• ই-পেপার

সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহিদসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬২

অনলাইন ডেস্ক
শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬২
সংগৃহীত ছবি

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় সামাজিক আধিপত্য নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৬২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে নারী ও বয়স্ক ব্যক্তিরাও রয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শৈলকুপার বিষ্ণুপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, বিষ্ণুপুর গ্রামের মতিউর রহমান ও কফিল উদ্দিন মেম্বারের দুটি সামাজিক গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিরোধের জেরে উভয়পক্ষের লোকজন সকালে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় অন্তত ১৫ টি বাড়ি ঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
সংঘর্ষের ঘটনায় আহত ৪৫ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরো অন্তত ১৭ জন।

শৈলকুপা থানার ওসি হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান, সামাজিক বিরোধ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকর্মীকে খুঁজতে গিয়ে এলাকাবাসীর হাতে আটক ৩ যুবক, অতঃপর...

ফেনী প্রতিনিধি
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকর্মীকে খুঁজতে গিয়ে এলাকাবাসীর হাতে আটক ৩ যুবক, অতঃপর...

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের উত্তর আলামপুর বুচিপুর গ্রামে ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে এক প্রবাসী ছাত্রলীগ কর্মীকে খুঁজতে গিয়ে এলাকাবাসীর তোপের মুখে পড়েছেন তিন যুবক। প্রথমে তাদের ‘ডাকাত’ সন্দেহে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পরে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও ডাকাতির আলামত না থাকায় মুচলেকা দিয়ে থানা থেকে ছাড়া পান তারা।

​স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টরা জানায়, জায়লস্কর ইউনিয়নের উত্তর আলামপুর বড় বাড়ির প্রবাসী আব্দুল হামিদের ছেলে সাবেক ছাত্রলীগকর্মী কামরুল হাসানের সাথে স্থানীয় যুবদল নেতা জসিম উদ্দিন বাবুর ছেলে মিস্টারের দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতা ছিল। অভিযোগ রয়েছে, বিগত আওয়ামী শাসনামলে মিস্টার বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। কামরুল হাসান ২০২১ সালে দুবাই চলে যান এবং ২০২৪ সালে ১৭ দিনের জন্য দেশে এসে আবার প্রবাসে ফিরে যান। সর্বশেষ গত ৩০ মে বাবা ও ছেলে পুনরায় দেশে আসেন।

​এই খবর পেয়ে গত ২ জুন রাতে পূর্বের প্রতিশোধ নিতে মিস্টার ও তার সহযোগীরা কামরুল হাসানের বাড়িতে যান। এ সময় ওই বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ ও শোরগোল ঘটলে বাড়ির লোকজনের চিৎকারে গ্রামবাসী ছুটে এসে তাদের ধাওয়া দেয়। ধাওয়া খেয়ে মিস্টার পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও কুঠিরহাটের হৃদয়, অটোচালক একরামুল হক ও মাওলা নামের তিন যুবককে ‘ডাকাত’ সন্দেহে আটক করে গণধোলাই দেয় এলাকাবাসী। পরে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করা হলে দাগনভূঞা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

​এ বিষয়ে দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল আজিম নোমান জানান, যার ওপর পূর্ব প্রতিশোধ নিতে ওই যুবকরা গিয়েছিল, তার বাবা থানায় এসে ঘটনার বিস্তারিত খুলে বলেন। যেহেতু এই ঘটনায় কোনো পক্ষের কোনো লিখিত অভিযোগ ছিল না এবং পুলিশ তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কোনো আলামত বা প্রমাণ পায়নি, তাই মুচলেকা রেখে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে কাউকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে জুলুম করা বা কোর্টে চালান করা ন্যায়সংগত হতো না।

​যোগাযোগ করা হলে প্রবাসী আব্দুল হামিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি মূলত ভুল বোঝাবুঝির কারণে হয়েছে। গ্রামবাসী ডাকাত সন্দেহে তাদের আটক করেছিল। পরে আমরা নিজেরা বসে বিষয়টি আপস-মীমাংসা করেছি। যা ঘটেছে তার জন্য আমি দুঃখিত।

​এদিকে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার বিষয়ে জানতে চাইলে দাগনভূঞা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মনসুর ভূঁইয়া বলেন, আমরা যতটুকু জেনেছি ঘটনাটি পূর্ব শত্রুতার জেরে ঘটেছে। এই ঘটনায় যুবদলের কেউ জড়িত কি না—তা আমাদের কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। আমরা বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখছি। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কোনো প্রমাণ পাওয়া গেলে সে মোতাবেক কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কসবা

‘মব’ করে চোরাই পণ্য ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিজিবির

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
‘মব’ করে চোরাই পণ্য ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিজিবির
সংগৃহীত ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ‘মব’ সৃষ্টি করে ‘কারবারিরা’ আটক করা চোরাই পণ্য নিয়ে গেছে বলে দাবি করেছে বিজিবি। বুধবার (৩ জুন) বিকেলে উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের নয়নপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকা থেকে একটি ছোট পিকআপে করে ভারতীয় পণ্য আসার খবরে অভিযান চালানো হয়। এসময় পিকআপটি জব্দ করে নিয়ে যাওয়ার সময় ‘চোরাকারবারিরা’ বাধা দেয়। এসব পণ্য বৈধ দাবি করে তারা পিকআপ আটকে দেয়। এক পর্যায়ে তারা বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায় এবং পিকআপের গ্লাস ভেঙে ফেলে।

বিজিবি- ৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, চোরাই পণ্য ছাড়াতে মব সৃষ্টি করা হয়। সংঘাত এড়াতে পণ্য ছেড়ে দেওয়া হয়।

ফ্যানে ঝুলছিল সৌদি প্রবাসী স্ত্রীর মরদেহ

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি
ফ্যানে ঝুলছিল সৌদি প্রবাসী স্ত্রীর মরদেহ
সংগৃহীত ছবি

বগুড়ার আদমদীঘিতে সুমাইয়া আক্তার (১৮) নামে এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহনন করেছেন। বুধবার সকালে আদমদীঘির ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের পশ্চিম সিংড়া গ্রামে তার বাবার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এদিন দুপুরে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। তবে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে জানা যায়নি।

সুমাইয়া উপজেলার পশ্চিম সিংড়া গ্রামের ধলু মন্ডলের মেয়ে এবং একই উপজেলার কুসুম্বী গ্রামের সৌদি প্রবাসী রিফাতের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত ৬ মাস আগে উপজেলার কুসুম্বী গ্রামের সোনারপাড়ার সামাদের ছেলে সৌদি প্রবাসী রিফাতের সঙ্গে একই উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউপির পশ্চিম সিংড়া গ্রামের ধলু মন্ডলের মেয়ে সুমাইয়া আক্তারের বিয়ে হয়। গত মঙ্গলবার  ঈদের দাওয়াত খেতে শ্বশুর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে যান সুমাইয়া। বুধবার সকাল ৮টার দিকে সুমাইয়াকে বাড়িতে রেখে তার মা রোজী বেগম মাঠে তার বাবা ধলুর জন্য খাবার নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর বাড়িতে এসে দেখেন তার মেয়ে সুমাইয়া ঘরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো তার মরদেহ ঝুলছে। পরে স্বজনদের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন।

আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান মিয়া জানান, দুপুরে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহিদসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ | কালের কণ্ঠ