• ই-পেপার

ট্রাম্পকে হত্যার পরিকল্পনা করছে ইরান!

স্পেনে ভয়াবহ দাবানলে নিহত ১২, নিখোঁজ ২৩

অনলাইন ডেস্ক
স্পেনে ভয়াবহ দাবানলে নিহত ১২, নিখোঁজ ২৩
রয়টার্স ছবি

স্পেনের দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলে ভয়াবহ দাবানলে অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছে। এ ছাড়া আরো ২৩ জন নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রবল বাতাসের কারণে আগুন আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে বলে জানান স্থানীয় কর্মকর্তারা।

আন্দালুসিয়া আঞ্চলিক সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আলমেরিয়া উপকূলের লস গালার্দোস শহরের কাছে ছড়িয়ে পড়া বনাঞ্চলের আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রায় ১৫০ জন জরুরি সেবাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। আগুনের কারণে বেশ কয়েকটি এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনাকে অঞ্চলের ইতিহাসে এ পর্যন্ত সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল বলে উল্লেখ করেছেন আন্দালুসিয়ার স্বাস্থ্য ও জরুরি বিষয়ক মন্ত্রী আন্তোনিও সান্স। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে আন্দালুসিয়ার আঞ্চলিক প্রধান হুয়ানমা মোরেনো জানান, এখন পর্যন্ত অন্তত ২৩ জন নিখোঁজ রয়েছে।

লস গালার্দোসের মেয়র ফ্রান্সিসকো রেয়েস মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে বলেন, ‘পরিস্থিতি ভয়াবহ, কারণ প্রচণ্ড বাতাস বইছে এবং আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।’

তিনি জানান, আলমোকাইসার ও তেরমিনার দে ভেদাস এলাকার বাসিন্দাদের ইতোমধ্যে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাতাসের গতিপথ বিবেচনায় একটি ক্যাম্পসাইটও খালি করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, যেখানে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ মানুষ অবস্থান করছেন।

চলতি গ্রীষ্মে ইউরোপজুড়ে তাপমাত্রার নতুন নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। অস্বাভাবিক তাপপ্রবাহের কারণে স্পেন, পর্তুগাল ও ফ্রান্সে একাধিক দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে এবং সেগুলো নিয়ন্ত্রণে দমকলকর্মীরা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

ইউরোপে দাবানল নতুন ঘটনা নয়। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্রমেই উষ্ণ ও শুষ্ক আবহাওয়া তৈরি হচ্ছে, যা আরও ভয়াবহ দাবানলের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আমদানিনির্ভর হয়েও হিলিয়াম রপ্তানিতে কেন নিষেধাজ্ঞা দিল চীন

অনলাইন ডেস্ক
আমদানিনির্ভর হয়েও হিলিয়াম রপ্তানিতে কেন নিষেধাজ্ঞা দিল চীন
ছবি : রয়টার্স

সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ উৎপাদনের সময় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিলিয়াম গ্যাস। মধ্যপ্রাচ্যে আবারও সামরিক সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কায় সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে অপরিহার্য এই গ্যাস রপ্তানিতে কার্যকর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে চীন।

কিন্তু এই গ্যাসের মোট চাহিদার প্রায় ৮৫ শতাংশ বা তারও বেশি আমদানি করতে হয় চীনকে। তার পরও বৈশ্বিক বাজারে হিলিয়ামের সরবরাহে নতুন সংকট দেখা দিতে পারে—এমন আশঙ্কায় তাৎক্ষণিকভাবে এই সিদ্ধান্ত নেয় বেইজিং। শুক্রবার চীনের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স

শঙ্কা বৈশ্বিক সংকটের

চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের জেরে হিলিয়ামের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। এর ফলে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, এমনকি চীনের কম্পানিগুলোও সমস্যায় পড়ে।

বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে ব্যবহৃত দেশীয় চিপ উৎপাদনে চীন ক্রমেই বেশি নির্ভরশীল হয়ে ওঠায় হিলিয়ামের গুরুত্ব আরো বেড়েছে। 

দেশীয় বাজারে গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামালের ঘাটতি ঠেকাতে রপ্তানি নিয়ন্ত্রণে এটি বেইজিংয়ের সর্বশেষ পদক্ষেপ। এর আগে জ্বালানি, সার এবং সালফিউরিক এসিডের রপ্তানিতেও একই ধরনের বিধি-নিষেধ আরোপ করেছিল চীন।

একই সঙ্গে দেশটি নিজস্ব চিপ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের আওতায় থাকা মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার উন্নত সেমিকন্ডাক্টরের ওপর নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা করছে।

আমদানিনির্ভর চীন

নিজস্ব উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ থাকলেও হিলিয়ামের জন্য চীন এখনও ব্যাপকভাবে বিদেশি সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল। বিশ্লেষকদের মতে, দেশটির মোট চাহিদার প্রায় ৮৫ শতাংশ বা তারও বেশি হিলিয়াম আমদানি করতে হয়।

তবে চীনের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা বৈশ্বিক সরবরাহে আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে। কারণ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো রাশিয়া থেকে হিলিয়াম আমদানি করে তার একটি অংশ ইউরোপসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাজারে পুনরায় রপ্তানি করে আসছে।

বিশ্বে হিলিয়াম উৎপাদনকারী প্রধান দেশগুলোর একটি কাতার। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনের মোট হিলিয়াম আমদানির অর্ধেকেরও বেশি এসেছে দেশটি থেকে।

হিলিয়াম মূলত এমন প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র থেকে সংগ্রহ করা হয়, যেখানে এ গ্যাসের ঘনত্ব তুলনামূলক বেশি থাকে। অন্য কোনো শিল্পপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে দ্রুত হিলিয়াম উৎপাদন করা সম্ভব নয়। সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে ওয়েফার কুলিং, প্লাজমা এচিং, কেমিক্যাল ভ্যাপার ডিপোজিশন, অ্যাটমিক লেয়ার ডিপোজিশন, লিথোগ্রাফি এবং লিক শনাক্তকরণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধাপে হিলিয়াম ব্যবহার করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনীর গুলি, ৯ দিন পর ছেলের মরদেহ উদ্ধার করলেন মা

অনলাইন ডেস্ক
ইসরায়েলি বাহিনীর গুলি, ৯ দিন পর ছেলের মরদেহ উদ্ধার করলেন মা
রয়টার্স ছবি

ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন মোহাম্মদ আবু খাম্মাশ। এরপর টানা ৯ দিন খোলা আকাশের নিছে পড়েছিল তার মরদেহ। অবশেষে অনুমতি পেয়ে ছেলে মরদেহ উদ্ধার করলেন মা।

আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে স্বজনরা জানিয়েছেন, মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত ‘ইয়েলো লাইন’ নামে পরিচিত ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় প্রবেশের চেষ্টা করলে ৯ দিন আগে ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে নিহত হন তিনি।

পরিবারের দাবি, ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে নিহত হওয়ার পর মরদেহটি দীর্ঘ সময় খোলা আকাশের নিছে পড়ে ছিল। মরদেহ উদ্ধারের অনুমতি পেতে তাদের নয় দিন অপেক্ষা করতে হয়েছে। 

অবশেষে মরদেহটি একটি কালো ব্যাগে করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘ সময় খোলা স্থানে পড়ে থাকার কারণে মরদেহে পচন ধরেছিল বলে স্বজনরা জানান।

ইসরায়েলি হামলায় হামাসের শীর্ষ কমান্ডার নিহত

অনলাইন ডেস্ক
ইসরায়েলি হামলায় হামাসের শীর্ষ কমান্ডার নিহত
সংগৃহীত ছবি

গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় হামাসের শীর্ষ এক কমান্ডার নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। 

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলছে, শুক্রবার এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, নিহত ওই কমান্ডারের নাম ইয়াহইয়া সাঈদ মোহাম্মদ হামদান। তিনি হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেডের নুখবা ইউনিটের প্রধান ছিলেন। একই সঙ্গে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের রেইম এলাকায় চালানো হামলার নেতৃত্বে জড়িত ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, দক্ষিণ গাজায় বৃহস্পতিবার পরিচালিত একটি নির্ভুল বিমান হামলায় তাকে হত্যা করা হয়েছে।

ইসরায়েলের দাবি, ওই কমান্ডার সেখানে অভিযান পরিচালনাকারী তাদের সেনাদের জন্য তাৎক্ষণিক হুমকি হয়ে উঠেছিলেন।