kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

জামাই-বাড়িতে শ্বশুরের হামলা, তুলে নিয়ে গেলেন মেয়েকে

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি   

৫ মে, ২০২১ ১৩:০৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জামাই-বাড়িতে শ্বশুরের হামলা, তুলে নিয়ে গেলেন মেয়েকে

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর বড়পাড়া গ্রামে জামাই-বাড়িতে 'সন্ত্রাসী হামলা' চালিয়ে জোর করে মেয়েকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় শ্বশুরসহ সাতজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন জামাই আরিফুল ইসলাম (২৩)। জামাইবাড়ি থেকে শ্বশুর রেজাউল করিমের বাড়ির দূরত্ব পাঁচ শ গজের মতো। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।  

অভিযোগে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার (৪ মে) রাতে তারাবির নামাজের সময় মেয়ের বাবা খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের লাইব্রেরিয়ান রেজাউল করিম ভাড়াটে লোকজন নিয়ে জামাই আরিফুলের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালান। এসময় আরিফুল ও তার স্বজনরা বাধা দিলে তাদের মারপিটসহ বাড়িঘর ভাঙচুর করে মেয়ে রিমা খাতুনকে (১৮) জোর করে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে গিয়ে গাঢাকা দিয়েছেন রেজাউল।

রিমার স্বামী আরিফুল বলেন, আমি ও রিমা পরস্পরকে ভালোবাসি। দরিদ্র হওয়ায় আমার সাথে বিয়ে দিচ্ছিলেন না রিমার বাবা। একপর্যায়ে রিমা এক কাপড়ে আমার বাড়িতে চলে আসে। আমরা প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় গত ২৪ ডিসেম্বর শরিয়ত ও আইন মোতাবেক বিয়ে করে সংসার শুরু করি।

খুবজীপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মনিরুল ইসলাম দোলন বলেন, আমি দুই পরিবারকে এক করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। ঠিক এই মুহূর্তে রিমার বাবা রেজাউল জামাই বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে মেয়েকে জোর করে তুলে নিয়ে যান। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

এ ঘটনার প্রতিবাদ ও বিচার দাবি করে জানিয়ে রমজান, আলমাছ, রাজুসহ স্থানীয় বেশ কয়েকজন বলেন, শুধু গরিব হওয়ায় জামাই ও তার পরিবারের লোকজনকে মারপিট করে মেয়েকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় রেজাউল।

রিমার বাবা রেজাউল পরিবারসহ পলাতক থাকায় এবং মুঠোফোন ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

গুরুদাসপুর থানার ওসি মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, পরিবারের অমতে বিয়ে করায় মেয়েকে জামাইবাড়ি থেকে উঠিয়ে নিয়ে গেছেন বাবা-মা। তবে মারপিট ও বাড়ি ভাঙচুরের বিষয়ে তদন্তপূর্বক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সাতদিনের সেরা