• ই-পেপার

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

জিনায় জড়িত প্রমাণ হলে এমপির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হোক : হারুনুর রশিদ

অনলাইন ডেস্ক
জিনায় জড়িত প্রমাণ হলে এমপির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হোক : হারুনুর রশিদ
সংগৃহীত ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুনুর রশিদ বলেছেন, আপনারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছেন যে গতকালকে সাতক্ষীরার একজন এমপির অপকর্মের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এতে আমাদের মান ইজ্জত থাকে? যারা আজকে ইসলামকে ব্যাবহার করে রাজনীতি করছেন, আমি বলেছিলাম এটা একটা ভণ্ড রাজনৈতিক দল। একেবারে ভণ্ড। তারা মুখে যে কথা বলে তাদের কাজে সেই মিল নাই।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের সেবা দান কার্যক্রম ডিজিটালাইজেশনে ‘হাসপাতাল অটোমেশন সিস্টেমের’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

হারুনুর রশিদ বলেন, ‘আমি মনে করি এখানে ব্যাভিচার-জেনা সমাজে ছড়িয়ে পড়ছে এই সমস্ত অপরাধীদের কারণে। যারা ধর্মীয় রাজনৈতিক দলের লেবাস ধরে এই সমস্ত অপরাধ করে বেড়াচ্ছে। আমি সরকারকে বলবো এখানে জেনা ও ব্যাভিচারের আইন আছে মৃত্যুদণ্ড। একেবারে সরাসরি মৃত্যুদণ্ড। সুতরাং এটি যদি প্রমাণ হয় ব্যাভিচার ও জেনার সাথে জড়িত, তাহলে সেই এমপির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হোক। আজকে যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তদন্ত করতে যান, দেখবেন এই জামায়াতে ইসলামের নেতারা সব হাউ মাউ শুরু করবে- আমরা এই সরকারকে ফেলে দেবো। কিন্তু সরকারকে ফেলে দেওয়া এতো সোজা নয়।’

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালটির তত্ত্বাবধায়ক ডা. জমির মো. হাসিবুস সাত্তার, আরএমও মাহবুব হাসান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল বারেক, মাসিদুল হক নিখিল প্রমুখ।

আদালতে বিচারকের ছুড়ে মারা পেপারওয়েটে ফাটল আইনজীবীর মাথা

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
আদালতে বিচারকের ছুড়ে মারা পেপারওয়েটে ফাটল আইনজীবীর মাথা
সংগৃহীত ছবি

গোপালগঞ্জে আদালত চলাকালীন সময়ে বিচারকের ছুড়ে মারা একটি পেপারওয়েটের আঘাতে শিক্ষানবিশ এক নারী আইনজীবী আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আহত আইনজীবী সাবিহা সুলতানাকে গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) গোপালগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এ এই ঘটনা ঘটে। 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. সুজন মিয়ার আদালতে বিচার কার্যক্রম চলাকালে আদালতকক্ষের পেছনের সারিতে কয়েকজন আইনজীবী নিজেদের মধ্যে কথা বলছিলেন। এ সময় বিচারক তাদের লক্ষ্য করে একটি কাচের পেপারওয়েট ছুড়ে মারেন। ওই পেপারওয়েট শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথায় লাগলে তিনি রক্তাক্ত হন। পরে তাৎক্ষণিকভাবে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জুলকদর রহমান বলেন, বিচারকের এমন আচরণ অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক।

জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) অ্যাডভোকেট এম এ আলম সেলিম ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। 

এ বিষয়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুজন মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

জামালপুরে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২

জামালপুর প্রতিনিধি
জামালপুরে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২
ছবি: কালের কণ্ঠ

জামালপুরে যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার নান্দিনা মুদিপাড়া এলাকার জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহত এক ব্যক্তির নাম মো. বিল্লাহ হোসেন (৫০)। তিনি মাদারগঞ্জ উপজেলার গুনারীতলা গ্রামের বাসিন্দা। অপর নিহত ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, জামালপুর থেকে ছেড়ে যাওয়া রাজিব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা জামালপুরগামী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় নিশ্চিত হলেও অপরজনের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
 

ধর্ষণের পর স্কুলছাত্রীকে ২০ টাকা ধরিয়ে দেন প্রধান শিক্ষক, গ্রেপ্তার ২

ভোলা প্রতিনিধি
ধর্ষণের পর স্কুলছাত্রীকে ২০ টাকা ধরিয়ে দেন প্রধান শিক্ষক, গ্রেপ্তার ২
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন। ছবি : সংগৃহীত

ভোলার বোরহানউদ্দিনে হাসান নগর আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। বিষয়টি কাউকে না জানাতে ভুক্তভোগী ছাত্রীর হাতে ২০ টাকা ধরিয়ে দেন ওই শিক্ষক। কিন্তু ঘটনাটি জানালে তার দাদি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। পরে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 

গ্রেপ্তার প্রধান শিক্ষকের নাম মো. মহিউদ্দিন (৫৫)। তিনি উপজেলার হাসান নগর আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও টবগী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ছেলামত মাঝির ছেলে। 

এদিকে ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারকে টাকা দিয়ে ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টা ও মারধরের অভিযোগে মো. বাচ্চু (৫০) নামের সাবেক এক ইউপি সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাচ্চু হাসান নগর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য। 

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে উপজেলার পৃথক পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশু উপজেলার হাসাননগর ইউনিয়নের হাসাননগর আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। গত ১৬ জুলাই দুপুরে স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন কৌশলে তাকে বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলায় একটি নির্জন কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি পরিবারকে না জানাতে প্রাণনাশের হুমকিধমকি দিয়ে তার হাতে ২০ টাকা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। এরপর শিশুটি বাড়ি ফিরলে স্বজনরা তার অস্বাভাবিক হাঁটাচলা দেখে জিজ্ঞেস করলে সে সব জানায়। পরে স্বজনরা প্রথমে বিষয়টি স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য বাচ্চুকে জানালে তিনি সমাধান করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। কিন্তু (মঙ্গলবার) রাতে তিনি তাদের বাড়িতে গিয়ে ১০ হাজার টাকায় বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ভুক্তভোগীর স্বজনরা অস্বীকৃতি জানালে বাচ্চু মেম্বার ও তার লোকজন তাদের মারধর করেন।

বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার প্রধান শিক্ষক মহিউদ্দিন ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি এবং সাবেক ইউপি সদস্য বাচ্চু মামলার সহযোগী আসামি। বুধবার বিকেলে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ মামলার পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ | কালের কণ্ঠ