• ই-পেপার

আমি কেন তারেক রহমানের সঙ্গে রাজনীতি করতে পারব না? প্রশ্ন রাশেদের

‘আমি আওয়ামী দোসর—আওয়ামী মানে জনগণ, আমি জনগণের দোসর’

অনলাইন ডেস্ক
‘আমি আওয়ামী দোসর—আওয়ামী মানে জনগণ, আমি জনগণের দোসর’

নিজেকে জনগণের দোসর আখ্যা দিয়ে সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেছেন, ‘আমি স্পষ্ট করে বলি, আমি আওয়ামী দোসর—আওয়ামী মানে জনগণ, আমি জনগণের দোসর।’

সম্প্রতি এক বেসরকারি টেলিভিশনের টক শো অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এই মন্তব্য করেন সাবেক এই সংসদ সদস্য।

আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ২০১৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর পার্লামেন্টে আমার বক্তৃতার প্রথম লাইনটা শোনেন—আমি মুসলমান, আমি আওয়ামী লীগার, সেই আওয়ামী লীগ মাওলানা ভাসানি ও শেখ মুজিবের নয়, সে আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনার নয়, সে আওয়ামী লীগ আমার, সেই আওয়ামী লীগ জনগণের।

নূর জাহান বেগমের মেয়ের সুচিকিৎসা ও মানসিক সমর্থন প্রয়োজন : আনিস আলমগীর

অনলাইন ডেস্ক
নূর জাহান বেগমের মেয়ের সুচিকিৎসা ও মানসিক সমর্থন প্রয়োজন : আনিস আলমগীর
ফাইল ছবি

সম্প্রতি মিরপুরের একটি ফ্ল্যাট থেকে ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আলোড়ন তৈরি হয়েছে দেশজুড়ে। অভিযোগ উঠেছে উচ্চশিক্ষিত সন্তানদের চরম অবহেলার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন এই নারী। তবে ঘটনার বিস্তারিত জেনে নূর জাহান বেগমের মেয়েকে নিয়ে সাংবাদিক আনিস আলমগীর বলেছেন, গত দু-দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই স্কুলশিক্ষিকা মেয়ের আচরণ ও সামগ্রিক পরিস্থিতি দেখে উপলব্ধি করছি, তিনি নিজেই মানসিকভাবে প্রচণ্ড বিধ্বস্ত। স্বামী ও সন্তানহীন এই ভদ্রমহিলার আসলে নিজেরই এখন সুচিকিৎসা ও মানসিক সমর্থন প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।

আনিস আলমগীর লেখেন, মিরপুরের সেই হতভাগ্য মা নূর জাহান বেগমের মৃত্যুতে বিস্মিত ও আবেগতাড়িত হয়ে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, ছেলেরা দূরে থাকলেও অন্তত কন্যাসন্তান মায়ের পাশে থাকেন। কিন্তু গত দু-দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই স্কুলশিক্ষিকা মেয়ের আচরণ ও সামগ্রিক পরিস্থিতি দেখে উপলব্ধি করছি, তিনি নিজেই মানসিকভাবে প্রচণ্ড বিধ্বস্ত। স্বামী ও সন্তানহীন এই ভদ্রমহিলার আসলে নিজেরই এখন সুচিকিৎসা ও মানসিক সমর্থন প্রয়োজন।

আরো পড়ুন
ওই দিনই মারা যান বৃদ্ধা নূর জাহান, পচন নয়—পিঠে ছিল ‘শয্যাক্ষত’

ওই দিনই মারা যান বৃদ্ধা নূর জাহান, পচন নয়—পিঠে ছিল ‘শয্যাক্ষত’

 

তিনি লেখেন, একটা ঘটনার আদ্যোপান্ত না জেনে আমাদের কারও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে হুট করে মন্তব্য করা উচিত নয়। আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত (স্যরি)। তবে তার ছেলেদেরকে উনার দায়িত্বে অবহেলা থেকে পুরোপুরি অব্যাহতি দিচ্ছি না।

এ সাংবাদিক লেখেন, একই সঙ্গে এই ঘটনা থেকে আরেকটি জরুরি বিষয়ে আমাদের দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। আমাদের সমাজে ‘বৃদ্ধাশ্রম’ মানেই ধরে নেওয়া হয় একটা চরম নেতিবাচক বা অবহেলার জায়গা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, জীবনের নানা জটিল সমীকরণে অনেকের শেষ ঠিকানা বৃদ্ধাশ্রম হতেই পারে। আমাদের মানসিকতা বদলানোর সময় এসেছে। বৃদ্ধাশ্রমকে ‘লিল্লাহ বোর্ডিং’ বা করুণার পাত্র ভাবার দিন শেষ। আমাদের ভাবা উচিত- কীভাবে এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন, নিরাপদ এবং 'ফাইভ স্টার' মানের করে গড়ে তোলা যায়।

তিনি আরো লেখেন, শেষ বয়সে কোনো সংসারে অবহেলা আর নিগ্রহের শিকার হয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে, নিজের উপার্জিত সম্পদে কিংবা পরিবারের সম্মতিতে একটি আনন্দময়, সুশৃঙ্খল ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে শেষ জীবন কাটানো অনেক বেশি জরুরি। আসুন, ট্যাবু ভেঙে বাস্তবতাকে মেনে নিতে শিখি।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির বিক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক
বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির বিক্ষোভ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে রাজধানীর বাংলামোটর থেকে শাহবাগ সড়কে এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। 

বিক্ষোভে অংশ নেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ঢাকা মহানগর উত্তর এনসিপির আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব এবং জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি তারিকুল ইসলামসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

বিক্ষোভ মিছিলে দলীয় নেতাকর্মীরা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং তা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

এ সময় বক্তারা বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যাবে। অবিলম্বে মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা এবং জনস্বার্থে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করেন।

হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল

অনলাইন ডেস্ক
হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল
সংগৃহীত ছবি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার ঘটনায় বিচার, খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনা এবং ঘটনার নেপথ্যে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত উদ্‌ঘাটনের দাবিতে মশাল মিছিল করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। এরপর শাহবাগ মোড় ঘুরে রাজু ভাস্কর্যর পাদদেশে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়। 

আরো পড়ুন
পদ ছাড়ছেন না পররাষ্ট্রমন্ত্রী, নজির দেখালেন হুমায়ূন রশীদের

পদ ছাড়ছেন না পররাষ্ট্রমন্ত্রী, নজির দেখালেন হুমায়ুন রশীদের

  

মশাল মিছিলে ‘মুখ খোলো মমতা, জানতে চায় জনতা, ওসমান হাদি, বাংলাদেশের আজাদী, উই ওয়ান্ট জাস্টিস ইত্যাদি স্লোগান দেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা।

এর আগে গতকাল বুধবার (৩ জুন) ঢাবির মধুর ক্যান্টিনের সামনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের অভিযোগ করেন, হত্যাকাণ্ডের তদন্তে বারবার সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে, তদন্ত প্রতিবেদন একাধিকবার পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং খুনিদের বিচারের আওতায় আনতে কার্যকর উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়। 

আরো পড়ুন
তাপপ্রবাহ ও বৃষ্টির যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

তাপপ্রবাহ ও বৃষ্টির যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

 

তিনি দাবি করেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আড়াল করতে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের ‘ট্যাগ’ ব্যবহার করা হয়েছে। শুধু রাজনৈতিক বিরোধিতার কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, এমন ধারণা সঠিক নয়; এর পেছনে আরো গভীর দেশি-বিদেশি সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ভারতের সম্ভাব্য সম্পৃক্ততার অভিযোগও উত্থাপন করেন সংগঠনটির এই সদস্যসচিব। পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই বক্তব্য থেকে ধারণা করা যাচ্ছে যে হত্যাকাণ্ডের পেছনে বাংলাদেশের এমন কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার সম্পৃক্ততা থাকতে পারে, যার পরিচয় প্রকাশ পেলে দেশে বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে।

আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘ওসমান হাদিকে শুধু আওয়ামী বিরোধিতার কারণে হত্যা করা হয়নি। ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে ইন্টেরিম (অন্তর্বর্তী সরকারের) আমলে এবং ভারত এই খুনের পুরো প্রক্রিয়াটা সম্পন্ন করবার জন্য ইন্টেরিমকেও এই কাজে অন্তর্ভুক্ত করেছিল কি না, সেইটা আমরা জানতে চাই।’

এ সময় সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জাবের বলেন, হত্যার পরপরই সীমান্ত সিল করার কথা থাকলেও তা করতে বিলম্ব হয়েছে, যার ফলে খুনিরা পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে।