সাভার ও আশুলিয়ার পৃথক এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্যসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও আশুলিয়া থানা পুলিশ। শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক সাইদুর ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার সাভারের ভরারী বটতলা, ভাকুর্তা ইউনিয়নের মোগড়াকান্দা এবং আশুলিয়ার মধ্য গাজীরচট এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন— গ্রেপ্তাররা হলেন, বাগেরহাট জেলার মংলা থানার মোর্শেদসড়ক এলাকার মো. জিন্নাত আলীর ছেলে মো. হুমায়ন কবির (৩১), সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানার বড়বাশুরিয়া গ্রামের মো. আ. মালেকের ছেলে মো. ইকরাম হোসেন (২৮), ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার মধ্যগাজিরচট এলাকার মায়েজ উদ্দিনের ছেলে মো. মোফাজ্জল ভূইয়া (৪৮), কক্সবাজার জেলার রামু থানার পূর্ব দেছুয়া পালং (ছাদির কাটা) এলাকার নাছির উদ্দিনের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৫), ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার চন্ডিদাসদী, দারিয়ামাঠ এলাকার মো. সরোয়ার মন্ডলের ছেলে মো. রাজু মন্ডল (২৩), ঢাকা জেলার সাভার থানার ভরারী বটতলা এলাকার মো. গোলাম হোসেনের ছেলে মো. সুজন মিয়া (৩৮) এবং রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ থানার মহারাজপুর জেলেপাড়া তেনাপচা গ্রামের সিদ্দিকের ছেলে মো. চাঁন মিয়া (২৫)।
ডিবি পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তাররা পেশাদার মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক সাইদুর ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, আশুলিয়া থানা পুলিশের পৃথক মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে আরো চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন— ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার দোসাইদ পশ্চিম পাড়া এলাকার মৃত কালু মিয়ার ছেলে মো. জসিম উদ্দিন (৪০), ঢাকার রামপুরা থানার সিপাহীবাগ, ম্যারাদিয়া এলাকার মৃত আউলাদ হোসেন খানের ছেলে মো. মামুন খাঁন (৩২), রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার বিপুর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে মো. হাসান আলী (২৬), একই জেলার বদরগঞ্জ থানার নাটারাম গ্রামের মো. আবেদ আলীর ছেলে মো. মুরাদ হোসেন (৪২)।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।




