• ই-পেপার

মন্ত্রিসভায় বিদেশি বিনিয়োগ প্রণোদনা নীতিমালা অনুমোদন

সংবাদ সম্মেলনে মোস্তাফিজুর রহমান

মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি পর্যালোচনা প্রয়োজন

অনলাইন ডেস্ক
মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি পর্যালোচনা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা বাণিজ্যচুক্তি (শুল্কসংক্রান্ত চুক্তি) পর্যালোচনা করা দরকার বলে মন্তব্য করেছেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করলে জোরপূর্বক শ্রম সমস্যার সমাধান হবে না। তাতে আরও বেশি জোরপূর্বক শ্রম বাড়তে পারে।

গত মঙ্গলবার মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় বা ইউএসটিআর জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেয়। এসব দেশের পণ্যে আরও ১০ থেকে সাড়ে ১২ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। বাজেটকে সামনে রেখে সিপিডির পক্ষ থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ প্রসঙ্গে জানতে চান সাংবাদিকেরা।

জবাবে সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অনেক সময় যুক্তরাষ্ট্র তাদের লেন্স বা চোখ দিয়ে দেখার কারণে আমাদের দেশের বাস্তবতাকে হয়তো ঠিকভাবে দেখে না। আমাদের ইটভাটা ও অন্যান্য জায়গায় শিশুশ্রম আছে। বাস্তবতা হলো অনেক সময় পরিবারের প্রয়োজনে শিশুরা কাজে যায়। শিশুশ্রম কমাতে সহায়তা তহবিল না দিয়ে উল্টো রপ্তানির ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়।

তিনি বলেন, এর আগে যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা শুল্ক বসিয়েছিল ৬০টি দেশের ওপর। মাত্র ৯টি দেশ তাদের সঙ্গে চুক্তি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের গড় শুল্ক ১৫ শতাংশ। তার ওপর অতিরিক্ত ১৯ শতাংশসহ মোট ৩৪ শতাংশ শুল্ক বসবে। এ নিয়ে আমরা চুক্তি করেছি। পুরোনো এই শুল্কের সঙ্গে নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক যোগ হলে মোট শুল্ক দাঁড়াবে ৪৪ শতাংশ। এই শুল্ক আরোপ হলে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কোথায় দাঁড়াবে, সেটি বিবেচনায় নিতে হবে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মার্কিন শুল্ক চুক্তিটি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন বলে জানান মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, এই চুক্তি অবশ্যই এখন আবার আলোচনা করা দরকার।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

হজ শেষে ফিরেছেন ২৯৬৯৪ বাংলাদেশি যাত্রী, মারা গেছেন ৪৬

অনলাইন ডেস্ক
হজ শেষে ফিরেছেন ২৯৬৯৪ বাংলাদেশি যাত্রী, মারা গেছেন ৪৬

পবিত্র হজ পালন শেষে মোট ৭১টি ফিরতি ফ্লাইটে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ২৯ হাজার ৬৯৪ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী। এ ছাড়া এখন পর্যন্ত সৌদি আরবে ৪৬ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৩০ জন পুরুষ এবং ১৬ জন নারী। মৃতদের মধ্যে মক্কায় ৩৫ জন এবং মদিনায় ১১ জন ইন্তেকাল করেছেন।

আজ শুক্রবার (৫ জুন) পর্যন্ত এ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। হজ-পরবর্তী ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম পুরোদমে চলমান রয়েছে এবং আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আরো পড়ুন
জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস সংযুক্ত আরব আমিরাতের

জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস সংযুক্ত আরব আমিরাতের

 

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত হজ বুলেটিনের তথ্য মতে, এখন পর্যন্ত দেশে ফেরা হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ৩২৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২৬ হাজার ৩৬৬ জন রয়েছেন।

এখন পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিবহন করেছে ৯ হাজার ৯৮১ জন, সৌদি এয়ারলাইনস ১১ হাজার ৩৩১ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৭ হাজার ৭০০ জন হাজিকে দেশে পৌঁছে দিয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে সৌদি আরব ছেড়েছেন আরো ৬৮২ জন হজযাত্রী।

আরো পড়ুন
জুমার দিন যেসব কাজ কাম্য নয়

জুমার দিন যেসব কাজ কাম্য নয়

 

হজ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় গত ২৬ মে।

বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি হজযাত্রীর জন্য কোটা নির্ধারণ করা হয়েছিল। হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাত্রা শুরু হয় ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট যায় ২১ মে।

অন্যদিকে, সৌদি আরবে অবস্থানরত হাজিদের চিকিৎসা ও সেবাদান কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত বাংলাদেশ হজ মিশনের চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে ৫৬ হাজার ৩১২টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৫ হাজার ৭১০টি সেবা দেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন
জুমার দিন যেসব কাজ কাম্য নয়

জুমার দিনে যেসব কাজ কাম্য নয়

 

হজ বুলেটিনে জানানো হয়, সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ২৬২ জন হজযাত্রী। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে ২৪ জন হাজি ভর্তি রয়েছেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হজযাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ হজ মিশন, বিমান সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ৩০ জুন শেষ ফিরতি ফ্লাইটের মাধ্যমে হজযাত্রীদের দেশে ফেরার কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস সংযুক্ত আরব আমিরাতের

বাসস
জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস সংযুক্ত আরব আমিরাতের
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সাথে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আল-হামুদী। ছবি: বাসস

জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সাথে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আল-হামুদী আজ এ আশ্বাস দেন। এ সময় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলাপ করেন।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের অপরিশোধিত তেল এবং পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির অন্যতম প্রধান ও নির্ভরযোগ্য উৎস। বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি বা আকস্মিক ধাক্কা থেকে নিজেদেরকে সামলে নিতে 'বাংলাদেশ ফার্স্ট' নীতি কাঠামোর আওতায় আনার বিষয়টি তিনি রাষ্ট্রদূতের কাছে পুনর্ব্যক্ত করেন।

এ ছাড়া তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বাণিজ্যের সম্প্রসারণ, স্পট মার্কেটের অস্থিরতা এড়ানো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি গ্রিড আধুনিকীকরণ, কার্বন নির্গমন হ্রাস, স্বয়ংক্রিয় সাব-স্টেশন এবং বন্দরের কাছাকাছি জ্বালানি বাঙ্কানিং সুবিধা তৈরিতে সহায়তার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত যেভাবে সে দেশে গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনের হাব বা কেন্দ্র তৈরি করছে, তেমনিভাবে বাংলাদেশ সরকার সার কারখানা এবং ভারী ইস্পাত শিল্পকে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে গ্রিন হাইড্রোজেন বা গ্রিন অ্যামোনিয়াতে রূপান্তর করার বিষয়ে বিনিয়োগ এবং কারিগরি সহযোগিতা প্রদানের বিষয়টি তুলে ধরেন।

এ সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে তাদের সরকারের আগ্রহ এবং সকল ধরনের সহযোগিতা প্রদানের বিষয়ে আশ্বাস দেন।

রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আল-হামুদী দুই দেশের এই ঐতিহাসিক অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দূতাবাসের কর্মকর্তা আলতাপ হোসেন।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ

বাসস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ

পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ শুক্রবার (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ পালিত হচ্ছে।

জাতিসংঘের মানবিক পরিবেশ সম্মেলন (ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স অন দ্য হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট) এই দিনেই শুরু হয়েছিল। এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭২ সালের ৫-১৬ জুন পর্যন্ত। তখন থেকেই প্রতি বছর এই দিবস পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি প্রথম পালিত হয় ১৯৭৪ সালে। প্রতি বছরই দিবসটি আলাদা আলাদা শহরে, আলাদা আলাদা প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে পালিত হয়।

আরো পড়ুন
ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি হবেই: ট্রাম্প

ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি হবেই: ট্রাম্প

 

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য- ‘প্রকৃতি থেকে প্রেরণা, জলবায়ুর জন্য, আমাদের ভবিষ্যতের জন্য’।

দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার এবং বিভিন্ন পরিবেশ ও উন্নয়নমূলক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

আরো পড়ুন
পুতিনকে খোলা চিঠি, মুখোমুখি বৈঠকের প্রস্তাব জেলেনস্কির

পুতিনকে খোলা চিঠি, মুখোমুখি বৈঠকের প্রস্তাব জেলেনস্কির

 

বিশ্ব পরিবেশ দিবস হলো পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টি ও কার্যক্রম জোরদারের জন্য জাতিসংঘের অন্যতম প্রধান উদ্যোগ। বছরের পর বছর ধরে এটি জনসচেতনতা বৃদ্ধির অন্যতম বৃহৎ বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে, যা বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে কোটি কোটি মানুষের অংশগ্রহণে পালিত হয়ে আসছে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।