৃষকের মৃত্যু

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
গলাচিপায় বজ্রাঘাতে কৃষকের মৃত্যু

পটুয়াখালীর গলাচিপায় বজ্রাঘাতে মো. রিয়াজ হাওলাদার (৩০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের উত্তর আমখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় তাকে চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়।

নিহত রিয়াজ হাওলাদার ওই গ্রামের মো. খলিল হাওলাদারের ছেলে।

আরো পড়ুন

গরু আনতে গিয়ে বজ্রাঘাতে কৃষকের মৃত্যু

গরু আনতে গিয়ে বজ্রাঘাতে কৃষকের মৃত্যু

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রিয়াজ হাওলাদার বাড়ির উঠানে কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাত শুরু হলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, আমখোলা এলাকায় বজ্রপাতে আহত এক কৃষকের পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ গলাচিপায় আনার পর প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গরু আনতে গিয়ে বজ্রাঘাতে কৃষকের মৃত্যু

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পিরোজপুর
গরু আনতে গিয়ে বজ্রাঘাতে কৃষকের মৃত্যু

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রাঘাতে সোহরাব জোমাদ্দার (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের সোনাখালী গ্রামের ডা. রুস্তম আলী ফরাজি কলেজসংলগ্ন মাঠে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সোহরাব জোমাদ্দার সোনাখালী গ্রামের মৃত হাসেম জোমাদ্দারের ছেলে।

আরো পড়ুন

গরু আনতে গিয়ে বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল কৃষকের

গরু আনতে গিয়ে বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল কৃষকের

 

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে আকস্মিক বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হলে সোহরাব জোমাদ্দার বাড়িসংলগ্ন মাঠে নিজের গরু আনতে যান। এ সময় বজ্রাঘাতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা মাঠ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধার, হতাহতের ঘটনা ঘটেনি

গোয়ালন্দ প্রতিনিধি, রাজবাড়ী
ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধার, হতাহতের ঘটনা ঘটেনি
ছবি: কালের কণ্ঠ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ে যাওয়া বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার সহায়হায় বাসটি উদ্ধার করা হয়। চালক ও হেলপারকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসটি ডুবে যায়। ফেরিতে ওঠার আগে সব যাত্রীকে বাস থেকে নামিয়ে দেওয়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানা গেছে।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এসবি পরিবহনের ঢাকাগামী বাসটি দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাট পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ে যায়। এখন পর্যন্ত নিখোঁজের সংবাদ পাওয়া যায়নি। বাস থেকে সব যাত্রী নামানো হয়েছিল।

জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, আড়াই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় পদ্মায় পড়ে যাওয়া বাসটিকে নদী থেকে তোলা হয়েছে। কোনো যাত্রী বাসে ছিল না তাই হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।